রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
উত্তর : আল্লাহ তা‘আলা যেদিন কলম সৃষ্টি করেছেন, সেদিন থেকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত যত মাখলূক্ব সৃষ্টি হবে, তার সবই লাওহে মাহফূযে লিপিবদ্ধ আছে। আল্লাহ তা‘আলা কলম সৃষ্টি করে বললেন, লেখ। কলম বলল, হে আমার প্রতিপালক! আমি কী লিখব? আল্লাহ তা‘আলা বললেন, ক্বিয়ামত পর্যন্ত যা কিছু হবে সবই লিখে ফেল। সে সময় ক্বিয়ামত পর্যন্ত যা কিছু পৃথিবীর বুকে সংঘটিত হবে, কলম সব কিছুই লিখে ফেলল (মুসনাদে আহমাদ, হা/২২৭৫৭, সনদ হাসান)। অন্যত্র বর্ণিত হয়েছে, ‘ভ্রুণ মাতৃগর্ভে চার মাস অতিবাহিত হওয়ার পর আল্লাহ তা‘আলা একজন ফেরেশতা প্রেরণ করেন। ফেরেশতা তার মধ্যে রূহ ফুঁকে দেন এবং লিখে দেন তার রিযিক্ব, বয়স, আমল ও তিনি সৌভাগ্যবান, না-কি দুর্ভাগা’ (ছহীহ বুখারী, হা/৭৪৫৪; ইবনু মাজাহ, হা/৭৬; মুসনাদে আহমাদ, হা/৩৬২৪)। এমনকি রিযিক অন্বেষণের সাথে সাথে রিযিক্ব অন্বেষণের উপকরণও লিপিবদ্ধ আছে। আল্লাহ বলেন, ‘তিনি তোমাদের জন্য পৃথিবীকে সুগম করেছেন। অতএব তোমরা তাতে বিচরণ কর এবং তার দেয়া রিযিক আহার কর। তাঁরই কাছে পুনরুজ্জীবন হবে’ (সূরা আল-মুলক : ১৫)।

উল্লেখ্য যে, রিযিক পাওয়া এবং তা বৃদ্ধি হওয়ার অন্যতম মাধ্যম হল, তাক্বওয়া অবলম্বন করা (সূরা আত-ত্বালাক্ব : ২-৩) এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা (ছহীহ বুখারী, হা/৫৯৮৬; মিশকাত, হা/৪৯১৮; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/৪৭০১, ৯/১১৪-১১৫ পৃ.)। তবে রিযিক নির্ধারিত থাকায় তার উপকরণ অনুসন্ধান করা যাবে না এ কথা ঠিক নয়। বরং রিযিক অন্বেষণ করতে হবে। আর রিযিক যেভাবে লিপিবদ্ধ আছে, বিবাহ করাও সেভাবে নির্ধারিত আছে। এই পৃথিবীতে কে কার স্বামী বা স্ত্রী হবে, তাও নির্দিষ্ট রয়েছে। কেননা আসমান-যমীনের কোন কিছুই আল্লাহর কাছে গোপন নয় (ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম, প্রশ্ন-৬৩, পৃ. ১২৫-১২৬)।




প্রশ্ন (২৬) : জনৈক ব্যক্তি একটি ক্লিনিকের হিসাব রক্ষক হিসাবে চাকুরী করে। ক্লিনিকের মালিক মূলধন ব্যাংকে রেখে সেখান থেকে ইন্টারেস্ট নেয় এবং তা থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দেয়। এক্ষণে ঐ ব্যক্তি কি সূদের বিধানের আওতায় পড়বে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : ছালাতে হাত বাঁধা সম্পর্কে সঊদী আরবের সর্বোচ্চ ফাতাওয়া বোর্ড এবং শায়খ ইবনু বায, আলবানী, শায়খ উছায়মীন (রাহিমাহুমুল্লাহ) কী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন? নাভীর নিচে বাঁধতে বলেছেন, না-কি বুকের উপর? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : গীবত বা বান্দার সাথে সংশ্লিষ্ট গুনাহ মাফ করানোর জন্য কী কী কাজ করা যেতে পারে, যদি সে বান্দাকে না পাওয়া যায়?   - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : তারাবীহ-এর জামা‘আতে বিতরের ছালাতে ইমামের সশব্দে দু‘আ কূনূত পাঠ করা এবং মুক্তাদীগণের আমীন বলার কি কোন প্রমাণ আছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : কাফির ও মুুশরিকের মধ্যে কোন পার্থক্য আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : বিভিন্ন দল ও গ্রুপের মধ্যে যে মতভেদ বিদ্যমান, তাতে একজন মুসলিমের ভূমিকা কেমন হবে?
প্রশ্ন (১৭) : আমি একজন বেসরকারি চাকুরিজীবী। মাসে ৮-১০ দিন আমাকে টানা ২৪ ঘন্টা অফিস করতে হয়। এই দীর্ঘ সময়ে ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় অফিসের অনেক হক্ব নষ্ট হয় যেমন অলসতা, গাফেলতি, ঘুম, ছলচাতুরী ও নেট ব্রাউজিং এর মাধ্যমে (যা চেষ্টা করলেও শতভাগ রক্ষা করা প্রায়ই অসম্ভব)। এমতাবস্থায় উপার্জনে হারামের সংশয় নিরসনে- এই হক্ব নষ্টের কোন কাফ্ফারা আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : জনৈক ছাহাবী রাসূল (ﷺ)-এর নিকট এসে বিনীতভাবে বললেন, দুনিয়া আমার দিকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে অর্থাৎ তিনি দারিদ্র্যের কথা বলেন। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, ‘তুমি কি সেই তাসবীহ মুখস্থ করনি, যা ফেরেশতাদের তাসবীহ এবং এর বরকতে রিযিক প্রদান করা হয়? এই দুনিয়ার চাহিদা তোমার কাছে প্রচুর পরিমাণে আসবে। প্রতিদিন ভোরবেলা তথা সুবহে ছাদিকের পর এই তাসবীহটি প্রতিদিন ১০০ বার পড়ুন। তাসবীহটি হল- ‘সুবহা-নাল্ল-হি ওয়া বিহামদিহি, সুবহা-নালল্ল-হিল আযীম ওয়াবিহামদিহি এবং আস্তাগফিরুল্লাহ’। অতঃপর সাতদিন পর, সেই একই ছাহাবী আবার এলেন এবং বিনীতভাবে বললেন, হে আল্লাহ রাসূল (ﷺ)! দুনিয়া (সম্পদ) আমার কাছে এত বেশি পরিমাণে আসছে যে আমি জানি না কিভাবে বহন করতে হবে বা কোথায় রাখব। আমি একেবারে বিস্মিত যে, এটা দিয়ে কী করা যায়’ (লিসানুল মীযান, ৪/৩০৪ পৃ., হা/৫১০০)। উক্ত বর্ণনা কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : আমি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে কর্মরত। আমার প্রতিষ্ঠানের পার্শ্বে একটি ক্যাফিটেরিয়া আছে, যেখানে সরকারীভাবে শুধু ব্যাচেলর সৈনিকদের খাবার খাওয়ানো হয়। প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ খাবার অতিরিক্ত থেকে যায়। নিধার্রিত সময় শেষ হলে ঐ খাবারগুলো ডাস্টবিনে ফেলে দেয়া হয়। নির্ধারিত সময় শেষে ঐ খাবার নিয়ে এসে খেলে হালাল হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : ‘হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা অধিক ধারণা হতে বিরত থাকো’ (সূরা আল-হুজুরাত: ১২)। এ আয়াতটির ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : গীবত করা যেনার চেয়ে বড় পাপ। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : আমি একটা প্রাইভেট কোম্পানীতে চাকুরী করি। সেখানে ভ্যান, রিকশা অথবা অটোতে করে মাল ডেলিভারী দেয়। কোম্পানী আমাকে ভ্যান ভাড়ার জন্য ১৫০ টাকা আর রিকশা ভাড়ার জন্য ৫০ টাকা দেয়। কোম্পানী কিন্তু আমার কাজের জন্য বেতনও প্রদান করে। তাহলে কি আমি ঐ টাকার থেকে কম খরচ করে অবশিষ্ট টাকা আমি নিতে পারবো কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ