রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০২:৫৩ অপরাহ্ন
উত্তর : মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত কাফিরদের পণ্য বয়কট করে তাদের আর্থিকভাবে দুর্বল করা আমাদের জন্য ঈমানী দায়িত্ব। ইমাম ইবনু বাত্ত্বাল (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘সমস্ত রকমের কাফির ও মুশরিকদের সঙ্গে ক্রয়-বিক্রয় করা জায়েয। তবে মুসলিমদের সাথে যুদ্ধরত কাফিরদেরকে এমন কোন সরঞ্জাম ও হাতিয়ার বিক্রয় করা যাবে না, যেগুলো তারা মুসলিমদের নিধন করার কাজে ব্যবহার করতে পারে। কিংবা এমন কোন লেনদেন করা যাবে না, যার ফলে তারা মুসলিমদের বিরুদ্ধে আরো শক্তিশালী হয়ে যায়’ (শারহুল বুখারী, ৬/৩৩৮ পৃ.)। চাপ সৃষ্টি করার জন্য এবং তাদের দ্বারা অত্যাচারিত, নির্যাতিত, নিপীড়িত ও গৃহহীন মুসলিমদের সাহায্য করণার্থে ইসরায়েলী পণ্য বয়কট করা অথবা ইসরায়েলী কোম্পানীগুলোর সঙ্গে আর্থিক লেনদেন বন্ধ করা আবশ্যক। তাই তাদেরকে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল করার জন্য সমস্ত রকমের প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। সর্ব যুগেই মাল-সম্পদ যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ হিসাবে চিহ্নিত। মুসলিমদের উচিত সর্বদা যুলুম, অন্যায় ও পাপাচারের বিরোধিতা করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তোমরা সৎকর্ম ও তাক্বওয়ায় পরস্পরকে সহযোগিতা কর এবং মন্দকর্ম ও সীমালঙ্ঘনে একে অন্যের সহযোগিতা করো না। আর আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ শাস্তি প্রদানে অত্যধিক কঠোর’ (সূরা আল-মায়িদা: ২)। মুসলিমরা কখনো কোন ইয়াহুদী, খ্রিস্টান অথবা অন্যান্য অমুসলিমদের এমন কোনো সাহায্য-সহযোগিতা করতে পারবে না, যার ফলে তারা ফুলেফেঁপে আরো শক্তিশালী হয়ে যায়। রাসূল (ﷺ) স্পষ্ট ভাষায় বলেন, তোমরা মুশরিকদের বিরুদ্ধে নিজেদের সম্পদ, জীবন ও কথার দ্বারা জিহাদ করো’ (আবূ দাঊদ, হা/২৫০৪)। ফিলিস্তীনী মুসলিমদের উপর ইসরায়েলী হানা বাহিনীর নির্মম নির্যাতনের বিরুদ্ধে আমাদের দেশে দৃশ্যমান কোন প্রতিবাদ হয়নি। তাই ইসরায়েলী পণ্য বয়কটের মাধ্যমে আমরা প্রতিবাদ করতে পারি। সেই সঙ্গে ইসরায়েলে গার্মেন্টস পন্যের রফতানি বন্ধ করে সেই বস্ত্র সহায়সম্বলহীন ফিলিস্তীনীদের বিনামূল্যে দান করে তাদের পাশে থাকতে পারি। মোদ্দাকথা হল- যুদ্ধরত কাফিরদের পণ্য বয়কট করে তাদের আর্থিকভাবে দুর্বল করা জায়েয এবং খুবই ভালো উদ্যোগ (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমা, ১৩/১৮ পৃ.; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-২০৭৩২, ২৬১৮২২)।


প্রশ্নকারী : আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ফাইয়াজ, চাঁদপুর।





প্রশ্ন (১৫) : টিভি, ফ্রিজ, এসি, রাইস কুকার, গান বাজানোর সাউন্ডবক্স, কম্পিউটার, ক্যামেরা, স্মার্ট মোবাইল ইত্যাদি সার্ভিসিং বা মেরামতের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করা কি হালাল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : শরী‘আতে মুমিন নারী এবং পুরুষকে তাদের দৃষ্টি হেফাযত করতে বলা হয়েছে। অনিচ্ছাকৃত চোখ পরে যাওয়া গুনাহ নয়; তাহলে অনলাইনে আলেমগণের গুরুত্বপূর্ণ ইসলামিক লেকচার শোনার সময়, অনেক সময় এমন হয় যে, এক দৃষ্টিতে আলেমদের মুখের দিকে তাকিয়ে লেকচার শুনতে হয়। তখন শুধু তারা কী বলছেন সেদিকেই মনোযোগ থাকে। এখন জিজ্ঞাসা হলো, এতে কি একজন নারীর গুনাহ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : মায়ের পেট থেকে মৃত সন্তান জন্ম নিলে তার জানাযা পড়তে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : একজন মেয়ে বিয়ে হওয়ার পরে তার স্বামীর হুকুম মানবে, না পিতার হুমুক মানবে? যদি পিতার অবাধ্য হয় তাহলে কি সে গুনাহগার হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : আহলেহাদীছ কাকে বলে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : নমরূদ ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম)-কে আগুনে নিক্ষেপ করলে আগুন ফুলবাগানে পরিণত হয়। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২): পিতা যদি ভুলের উপর থাকেন এবং ছেলে সঠিক হয় তাহলে সন্তানের বিরুদ্ধে পিতার বদদু‘আ কবুল হবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : কোন মুসলিম বেঁচে থাকতে ছালাত আদায় করেনি, কিন্তু অনেক কিছু দান কিংবা ভালো কাজ করে গেছেন। সেগুলার পুরস্কার কি কবরে পাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪২) : আমি একটি মেয়েকে ভালোবাসতাম। কিছু দিন শুধু কথা বলেছি। যখন জানতে পেরেছি এই সম্পর্ক হারাম  তখন ছেড়ে দিয়েছি। কিন্তু কথা বলার সময় কিছু ওয়াদা করেছিলাম। এখন কি সেই ওয়াদা পালন করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : মেয়েরা ফ্যাশনেবল/আকর্ষনীয় ব্যাগ ব্যবহার করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ওহাবী কাদেরকে বলা হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : একজন পুরুষ তার স্ত্রীর নিজ বোনকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে বিবাহ করে সংসার করছে। কিন্তু বোনকে বিবাহ করার পূর্বে স্ত্রীকে ত্বালাক্ব দেয়নি। এমতাবস্থায় উক্ত বিবাহ সঠিক হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ