রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:২৪ অপরাহ্ন
উত্তর : ইসলামে সত্য গোপন করা একটি মারাত্মক গুনাহ এবং এটি আলেম ও জ্ঞানীদের ওপর আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে দেয়া আমানতের খেয়ানত। সত্য প্রকাশ না করলে যদি মানুষের দ্বীনী ক্ষতি হয়, তবে তা প্রকাশ করা ওয়াজিব। আল্লাহ তা‘আলা আহলে কিতাবদের (ইহুদী ও খ্রিস্টান) সত্য গোপন করার কারণে তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি বলেন, ‘নিশ্চয় যারা গোপন করে সুস্পষ্ট প্রমাণাদি ও হেদায়াত, যা আমি মানুষের জন্য কিতাবে সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করার পরও, তাদের প্রতি আল্লাহ অভিসম্পাত করেন এবং অভিসম্পাতকারীরাও অভিসম্পাত করে’ (সূরা আল-বাক্বারাহ : ১৫৯)।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আখেরাতের শাস্তির ভয় দেখিয়েছেন, مَنْ سُئِلَ عَنْ عِلْمٍ فَكَتَمَهُ أُلْجِمَ بِلِجَامٍ مِنْ نَارٍ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ‘যাকে কোন জ্ঞান সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো, আর সে তা গোপন করল, ক্বিয়ামতের দিন তাকে আগুনের লাগাম পরানো হবে’ (তিরমিযী, হা/২৬৪৯)। এই দলীলগুলোর ভিত্তিতে স্পষ্ট যে, সত্য গোপন করা মূলত হারাম (নিষিদ্ধ)।

ফিতনার আশঙ্কায় সত্য প্রকাশের নীতি :  শরী‘আতের একটি গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতি হল, বড় ক্ষতি বা বিশৃঙ্খলা এড়ানোর জন্য সাময়িকভাবে ছোট ক্ষতি বা সুবিধা ত্যাগ করা যেতে পারে। যখন কোন সত্য প্রকাশ করলে সমাজে তার চেয়ে বড় ধরনের ফিতনা (যেমন, মুসলিমদের মধ্যে রক্তপাত, অনৈক্য বা চরম ধর্মীয় বিচ্ছেদ) সৃষ্টি হওয়ার নিশ্চিত আশঙ্কা থাকে, তখন সাময়িক কৌশল হিসাবে সেই সত্য প্রকাশে বিলম্ব করা যেতে পারে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) চেয়েছিলেন কা‘বা ঘরকে ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম)-এর মূল ভিত্তির ওপর নির্মাণ করতে, কিন্তু তিনি তা করেননি। তিনি এর কারণ উল্লেখ করে বলেন, ‘যদি তোমার ক্বওমের লোকেরা সম্প্রতি ইসলাম গ্রহণ না করত, তাহলে আমি কা‘বা ভেঙ্গে ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম)-এর ভিত্তির ওপর নির্মাণ করতাম’ (ছহীহ বুখারী, হা/১২৬)। রাসূল (ﷺ) এই ক্ষেত্রে সদ্য ইসলাম গ্রহণকারীদের মধ্যে ফিতনা বা বিভ্রান্তি সৃষ্টির আশঙ্কায় একটি সত্য বাস্তবায়ন থেকে বিরত থেকেছেন।


প্রশ্নকারী : মোস্তফা মনোয়ার, রংপুর।





প্রশ্ন (১৯) : যাকাত ইংরেজী মাস হিসাবে দিতে হবে, না-কি আরবী মাস হিসাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ইবাদতে শিরক কিভাবে হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭): সিজারিয়ান পদ্ধতিতে বাচ্চা প্রসবের পরে প্রসবোত্তর সময় তথা বাচ্চা প্রসবের ৪০ দিন পর্যন্ত ঐ মহিলার কি ছালাত আদায় করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : ছাগীরা গুনাহের পরিচয় ও পরিণাম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২): হায়েযের সময়সীমা ব্যাপারে একেক হাদীছে একেক রকম বর্ণনা পাওয়া যায়। প্রশ্ন হল- ঠিক কতদিন পর্যন্ত ছালাত আদায় করা যাবে না? যদিও একেক মাসে একেক সময়সীমা থাকে। কখনো ৪ দিন আবার কখনো ৭ দিন। বিষয়টি বুঝিয়ে বলবেন। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) বিয়ের সময় মেয়ের বাবার বাড়ী থেকে যে মালপত্র দেয়া হয় তা দেয়া কি ঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪০) : ‘কুযা’ কাকে বলে? কিছু কিছু যুবক তাদের মাথার সাইডের চুলগুলো কেটে মাঝখানের চুলগুলো রেখে দেয়। প্রশ্ন হল- শরী‘আতের দৃষ্টিতে পুরুষের মাথার চুল কাটার পদ্ধতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : কেউ সূদী ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করে মারা গেলে তার পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধ না করা পর্যন্ত কি তার কবরে শাস্তি হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫০) : ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু’-এর ফযীলত কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : আমরা প্রায়শই দেখতে পাই, ঘরে কিংবা দরজায় বিভিন্ন সূরা, আয়াতুল কুরসি লিখে টাঙিয়ে দেয়া হয়। এছাড়াও হাতে বিভিন্ন ধরনের তাবীয পড়া হয়। বিভিন্ন হুজুরদের কাছে গিয়ে পানি পড়া এনে সেটা খাওয়া হয়। এই বিষয়টা কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : মূসা (আলাইহিস সালাম) যখন আল্লাহ্র সাথে সাক্ষাৎ করলেন তখন তিনি প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহ! আমি আপনার যত নিকটবর্তী হয়েছি আর কেউ কি এতো নিকটবর্তী হতে পারবে। আল্লাহ বললেন, মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উম্মত ইফতারের সময় এর চেয়েও বেশী নিকটবর্তী হবে। উক্ত ঘটনা কোন হাদীছ গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : রামাযান মাসে জামা‘আতের সাথে তারাবীহ উত্তম, না একাকী তাহাজ্জুদ উত্তম? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ