শুক্রবার, ২৪ Jul ২০২৬, ০১:১৪ পূর্বাহ্ন
উত্তর : ইসলামে সত্য গোপন করা একটি মারাত্মক গুনাহ এবং এটি আলেম ও জ্ঞানীদের ওপর আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে দেয়া আমানতের খেয়ানত। সত্য প্রকাশ না করলে যদি মানুষের দ্বীনী ক্ষতি হয়, তবে তা প্রকাশ করা ওয়াজিব। আল্লাহ তা‘আলা আহলে কিতাবদের (ইহুদী ও খ্রিস্টান) সত্য গোপন করার কারণে তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি বলেন, ‘নিশ্চয় যারা গোপন করে সুস্পষ্ট প্রমাণাদি ও হেদায়াত, যা আমি মানুষের জন্য কিতাবে সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করার পরও, তাদের প্রতি আল্লাহ অভিসম্পাত করেন এবং অভিসম্পাতকারীরাও অভিসম্পাত করে’ (সূরা আল-বাক্বারাহ : ১৫৯)।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আখেরাতের শাস্তির ভয় দেখিয়েছেন, مَنْ سُئِلَ عَنْ عِلْمٍ فَكَتَمَهُ أُلْجِمَ بِلِجَامٍ مِنْ نَارٍ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ‘যাকে কোন জ্ঞান সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো, আর সে তা গোপন করল, ক্বিয়ামতের দিন তাকে আগুনের লাগাম পরানো হবে’ (তিরমিযী, হা/২৬৪৯)। এই দলীলগুলোর ভিত্তিতে স্পষ্ট যে, সত্য গোপন করা মূলত হারাম (নিষিদ্ধ)।

ফিতনার আশঙ্কায় সত্য প্রকাশের নীতি :  শরী‘আতের একটি গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতি হল, বড় ক্ষতি বা বিশৃঙ্খলা এড়ানোর জন্য সাময়িকভাবে ছোট ক্ষতি বা সুবিধা ত্যাগ করা যেতে পারে। যখন কোন সত্য প্রকাশ করলে সমাজে তার চেয়ে বড় ধরনের ফিতনা (যেমন, মুসলিমদের মধ্যে রক্তপাত, অনৈক্য বা চরম ধর্মীয় বিচ্ছেদ) সৃষ্টি হওয়ার নিশ্চিত আশঙ্কা থাকে, তখন সাময়িক কৌশল হিসাবে সেই সত্য প্রকাশে বিলম্ব করা যেতে পারে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) চেয়েছিলেন কা‘বা ঘরকে ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম)-এর মূল ভিত্তির ওপর নির্মাণ করতে, কিন্তু তিনি তা করেননি। তিনি এর কারণ উল্লেখ করে বলেন, ‘যদি তোমার ক্বওমের লোকেরা সম্প্রতি ইসলাম গ্রহণ না করত, তাহলে আমি কা‘বা ভেঙ্গে ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম)-এর ভিত্তির ওপর নির্মাণ করতাম’ (ছহীহ বুখারী, হা/১২৬)। রাসূল (ﷺ) এই ক্ষেত্রে সদ্য ইসলাম গ্রহণকারীদের মধ্যে ফিতনা বা বিভ্রান্তি সৃষ্টির আশঙ্কায় একটি সত্য বাস্তবায়ন থেকে বিরত থেকেছেন।


প্রশ্নকারী : মোস্তফা মনোয়ার, রংপুর।





প্রশ্ন (১৫): আমি একজন প্রবাসী। প্রবাসেই  রামাযানের ছিয়াম রাখি। প্রশ্ন হল- আমাকে কি আমার ফিতরা প্রবাসেই আদায় করতে হবে, না-কি দেশে আমার পরিবারকে আমার ফিতরা আদায় করার দায়িত্ব দিতে পারব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : জনৈক আলেম বলেন, ফজরের পর ঘুমানো যাবে না। কারণ এই সময় বরকত নাযিল হয়। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : ইসলাম প্রচারের জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্তে লিফলেট, হ্যান্ডবিল ইত্যাদি প্রচার করা হয়, যেখানে প্রচারকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান প্রভৃতি নিজস্ব পরিচিতি ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে থাকে। দাওয়াতী কাজের ক্ষেত্রে এরূপ পরিচয় দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : ইসলামের সর্বোত্তম  কাজ কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : এক ব্যক্তি প্রতি মাসে আমার বিকাশে হাজারে বিশ টাকাসহ টাকা পাঠায়। কিন্তু আমি প্রায় এজেন্ট নাম্বার দিয়ে টাকা ওঠালে আমার খরচ পড়ে চৌদ্দ টাকা পঞ্চাশ পয়সা। বাকী ৫ টাকা ৫০ পয়সা আমার কাছে থেকে যায়। এই টাকাগুলো আমি খরচ করতে পারব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : বর্তমান প্রযুক্তির অধিকাংশ উপাদান অমুসলিম দেশ কর্তৃক সরবরাহ করা হয়। প্রশ্ন হল- এগুলো কি ব্যবহার করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : সূরা আল-বাক্বারার ২৫৬ নম্বর আয়াতে ত্বাগূত অস্বীকার করার কথা বলা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে ত্বাগূত অর্থ কি? এবং ত্বাগূতের ফায়ছালা নেয়ার পরিণাম কী হতে পারে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : ডাস্টবিনে রুটি ও খাবার ফেলা কি হারাম; অথচ সেগুলো এক রকম খাওয়ার উপযুক্ত নয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : নবী (ﷺ)-এর শাসনব্যবস্থা থেকে ইসলামী রাজনীতির কী কী মূলনীতি পাওয়া যায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : কোন নারী কতদিন দুধ পান করালে দুগ্ধমাতা হিসাবে গণ্য হবে? কোন নারী যদি তার বুকের দুধ কাউকে পান করান তাহলে কি সেই নারীর মেয়ের সাথে দুধপানকারীর ছেলের বিবাহ হারাম হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : সম্মানার্থে ছেলেদের নাম ‘আবূ হুরায়রা’ রাখলে কোন সমস্যা হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) :  যেখানে পানির ব্যবস্থা নেই, সেখানে পেশাব করার পর শুধু ঢিল বা টিস্যু নিয়ে পবিত্রতা হাছিল করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ