উত্তর : কাফির দেশে ভ্রমণ করা জায়েয নয়। কারণ এতে আক্বীদা ও চরিত্রের উপর বিপদ রয়েছে, কাফিরদের সাথে মেলামেশা ও তাদের মাঝে বসবাসের বিষয় রয়েছে। তবে যদি যরূরী প্রয়োজন ও বৈধ উদ্দেশ্য থাকে- যেমন এমন চিকিৎসার জন্য ভ্রমণ, যা মুসলিম দেশে সম্ভব নয়, অথবা এমন পড়াশোনার জন্য, যা মুসলিম দেশে পাওয়া যায় না; অথবা ব্যবসার উদ্দেশ্যে-তাহলে এসব বৈধ উদ্দেশ্যের জন্য কাফির দেশে ভ্রমণ করা জায়েয। শর্ত হল, নিজের দ্বীনের সব বিধান সংরক্ষণ করতে পারা, ইসলামের প্রকাশ্য ইবাদতসমূহ পালন করার সক্ষমতা থাকা এবং প্রয়োজনের পরিমাণেই সেখানে অবস্থান করে দ্রুত মুসলিম দেশে ফিরে আসা। কিন্তু শুধু ভ্রমণের উদ্দেশ্যে কাফির দেশে ভ্রমণ করা জায়েয নয়, কারণ মুসলিমের এর কোন প্রয়োজন নেই এবং এতে যে ক্ষতি ও দ্বীনের ঝুঁকি রয়েছে, তার তুলনায় কোন লাভ নেই, বরং ক্ষতিই বেশি’ (আল-মুনতাক্বা মিন ফাতাওয়া আল-ফাওযান, প্রশ্ন নং-২২১)।
শাইখ মুহাম্মাদ ছালিহ আল-মুনাজ্জিদ (হাফিযাহুল্লাহ) বলেন, কাফির দেশগুলোতে পর্যটনের উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করা মুসলিমের দ্বীনের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ এসব দেশে এমন সব গুনাহ ও অশ্লীলতা চোখে পড়ে, যা হৃদয়কে আঘাত করে, ঈমান দুর্বল করে এবং দ্বীনি গায়রত (ধর্মীয় আত্মসম্মান) নষ্ট করে দেয়। এ কারণেই আলিমগণ এ ব্যাপারে কঠোরতা অবলম্বন করেছেন এবং সাধারণভাবে তা নিষেধ করেছেন (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-২৯৮১১৭)।
প্রশ্নকারী : আব্দুর রব, বরিশাল।