মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫১ অপরাহ্ন
উত্তর : প্রাণীর আকৃতির পুতুল খেলনা হিসাবে ব্যবহার করা ঠিক নয়। কারণ এগুলো মূর্তি সদৃশ। অনেকেই আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর পুতুল নিয়ে খেলা করার হাদীছটি পেশ করে বৈধ বলতে চান (ছহীহ বুখারী, হা/৬১৩০; মিশকাত, হা/৩২৪৩)। অথচ তা ঠিক নয়। শায়খ মুহাম্মাদ ইবনু জামীল যাইনু (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বাড়ীতে মাটি দিয়ে নিজ হাতে এই পুতুল বানিয়েছিলেন। অতএব এভাবে মাটির পুতুল বানিয়ে তাকে কাপড় পরানো ও সেবাযত্ন করার মাধ্যমে মেয়েরা ভবিষ্যতে সন্তান পালনের প্রশিক্ষণ নিতে পারে। এতে দোষ নেই। কিন্তু এই অজুহাতে বাজার থেকে বিভিন্ন প্রাণীর আকৃতির খেলনা পুতুল কিনে আনা জায়েয নয়। কেননা এটি একদিকে অপচয়, অন্যদিকে যদি বিদেশী কোম্পানীর খেলনা হয়, তবে তা আরো নিষিদ্ধ। কেননা এই সুযোগে মুসলিমদের পয়সা অমুসলিম দেশ সমূহে চলে যায় (তাওজীহাত ইসলামিয়্যাহ, পৃ. ১১২)। তাছাড়া বর্তমানে ছেলে মেয়ে ছোট-বড় প্রায় সবার মাঝেই মূর্তি সদৃশ এই পুতুল পূজার প্রভাব দেখা দিচ্ছে। শায়খ বিন বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘খেলনা পুতুল থেকে বিরত থাকাই উত্তম। কেননা এখানে দু’টি সন্দেহযুক্ত বিষয় রয়েছে, (এক) আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর অনুমতি দেয়ার ঘটনাটি ছবি-মূর্তি নিষিদ্ধ হওয়ার এবং এগুলোকে নিশ্চিহ্ন করার সাধারণ নির্দেশের পূর্বের ঘটনা (ফাৎহুল বারী, ১০ম খণ্ড, পৃ. ৫২৭; ইবনু বায, মাজমূ‘ঊ ফাতাওয়া, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ২২২)। (দুই) এটি নিষেধাজ্ঞা বহির্ভূত একটি খাছ বিষয়। কেননা পুতুল খেলা এক ধরনের হীনকর কাজ। দু’টিকেই দু’দল বিদ্বান সমর্থন করেছেন। সেকারণে সন্দেহ থেকে বাঁচার জন্য এগুলো থেকে বিরত থাকাই উত্তম। কেননা রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, دَعْ مَا يَرِيبُكَ إِلَى مَا لَا يَرِيبُكَ ‘তুমি সন্দেহযুক্ত বিষয় পরিত্যাগ করে সন্দেহমুক্ত বিষয়ের দিকে ধাবিত হও’ (তিরমিযী, হা/২৫১৮; নাসাঈ, হা/৫৭১১; মিশকাত, হা/২৭৭৩, সনদ ছহীহ)। তিনি আরো বলেন, وَمَنْ وَقَعَ فِى الشُّبُهَاتِ وَقَعَ فِى الْحَرَامِ ‘যে ব্যক্তি সন্দেহপূর্ণ বিষয়ে পতিত হল, সে হারামে পতিত হল’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৫৯৯; আবূ দাঊদ, হা/৩৩৩০; মিশকাত, হা/২৭৬২; ইবনু বায, মাজমূ‘ঊ ফাতাওয়া, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ২২২)।

প্রশ্নকারী : আনোয়ারুল ইসলাম, মাগুরা।




প্রশ্ন (৫) : হারাম পন্থায় উপার্জিত টাকা দিয়ে যদি কাউকে খাদ্য খাওয়ার দাওয়াত দেয় অথবা কোন উপঢৌকন দেয়, তাহলে তা গ্রহণ করা বৈধ হবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : হজ্জ থেকে প্রত্যাবর্তনকারী হাজ্জীদের স্বাগত জানানো যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : কোন্ কোন্ শর্ত পূরণ করলে তওবাহ বিশুদ্ধ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : কিভাবে নফসের প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : স্বামী যদি স্ত্রীর সাথে কাজের লোকের মত আচরণ করে, উঠতে বসতে বিশ্রী গালি-গালাজ করে, রাস্তা-ঘাট অপমান ও অবহেলা করে। এমতাবস্থায় উক্ত সমস্যার সমাধানের জন্য স্ত্রী কি তার পিতা-মাতাকে জানাতে পারে? জানালে কি অন্যায় হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : ছালাতে ওযূ ছুটে গেলে কী করণীয়? এমতাবস্থায় লজ্জায় যদি কেউ ছালাত চালিয়ে যায়, তাহলে কি কাবীরা গুনাহ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : প্রতি বছর ‘আরাফার দিন (৯ যিলহজ্জ) ছিয়াম রাখা সুন্নাত। কিন্তু বাংলাদেশের হিসাব অনুযায়ী সাধারণত ৮ কিংবা ৭ যিলহজ্জ তারিখে ‘আরাফা হয়। এক্ষণে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : বিধর্মীরা কাপড় ধৌত করলে বা সেলাই করলে সেই কাপড় পরা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : বিভিন্ন এলাকায় ফিতরা ও কুরবানীর অর্থ থেকে ইমাম-মুওয়াযযিনের বেতন দেয়া হয়। এটা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : সন্তান-সন্ততি এবং অর্থ-সম্পদ তোমাদের জন্য পরীক্ষা স্বরূপ (আনফাল ২৮; তাগাবুন ১৫)। এ কথার সঠিক ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : জনৈক বক্তা বলেন, ক্বদরের রাতে মানুষের বার্ষিক রিযিক, হায়াত, মউত ইত্যাদি নির্ধারণ করা হয়। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : হতাশা থেকে মুক্তির উপায় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ