রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২০ পূর্বাহ্ন
উত্তর : মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত কাফিরদের পণ্য বয়কট করে তাদের আর্থিকভাবে দুর্বল করা আমাদের জন্য ঈমানী দায়িত্ব। ইমাম ইবনু বাত্ত্বাল (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘সমস্ত রকমের কাফির ও মুশরিকদের সঙ্গে ক্রয়-বিক্রয় করা জায়েয। তবে মুসলিমদের সাথে যুদ্ধরত কাফিরদেরকে এমন কোন সরঞ্জাম ও হাতিয়ার বিক্রয় করা যাবে না, যেগুলো তারা মুসলিমদের নিধন করার কাজে ব্যবহার করতে পারে। কিংবা এমন কোন লেনদেন করা যাবে না, যার ফলে তারা মুসলিমদের বিরুদ্ধে আরো শক্তিশালী হয়ে যায়’ (শারহুল বুখারী, ৬/৩৩৮ পৃ.)। চাপ সৃষ্টি করার জন্য এবং তাদের দ্বারা অত্যাচারিত, নির্যাতিত, নিপীড়িত ও গৃহহীন মুসলিমদের সাহায্য করণার্থে ইসরায়েলী পণ্য বয়কট করা অথবা ইসরায়েলী কোম্পানীগুলোর সঙ্গে আর্থিক লেনদেন বন্ধ করা আবশ্যক। তাই তাদেরকে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল করার জন্য সমস্ত রকমের প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। সর্ব যুগেই মাল-সম্পদ যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ হিসাবে চিহ্নিত। মুসলিমদের উচিত সর্বদা যুলুম, অন্যায় ও পাপাচারের বিরোধিতা করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তোমরা সৎকর্ম ও তাক্বওয়ায় পরস্পরকে সহযোগিতা কর এবং মন্দকর্ম ও সীমালঙ্ঘনে একে অন্যের সহযোগিতা করো না। আর আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ শাস্তি প্রদানে অত্যধিক কঠোর’ (সূরা আল-মায়িদা: ২)। মুসলিমরা কখনো কোন ইয়াহুদী, খ্রিস্টান অথবা অন্যান্য অমুসলিমদের এমন কোনো সাহায্য-সহযোগিতা করতে পারবে না, যার ফলে তারা ফুলেফেঁপে আরো শক্তিশালী হয়ে যায়। রাসূল (ﷺ) স্পষ্ট ভাষায় বলেন, তোমরা মুশরিকদের বিরুদ্ধে নিজেদের সম্পদ, জীবন ও কথার দ্বারা জিহাদ করো’ (আবূ দাঊদ, হা/২৫০৪)। ফিলিস্তীনী মুসলিমদের উপর ইসরায়েলী হানা বাহিনীর নির্মম নির্যাতনের বিরুদ্ধে আমাদের দেশে দৃশ্যমান কোন প্রতিবাদ হয়নি। তাই ইসরায়েলী পণ্য বয়কটের মাধ্যমে আমরা প্রতিবাদ করতে পারি। সেই সঙ্গে ইসরায়েলে গার্মেন্টস পন্যের রফতানি বন্ধ করে সেই বস্ত্র সহায়সম্বলহীন ফিলিস্তীনীদের বিনামূল্যে দান করে তাদের পাশে থাকতে পারি। মোদ্দাকথা হল- যুদ্ধরত কাফিরদের পণ্য বয়কট করে তাদের আর্থিকভাবে দুর্বল করা জায়েয এবং খুবই ভালো উদ্যোগ (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমা, ১৩/১৮ পৃ.; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-২০৭৩২, ২৬১৮২২)।


প্রশ্নকারী : আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ফাইয়াজ, চাঁদপুর।





প্রশ্ন (৩৬) : সকাল সন্ধ্যার দু‘আ ও যিকিরের মধ্যে যদি ইস্তেগফারের দু‘আও করি, তাহলে কি বিদ‘আত হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : আমাদের পূর্ব পুরুষ (তিন পুরুষ আগে) ৪ শতক জমি মসজিদের নামে দান করেছিলেন। আর এই ৪ শতক জমির ৩ শতকের উপর তারা মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। বাকি ১ শতক জমি ফাঁকা পড়েছিল। আমরা একপুরুষ ধরে এই ফাঁকা জায়গাটা (মসজিদের সামনে) পারিবারিক কবরস্থান হিসাবে ব্যবহার করছি। এখন আমরা এই জমির জন্য, আমাদের নিজের জমি থেকে মসজিদকে ১ শতক জমি দান করতে পারব কি? আর কবরস্থান কি এভাবেই চালু রাখব, না-কি তা বন্ধ করে দেবো? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : জনৈক বক্তা বলেন, সূরা ফাতিহা প্রায় ১০০০ রোগের ঔষধ। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : সর্বশেষ জান্নাতী ব্যক্তি কে? হাদীছে উল্লেখ আছে যে, আল্লাহ তা‘আলা তাকে এই দুনিয়ার দশগুণ দিবেন। প্রশ্ন হল- সেটা কি আমাদের পৃথিবীর দশগুণ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : এশার ছালাতের সঠিক সময় কখন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : স্ত্রীর মোহর আদায় না করেই স্বামী মারা গেছেন। এখন করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : কোন মুসাফির যখন কোন মসজিদে জামা‘আতের সাথে এশার ফরয ছালাত আদায় করতে চাইবে, তখন সে কি দুই রাক‘আত পড়বে, না-কি চার রাক‘আত আদায় করবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : বিভিন্ন কাজে পত্রিকার কাগজ ব্যবহার করা হয়। যদি ঐ পত্রিকায় আল্লাহর নাম বা কুরআনের আয়াত বা হাদীছ থাকে, তাহলে ব্যবহার করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : খাদ্য ও পানীয় হারাম হলে দু‘আ কবুল হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : আল্লাহ তা‘আলাকে উত্তম পরিকল্পনাকারী বলা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : অফিসে কাজ করার সময় বিনা-অনুমতিতে নিজের কাজে ব্যস্ত থাকা বা সময় অপচয় করার হুকুম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : অনেক মহিলারা ডান হাতের নখ রাখে। কারণ তারা তা না রাখলে নাকি কাজ করতে পারে না। এখন কেউ যদি বড় নখ রাখে তাহলে তার পাপ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ