বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন
উত্তর : কুরআন অবমাননাকারীরা নিশ্চিতরূপে কাফির। আল্লাহ তা‘আলা এই নিকৃষ্ট কাজের নিন্দা করে বলেন, ‘আর পুরুষ চোর ও নারী চোর, তাদের উভয়ের হাত কেটে দাও, তাদের কৃতকর্মের ফল ও আল্লাহর পক্ষ থেকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হিসাবে। আর আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়’ (সূরা আল-মায়িদাহ : ৩৮)।

চুরির এই বিধান সকল প্রকার চুরির জন্য ব্যাপক নয়, বরং চুরির পরিমাণ অল্প হলে চোরের হাত কাটা যাবে না। সেই সঙ্গে কারো ব্যাপারে তার নিজস্ব স্বীকারোক্তি অথবা গ্রহণযোগ্য যে কোন দু’জন সাক্ষীর মাধ্যমে চৌর্যবৃত্তি প্রমাণিত হতে হবে। চোরা বস্তুটি যথাযোগ্য হিফাযতে থাকাবস্থায় চুরি হয়েছে এবং বস্তুটি তার মালিকানাধীন হওয়ার ব্যাপারে তার কোন সন্দেহ থাকবে না। উপরে বর্ণিত শর্তসাপেক্ষে চোরের ডান হাত কব্জি পর্যন্ত কেটে ফেলা হবে, আবার চুরি করলে তার বাম পা, আবার চুরি করলে তার বাম হাত এবং আবার চুরি করলে তার ডান পা কেটে ফেলা হবে। যেমন হাদীছের মধ্যে রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘এক চতুর্থাংশ স্বর্ণমুদ্রা (দীনার) বা ততোধিক চুরি করলে তবেই হাত কাটা যাবে’ (বুখারী, হা/৬৭৮৯; ছহীহ মুসলিম, হা/১৬৮৪)। আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, নবী (ﷺ)-এর যামানায় কোন চামড়া নির্মিত ঢাল (যার মূল্য ছিল তিন দিরহাম) বা সাধারণ ঢালের সমান মূল্যের জিনিস চুরি করা ব্যতীত হাত কাটা হত না (ছহীহ বুখারী, হা/৬৭৯২,৬৭৯৩; ছহীহ মুসলিম, হা/১৬৮৫, ১৬৮৬)।

চুরি বা ব্যভিচারের মত ধ্বংসাত্মক পাপে লিপ্ত ব্যক্তিকে ইসলামী শরী‘আহ অনুযায়ী মুসলিম শাসকের নির্দেশে হাত কাটা বা হত্যা করা অপরিহার্য। কিন্তু ইসলামী শাসকের অনুমতি ব্যতীত কোন পাপের শাস্তি স্বরূপ কাউকে হত্যা করা নিষিদ্ধ। যেমন সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটি সহ অন্য আলেমগণ বলেন, ‘হদ্দ (মৃত্যুদণ্ড, সাজা, শাস্তি) প্রতিষ্ঠিত করার বিষয়টি মুসলিম ইমাম, সুলতান, শাসক অথবা তার স্থলাভিষিক্ত বা প্রতিনিধির উপর নির্ভরশীল। সমাজে নিরাপত্তা ও শান্তির বাতাবরণ অপ্রতিহত রাখার জন্য মুসলিম শাসক ও তাঁর প্রতিনিধি ব্যতীত অন্য কারোর জন্য ‘হদ্দ’ ক্বায়িম করা অনুমোদিত নয়। কোন মুসলিম ব্যক্তি বা সমাজের জন্য হাদ্দ ক্বায়িম করা জায়েয নয়। কারণ, এর ফলে যে, বিশৃঙ্খলা, গোলযোগ, অস্থিরতা, অরাজকতা, নৈরাজ্য ও অশান্তির পরিবেশ সৃষ্টি হবে তাকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা কোন ব্যক্তি বা সমাজের নেয় (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ২২/৫-১০; তাফসীরে কুরতুবী, ২/২৫৬; বিদায়াতুল মুজতাহিদ, ২/৩৬৫; আল-মুগনী, ৯/৮; মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনে বায, ৯/৩০৩)।

যেহেতু আমাদের দেশে ইসলামী শাসক নেই, তাই ব্যক্তিগতভাবে বা সামাজিকভাবে হদ্দ (মৃত্যুদণ্ড, সাজা, শাস্তি) প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে গুনাহগার ব্যক্তি দুনিয়াবী তুচ্ছ শাস্তি থেকে পরিত্রাণ পেয়ে গেলেও কিন্তু পরকালের ভয়াবহ শাস্তি থেকে রক্ষা পাবে না। তাই পরকালের শাস্তি থেকে মুক্তি প্রাপ্তির জন্য আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট কঠোরভাবে তাওবা ও ক্ষমাপ্রার্থনা করা উচিত।

দ্বিতীয়তঃ কুরআন অবমাননাকারীরা নিশ্চিতরূপে কাফির। যে ব্যক্তি কুরআনুল কারীমকে অথবা এর কিছু অংশকে, এমনকি যদি কেউ মাত্র একটি আয়াত অথবা অক্ষরকে অস্বীকার করে তবুও সে কাফির (কাযী আয়ায, আশ-শিফা বি তা’রীফি হুকূক্বিল মুছত্বাফা, ২/১১০৫; আল-মাজমূঊ, ২/১৯৩; শারহুন নববী, ৬/৮৮; আল-মুহাল্লা, ১/৩২; আছ-ছারিমুল মাসলূল ‘আলা শাতিমির রাসূল, ৩/১১২১)।

আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, (১) ‘নিশ্চয় যারা তাদের নিকট কুরআন আসার পর তা প্রত্যাখ্যান করে, (তাদেরকে কঠিন শাস্তি দেয়া হবে)। আর এ অবশ্যই এক মহিমান্বিত গ্রন্থ’ (সূরা আল-ফুছছিলাত : ৪১)। তাদের শাস্তি সম্পর্কে আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন, (২) ‘আর যারা কুফরী করেছে এবং আমার আয়াতসমূহে মিথ্যারোপ করেছে, তারাই জাহান্নামবাসী’ (সূরা আল-মায়িদাহ : ১০, ৮৬)‌। (৩) ‘আর তিনি ফুরক্বান (অর্থাৎ ন্যায়-অন্যায়ের মীমাংসাকারী কুরআন) নাযিল করেছেন। নিশ্চয় যারা আল্লাহ্‌র আয়াতসমূহে কুফরী করে তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি। আর আল্লাহ মহা-পরাক্রমশালী, প্রতিশোধ গ্রহণকারী’ (সূরা আলে ইমরান : ৪)।
আবু হুরাইরা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, নবী (ﷺ) বলেন, ‘কুরআন সম্বন্ধে সন্দেহ পোষণ কুফরী’ (আবূ দাঊদ, হা/৪৬০৩)। এমতাবস্থায় আক্বীদাগত কোন বিষয় প্রকাশ্যে অস্বীকার করলে সে কাফির হয়ে যাবে এবং তাওবাহ না করা পর্যন্ত তাকে কাফির বলা যাবে। যেমন আল্লাহর সাথে প্রকাশ্যে শিরক করা, প্রকাশ্যে কোন ফরয বিধানকে অস্বীকার করা, হারামকে হালাল মনে করা ইত্যাদি। অনুরূপভাবে আল্লাহ, রাসূল বা দ্বীনকে গালি দেয়া। যেমন শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) ঐ সমস্ত ব্যক্তিদের কাফির বলেছেন, ‘যারা বলে যে, কুরআন পরিবর্তিত হয়েছে, অথবা যারা বলে কুরআনের কিছু অংশ বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে’ (আস-সারিমূল মাসলূল, ১/৫৯০ পৃ.)।

অনুরূপভাবে ‘সুন্নাহ’-কে অস্বীকার করলে বা অবহেলা করলে, ইসলামে তার কোন অংশ নেই (মাজাল্লাতুল মানার, ৩০/৬৭৩ পৃ.)। আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আতের সর্বসম্মত মতানুযায়ী হাদীছ অস্বীকারকারীরা কাফির। যেমন-
(১) ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘হাদীছ অস্বীকারকারীদের ধ্বংস অনিবার্য’ (শারহু উছূলি ই’তিক্বাদি আহলিস-সুন্নাতি ওয়াল জামা’আতি, ৩/৪৭৮ পৃ.)।
(২) ইমাম ইসহাক্ব বিন রাহওয়াইহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘এমন প্রত্যেক ব্যক্তি যার কাছে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কোন একটি ছহীহ হাদীছ পৌঁছেছে, অতঃপর সে কোন ভয়ের আশঙ্কা ছাড়াই তাকে অস্বীকার করেছে, তবে সে নিশ্চিতরূপে কাফির’ (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ৪/১৯ পৃ., ফৎওয়া নং-১১৫১২৫)।
(৩) শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘যারা মনে করে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর আনুগত্য করা অপরিহার্য নয়, তারা কাফির, তাদের হত্যা করা অপরিহার্য’ (আল-ওয়াসিয়্যাতুল কুবরা লি ইবনি তাইমিয়্যাহ, ১/৩১৫ পৃ.)।
(৪) ইমাম সূয়ুত্বী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘যারা নবী (ﷺ)-এর হাদীছকে অস্বীকার করে তারা কাফির এবং তারা ইসলামের গণ্ডি ও চৌহদ্দি থেকে নিষ্কাশিত হয়ে ইয়াহুদী, খ্রীষ্টান অথবা অন্য কোন বিধর্মী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে’ (মিফতাহুল জান্নাহ ফিল ইহতিজাজি বিস-সুন্নাহ, পৃ. ১৪)।
(৫) ইমাম ইবনে দাক্বীক্ব আল-ঈদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর হাদীছ প্রমাণিত হওয়ার পরেও যারা তা প্রত্যাখ্যান করে তারা স্পষ্ট কাফির’ (শারহুল ইলমাম, ২/১৭৭-১৭৮ পৃ.)।
(৬) ইমাম ইবনে হাযম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘যদি কোন ব্যক্তি বলে, আমরা শুধু কুরআনের বিধানই মানব, হাদীছ মানব না, তবে সে সর্বসম্মতিক্রমে কাফির’ (আল-ইহকাম ফী উছূলিল আহকাম, ২/৮০ পৃ.)।
(৭) শাইখ ইবনে বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন,‘যারা সুন্নাতকে অস্বীকার করে তারা কাফির ও স্বধর্মত্যাগী। কেননা সুন্নাতকে অস্বীকার করা কুরআনকে অস্বীকার করার নামান্তর। যে কিতাব ও সুন্নাতকে অথবা এর কোনো একটিকে অস্বীকার করে সে সর্বসম্মতিক্রমে কাফির। অবশ্যই তাকে এ সম্পর্কে ভীতি প্রদর্শন করা দরকার’ (মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনে বায, ২/৪০৩ ও ৯/১৭৬-১৭৮ পৃ.)।
(৮) সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটি বলেন, ‘যারা সুন্নাত অনুযায়ী আমাল করাকে অস্বীকার করে তারা কাফির’ (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ৩/১৯৪ ও ৫/১৯-২০ পৃ.)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, فَمَنْ رَغِبَ عَنْ سُنَّتِي فَلَيْسَ مِنِّي ‘সুতরাং যারা আমার সুন্নাতের প্রতি ঔদাসীন্য ও বিরাগ পোষণ করবে, তারা আমার দলভুক্ত নয়’ (ছহীহ বুখারী, হা/৫০৬৩; ছহীহ মুসলিম, হা/১৪০১; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৩৫৩৪)। অন্যত্র তিনি বলেন, مَنْ أَطَاعَنِي فَقَدْ أَطَاعَ اللهَ وَمَنْ عَصَانِي فَقَدْ عَصَى اللهَ ‘যে আমার আনুগত্য করল, সে আল্লাহ তা‘আলারই আনুগত্য করল। আর যে আমার নাফরমানী করল, সে আল্লাহ তা‘আলারই নাফরমানী করল’ (ছহীহ বুখারী, হা/২৯৫৭, ৭১৩৭; ছহীহ মুসলিম, হা/১৮৩৫)।


প্রশ্নকারী : মুস্তাকীম, দিনাজপুর।





প্রশ্ন (১১) : আমার আশেপাশে কোন আহলেহাদীছ মসজিদ নেই। এমতাবস্থায় বিদ‘আতী মসজিদে জামা‘আতের সাথে ছালাত আদায় করব, না-কি একাকী আদায় করব? বিশেষ করে তারা আছর ও ফজরের ছালাত অনেক দেরি করে পড়ে। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : জনৈক আলেম বলেছেন, ফিরাঊনের স্ত্রী আছিয়া এবং ঈসা (আলাইহিস সালাম)-এর মা মারইয়ামের সাথে জান্নাতে মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিবাহ হবে’। ঘটনা কি সত্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : একজন ব্যক্তির মোট সম্পদ ৭৫ শতাংশ তার কোন ছেলে সন্তান নেই, দু’জন স্ত্রী রয়েছে এক স্ত্রীর ৩ জন মেয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তান নেই, তবে মেয়েদের ২ চাচা এবং ১ জন ফুফু রয়েছে প্রশ্ন হচ্ছে সম্পদ কে কতটুকু পাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২): হায়েযের সময়সীমা ব্যাপারে একেক হাদীছে একেক রকম বর্ণনা পাওয়া যায়। প্রশ্ন হল- ঠিক কতদিন পর্যন্ত ছালাত আদায় করা যাবে না? যদিও একেক মাসে একেক সময়সীমা থাকে। কখনো ৪ দিন আবার কখনো ৭ দিন। বিষয়টি বুঝিয়ে বলবেন। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : ছোট বাচ্চাদের চোখে কাজল (কালো কালি) দেয়া, কোমরে ডোরা (কালো সুতা) বাঁধা অথবা কপালে কালো ফোঁটা দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : ওযূ করার পর দু‘আ পড়তে হয়। কিন্তু তায়াম্মুম করলে কী দু‘আ পড়তে হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : ‘ওশর’ শব্দের অর্থ কী? কৃষিপণ্যের যাকাতের নিছাব ও পরিমাণ কত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : মেয়ের শ্বশূরবাড়ি আর নিজের বাড়ির লোকের মধ্যে ঝামেলার কারণে প্রাপ্তবয়স্ক স্ত্রী যদি নিজের মা আর চাচাদের চাপে পরে, স্বামীর বাড়িতে মোহরানা না জানিয়ে রেখে যায় এবং এর পর কোর্ট থেকে নোটারীর পাবলিকের মাধ্যমে স্বামীর অনুপস্থিতিতে নোটিশ পাঠিয়ে খোলা ত্বালাক্ব দেয়। তাহলে ত্বালাক হবে কিনা? উল্লেখ্য, এখানে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে তেমন কোন জামেলা ছিলো না। আর স্বামী ত্বালাক্ব দিতে বা মানতেও রাজি না। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : সন্তান নেশার সাথে জড়িত হলে করণীয় কী? শাসনের জন্য সামাজিক বা প্রশাসনিক সাহায্য নেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : আমার বাবা-মা চায় ডাক্তারী পড়ি, কিন্তু আমার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার ইচ্ছা। এ জন্য অনেকদিন যাবৎ আব্বু আমার সাথে কথা বলেন না। এখন কী করতে পারি? আমি যদি তাদের ইচ্ছানুযায়ী ডাক্তারী না পড়ি, তাহলে কি এটা অবাধ্য হওয়ার শামিল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : প্রচলিত আছে যে, সন্তান-সন্ততি জন্মগ্রহণ উপলক্ষে জন্মের সপ্তম দিন অথবা অন্য কোন দিনে গ্রামের মানুষ ও আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে খাবার অনুষ্ঠান করা যায়। যাকে ‘সাথলা’ নামকরণ করা হয়। প্রশ্ন হল, উক্ত অনুষ্ঠান করা এবং তাতে অংশগ্রহণ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : বাম হাতে কোন জিনিস আদান-প্রদান করা কি নাজায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ