বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:২৫ অপরাহ্ন
উত্তর : প্রাণীর আকৃতির পুতুল খেলনা হিসাবে ব্যবহার করা ঠিক নয়। কারণ এগুলো মূর্তি সদৃশ। অনেকেই আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর পুতুল নিয়ে খেলা করার হাদীছটি পেশ করে বৈধ বলতে চান (ছহীহ বুখারী, হা/৬১৩০; মিশকাত, হা/৩২৪৩)। অথচ তা ঠিক নয়। শায়খ মুহাম্মাদ ইবনু জামীল যাইনু (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বাড়ীতে মাটি দিয়ে নিজ হাতে এই পুতুল বানিয়েছিলেন। অতএব এভাবে মাটির পুতুল বানিয়ে তাকে কাপড় পরানো ও সেবাযত্ন করার মাধ্যমে মেয়েরা ভবিষ্যতে সন্তান পালনের প্রশিক্ষণ নিতে পারে। এতে দোষ নেই। কিন্তু এই অজুহাতে বাজার থেকে বিভিন্ন প্রাণীর আকৃতির খেলনা পুতুল কিনে আনা জায়েয নয়। কেননা এটি একদিকে অপচয়, অন্যদিকে যদি বিদেশী কোম্পানীর খেলনা হয়, তবে তা আরো নিষিদ্ধ। কেননা এই সুযোগে মুসলিমদের পয়সা অমুসলিম দেশ সমূহে চলে যায় (তাওজীহাত ইসলামিয়্যাহ, পৃ. ১১২)। তাছাড়া বর্তমানে ছেলে মেয়ে ছোট-বড় প্রায় সবার মাঝেই মূর্তি সদৃশ এই পুতুল পূজার প্রভাব দেখা দিচ্ছে। শায়খ বিন বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘খেলনা পুতুল থেকে বিরত থাকাই উত্তম। কেননা এখানে দু’টি সন্দেহযুক্ত বিষয় রয়েছে, (এক) আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর অনুমতি দেয়ার ঘটনাটি ছবি-মূর্তি নিষিদ্ধ হওয়ার এবং এগুলোকে নিশ্চিহ্ন করার সাধারণ নির্দেশের পূর্বের ঘটনা (ফাৎহুল বারী, ১০ম খণ্ড, পৃ. ৫২৭; ইবনু বায, মাজমূ‘ঊ ফাতাওয়া, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ২২২)। (দুই) এটি নিষেধাজ্ঞা বহির্ভূত একটি খাছ বিষয়। কেননা পুতুল খেলা এক ধরনের হীনকর কাজ। দু’টিকেই দু’দল বিদ্বান সমর্থন করেছেন। সেকারণে সন্দেহ থেকে বাঁচার জন্য এগুলো থেকে বিরত থাকাই উত্তম। কেননা রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, دَعْ مَا يَرِيبُكَ إِلَى مَا لَا يَرِيبُكَ ‘তুমি সন্দেহযুক্ত বিষয় পরিত্যাগ করে সন্দেহমুক্ত বিষয়ের দিকে ধাবিত হও’ (তিরমিযী, হা/২৫১৮; নাসাঈ, হা/৫৭১১; মিশকাত, হা/২৭৭৩, সনদ ছহীহ)। তিনি আরো বলেন, وَمَنْ وَقَعَ فِى الشُّبُهَاتِ وَقَعَ فِى الْحَرَامِ ‘যে ব্যক্তি সন্দেহপূর্ণ বিষয়ে পতিত হল, সে হারামে পতিত হল’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৫৯৯; আবূ দাঊদ, হা/৩৩৩০; মিশকাত, হা/২৭৬২; ইবনু বায, মাজমূ‘ঊ ফাতাওয়া, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ২২২)।

প্রশ্নকারী : আনোয়ারুল ইসলাম, মাগুরা।




প্রশ্ন (৪) : বিবাহ পড়ানোর পর ইমামকে যে হাদিয়া দেয়া হয় তা নেয়া যাবে কি? মসজিদ কমিটির লোকজন মসজিদ, গোরস্থান ইত্যাদির জন্য বরপক্ষের কাছে দান চায়, দিতে না চাইলে চাপ প্রয়োগ করে টাকা নেয়া হয়। এগুলো কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : পিতা-মাতার কর্মের কারণে সন্তান পঙ্গু অবস্থায় জন্ম নেয়। এমন বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : ছালাতে আমীন বলতে হবে ইমামের সাথে, না-কি ইমামের পরে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪১) : ছালাতে একাকী কাতারের পিছনে দাঁড়ানো যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : হজ্জের নিয়ত করার পর যদি কোন কারণে সে বছর হজ্জ করা সম্ভব না হয়, তাহলে পাপ হবে কি এবং এজন্য কাফ্ফারা দিতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : যেখানে পানির ব্যবস্থা নেই সেখানে পেশাব করার পর শুধু টিস্যু পেপার দিয়ে পবিত্র হওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : হিন্দুদের কাটা ছাগলের চামড়া কোন মুসলিম কিনতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : হ্যাচারিতে মাছের কৃত্রিম প্রজননের জন্য ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে বিভিন্ন হরমোন প্রবেশ করানো হয়। বর্তমানে প্রাকৃতিক উৎস হতে মাছের পোনার পরিমাণ ক্রমশঃ কম হওয়ার কারণে এ পদ্ধতির কদর বাড়ছে। এভাবে অপ্রাকৃতিক পদ্ধতিতে পোনা উৎপাদন কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : একদিন মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে তার নাতি হুসাইন (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, আমি বড় না আপনি বড়? তখন নবী (ﷺ) বললেন যে, ‘তিনি বড়’। তখন হুসাইন (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলল, ‘না, আমি বড়’। তখন নবী (ﷺ) জিজ্ঞেস করলেন, কীভাবে? তিনি বললেন, ‘আপনার পিতার নাম কী?’ নবী (ﷺ) বললেন, আব্দুল্লাহ। হোসাইন (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলল, ‘আমার বাবা আলী, যাকে আল্লাহর সিংহ বলা হয়েছে’। ...পরিশেষে নবী (ﷺ) বলেন, ‘হোসাইন তুমিই বড়’। উক্ত ঘটনাটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : জনৈক আলিম বলেন, ‘ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম) মুসলিম জাতির পিতা নন। বরং সকলের জাতির পিতা আদম (আলাইহিস সালাম)। আবার কেউ কেউ বলেন, নবী-রাসূলগণের পিতা হচ্ছেন ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম)। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০): মসজিদের পশ্চিম দেওয়ালে ডিজিটাল ঘড়ি লাগানো যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : বিকাশ-এর মত প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ