বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন
উত্তর : ওয়াক্বফ্কৃত বা দানকৃত জমি বা অন্য কোন কিছু ফিরিয়ে নেয়া জায়েয নয়। কেননা তা ওয়াক্বফ্ করার সঙ্গে সঙ্গে মালিকের মালিকানা থেকে বেরিয়ে যায় (মারাতিবুল ইজমা‘, পৃ. ৯৭; ফাৎহুল বারী, ৫/২৩৫; ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ৩/২৩ পৃ.)। সুতরাং নিঃসন্দেহে ঐ মসজিদে বাকি মুছল্লীদের ছালাত আদায় করা জায়েয হবে। ইমাম বুখারী (রাহিমাহুল্লাহ) অনুচ্ছেদ রচনা করেছেন: ‘হিবা বা ছাদাক্বাহ করার পর তা ফিরিয়ে নেয়া কারোর জন্য হালাল নয়’ (অধ্যায় নং-৫১, অনুচ্ছেদ নং-৩০)। অতঃপর তিনি নিম্নোক্ত হাদীছটি বর্ণনা করেন। আব্দুল্লাহ্ ইবনু ‘আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি দান করে তা আবার ফিরিয়ে নেয়, তার উদাহরণ ঐ কুকুরের ন্যায়, যে বমি করে এবং পুনরায় সে তার বমি খেয়ে ফেলে’ (ছহীহ বুখারী, হা/২৬২২; ছহীহ মুসলিম, হা/১৬২২; নাসাঈ, হা/৩৬৯৩; ইবনু মাজাহ, হা/২৩৯১)। ইমাম বুখারী (রাহিমাহুল্লাহ) আরো অনুচ্ছেদ রচনা করেছেন যে, ‘নিজের ছাদাক্বাহ কৃত বস্তু ক্রয় করা যায় কি?’ (অধ্যায় নং-২৮, অনুচ্ছেদ নং-৫৯)।

অতঃপর তিনি বলেন, ‘অন্যের ছাদাক্বাহ কৃত বস্তু ক্রয় করতে কোন দোষ নেই। কেননা নবী (ﷺ) বিশেষভাবে ছাদাক্বাহ প্রদানকারীকে তা ক্রয় করতে নিষেধ করেছেন, অন্যকে নিষেধ করেননি। অতঃপর তিনি নিম্নোক্ত হাদীছটি বর্ণনা করেন। উমার বিন খাত্তাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, ‘আমি একটি উত্তম ঘোড়া আল্লাহর পথে দান করি। কিন্তু সে ব্যক্তি (যাকে দেয়া হয়েছিল) ঘোড়াটির সঠিক দেখাশুনা না করে ঘোড়াটিকে দুর্বল করে ফেলে। আমার ধারণ হল, সে তা সস্তা দামে বিক্রি করে দিবে। আমি এ ব্যাপারে রাসূল (ﷺ)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তুমি তা ক্রয় করবে না এবং তোমার দানকে ফিরিয়ে আনবে না। কেননা যে ব্যক্তি আপন দান ফিরিয়ে নেয়, সে সেই কুকুরের মত, যে বমি করে আবার তা খায়’ (ছহীহ বুখারী, হা/২৭৭৫, ২৯৭১, ৩০০২; ছহীহ মুসলিম, হা/১৬২০, ১৬২১; আবূ দাঊদ, হা/১৫৯৩)। লক্ষ্যণীয় বিষয় হল: এখানে রাসূল (ﷺ) যথার্থ কারণ থাকা সত্ত্বেও উমার ফারুক্ব (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে টাকার বিনিময়েও স্বীয় দানকৃত ঘোড়া ক্রয় করতে নিষেধ করলেন। তাহলে একজন মানুষ কিভাবে নিজের দানকৃত জিনিস ফিরিয়ে নিতে পারে?

প্রশ্নকারী : সুলাইমান, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।





প্রশ্ন (৩৫) : ‘তোমরা হজ্জ কর, কারণ হজ্জ গুনাহকে ধুয়ে ফেলে যেরূপ পানি ময়লা ধুয়ে ফেলে’ (ত্বাবারাণী-আল-মু‘জামুল আওসাত্ব, হা/৪৯৯৭)। বর্ণনাটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : কোন গায়র মাহরাম ড্রাইভারের সাথে মহিলার একাকিনী কোথাও যাওয়া কি বৈধ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : ছিয়াম শুরু করা ও শেষ করার জন্য জ্যোর্তিবিদ্যার উপর নির্ভর করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪২) : ছালাতের সময় কোন্ কোন্ সূরা ও আয়াতের জবাব প্রদান করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : ঋতু হতে পবিত্র হওয়ার পদ্ধতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : বিবাহের পূর্বে স্বামী/স্ত্রীর মধ্যে একজন অথবা উভয়জন ছালাত আদায় না করলে কি বিবাহের চুক্তি বাতিল হয়ে যায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : শুক্রবারে সূরা আলে ‘ইমরান তেলাওয়াত করার ব্যাপারে কোন ছহীহ হাদীছ আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : একজন মহিলা হয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকতার চাকুরী করা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : আধুনিক যুগের ব্রাশ ও টুথপেস্ট কি মেসওয়াকের বিকল্প হতে পারে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : দাড়ি একমুষ্টি রেখে বাকি অংশ কাটা যাবে কি? যেখানে ছহীহ বুখারীর ৫৮৯২ নম্বর হাদীছে এসেছে, ইবনু ওমর (রাযিয়াল্লাহ আনহুমা) সূত্রে নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, তোমরা মুশরিকদের উল্টো করবে- দাড়ি লম্বা রাখবে, গোঁফ ছোট করবে। ইবনু ওমর (রাযিয়াল্লাহ আনহুমা) যখন হজ্জ বা ওমরাহ করতেন, তখন তিনি তাঁর দাড়ি মুষ্টি করে ধরতেন এবং মুষ্টির বাইরে যতটুকু বেশি থাকত, তা কেটে ফেলতেন। এছাড়া আরো হাদীছ এসেছে। এই বিষয়ে সঠিক সমাধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : সূদ খাওয়া ও যিনার মধ্যে কোনটি বড় অপরাধ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : একজন আলেম কুরআনের আয়াত পড়ে জিন যব্হ করে, আবার মুমিন জিন দিয়ে যাদু ও জিনের রোগের চিকিৎসা করে। এটি কি সুন্নাহ সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ