রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২১ পূর্বাহ্ন
উত্তর : মীক্বাত থেকে ইহরাম বাঁধা হজ্জ ও উমরার ওয়াজিব। অতএব যে ব্যক্তি হজ্জ বা উমরাহ্ করতে চায় সে ব্যক্তি স্থল, জল বা আকাশ যে পথেই আগমন করুক না কেন, তার জন্য ইহরাম ব্যতীত মীক্বাত অতিক্রম করা জায়েয নয় (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৪৭৩৫৭, ৩৩৭৯৮)। শাইখ ইবনে বায (রাহিমাহুল্লাহ), শাইখ আল-উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) ও শাইখ মুহাম্মাদ ছালিহ আল-মুনাজ্জিদ (হাফিযাহুল্লাহ) বলেন, হজ্জ বা উমরাহ্ করার নিয়ত বা ইচ্ছা করা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি ইহরাম ছাড়াই মীক্বাত অতিক্রম করেছেন। এমতাবস্থায় তাকে মীক্বাতে ফিরে গিয়ে আদেশ অনুসারে হজ্জ বা উমরাহর ইহরাম বাঁধতে হবে। যদি তিনি তা না করেন, তাহলে তিনি হজ্জ বা উমরাহর একটি ওয়াজিব কাজ ছেড়ে দিয়েছেন। এক্ষেত্রে আলিমদের মতানুযায়ী তার উপর ফিদয়াহ ওয়াজিব হবে, অর্থাৎ একটি পশু মক্কাতে যবহ করতে হবে এবং এর গোশত হারাম এলাকার গরীব ও মিসকীনদের মধ্যে বণ্টন করে দিতে হবে (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ, ২/২০১; ফিক্বহুল ইবাদাত, পৃ. ২৮৩: ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম, পৃ. ৫১৩; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৩৮৮৭০)।

শাইখ আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে জিবরীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, فمن أحرم بعد ما جاوز الميقات فعليه دم جبران ، والله أعلم ‘যে ব্যক্তি মীক্বাত অতিক্রম করার পর ইহরাম বাঁধে, তার উপর ফিদিয়া স্বরূপ কুরবানী করা ওয়াজিব। আল্লাহ সর্বজ্ঞ’ (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ. ২/১৯৮ পৃ.)।

ইমাম ইবনে কুদামা (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, মোটকথা হল- ‘যে ব্যক্তির হজ্জ বা উমরার ইচ্ছা থাকা অবস্থায় তিনি ইহরাম ছাড়া মীক্বাত অতিক্রম করেছেন, তার উপর আবশ্যক পুনরায় মীক্বাতে ফিরে গিয়ে সেখান থেকে ইহরাম বাঁধা। চাই তিনি জেনেশুনে মীক্বাত অতিক্রম করেছেন কিংবা না-জেনে মীক্বাত অতিক্রম করেছেন। এটি হারাম হওয়া সম্পর্কে তার জ্ঞান থাকুন কিংবা থাকুন। যদি তিনি মীক্বাতে ফেরত গিয়ে সেখান থেকে ইহরাম বাঁধেন তাহলে তার উপর কোন কিছু বর্তাবে না। এ ব্যাপারে আমরা কোনরূপ মতভেদ লক্ষ্য করিনি। এটি জাবির বিন যায়িদ, হাসান, সাঈদ বিন যুবাইর, ছাওরী, শাফিঈ ও অন্যদের অভিমত। কেননা সেই ব্যক্তিকে যে মীক্বাত থেকে ইহরাম করার আদেশ দেয়া হয়েছে তিনি সেখান থেকেই ইহরাম করেছেন। তাই তার উপর কোন কিছু বর্তাবে না, যেমনিভাবে কোন কিছু বর্তাবে না যদি তিনি মীক্বাত অতিক্রম না করেন। আর যদি মীক্বাতের ভিতর থেকে ইহরাম বাঁধেন তাহলে দম (পশু যবহ) দেয়া তার উপর আবশ্যক হবে’ (আল-মুগনী, ৩/১১৫ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : সামীঊল, কুলপাড়া, রাজশাহী।





প্রশ্ন (২১) : আমি ছালাতের পদ্ধতি ও নিয়ম জানি না। আমি যদি জামা‘আতে ছালাত আদায় করি, তাহলে কি আমার ছালাত হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : কারো বিরুদ্ধে বদদু‘আ করা বৈধ কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : মৃত সন্তান জন্ম নিলে জানাযা পড়তে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : কুরবানী করার সময় কোন্ দু‘আ পড়তে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : জনৈক ব্যক্তি কুরআন ও ছহীহ হাদীছের কথা বলেন। কিন্তু সে তার পিতা-মাতার সাথে খারাপ ব্যবহার করে। এমনকি পিতার গায়ে হাত তুলে। এমন ব্যক্তির নিকট থেকে জ্ঞান নেয়া যাবে কি?  - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : জনৈক আলেম বলেন, ছোট বেলায় হাসান ও হুসাইন (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) জামার জন্য কাঁদতে থাকলে জিবরীল (আলাইহিস সালাম) তাঁদের জন্য লাল ও সবুজ দু’টি জামা আল্লাহর পক্ষ থেকে নিয়ে এসেছিলেন। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : জ্বালানি তেল জাতীয় পদার্থ যেমন পেট্রোল, অকটেন, ডিজেল, কেরোসিন ইত্যাদি কাপড়ে লাগলে নাপাক হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : কোন সূদী ব্যাংকের এটিএম বুথে সিকিউরিটি গার্ডের চাকরি করা কি হারাম হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : যে সকল মসজিদে সম্মিলিত মুনজাত করা হয়, যেখানে কেউ মুনাজাত করে আবার কেউ কেউ করে না। প্রশ্ন হল- উক্ত মসজিদে দান করা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : নফল ছিয়াম ভেঙ্গে ফেলা যাবে কি এবং ভেঙ্গে ফেলা ছিয়ামের কাযা আদায় করতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : বিতর ছালাতের পর যে তিনবার সুব-হানাল মালিকিল কুদ্দূস বলা হয়, তা তৃতীয়বার শেষের কুদ্দূস শব্দটি শুধু টান‌ হবে, না-কি শব্দগুলো টেনে টেনে বলতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : যারা সমকামিতার সাথে জড়িত তাদের শারঈ হুকুম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ