বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন
উত্তর : নফল ছিয়াম যদি কেউ ভেঙ্গে ফেলে তার উপর ক্বাযা আবশ্যক হয় না। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নফল ছিয়ামের ক্ষেত্রে অনেক সময় খাবার জোগাড় না থাকায় ছিয়াম রেখে দিয়েছেন আবার হাদিয়া আসলে ছিয়াম ভেঙ্গে ফেলেছেন। এমনকি নফল ছিয়াম অবস্থায় কেউ দাওয়াত করলে ছিয়াম ভাঙ্গা এবং রাখার ব্যাপারে ঐচ্ছিক মত পোষণ করেছেন। হাদীছে এসেছে,

عَنْ عَائِشَةَ رَضِىَ اللهُ عَنْهَا أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ قَالَتْ جَاءَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمًا فَقَالَ هَلْ عِنْدَكُمْ مِنْ طَعَامٍ قُلْتُ لَا. قَالَ إِذًا أَصُوْمَ قَالَتْ وَدَخَلَ عَلَىَّ مَرَّةً أُخْرَى فَقُلْتُ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ أُهْدِىَ لَنَا حَيْسٌ. فَقَالَ إِذًا أُفْطِرَ الْيَوْمَ وَقَدْ فَرَضْتُ الصَّوْمَ

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘একদা রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার ঘরে প্রবেশ করলেন এবং বললেন, তোমার কাছে কি খাবার মত কিছু আছে? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, তাহলে আমি ছিয়াম রেখে দিলাম। অন্য একদিন তিনি এলেন তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমাদের জন্য কিছু ‘হায়স’ তথা খেজুর, ঘি এবং ছাতু দিয়ে বানানো এক প্রকার খাবার হাদিয়া এসেছে। তিনি বললেন, আমাকে দেখাও, আমি ছিয়াম অবস্থায় সকাল করেছি। অতঃপর তিনি তা খেলেন’ (নাসাঈ হা/২৩৩০, সনদ হাসান ছহীহ)। হাদীছে এসেছে,

إِذَا دُعِيَ أَحَدُكُمْ إِلَى طَعَامٍ وَهُوَ صَائِمٌ فَلْيَقُلْ إِنِّيْ صَائِمٌ. وَفِيْ رِوَايَةٍ قَالَ إِذَا دُعِيَ أَحَدُكُمْ فَلْيُجِبْ فَإِنْ كَانَ صَائِمًا فَلْيُصَلِّ وَإِنْ كَانَ مُفْطِرًا فَلْيَطْعَمْ

‘যখন তোমাদের কেউ খানার দিকে আহুত হয় ছিয়াম অবস্থায়, সে যেন বলে আমি ছায়েম’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১১৫০)। অপর বর্ণনায় আছে, রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যখন তোমাদের কেউ খানার জন্য আহুত হয়, তখন সে যেন তা কবুল করে, অতঃপর ছিয়াম থাকলে তাদের জন্য দু‘আ করে ছিয়াম না থাকলে খানা খায়’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৪৩১; মিশকাত, হা/২০৭৮)।


প্রশ্নকারী : আল-আমীন, নওগাঁ।




প্রশ্ন (৯) : বিভিন্ন সংস্থা বা সংগঠনের ব্যানারে ইসলামী কুইজ প্রতিযোগিতার নামে নির্দিষ্ট যে ফি ধার্য করা হয়, যেখানে নির্দিষ্ট কয়েকজনকে মাত্র পুরস্কৃত করা হয়। এটি কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : মাকহূল (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, যে লোক ‘লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ ওয়ালা মানজায়া মিনাল্লাহি ইল্লা ইলাইহি’ পাঠ করে, আল্লাহ তা‘আলা তার হতে সত্তর প্রকারের অনিষ্ট অপসারণ করেন এবং এগুলোর মাঝে সাধারণ বা ক্ষুদ্র বিপদ হল দরিদ্রতা। হাদীছটি কি আমলযোগ্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : আলু বোখারা খাওয়া কি যায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : ‘তাওহীদে আসমা ওয়াছ ছিফাত’ কাকে বলে এবং এর দাবি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪০) : যারা আল্লাহর ঘর ধ্বংস করে (মসজিদ ভেঙ্গে দেয় বা আগুনে পুড়িয়ে দেয়) ইসলামী শরী‘আতে তাদের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : জনৈক আলেম বলেন, জোড় রাতেও ক্বদর হতে পারে। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : সমস্ত মুসলিমদের জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাওয়ার মত কোন দু‘আ আছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : জনৈকা মেয়ে সালাফী মানহাজের অনুসারী। কিন্তু পিতা-মাতা পীরের মুরীদ এবং প্রকাশ্য শিরকের সাথে জড়িত। তারা এমন ছেলের সাথে বিয়ে দিতে চায় যে ছালাতও আদায় করে না, তার মধ্যে দ্বীনের কিছুই নেই। শুধু টাকা-পয়সার জন্য বিয়ে দিতে চায়। মেয়েটি এমন ছেলের সাথে বিবাহে রাযী নয়। অন্যদিকে মেয়ের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : প্রচলিত আছে যে, কেউ যদি জুমু‘আহ বা অন্য কোন ছালাতের আযান দেয়, তাহলে ঐ ব্যক্তি আর ছালাতের ইমামতি করতে পারবে না। এটা কি হাদীছসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : মাহরাম ছাড়া কোন মহিলা হজ্জ করতে যেতে পারবে কি? বুদ্ধিমান বালক কি মাহরাম হতে পারে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : অন্তরের রিয়া দূর করার উপায় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : বিতর ছালাতে কুনূত পড়তে ভুলে গেলে এবং সিজাদায় গিয়ে মনে পড়লে করণীয় কী? দু‘আ কুনূত ছাড়াই বিতর ছালাত পড়ার পদ্ধতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ