বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন
উত্তর : নফল ছিয়াম যদি কেউ ভেঙ্গে ফেলে তার উপর ক্বাযা আবশ্যক হয় না। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নফল ছিয়ামের ক্ষেত্রে অনেক সময় খাবার জোগাড় না থাকায় ছিয়াম রেখে দিয়েছেন আবার হাদিয়া আসলে ছিয়াম ভেঙ্গে ফেলেছেন। এমনকি নফল ছিয়াম অবস্থায় কেউ দাওয়াত করলে ছিয়াম ভাঙ্গা এবং রাখার ব্যাপারে ঐচ্ছিক মত পোষণ করেছেন। হাদীছে এসেছে,

عَنْ عَائِشَةَ رَضِىَ اللهُ عَنْهَا أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ قَالَتْ جَاءَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمًا فَقَالَ هَلْ عِنْدَكُمْ مِنْ طَعَامٍ قُلْتُ لَا. قَالَ إِذًا أَصُوْمَ قَالَتْ وَدَخَلَ عَلَىَّ مَرَّةً أُخْرَى فَقُلْتُ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ أُهْدِىَ لَنَا حَيْسٌ. فَقَالَ إِذًا أُفْطِرَ الْيَوْمَ وَقَدْ فَرَضْتُ الصَّوْمَ

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘একদা রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার ঘরে প্রবেশ করলেন এবং বললেন, তোমার কাছে কি খাবার মত কিছু আছে? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, তাহলে আমি ছিয়াম রেখে দিলাম। অন্য একদিন তিনি এলেন তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমাদের জন্য কিছু ‘হায়স’ তথা খেজুর, ঘি এবং ছাতু দিয়ে বানানো এক প্রকার খাবার হাদিয়া এসেছে। তিনি বললেন, আমাকে দেখাও, আমি ছিয়াম অবস্থায় সকাল করেছি। অতঃপর তিনি তা খেলেন’ (নাসাঈ হা/২৩৩০, সনদ হাসান ছহীহ)। হাদীছে এসেছে,

إِذَا دُعِيَ أَحَدُكُمْ إِلَى طَعَامٍ وَهُوَ صَائِمٌ فَلْيَقُلْ إِنِّيْ صَائِمٌ. وَفِيْ رِوَايَةٍ قَالَ إِذَا دُعِيَ أَحَدُكُمْ فَلْيُجِبْ فَإِنْ كَانَ صَائِمًا فَلْيُصَلِّ وَإِنْ كَانَ مُفْطِرًا فَلْيَطْعَمْ

‘যখন তোমাদের কেউ খানার দিকে আহুত হয় ছিয়াম অবস্থায়, সে যেন বলে আমি ছায়েম’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১১৫০)। অপর বর্ণনায় আছে, রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যখন তোমাদের কেউ খানার জন্য আহুত হয়, তখন সে যেন তা কবুল করে, অতঃপর ছিয়াম থাকলে তাদের জন্য দু‘আ করে ছিয়াম না থাকলে খানা খায়’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৪৩১; মিশকাত, হা/২০৭৮)।


প্রশ্নকারী : আল-আমীন, নওগাঁ।




প্রশ্ন (২১) : স্ত্রী যদি কখনো স্বামীকে সহবাসের জন্য কাছে ডাকে, কিন্তু স্বামী যদি তাতে সাড়া না দেয়, তাহলে কি স্বামীর গুনাহ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) :  ছোটবেলায় অনেক লোকদের থেকে বুঝে কিংবা না বুঝে তাদের হক আত্মসাৎ করেছি। পরে জানতে পেরেছি যে, যাদের হক্ব অবশ্যই তাদেরকে ফিরিয়ে দিতে হবে। বর্তমানে তাদের কাউকে চিনি, কাউকে চিনি না। আবার অনেকে নাকি দুনিয়া থেকে বিদায় হয়ে গেছে। প্রশ্ন হল- আমি যদি তাদের থাকা অথবা তাদের হক্বগুলো কোন মসজিদ বা কোন ইয়াতীমখানায় দিয়ে দিই, তাহলে তাদের হক্বগুলো কি আদায় হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : জনৈক আলেম বলেন, মসজিদে এমন কোন বস্তু রাখা যাবে না, যা মুছল্লীকে আকৃষ্ট করে। তাই কা‘বার ছবি, নববীর ছবি, মিনারের ছবি ইত্যাদি রাখা যাবে না। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : আমরা তিন বোন। আমাদের কোন ভাই নেই। ইসলামী শরী‘আহ অনুযায়ী আমার পিতার সকল সম্পদের বণ্টন নীতিমালা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : ‘রিযিক’ এবং ‘বিবাহ’ কি লাওহে মাহফূযে লিখিত আছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : এটাচড টয়লেটে ওযূ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : আহলে বাইত বলতে কাদেরকে বুঝানো হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭): আব্দুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে প্রশ্ন করা হয়, রাসূল (ﷺ)-এর ছাহাবীগণ কি হাসতেন? তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ। তবে তাঁদের অন্তরে ঈমান ছিল পাহাড়ের চেয়ে বড়’ (আল-মাউসূ‘আতুল কুবরা, ৩১/১৯৩)। বর্ণনাটি কী ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : কেমন ব্যক্তি চাঁদ দেখার সাক্ষী দিলে ছিয়াম রাখা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৩) : কোন্ কোন্ সময় সালাম দেয়া নিষিদ্ধ এবং অপসন্দনীয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩): আযান ও ইকামতের মাঝে দু‘আ কবুল হয়। এক্ষণে আযান ও ইকামতের মাঝে দু‘আ করার সময় হামদ ও দরুদ পাঠ করতে হবে কি, আর দুই হাত তুলে দু‘আ করতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : সহশিক্ষা আছে এমন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা এবং শিক্ষা গ্রহণ করা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ