রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন
উত্তর : কুরআন অবমাননাকারীরা নিশ্চিতরূপে কাফির। উম্মাহর ইজমা অনুযায়ী যে ব্যক্তি কুরআনুল কারীমকে অথবা এর কিছু অংশকে, এমনকি কেউ যদি একটি মাত্র আয়াত অথবা অক্ষরকে অস্বীকার করে তবুও সে কাফির। আল্লাহ বলেন, ‘যারা কুফরী করেছে এবং আমার আয়াতসমূহে মিথ্যারোপ করেছে, তারাই জাহান্নামবাসী’ (সূরা আল-মায়িদাহ : ১০, ৮৬)‌। অন্যত্র বলেন, ‘নিশ্চয় যারা তাদের নিকট কুরআন আসার পর তা প্রত্যাখ্যান করে, (তাদেরকে কঠিন শাস্তি দেয়া হবে)। আর এ অবশ্যই এক মহিমাময় গ্রন্থ’ (সূরা আল-ফুছছিলাত : ৪১)। ‘নিশ্চয় যারা আমার আয়াতসমূহকে অবিশ্বাস করে তাদেরকে আমি অচিরেই আগুনে প্রবিষ্ট করব। যখনই তাদের চর্ম দগ্ধ হবে, তখনই তার স্থলে নতুন চর্ম সৃষ্টি করব, যাতে তারা শাস্তি ভোগ করতে থাকে। নিশ্চয় আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়’ (সূরা আন-নিসা : ৫৬)। আবূ হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন, ‘কুরআন সম্বন্ধে সন্দেহ করা কুফরী’ (আবূ দাঊদ, হা/৪৬০৩, সনদ হাসান ছহীহ)।

আবূ উছমান আল-হাদ্দাদ, ইমাম ইবনু আব্দিল বার্র, ইবনু কুদামাহ আল-মাক্বদিসী, ইমাম নববী, কাযী আয়ায, ইবনু বাত্তাহ, ইমাম ইবনু হায্ম, শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ ও ইবনু নুযাইম আল-হানাফী (রাহিমাহুমুল্লাহ) বলেন, ‘তাওহীদপন্থীদের ঐকমত্যানুসারে কুরআনুল কারীমের কোন একটি আয়াত অথবা অক্ষরকে অস্বীকার করলেও সে কাফির। সূরা ফাতিহা থেকে শুরু করে সূরা নাস পর্যন্ত পুরো কুরআনুল কারীম আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ থেকে নাযিলকৃত। সুতরাং এর মধ্যে বিন্দুমাত্র দ্বিধাগ্রস্ত হলে বা কমবেশি করলে সে কাফির (কাযী আয়ায, আশ-শিফা বি তা‘রীফি হুকূক্বিল মুছত্বাফা, ২/১১০১-১১০৫ পৃ.; আত-তামহীদ, ৪/২৭৮-২৭৯ পৃ.; হিকায়াতুল মুনাযারাতি ফিল কুরআন মা বা‘জি আহলিল বিদ‘আহ, পৃ. ৩৩; আল-মাজমূঊ, ২/১৯৩ পৃ.; শারহুন নববী, ৬/৮৮ পৃ.; আল-মুহাল্লা, ১/৩২ পৃ.; আছ-ছারিমুল মাসলূল আলা শাতিমির রাসূল, ৩/১১২১ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ আল-মামুন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।





প্রশ্ন (৫) : মেয়ের বিয়ের পরে পিতা তাকে শাসন করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র যদি পাপ মুক্তের জন্য বিয়ে করে এবং বিয়ের পর স্ত্রী তার বাবার বাড়িতে থেকে দুইজন পৃথকভাবে লেখাপড়া করে, তাহলে কি জায়েয হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : সকল কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়ার সাথে সাথে দরুদে ইবরাহীম ছওয়াবের আশায় পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : খ্রিষ্টানদের পরিচালিত কলেজে অধ্যয়ন করার কারণে নিয়মানুযায়ী ক্রুশযুক্ত পোশাক পরতে হয়। এই পোশাক পরা কি শরী‘আতসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : খাৎনা করার সময় মুখে মিষ্টি দেয়া হয়, অনুষ্ঠান করা, গানবাজনা করা এবং গোসল দেয়ার সময় বিভিন্ন নিয়ম পালন করা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : ‘হারূত-মারূত’ এবং ‘যোহরা’ নামক মহিলার ব্যাপারে সমাজে প্রচলিত কাহিনী কি সত্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : স্বভাবে অভ্যস্ত হয়ে পড়ার সমস্যা সমাধান করার কোন উপায় আছে কি? অর্থাৎ আমি যখন নির্দিষ্ট কোন সূরা খুব খুশুর (মনোযোগের) সাথে পড়ি কিছুদিন গত হওয়ার পর আমি অনুভব করি যে, আমার সেই খুশু দুর্বল হয়ে গেছে। যেন আমার অন্তর অর্থ বুঝা ও অনুবাধন করার বিষয়ে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং এটাকেই যথেষ্ট হিসাবে গ্রহণ করেছে। অনুরূপ অবস্থা অন্য দু‘আগুলো পড়ার ক্ষেত্রেও ঘটে। এর কোন সমাধান আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টের জন্য অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসব বা যা ইসলামে হারাম করা হয়েছে সেসবের ডিজাইন করতে হয়। আবার কোন সময় গানের ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে হয়। এক্ষেত্রে কেউ গান শুনলে ডিজাইনার কি গুনাহ পেতে থাকব? আবার বিদেশী নারী ক্লায়েন্টের জন্য বিদেশী নারীদের ছবি ডিজাইনের কাজ করতে হয়। প্রশ্ন হল- এরকম ডিজাইনের কাজ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ইসলামে বান্দার হক্ব তথা হাক্বুল ইবাদের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এখন কেউ যদি ঘুষ খায়, তাহলে তো বান্দার হক্ব সরাসরি বিনষ্ট হল। আর বান্দার হক্ব নষ্ট করলে, তা সেই বান্দার নিকট গিয়ে ক্ষমা চাইতে হয়। এখন ঘুষ খেলে তো পুরো দেশবাসীর নিকটই ক্ষমা চাইতে হবে! এমতাবস্থায় সে ব্যক্তির ব্যাপারে ক্বুরআন ও হাদীছের ফায়সালা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : আমি যদি আওয়াল ওয়াক্তে একাকী ছালাত আদায় করি, তাহলে কি জামা‘আতের নেকী থেকে বঞ্চিত হব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : ব্যাংকে চাকরীর পর প্রাপ্ত পেনশনের টাকায় ব্যবসা করলে উপার্জন হালাল হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : আমার দুই সন্তান আছে। আমরা তাদের নিয়ে একটা সুখী পরিবার। এখন আমরা আর সন্তান নিতে চাই না। উল্লেখ্য, দরিদ্র্য হওয়ার ভয়ে নয়। এই দু’জনকে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ শ্রম এবং সময় দিয়ে যোগ্য দ্বীনদার হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। এই চিন্তায় কি জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অবলম্বন করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ