শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৪ অপরাহ্ন
উত্তর : মীক্বাত থেকে ইহরাম বাঁধা হজ্জ ও উমরার ওয়াজিব। অতএব যে ব্যক্তি হজ্জ বা উমরাহ্ করতে চায় সে ব্যক্তি স্থল, জল বা আকাশ যে পথেই আগমন করুক না কেন, তার জন্য ইহরাম ব্যতীত মীক্বাত অতিক্রম করা জায়েয নয় (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৪৭৩৫৭, ৩৩৭৯৮)। শাইখ ইবনে বায (রাহিমাহুল্লাহ), শাইখ আল-উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) ও শাইখ মুহাম্মাদ ছালিহ আল-মুনাজ্জিদ (হাফিযাহুল্লাহ) বলেন, হজ্জ বা উমরাহ্ করার নিয়ত বা ইচ্ছা করা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি ইহরাম ছাড়াই মীক্বাত অতিক্রম করেছেন। এমতাবস্থায় তাকে মীক্বাতে ফিরে গিয়ে আদেশ অনুসারে হজ্জ বা উমরাহর ইহরাম বাঁধতে হবে। যদি তিনি তা না করেন, তাহলে তিনি হজ্জ বা উমরাহর একটি ওয়াজিব কাজ ছেড়ে দিয়েছেন। এক্ষেত্রে আলিমদের মতানুযায়ী তার উপর ফিদয়াহ ওয়াজিব হবে, অর্থাৎ একটি পশু মক্কাতে যবহ করতে হবে এবং এর গোশত হারাম এলাকার গরীব ও মিসকীনদের মধ্যে বণ্টন করে দিতে হবে (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ, ২/২০১; ফিক্বহুল ইবাদাত, পৃ. ২৮৩: ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম, পৃ. ৫১৩; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৩৮৮৭০)।

শাইখ আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে জিবরীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, فمن أحرم بعد ما جاوز الميقات فعليه دم جبران ، والله أعلم ‘যে ব্যক্তি মীক্বাত অতিক্রম করার পর ইহরাম বাঁধে, তার উপর ফিদিয়া স্বরূপ কুরবানী করা ওয়াজিব। আল্লাহ সর্বজ্ঞ’ (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ. ২/১৯৮ পৃ.)।

ইমাম ইবনে কুদামা (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, মোটকথা হল- ‘যে ব্যক্তির হজ্জ বা উমরার ইচ্ছা থাকা অবস্থায় তিনি ইহরাম ছাড়া মীক্বাত অতিক্রম করেছেন, তার উপর আবশ্যক পুনরায় মীক্বাতে ফিরে গিয়ে সেখান থেকে ইহরাম বাঁধা। চাই তিনি জেনেশুনে মীক্বাত অতিক্রম করেছেন কিংবা না-জেনে মীক্বাত অতিক্রম করেছেন। এটি হারাম হওয়া সম্পর্কে তার জ্ঞান থাকুন কিংবা থাকুন। যদি তিনি মীক্বাতে ফেরত গিয়ে সেখান থেকে ইহরাম বাঁধেন তাহলে তার উপর কোন কিছু বর্তাবে না। এ ব্যাপারে আমরা কোনরূপ মতভেদ লক্ষ্য করিনি। এটি জাবির বিন যায়িদ, হাসান, সাঈদ বিন যুবাইর, ছাওরী, শাফিঈ ও অন্যদের অভিমত। কেননা সেই ব্যক্তিকে যে মীক্বাত থেকে ইহরাম করার আদেশ দেয়া হয়েছে তিনি সেখান থেকেই ইহরাম করেছেন। তাই তার উপর কোন কিছু বর্তাবে না, যেমনিভাবে কোন কিছু বর্তাবে না যদি তিনি মীক্বাত অতিক্রম না করেন। আর যদি মীক্বাতের ভিতর থেকে ইহরাম বাঁধেন তাহলে দম (পশু যবহ) দেয়া তার উপর আবশ্যক হবে’ (আল-মুগনী, ৩/১১৫ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : সামীঊল, কুলপাড়া, রাজশাহী।





প্রশ্ন (১৩) : একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণীর ‘সাহিত্যপাঠ’ বইয়ে কবি মীর মশাররফ হোসেনের রচিত ‘কারবালা প্রান্তর’ গদ্যাংশে রয়েছে, ‘হোসেনের অশ্ব প্রভুর হস্ত’। এমন কথা বিশ্বাস করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : নিজ পরিবার রেখে জীবিকার জন্য প্রবাসে চাকরি করা কি বৈধ? এভাবে কতদিন থাকা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : মাযার পূজারী কোন আত্মীয়র সঙ্গে আত্মীয়তা রক্ষা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : ‘ছালাতুল ইশরাক্ব’, ‘ছালাতুয যুহা’ এবং ‘ছালাতুল আউওয়াবীন’ বলতে কোন্ কোন্ ছালাতকে বুঝানো হয় এবং এই সকল ছালাতের ফযীলত কেমন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৩) : অনেককেই দেখা যায় যে, ফরয ছালাত শেষে আয়াতুল কুরসী পড়ে বুকে ফুঁক দেয়। এটা কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : ত্বালাক্ব দেয়ার সময় স্ত্রীকে জানানো অথবা লিখিত দেয়া কি যরূরী? স্ত্রীকে না জানিয়ে ত্বালাক্ব দিলে সেই ত্বালাক কার্যকর হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : ইসলামের দৃষ্টিতে আদর্শ পোশাকের বৈশিষ্ট্য কেমন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : এক রাক‘আত বিতর পড়লে তাহাজ্জুদ ছালাত সর্বনিম্ন কত রাক‘আত পড়া যায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : মদীনায় একদিন রামাযানের ছিয়াম রাখা অন্য শহরের এক হাযার রামাযানের চেয়ে উত্তম। মদীনায় একদিনের জুমু‘আর ছালাত অন্য শহরে এক হাযার জুম‘আ পড়ার চেয়েও উত্তম’ (ত্বাবারাণী, আল-মু‘জামুল কাবীর ১/৪৯৩ পৃঃ, হা/১১৪৪)। উক্ত হাদীছ কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : মসজিদে সুতরা দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : একজন মহিলা হয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকতার চাকুরী করা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : কুরবানীর দিন দুপুর পর্যন্ত না খেয়ে থাকা সুন্নাত। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ