শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৪ অপরাহ্ন
উত্তর : যদি আপনি কোন সূদভিত্তিক ব্যাংক থেকে সরাসরি সূদ না নিয়ে থাকেন, বরং তারা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থীদের মেধার ভিত্তিতে বৃত্তি বা সম্মানী দিয়ে থাকে; তাহলে সেই অর্থ গ্রহণ করা বৈধ হবে, ইনশাআল্লাহ। এমন অর্থ, যার উপার্জন পদ্ধতি হারাম (যেমন ব্যাংকের সূদভিত্তিক কার্যক্রম), তা উপার্জনকারীর জন্য হারাম হয়। কিন্তু সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি কাউকে হালাল পথে অর্থ প্রদান করে যেমন বৃত্তি, উপহার, অনুদান ইত্যাদির মাধ্যমে, তাহলে তা গ্রহীতার জন্য বৈধ হয়, যদি সে নিজে হারাম উপার্জনের সঙ্গে যুক্ত না থাকে। শাইখ ইবনু উছাইমীন (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, ‘যে সম্পদ কেবল উপার্জনের কারণে হারাম, তা কেবল কাসিব (উপার্জনকারী)-এর জন্য হারাম হয়; আর কেউ যদি তা হালাল পন্থায় গ্রহণ করে, তাহলে তার জন্য তা বৈধ’ (আল-কাওলুল মুফীদ, ৩/১১২ পৃ.)।

নবী করীম (ﷺ) ইয়াহুদীদের কাছ থেকে খাবার ক্রয় করেছিলেন, উপহার গ্রহণ করেছিলেন এবং তাদের দাওয়াতও কবুল করেছিলেন, যদিও ইয়াহুদীরা সাধারণত সূদ খায় এবং হারামভাবে উপার্জন করে। এতে বোঝা যায়, এসব সম্পদ গ্রহীতার জন্য তখন বৈধ হয়, যদি তা বৈধ উপায়ে আসে। তবে আপনি যদি এমন পরিবার থেকে হন যেখানে আপনার বৃত্তির প্রয়োজন নেই, তাহলে উত্তম হলো আপনি সেই অর্থ আরও দরিদ্র কোন শিক্ষার্থীকে দিয়ে দিন অথবা সাধারণ কল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করুন। এতে আপনার মেধার ফলও থেকে যাবে এবং আপনি অন্যের উপকারের মাধ্যমেও ছওয়াব পাবেন।


প্রশ্নকারী : আব্দুছ ছবুর বাবু, নীলফামারী।





প্রশ্ন (২২) : কেউ যদি ঠোট নাড়িয়ে ত্বালাক্বের কথা বলে কিন্তু কোন শব্দ বের না হয়, এমনকি নিজেও না শুনে, তাহলে কি ত্বালাক্ব হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : সুন্নাহ এবং হাদীছের মধ্যে কী কী পার্থক্য আছে?       - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : গীবতকারীর আমল যার নামে গীবত করা হয়েছে তার আমলনামায় চলে যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : যে রুমে কুরআনের মাছহাফ রাখা আছে সে রুমে স্ত্রী সহবাস করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : জনৈক আলেম لَهُ مَقَالِيدُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ এই আয়াত সম্পর্কে বলেন যে, এর ব্যাখ্যা হল নিম্নে দু‘আ- لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ، وَسُبْحَانَ اللهِ، وَبِحَمْدِهِ، وَأَسْتَغْفِرُ اللهَ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللهِ، الْأَوَّلُ وَالْآخِرُ وَالظَّاهِرُ وَالْبَاطِنُ، بِيَدِهِ الْخَيْرُ، يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ আর এর ফযীলত হল, যে ব্যক্তি প্রত্যেক দিন সকালে উক্ত আয়াত পাঠ করবে, তার জন্য ছয়টি ফযীলত রয়েছে- (ক) সে শয়তান ও তার সহযোগীদের থেকে রক্ষা পাবে। (খ) তাকে এক কিনতার (অঢেল মাপ) পরিমাণ নেকী দেয়া হবে। (গ) তার জন্য জান্নাতে একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেয়া হবে। (ঘ) তার সাথে চোখ জুড়ানো হুরদের বিবাহ দেয়া হবে। (ঙ) তার নিকট দশজন ফেরেশতা উপস্থিত থাকবে। (চ) কুরআন, তাওরাত, ইঞ্জীল ও যাবূর তেলাওয়াত করার মত নেকী দেওয়া হবে। বিশেষ করে সে একটি কবুল হজ্জ ও ওমরার নেকী পাবে। যদি সে ঐ দিন মারা যায় তবে শহীদের মর্যাদা লাভ করবে। উক্ত বর্ণনা কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : আল্লাহ তা‘আলা রাসূল (ﷺ)-এর উপর অহীর মাধ্যমে কুরআন নাযিল করেছেন। প্রশ্ন হল- হাদীছ কিভাবে তার উপর নাযিল হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে নগ্ন অবস্থায় ফরয গোসল করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : ফী নিয়ে প্রতিযোগিতা আয়োজন করা বৈধ কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : ছিয়াম অবস্থায় সহবাস ব্যতীত স্ত্রীর সাথে মেলামেশা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : কেক ও চকলেটের উপর ‘আল্লাহ’ লেখা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : হজ্জের নিয়ত করার পর যদি কোন কারণে সে বছর হজ্জ করা সম্ভব না হয়, তাহলে পাপ হবে কি এবং এজন্য কাফ্ফারা দিতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যখন আল্লাহ তা‘আলা যমীন সৃষ্টি করলেন তখন তা দুলতে লাগল। অতঃপর পাহাড়গুলো সৃষ্টি করে সেগুলো পৃথিবীর উপর স্থীর করেন। অতঃপর পৃথিবী স্থীর হয়ে গেল। ফেরেশতাগণ পাহাড়ের এ শক্তি দেখে আশ্চর্যান্বিত হলেন এবং বললেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে পাহাড় অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? আল্লাহ বললেন, হ্যাঁ; আর সেটা লোহা। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করল, হে প্রভু! আপনার সৃষ্টির মধ্যে লোহা অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আগুন। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে আগুন অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; পানি। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে পানি অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; বাতাস। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে বাতাস অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; আদম সন্তান। যে তার ডান হাতে দান করে আর দানকে বাম হাত হতে গোপন রাখে। এ ঘটনাটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ