রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন
উত্তর : নফল ছিয়াম যদি কেউ ভেঙ্গে ফেলে তার উপর ক্বাযা আবশ্যক হয় না। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নফল ছিয়ামের ক্ষেত্রে অনেক সময় খাবার জোগাড় না থাকায় ছিয়াম রেখে দিয়েছেন আবার হাদিয়া আসলে ছিয়াম ভেঙ্গে ফেলেছেন। এমনকি নফল ছিয়াম অবস্থায় কেউ দাওয়াত করলে ছিয়াম ভাঙ্গা এবং রাখার ব্যাপারে ঐচ্ছিক মত পোষণ করেছেন। হাদীছে এসেছে,

عَنْ عَائِشَةَ رَضِىَ اللهُ عَنْهَا أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ قَالَتْ جَاءَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمًا فَقَالَ هَلْ عِنْدَكُمْ مِنْ طَعَامٍ قُلْتُ لَا. قَالَ إِذًا أَصُوْمَ قَالَتْ وَدَخَلَ عَلَىَّ مَرَّةً أُخْرَى فَقُلْتُ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ أُهْدِىَ لَنَا حَيْسٌ. فَقَالَ إِذًا أُفْطِرَ الْيَوْمَ وَقَدْ فَرَضْتُ الصَّوْمَ

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘একদা রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার ঘরে প্রবেশ করলেন এবং বললেন, তোমার কাছে কি খাবার মত কিছু আছে? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, তাহলে আমি ছিয়াম রেখে দিলাম। অন্য একদিন তিনি এলেন তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমাদের জন্য কিছু ‘হায়স’ তথা খেজুর, ঘি এবং ছাতু দিয়ে বানানো এক প্রকার খাবার হাদিয়া এসেছে। তিনি বললেন, আমাকে দেখাও, আমি ছিয়াম অবস্থায় সকাল করেছি। অতঃপর তিনি তা খেলেন’ (নাসাঈ হা/২৩৩০, সনদ হাসান ছহীহ)। হাদীছে এসেছে,

إِذَا دُعِيَ أَحَدُكُمْ إِلَى طَعَامٍ وَهُوَ صَائِمٌ فَلْيَقُلْ إِنِّيْ صَائِمٌ. وَفِيْ رِوَايَةٍ قَالَ إِذَا دُعِيَ أَحَدُكُمْ فَلْيُجِبْ فَإِنْ كَانَ صَائِمًا فَلْيُصَلِّ وَإِنْ كَانَ مُفْطِرًا فَلْيَطْعَمْ

‘যখন তোমাদের কেউ খানার দিকে আহুত হয় ছিয়াম অবস্থায়, সে যেন বলে আমি ছায়েম’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১১৫০)। অপর বর্ণনায় আছে, রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যখন তোমাদের কেউ খানার জন্য আহুত হয়, তখন সে যেন তা কবুল করে, অতঃপর ছিয়াম থাকলে তাদের জন্য দু‘আ করে ছিয়াম না থাকলে খানা খায়’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৪৩১; মিশকাত, হা/২০৭৮)।


প্রশ্নকারী : আল-আমীন, নওগাঁ।




প্রশ্ন (১৯) : যোহরের চার রাক‘আত সুন্নাত ছালাত এক সালামে পড়তে হবে, না-কি দুই সালামে পড়তে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : হাসান ইবনু আলী বলেন, ‘যে ব্যক্তি এই বিশ আয়াত পড়বে আমি তার এ ব্যাপারে যিম্মাদার হয়ে গেলাম যে, আল্লাহ তাকে যালিম শাসক, অবাধ্য শয়তান, ক্ষতিকর ও হিংস্র জীবজন্তু ও সীমালঙ্ঘনকারী চোর থেকে রক্ষা করবেন। বিশটি আয়াত হল, আয়াতুল কুরসী, সূরা আ‘রাফের ৫৪ থেকে ৫৬ তিন আয়াত, সূরা ছাফফাতের দশ আয়াত, সূরা আর-রহমানের ৩৩ থেকে ৩৫ তিন আয়াত এবং সূরা হাশরের শেষের ২১ থেকে ২৪ চার আয়াত (আদ-দুররুল মানসূর; তারীখু বাখদাদ)। বর্ণনাটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : কেউ অন্যের নামে মিথ্যা কথা প্রচার করে থাকলে ক্ষমা নেওয়ার উপায় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : যে নারী ক্বাযা ছিয়াম পালন করার আগেই গর্ভবতী হয়ে গেছেন এবং আগত রামাযানেও তার পক্ষে ছিয়াম রাখা সম্ভব নয়। এমতাবস্থায় পূর্বের ক্বাযা ছিয়াম ও আগত ছিয়ামের হুকুম কী হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : রাসূল (ﷺ) ও দুই ছাহাবীর কবর যিয়ারতের সময় কি পৃথক দু‘আ পড়তে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : বর্তমানে ফেসবুকে বিভিন্ন পণ্য বিক্রয়ের মধ্য দিয়ে কূপনের মাধ্যমে লটারী ড্র করে উমরাহ পালন, মোরটসাইকেল, এসি, ফ্রিজসহ আরো অনেক কিছু উপহার দেয়া হয়। এগুলোতে অংশগ্রহণ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : অন্যান্য ধর্মের পূজা, মন্দির বা গির্জা দেখার জন্য যাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : ব্রিটিশ আইনে পরিচালিত বাংলাদেশের কোন আদালতে কম্পিউটার অপারেটর হিসাবে কাজ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : মুসলিমদের প্রথম কিবলা কোনটি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : চার রাক‘আত বিশিষ্ট ছালাতের প্রথম বৈঠকে দরূদ পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : জনৈক ব্যক্তি একটি ক্লিনিকের হিসাব রক্ষক হিসাবে চাকুরী করে। ক্লিনিকের মালিক মূলধন ব্যাংকে রেখে সেখান থেকে ইন্টারেস্ট নেয় এবং তা থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দেয়। এক্ষণে ঐ ব্যক্তি কি সূদের বিধানের আওতায় পড়বে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ইবাদতে শিরক কিভাবে হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ