মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৩ অপরাহ্ন
উত্তর : রামাযানের ক্বাযা ছিয়াম যত দ্রুত সম্ভব আদায় করে নেয়া উচিত। কারণ আল্লাহ তা‘আলা মুমিনদের বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, اُولٰٓئِکَ یُسٰرِعُوۡنَ فِی الۡخَیۡرٰتِ وَ ہُمۡ لَہَا سٰبِقُوۡنَ ‘তারাই কল্যাণকর কাজ দ্রুত সম্পাদন করে এবং তারাই তার প্রতি অগ্রগামী হয়’ (সূরা আল-মুমিনূন : ৬১)। মাযহাব চতুষ্টয়ের সম্মতিক্রমে রামাযান মাসের ছিয়ামের ক্বাযা আগামী রামাযান আসার আগেই পূরণ করতে হবে (ফাৎহুল ক্বাদীর, ২/৩৫৫; মাওয়াহিবুল জালীল, ৩/৩৮৪; আল-মাজমূঊ, ৬/৩৬৫; আল-ইনছাফ, ৩/৩৩৪ পৃ.)। ইমাম বুখারী (রাহিমাহুল্লাহ) ছিয়াম অধ্যায়ে, بَاب مَتَى يُقْضَى قَضَاءُ رَمَضَانَ ‘রমাযানের ক্বাযা কখন আদায় করতে হবে?’ নামে একটি অনুচ্ছেদ রচনা করেছেন (৩০/৪০)। অতঃপর তিনি নিম্নোক্ত হাদীছটি বর্ণনা করেন।
আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, আমার উপর রামাযানের যে ক্বাযা ছিয়াম থাকত তা পরবর্তী শা‘বান মাস ব্যতীত আমি আদায় করার সুযোগ পেতাম না। ইয়াহ্ইয়া (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, নবী করীম (ﷺ)-এর ব্যস্ততার কারণে অথবা নবী করীম (ﷺ)-এর সঙ্গে ব্যস্ত থাকার কারণে। অন্য বর্ণনায় এসেছে, তিনি বলেন, ‘আমাদের কেউ (ঋতুস্রাব, প্রসবোত্তর স্রাব ইত্যাদি কারণে) রামাযান মাসের ছিয়াম পালন করতে পারত না, অতঃপর তার ঐ ক্বাযা আদায় করার সুযোগ পাওয়ার পূর্বেই শা‘বান মাস এসে যেত (ছহীহ বুখারী, হা/১৯৫০; ছহীহ মুসলিম, হা/১১৪৬)। ইমাম নাছিরুদ্দীন আলবানী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘এখানে আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর বাহ্যিক উক্তি থেকে এ কথাই পরিস্ফুটিত হয় যে, তাঁর ব্যস্ততা না থাকলে ছুটে যাওয়া ছিয়াম সত্বরই ক্বাযা করতেন। এ থেকে বুঝা যায় যে, যার কোন সমস্যা-অসুবিধা নেই, তার জন্য দেরী না করে সত্বর ক্বাযা আদায় করে নেয়াই অধিক উত্তম’ (তামামুল মিন্নাহ, পৃ. ৪২২)।

শায়খ উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘অর্থাৎ সে অন্য যে কোন দিনে ছিয়াম আদায় করে নিবে। এখানে আল্লাহ তা‘আলা ধারাবাহিকভাবে বা সাথে সাথে রাখার শর্ত আরোপ করেননি। সে শর্তের কথা উল্লেখ থাকলে অবশ্যই তা সত্বর পালনীয় হত। অতএব বুঝা গেল যে, এ ব্যাপারে প্রশস্ততা আছে’ (আশ-শারহুল মুমতি‘, ৬/৪৪৯ পৃ.)। তবে ঈদের পরে সমস্যা দূর হয়ে গেলে সুযোগ হওয়ার সাথে সাথে সত্বর ক্বাযা আদায় করে নেয়াই উচিত। কারণ তাতে সত্বর দায়িত্ব পালন হয়ে যায় এবং পূর্বসতর্কতামূলক কর্ম সম্পাদন করা হয় (আশ-শারহুল মুমতি‘, ৬/৪৪৬ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : আশিক, গোপালগঞ্জ।





প্রশ্ন (২২) : জনৈক ব্যক্তির পিতা সূদী ব্যাংকে টাকা রেখে সেই টাকার সূদ ভক্ষণ করে। তাকে বুঝালেও সে বুঝে না। তিনি মারা যাওয়ার পর যদি তার কবরের পাশে গিয়ে তার সন্তান ৪০ দিন পর্যন্ত সূরা ইয়াসিন তেলাওয়াত করে, তবে তার পিতার কবরের আযাব মাফ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : সূদি ব্যাংকে সকল প্রকার চাকুরী কি নিষিদ্ধ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : গান-বাজনা হারাম মর্মে কোন্ কোন্ দলীল পেশ করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : অমুসলিমদের টাকা দিয়ে মসজিদ নির্মাণ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : ছিয়াম ভঙ্গের কারণগুলো কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : ছালাত আদায় করার সময় শুধু রুকূ‘ পেলেই কি পুরো রাকা‘আত পাওয়া হবে, না-কি পরবর্তীতে ঐ রাক‘আত আবার পড়তে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : যেকোন মসজিদে ই‘তিকাফ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : সঊদী আরবে দেখা যায় যে, মাসবূক ব্যক্তি ছালাতের ইমামতি করছে। প্রশ্ন হল- এরূপ করা কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : রোম ও পারস্যের সম্রাটের নাম কী? রাসূল (ﷺ) ও খলীফাগণের যুগে তাদের অবস্থান কেমন ছিল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : আমি আমার স্বামীর কাছ থেকে খোলা ত্বালাক্ব নিয়েছি। কারণ সে ছালাত আদায় করে না, ছিয়াম পালন করে না। এ ব্যাপারে তাকে অনেক দিন থেকে নছীহত করা সত্ত্বেও তার কোন পরিবর্তন হয়নি। অথচ আমি ছালাত আদায় করলে, ছিয়াম পালন করলে, কুরআন ও হাদীছ পড়াশোনা করলে অত্যাচার করে। তাই খোলা ত্বালাক্ব নিতে বাধ্য হয়েছি। ১ মাস পার হয়েছে। এখন একজন ছালাত আদায়কারী ছেলে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছে। আমি তাতে রাজিও আছি কিন্তু আমার পিতা রাজি হচ্ছে না। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তির জন্য তা‘বীয ব্যবহার করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : ঘুমানোর পূর্বে করণীয় ও তার ফযীলত কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ