শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ন
উত্তর : ইসলামে সত্য গোপন করা একটি মারাত্মক গুনাহ এবং এটি আলেম ও জ্ঞানীদের ওপর আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে দেয়া আমানতের খেয়ানত। সত্য প্রকাশ না করলে যদি মানুষের দ্বীনী ক্ষতি হয়, তবে তা প্রকাশ করা ওয়াজিব। আল্লাহ তা‘আলা আহলে কিতাবদের (ইহুদী ও খ্রিস্টান) সত্য গোপন করার কারণে তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি বলেন, ‘নিশ্চয় যারা গোপন করে সুস্পষ্ট প্রমাণাদি ও হেদায়াত, যা আমি মানুষের জন্য কিতাবে সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করার পরও, তাদের প্রতি আল্লাহ অভিসম্পাত করেন এবং অভিসম্পাতকারীরাও অভিসম্পাত করে’ (সূরা আল-বাক্বারাহ : ১৫৯)।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আখেরাতের শাস্তির ভয় দেখিয়েছেন, مَنْ سُئِلَ عَنْ عِلْمٍ فَكَتَمَهُ أُلْجِمَ بِلِجَامٍ مِنْ نَارٍ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ‘যাকে কোন জ্ঞান সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো, আর সে তা গোপন করল, ক্বিয়ামতের দিন তাকে আগুনের লাগাম পরানো হবে’ (তিরমিযী, হা/২৬৪৯)। এই দলীলগুলোর ভিত্তিতে স্পষ্ট যে, সত্য গোপন করা মূলত হারাম (নিষিদ্ধ)।

ফিতনার আশঙ্কায় সত্য প্রকাশের নীতি :  শরী‘আতের একটি গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতি হল, বড় ক্ষতি বা বিশৃঙ্খলা এড়ানোর জন্য সাময়িকভাবে ছোট ক্ষতি বা সুবিধা ত্যাগ করা যেতে পারে। যখন কোন সত্য প্রকাশ করলে সমাজে তার চেয়ে বড় ধরনের ফিতনা (যেমন, মুসলিমদের মধ্যে রক্তপাত, অনৈক্য বা চরম ধর্মীয় বিচ্ছেদ) সৃষ্টি হওয়ার নিশ্চিত আশঙ্কা থাকে, তখন সাময়িক কৌশল হিসাবে সেই সত্য প্রকাশে বিলম্ব করা যেতে পারে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) চেয়েছিলেন কা‘বা ঘরকে ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম)-এর মূল ভিত্তির ওপর নির্মাণ করতে, কিন্তু তিনি তা করেননি। তিনি এর কারণ উল্লেখ করে বলেন, ‘যদি তোমার ক্বওমের লোকেরা সম্প্রতি ইসলাম গ্রহণ না করত, তাহলে আমি কা‘বা ভেঙ্গে ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম)-এর ভিত্তির ওপর নির্মাণ করতাম’ (ছহীহ বুখারী, হা/১২৬)। রাসূল (ﷺ) এই ক্ষেত্রে সদ্য ইসলাম গ্রহণকারীদের মধ্যে ফিতনা বা বিভ্রান্তি সৃষ্টির আশঙ্কায় একটি সত্য বাস্তবায়ন থেকে বিরত থেকেছেন।


প্রশ্নকারী : মোস্তফা মনোয়ার, রংপুর।





প্রশ্ন (১৩) : ৮ লক্ষ টাকা এডভান্স দিয়ে একটি দোকান মাসিক ৮ হাজার টাকায় ভাড়া দেয়া হয়েছে। ভাড়া গ্রহীতা নিজে ব্যবসা না করে অন্যের নিকট কোন এ্যাডভ্যান্স না নিয়ে মাসিক ১৬ হাজার টাকায় ভাড়া দিতে পারবে কি? অর্থাৎ দোকান ভাড়া নিয়ে অন্যের নিকট ভাড়া দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : মেয়েদের বাচ্চা প্রসবের পর সাধারণত ৪০ দিন নাপাক থাকে এবং ছালাত, ছিয়াম ও কুরআন পড়া থেকে বিরত থাকে। প্রশ্ন হল- এই সময় তারা কিভাবে আল্লাহর ইবাদত বা স্মরণ করবে? সরাসরি কুরআন না পড়ে মোবাইল ধরে তাতে কুরআন পড়তে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : আযানের সময় ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ্’-এর জবাবে ‘ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্ল­াম’ বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : কুরবানীর চামড়ার টাকা কিভাবে বণ্টন করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : অধিকাংশ মানুষ ছালাতের সময় লুঙ্গি, প্যান্ট গুটিয়ে নিয়ে ছালাত আদায় করে থাকে। প্রশ্ন হল- শুধু ছালাতের সময় লুঙ্গি, প্যান্ট ইত্যাদি গুটিয়ে রাখা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : স্ত্রীকে ত্বালাক্ব দেয়ার পর যদি স্ত্রী জানতে না পারে এবং স্বামী লিখিতও না দেয়, তাহলে ত্বালাক্ব হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : সমাজের একশ্রেণীর মানুষ বিশ্বাস করে যে, রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কবর থেকে সালামের উত্তর দেন। এমনকি কখনো হাত বের করে দেন। উক্ত বিশ্বাস কতটুকু শরী‘আতসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : ঋতুবতী মহিলা জুমু‘আর খুত্ববাহ শোনার জন্য মসজিদে যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬): এক লোকের কাছ একশ সত্তর (১৭০) গ্রাম স্বর্ণ আছে। এই স্বর্ণে তার যাকাতের পরিমাণ কত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : ছিয়াম অবস্থায় ক্যাথেটার ও সাপোজিটোরী ব্যবহার করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : নবী করীম (ﷺ) বলেন, ‘জ্বরকে মন্দ বল না। কারণ জ্বর গুনাহসমূহকে অনুরূপ দূর করে, যেভাবে হাপর লোহার মরিচা দূর করে’। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : একজন নিকটাত্মীয় অসৎ পথে টাকা অর্জন করে। এখন তিনি যদি কোন উপহার দেন তাহলে তা কি গ্রহণ করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ