রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০১:০১ অপরাহ্ন
উত্তর : নফল ছিয়াম যদি কেউ ভেঙ্গে ফেলে তার উপর ক্বাযা আবশ্যক হয় না। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নফল ছিয়ামের ক্ষেত্রে অনেক সময় খাবার জোগাড় না থাকায় ছিয়াম রেখে দিয়েছেন আবার হাদিয়া আসলে ছিয়াম ভেঙ্গে ফেলেছেন। এমনকি নফল ছিয়াম অবস্থায় কেউ দাওয়াত করলে ছিয়াম ভাঙ্গা এবং রাখার ব্যাপারে ঐচ্ছিক মত পোষণ করেছেন। হাদীছে এসেছে,

عَنْ عَائِشَةَ رَضِىَ اللهُ عَنْهَا أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ قَالَتْ جَاءَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمًا فَقَالَ هَلْ عِنْدَكُمْ مِنْ طَعَامٍ قُلْتُ لَا. قَالَ إِذًا أَصُوْمَ قَالَتْ وَدَخَلَ عَلَىَّ مَرَّةً أُخْرَى فَقُلْتُ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ أُهْدِىَ لَنَا حَيْسٌ. فَقَالَ إِذًا أُفْطِرَ الْيَوْمَ وَقَدْ فَرَضْتُ الصَّوْمَ

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘একদা রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার ঘরে প্রবেশ করলেন এবং বললেন, তোমার কাছে কি খাবার মত কিছু আছে? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, তাহলে আমি ছিয়াম রেখে দিলাম। অন্য একদিন তিনি এলেন তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমাদের জন্য কিছু ‘হায়স’ তথা খেজুর, ঘি এবং ছাতু দিয়ে বানানো এক প্রকার খাবার হাদিয়া এসেছে। তিনি বললেন, আমাকে দেখাও, আমি ছিয়াম অবস্থায় সকাল করেছি। অতঃপর তিনি তা খেলেন’ (নাসাঈ হা/২৩৩০, সনদ হাসান ছহীহ)। হাদীছে এসেছে,

إِذَا دُعِيَ أَحَدُكُمْ إِلَى طَعَامٍ وَهُوَ صَائِمٌ فَلْيَقُلْ إِنِّيْ صَائِمٌ. وَفِيْ رِوَايَةٍ قَالَ إِذَا دُعِيَ أَحَدُكُمْ فَلْيُجِبْ فَإِنْ كَانَ صَائِمًا فَلْيُصَلِّ وَإِنْ كَانَ مُفْطِرًا فَلْيَطْعَمْ

‘যখন তোমাদের কেউ খানার দিকে আহুত হয় ছিয়াম অবস্থায়, সে যেন বলে আমি ছায়েম’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১১৫০)। অপর বর্ণনায় আছে, রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যখন তোমাদের কেউ খানার জন্য আহুত হয়, তখন সে যেন তা কবুল করে, অতঃপর ছিয়াম থাকলে তাদের জন্য দু‘আ করে ছিয়াম না থাকলে খানা খায়’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৪৩১; মিশকাত, হা/২০৭৮)।


প্রশ্নকারী : আল-আমীন, নওগাঁ।




প্রশ্ন (১৩) : ‘আমরা চাইলে জীবনের প্রতিটা মুহূর্তকেই আনন্দময় করে তুলতে পারি’, এরূপ বলা কি শিরক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪): বর্ণিত আছে, ‘যে ব্যক্তি রাতে ‘সূরা হা-মীম দুখান’ পড়ে সকালে উঠে, তার জন্য সত্তর হাজার ফেরেশতা আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রর্থনা করতে থাকেন (তিরমিযী, হা/২৮৮৮; মিশকাত, হা/২১৪৯)। এ বর্ণনাটি কি বিশুদ্ধ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : কতটুকু পরিমাণ পেশাব লাগলে কাপড় ধুতে হবে? কাপড়টা কি পুরোটাই ধুতে হবে, না-কি যতটা লেগেছে ততটা? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) :  যে ব্যক্তি আল্লাহ তা‘আলার তাওহীদে বিশ্বাস করে, কিন্তু কিছু দায়িত্ব পালনে অলসতা পোষণ করে তার হুকুম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : যারা মিউজিক শুনে তাদের কানে উত্তপ্ত গলিত সীসা ঢেলে দেয়ার হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : যাকাত ইংরেজী মাস হিসাবে দিতে হবে, না-কি আরবী মাস হিসাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : কেউ কুরআনকে বা নবীকে অপমান করলে, তাকে প্রকাশ্যে হত্যার বিধান ইসলামে আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : প্রথম স্ত্রী ও দ্বিতীয় স্ত্রীর মোহরনা কি একই হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : বর্তমান প্রযুক্তির অধিকাংশ উপাদান অমুসলিম দেশ কর্তৃক সরবরাহ করা হয়। প্রশ্ন হল- এগুলো কি ব্যবহার করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : ছিয়াম ভঙ্গের কারণগুলো কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : ‘ফাযায়েলে কুরআন’ গ্রন্থে উল্লেখ আছে যে, ‘ছালাতে কুরআন তেলাওয়াত করা ছালাতের বাইরে কুরআন তেলাওয়াত করা অপেক্ষা উত্তম। ছালাতের বাইরে কুরআন তেলাওয়াত করা ‘সুবহানাল্লাহ’ ও ‘আল্লাহু আকবার’ বলার চেয়ে উত্তম। ‘সুবহানাল্লাহ’ বলা ছাদাক্বাহ হতে উত্তম; ছাদাক্বাহ ছিয়াম হতে উত্তম। আর ছিয়াম হচ্ছে জাহান্নামের ঢাল স্বরূপ’ (বায়হাক্বী, শু‘আবুল ঈমান, হা/২০৯৫; মিশকাত, হা/২১৬৬; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/২০৬২; ফাযায়েলে আমল, পৃ. ২৩০)। উল্লিখিত বক্তব্যগুলো কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : ইসলামী রাষ্ট্রে সংবিধানের ভিত্তি কী হবে- মানব রচিত আইন, না-কি শরী‘আত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ