বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন
উত্তর : মীক্বাত থেকে ইহরাম বাঁধা হজ্জ ও উমরার ওয়াজিব। অতএব যে ব্যক্তি হজ্জ বা উমরাহ্ করতে চায় সে ব্যক্তি স্থল, জল বা আকাশ যে পথেই আগমন করুক না কেন, তার জন্য ইহরাম ব্যতীত মীক্বাত অতিক্রম করা জায়েয নয় (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৪৭৩৫৭, ৩৩৭৯৮)। শাইখ ইবনে বায (রাহিমাহুল্লাহ), শাইখ আল-উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) ও শাইখ মুহাম্মাদ ছালিহ আল-মুনাজ্জিদ (হাফিযাহুল্লাহ) বলেন, হজ্জ বা উমরাহ্ করার নিয়ত বা ইচ্ছা করা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি ইহরাম ছাড়াই মীক্বাত অতিক্রম করেছেন। এমতাবস্থায় তাকে মীক্বাতে ফিরে গিয়ে আদেশ অনুসারে হজ্জ বা উমরাহর ইহরাম বাঁধতে হবে। যদি তিনি তা না করেন, তাহলে তিনি হজ্জ বা উমরাহর একটি ওয়াজিব কাজ ছেড়ে দিয়েছেন। এক্ষেত্রে আলিমদের মতানুযায়ী তার উপর ফিদয়াহ ওয়াজিব হবে, অর্থাৎ একটি পশু মক্কাতে যবহ করতে হবে এবং এর গোশত হারাম এলাকার গরীব ও মিসকীনদের মধ্যে বণ্টন করে দিতে হবে (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ, ২/২০১; ফিক্বহুল ইবাদাত, পৃ. ২৮৩: ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম, পৃ. ৫১৩; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৩৮৮৭০)।

শাইখ আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে জিবরীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, فمن أحرم بعد ما جاوز الميقات فعليه دم جبران ، والله أعلم ‘যে ব্যক্তি মীক্বাত অতিক্রম করার পর ইহরাম বাঁধে, তার উপর ফিদিয়া স্বরূপ কুরবানী করা ওয়াজিব। আল্লাহ সর্বজ্ঞ’ (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ. ২/১৯৮ পৃ.)।

ইমাম ইবনে কুদামা (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, মোটকথা হল- ‘যে ব্যক্তির হজ্জ বা উমরার ইচ্ছা থাকা অবস্থায় তিনি ইহরাম ছাড়া মীক্বাত অতিক্রম করেছেন, তার উপর আবশ্যক পুনরায় মীক্বাতে ফিরে গিয়ে সেখান থেকে ইহরাম বাঁধা। চাই তিনি জেনেশুনে মীক্বাত অতিক্রম করেছেন কিংবা না-জেনে মীক্বাত অতিক্রম করেছেন। এটি হারাম হওয়া সম্পর্কে তার জ্ঞান থাকুন কিংবা থাকুন। যদি তিনি মীক্বাতে ফেরত গিয়ে সেখান থেকে ইহরাম বাঁধেন তাহলে তার উপর কোন কিছু বর্তাবে না। এ ব্যাপারে আমরা কোনরূপ মতভেদ লক্ষ্য করিনি। এটি জাবির বিন যায়িদ, হাসান, সাঈদ বিন যুবাইর, ছাওরী, শাফিঈ ও অন্যদের অভিমত। কেননা সেই ব্যক্তিকে যে মীক্বাত থেকে ইহরাম করার আদেশ দেয়া হয়েছে তিনি সেখান থেকেই ইহরাম করেছেন। তাই তার উপর কোন কিছু বর্তাবে না, যেমনিভাবে কোন কিছু বর্তাবে না যদি তিনি মীক্বাত অতিক্রম না করেন। আর যদি মীক্বাতের ভিতর থেকে ইহরাম বাঁধেন তাহলে দম (পশু যবহ) দেয়া তার উপর আবশ্যক হবে’ (আল-মুগনী, ৩/১১৫ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : সামীঊল, কুলপাড়া, রাজশাহী।





প্রশ্ন (১৭) : ছালাতের পর হাদীছে বর্ণিত যিকির ও দু‘আসমূহ পড়ে নিজের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন চাহিদা জন্য একাকী হাত তুলে নিজের ভাষায় দু‘আ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : বিধবা অথবা তালাক্বপ্রাপ্ত মেয়ে পিতা-মাতার অনুমতি ছাড়া বিবাহ করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : আমাদের মসজিদে লক্ষ্য করা যায় যে, প্রতিদিনই অনেক লোক ফজরের ছালাত চলাকালীন সুন্নাত ছালাত আদায় করতে থাকে। তাদের ধারণা হল- ফরজের আগেই সুন্নাত ছালাত পড়তে হবে। পরে পড়া যাবে না। উক্ত ধারণা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : প্রচলিত আছে যে, যারা হজ্জ বা উমরা করতে গিয়ে মারা যাবে তারা জান্নাতী। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : এশার ছালাত নির্দিষ্ট ওয়াক্তে না পড়ে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পড়া কি জায়েয হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : জনৈক মুরীদের দাবী হল, পীর সবকিছু করে দিবে। মুরীদ না হলে মৃত্যুর সময় শয়তান এসে ঈমান লুটে নিবে। তার উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : বিয়ের সময় পাত্রীকে সাজানোর জন্য পোশাক ও বিভিন্ন কসমেটিকস দেয়া হয়। সেইগুলো কি দেনমোহর হিসাবে ধরা যাবে? দেনমোহরের পরিমাণ কত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : বগলের পশম ও নাভীর নিচের পশম কত দিন পর কাটতে হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫১) : নির্দিষ্ট করে রামাযান মাসে বা ঈদের দিনে কিংবা অন্য কোন দিনে কবর যিয়ারত করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : খিযির (আলাইহিস সালাম) কি নবী ছিলেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : প্রচলিত আছে যে, কেউ যদি জুমু‘আহ বা অন্য কোন ছালাতের আযান দেয়, তাহলে ঐ ব্যক্তি আর ছালাতের ইমামতি করতে পারবে না। এটা কি হাদীছসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : মসজিদে বা মসজিদের আঙ্গিনায় ফুটবল, ক্রিকেট, বলিবল ইত্যাদি খেলা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ