উত্তর : ইসলামী শরী‘আতের দৃষ্টিতে ডাকাত বা ছিনতাইকারী যদি কারো জীবন, সম্পদ বা ইযযতের উপর হামলা করে, তাহলে আত্মরক্ষার জন্য প্রতিরোধ করা বৈধ। বরং অনেক ক্ষেত্রে তা ওয়াজিব। যদি এই প্রতিরোধে কেউ নিহত হয়, তাহলে সে শহীদ। তবে যদি নিশ্চিতভাবে জানা যায় যে প্রতিরোধ করলে অবশ্যই মৃত্যু হবে এবং কোন উপকারও হবে না, তখন প্রতিরোধ ওয়াজিব নয়, কিন্তু প্রতিরোধ করলে তা আত্মহত্যা গণ্য হবে না; বরং ইযযত, জীবন বা সম্পদ রক্ষার বীরোচিত প্রচেষ্টা হিসাবে বিবেচিত হবে। রাসূল (ﷺ) বলেন, مَنْ قُتِلَ دُوْنَ مَالِهِ فَهُوَ شَهِيْدٌ ‘যে ব্যক্তি নিজের সম্পদ রক্ষার জন্য নিহত হয়, সে শহীদ’ (ছহীহ বুখারী, হা/২৪৮০)। অন্যত্র তিনি বলেন, مَنْ قُتِلَ دُوْنَ دَمِهِ فَهُوَ شَهِيْدٌ وَمَنْ قُتِلَ دُوْنَ أَهْلِهِ فَهُوَ شَهِيْدٌ ‘যে ব্যক্তি নিজের প্রাণ বা পরিবারের সম্মান রক্ষার জন্য নিহত হয়, সে শহীদ’ (আবূ দাঊদ, হা/৪৭৭২)। রাসূল (ﷺ) এক ছাহাবীকে বললেন,إِنْ قَتَلْتَ فَهُوَ فِي النَّارِ وَإِنْ قَتَلَكَ فَأَنْتَ شَهِيْدٌ ‘তুমি যদি তাকে (আক্রমণকারীকে) হত্যা করো, সে জাহান্নামী। আর সে যদি তোমাকে হত্যা করে, তুমি শহীদ’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৪০)।
প্রশ্নকারী : আব্দুর রহমান ইবরাহীম, পিলখানা, নাটোর।