রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:০৩ অপরাহ্ন
উত্তর : যে সমস্ত পোশাক পরা যাবে না সেগুলো হল, (১) শরী‘আত যা হারাম করেছে তা পরিধান করা যাবে না। যেমন পুরুষের জন্য রেশম, জীব-জন্তুর ছবিযুক্ত পোশাক ইত্যাদি (ছহীহ বুখারী, হা/৫৮২৮-৫৮৩৫)। (২) দেহের অবয়ব গোচরীভূত হয়, এমন পাতলা, ফিনফিনে ও আটোসাঁটো পোশাক পরা যাবে না (ছহীহ মুসলিম হা/২১২৮)। (৩) নারী-পুরুষের ও পুরুষ নারীর সাদৃশ্যে পোশাক পরিধান না করা (ছহীহ বুখারী, হা/৫৮৮৫)। (৪) বিধর্মী ও বিজাতীয় পোশাক পরিধান করা যাবে না। কাফির, মুশরিক, নায়ক-নায়িকা ও গায়ক-গায়িকাদের আনুরূপ্য পোশাক পরিধান করা হারাম (আবূ দাঊদ, হা/৪০৩১; ছহীহ বুখারী, হা/৩৪৫৬)। (৫) খ্যাতিসম্পন্ন ও আভিজাত্যের পোশাক থেকে বেঁচে থাকা (আবূ দাঊদ, হা/৪০২৯)। (৬) পুরুষদের জন্য টাখনুর নিচে পরিধান করা থেকে বেঁচে থাকা (ছহীহ বুখারী, হা/৫৭৮৪-৫৭৯১; আবূ দাঊদ, হা/৪০৮৪)। (৭) গেরুয়া রঙের পোশাক পরিধান করা যাবে না (ছহীহ মুসলিম, হা/২০৭৭; অধ্যায়-৩৮ অনুচ্ছেদ-৪)। উপরিউক্ত আলোচনা থেকে একথা দিবালোকের ন্যায় বহু মুসলিম মহিলা পাতলা ফিনফিনে শাড়ী পরিধান করে রাস্তাঘাটে চলাফেরা করে এবং বিবাহ বা বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগদান করে। এর ফলে সমাজে অশ্লীলতা প্রসার ও ফিতনা ছড়ায়।

দ্বিতীয়তঃ সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটির আলেমগণ বলেন, ‘প্রত্যেক মুসলিম নারী-পুরুষের ইসলামী আদর্শ, নৈতিকতা ও চরিত্র গঠনের প্রতি আগ্রহ-উৎসাহ প্রকাশ করা দরকার এবং তাদের আনন্দ, উৎসব, পোশাক, খাওয়া, পান করা এবং সমস্ত কিছুতেই ইসলামী রীতি-নীতি মেনে চলা অপরিহার্য এবং কাফিরদের সাদৃশ্যে এমন সংকীর্ণ পোশাক পরিধান করা অবৈধ, যা তাদের দেহের গোপনীয় বিষয়গুলোকে সংজ্ঞায়িত করে। অথবা এমন স্বচ্ছ ফিনফিনে পোশাক পরিধান করা বৈধ নয়, যা গোপনাঙ্গগুলো আচ্ছাদিত করার পরিবর্তে আরো উন্মুক্ত করে। অথবা এমন স্বল্পায়তন বা অল্পায়তন পোশাক পরিধান করা অবৈধ, যা বক্ষদেশ অথবা বাহুদ্বয় অথবা গ্রীবা অথবা মস্তিস্ক, অথবা মুখম-লকে আচ্ছাদিত করে না (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ৩/৩০৬-৩০৭ পৃ.)। শায়খ উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘যদি কোন মহিলা এমন পোশাক পরিধান করে, যা পুরুষের জন্য নির্দিষ্ট (যেমন ট্রাউজার, পায়জামা-পাঞ্জাবি, প্যান্ট-শার্ট ইত্যাদি) তবে তা ছালাতের মধ্যে হোক কিংবা ছালাতের বাইরে উভয়াবস্থাতেই হারাম। অনুরূপভাবে স্ত্রীর জন্য জায়েয নয় স্বামীর পোশাক পরিধান করা অথবা এর বিপরীত। বালিকার জন্য বালকের পোশাক পরিধান করা নাজায়েয। একইরকম পুত্রের জন্য মেয়ের পোশাক পরিধান করা অবৈধ। কেননা এটাও সাদৃশ্যের অন্তর্ভুক্ত। আলেমগণ বলেন, ‘পোশাকের ক্ষেত্রে ছোট-বড় সকলের জন্য একই বিধান (ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ দারব, ১১/১৮৮-১৯১ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : তাহসীন, জামালপুর।





প্রশ্ন (১৫) : কোন ফার্মাসিস্ট বাচ্চা নষ্ট করার ওষুধ বিক্রয় করলে গুনাহ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : আমি দীর্ঘদিন থেকে একটি মেয়ের সাথে যেনায় লিপ্ত। অনেকবার ছাড়তে চেয়েও পারিনি। আমি লজ্জায় কিছুই করতে পারি না। কী কী কাজ করলে আমি এটা থেকে বের হয়ে আসতে পারি? কিভাবে তওবাহ করতে পারি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) :  জনৈক ব্যক্তি ইলিয়াসী তাবলীগ জামা‘আতের সাথে ১ চিল্লা সময় দিয়েছে। তারপর সালাফী আক্বীদার অনুসারী হয়েছে। কিন্তু তারা এখনো তাকে নিয়ে যেতে চায়। এক্ষেত্রে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : জুমু‘আর ছালাত ছাড়া কোন ছালাত আদায় করে না। এমন বন্ধু বা আত্মীর সাথে সম্পর্ক রাখা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : সম্মানার্থে ছেলেদের নাম ‘আবূ হুরায়রা’ রাখলে কোন সমস্যা হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টের জন্য অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসব বা যা ইসলামে হারাম করা হয়েছে সেসবের ডিজাইন করতে হয়। আবার কোন সময় গানের ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে হয়। এক্ষেত্রে কেউ গান শুনলে ডিজাইনার কি গুনাহ পেতে থাকব? আবার বিদেশী নারী ক্লায়েন্টের জন্য বিদেশী নারীদের ছবি ডিজাইনের কাজ করতে হয়। প্রশ্ন হল- এরকম ডিজাইনের কাজ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : দুই সিজদার মাঝে কি রাফউল ইয়াদায়ন করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : আমার পিতার কাছ থেকে আমি ১ বিঘা জমি পেয়েছি, যা আমার নামে এখনো দলীল হয়নি। আর আমি এর ফসলও পাই না। এতে কি আমার ছেলে-মেয়েদের হক নষ্ট করছি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : বিতর ছালাতে কুনূত পড়তে ভুলে গেলে এবং সিজাদায় গিয়ে মনে পড়লে করণীয় কী? দু‘আ কুনূত ছাড়াই বিতর ছালাত পড়ার পদ্ধতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : মৃত ব্যক্তিকে কবরে চিত করে শোয়ানো কি বৈধ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : যাদুমন্ত্রের প্রতিরোধক হিসাবে যাদু করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : অনেক সময় বাবা-মা ভুল বুঝে সন্তানকে বদ দু‘আ দেয়। অথচ সন্তান তেমন কোন অপরাধ করেনি। এতে কি সন্তানের কোন ক্ষতি হবে? আর যারা কথায় কথায় বদ দু‘আ কিংবা অভিশাপ দেয় তাদের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ