রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন
উত্তর : বাড়ীতে কেবল স্বামী-স্ত্রী থাকার সময় তারা যেরকম ইচ্ছা পোশাক পরে থাকতে পারে। এতে শরী‘আতে কোন বাধা নেই। এমনকি এ সময় সতর খোলা থাকলেও আপত্তি নেই। কিন্তু পরিবারের লোকজন বা অন্য লোকদের সামনে হাফপ্যান্ট পরা যাবে না। এটা বেহায়াপনা ও অশ্লীলতার লক্ষণ। তাছাড়া এটা অসভ্য বিধর্মী ও উলঙ্গ বিজাতীদের অনুকরণ। এদের অনুকরণ করা শরী‘আতে নিষিদ্ধ (আবূ দাঊদ, হা/৪০৩১, সনদ ছহীহ)।

আর শুধু স্বামী-স্ত্রী হলে বৈধ। কারণ আল্লাহ তা‘আলা স্বামী-স্ত্রীর একে অপরের জন্য সম্পূর্ণ হালাল করেছেন এবং তাদের মাঝে কোন ধরণের পর্দা আবশ্যক করেনি। সুতরাং ঘরে স্বামী অথবা স্ত্রী উভয়ই তাদের অভিরুচি অনুযায়ী যে কোনও পোশাক পরতে পারে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, هُنَّ لِبَاسٌ لَّكُمْ وَأَنتُمْ لِبَاسٌ لَّهُنَّ ‘তারা (স্ত্রীরা) তোমাদের জন্য পোশাক এবং তোমরা তাদের জন্য পোশাক’ (সূরা আল-বাকারাহ : ১৮৭)। উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় ইমাম কুরতুবী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘পোশাক মূলত কাপড়। কিন্তু স্বামী-স্ত্রী একে অপরের জন্য পোশাক বলা হয়েছে এ জন্য যে, দেহের সাথে দেহের সংযোগ ঘটে, একে অপরের সাথে মিলিত হয় এবং পোশাকের মত একে অপরের সঙ্গে থাকে’ (ইমাম কুরতুবী, আল-জামি‘ঊ লি আহকামিল কুরআন, ২য় খণ্ড, পৃ. ৩১৬)।

বাহয ইবনু হাকিম (রাযিয়াল্লাহু আনহু) তার পিতা হতে তিনি তার দাদা হতে বর্ণনা করেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)!

عَوْرَاتُنَا مَا نَأْتِى مِنْهَا وَمَا نَذَرُ قَالَ احْفَظْ عَوْرَتَكَ إِلَّا مِنْ زَوْجَتِكَ أَوْ مَا مَلَكَتْ يَمِيْنُكَ

‘আমাদের আবরণীয় অঙ্গসমূহ কার সামনে আবৃত রাখব এবং কার সামনে অনাবৃত করতে পারি? তিনি বললেন, ‘তোমার স্ত্রী ও দাসী ব্যতীত সকলের সামনে তা আবৃত রাখ’ (আবূ দাঊদ, হা/৪০১৭, সনদ হাসান)। তবে বুঝমান ছেলেমেয়ে, অন্যান্য মহিলা বা পুরুষদের সামনে অবশ্যই সতর ঢাকতে হবে এবং শালীন পোশাক পরে চলাফেরা করতে হবে।


প্রশ্নকারী : মেহেদী, ঢাকা।





প্রশ্ন (২০) : জনৈক বক্তা বলেন, রাসূল (ﷺ) নবজাতক অবস্থায় একদিন তাঁর মা বাড়ীর আঙ্গিনায় শুইয়ে রেখেছিলেন। অন্যদিকে তাঁর জন্মের পূর্বে তাঁর পিতা আব্দুল্লাহ ইন্তিকাল করাই মা আমিনার মন খারাপ ছিল। এমতাবস্থায় চাচা আবূ তালিব বলেন, আমি ঐ অবস্থায় লক্ষ্য করলাম যে, মুহাম্মাদ (ﷺ) যখন তার হাত ডানদিকে নিচ্ছে তখন চন্দ্র ডান দিকে যাচ্ছে, আর যখন হাত বাম দিকে যাচ্ছে তখন চন্দ্র বাম দিকে যাচ্ছে। আর যখন উভয় হাত নিজের দিকে টেনে নিচ্ছে, তখন চন্দ্রও তাঁর নিকটবর্তী হচ্ছে। নবুওয়াত প্রাপ্তির পর চাচা আবূ তালিব এ সম্পর্কে রাসূল (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, জন্মের পূর্বে আমার পিতা মারা যাওয়ায় আমার মায়ের মন খারাপ ছিল। তাই ঐ সময়ের জন্য আল্লাহ তা‘আলা চন্দ্রকে আমার খেলনাস্বরূপ বানিয়ে দিয়েছিলেন। যাতে আমার আনন্দের কোন ঘাটতি না পড়ে’। উক্ত ঘটনা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮): ‘এ যুগে মুসলিমদের দরিদ্রতা, দুর্বলতা ও পিছিয়ে থাকার কারণ হচ্ছে- অর্থনৈতিক অগ্রগতির তুলনায় জনসংখ্যা বিস্ফোরণ ও অধিক জন্মহার’। এ কথাটির ব্যাপারে শারঈ হুকুম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : মদীনায় একদিন রামাযানের ছিয়াম রাখা, অন্য শহরের এক হাযার রামাযানের চেয়ে উত্তম। মদীনায় একদিনের জুম‘আর ছালাত অন্য শহরে এক হাযার জুম‘আ পড়ার চেয়েও উত্তম’ (ত্বাবারাণী, আল-মু‘জামুল কাবীর ১/৪৯৩ পৃঃ, হা/১১৪৪)। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : অমুসলিম দেশে কাজের উদ্দেশ্যে যাওয়া যাবে কি? এমন দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের হুকুম কী? এ বিষয়ে সৌদি ফাতাওয়া বোর্ডের অভিমত কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : আমি একজন হানাফী ও ছূফী। ভবিষ্যতে পীর হব। আক্বীদা বিশুদ্ধ রেখে আমি কি পীর হতে পারব? পীর-মুরিদী ও ছূফীবাদ সম্পর্কে আহলুল হাদীছের দৃষ্টিভঙ্গি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : মৃত ব্যক্তির নামে কুরবানী করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ইহরাম অবস্থায় নারীরা কিভাবে পর্দা করবে? নারীরা মুখে নিক্বাব পরতে পারবে না- এরকম কোন শর্ত আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : রামাযান মাসে ওমরাহ করলে হজ্জের নেকী পাওয়া যায়। এই বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : ‘সালামালাইকুম’ অর্থ কী? এভাবে সালাম দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : যদি সূদ বা হারামে জড়িত থাকা অবস্থায় হারাম ছাড়া দু‘আ করে, তাহলে দু‘আ কবুল হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : কোন মুসলিমকে কাফের বলার জন্য কোন শর্ত আছে কী? তাকফীরের মূলনীতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : ট্রান্সজেন্ডার বা হিজড়াদের ব্যাপারে একজন মুমিনের কেমন ধারণা থাকা উচিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ