বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন
উত্তর :  উক্ত দাবী সঠিক নয়। কারণ এ মর্মে যে সমস্ত বর্ণনা এসেছে, সেগুলো ছহীহ নয়। যেমন একটি হাদীছে এসেছে,

الْحَاجُّ وَالْمُعْتَمِرُ وَالْغَازِي وَفْدُ اللهِ، ضَمَانُهُمْ عَلَى اللهِ عَزَّ وَجَلَّ حَتَّى يُدْخِلَهُمُ الْجَنَّةَ إِنْ تَوَفَّاهُمْ، أَوْ يُرْجِعَهُمْ وَقَدْ غُفِرَ لَهُمْ

‘হজ্জ ও উমরাকারী এবং গাযী আল্লাহর বাহিনী। তারা সবাই আল্লাহর জিম্মায় থাকেন। তারা মারা গেলে তাদেকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে আর ফিরে আসলে ক্ষমা করা হবে (আখবারু মাক্কাহ, হা/৮৬০)। এর সনদে উছমান ইবনে আমর ইবনে সাজ নামক রাবী আছে, সে দুর্বল। আরেক জন বর্ণনাকারী আছে মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ। সে অপরিচিত। অন্য এক বর্ণনায় এসেছে,

مَن مات في هذا الوجهِ من حاجٍّ أو مُعْتَمِرٍ ، لم يُعْرَضْ ولم يُحَاسَبْ ، وقيل له : ادْخُلِ الجنةَ

‘যে ব্যক্তি হজ্জ করতে গিয়ে মারা যাবে তার হিসাব নেয়া হবে না, এমনকি হিসাবের জন্য তাকে উপস্থাপনও করা হবে না। বরং বলা হবে, জান্নাতে প্রবেশ কর’ (ত্বাবারাণী আল-মু‘জাুল আওসাত্ব, হা/৫৩৮৮)। এর সনদে আয়েয ইবনু নুসাইর নামে ত্রুটিপূর্ণ রাবী আছে। উক্ত হাদীছকে ইমাম বাগদাদী যঈফ বলেছেন। ইমাম আলবানী ‘মুনকার’ বলেছেন (সিলসিলা যঈফাহ হা/২১৮৭)


প্রশ্নকারী : আব্দুল আযীয, বাগেরহাট।





প্রশ্ন (১) : যিনাকারীর শাস্তি কি দুনিয়ার জীবনে কার্যকর করতে হবে, না-কি খালিছ অন্তরে তাওবা করলে মাফ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : যুহ্দ বা দুনিয়াবিমুখতা বলতে কী বুঝায়? তালি দেয়া, ছিঁড়া কাপড় পরা, প্রতিদিন ছিয়াম রাখা, সমাজ থেকে দূরে থাকা ইত্যাদি কি যুহ্দ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : হজ্জ বা উমরাহ পালনোত্তর নারীদের চুল কাটার পদ্ধতি কেমন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : আধুনিক যুগের ব্রাশ ও টুথপেস্ট কি মেসওয়াকের বিকল্প হতে পারে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : কুরআনুল কারীমের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠাগুলোতে নারীদের কণ্ঠে কুরআন তেলাওয়াত করা হয়। উক্ত নারীকণ্ঠে কুরআন তেলাওয়াত শুনা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : জান্নাতের হূরগণ বলবে, نَحْنُ الْخَالِدَاتُ فَلَا نَبِيْدُ وَنَحْنُ النَّاعِمَاتُ فَلَا نَبْأَسُ وَنَحْنُ الرَّاضِيَاتُ فَلَا نَسْخَطُ طُوْبَى لِمَنْ كَانَ لَنَا وَكُنَّا لَهُ ‘আমরা চিরদিন থাকব, কখনও ধ্বংস হব না। আমরা হামেশা সুখে-সানন্দে থাকব, কখনও দুঃখ-দুশ্চিন্তায় পতিত হবে না। আমরা সর্বদা সন্তুষ্ট থাকব, কখনও নাখোশ হব না। সুতরাং তাকে ধন্যবাদ, যার জন্য আমরা এবং আমাদের জন্য যিনি’ (তিরমিযী, হা/২৫৬৪; মিশকাত, হা/৫৬৪৯; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/৫৪০৭, ১০/১৫০ পৃ.) মর্মে বর্ণনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : মসজিদের ডানে ও বামে আল্লাহ ও মুহাম্মাদ লেখা যাবে কি এবং উক্ত মসজিদে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : বাকপ্রতিবন্ধী কেউ পশু যব্হ করলে তার গোশত খাওয়া যাবে কি? তিনি ‘বিসমিল্লাহ’ বা ‘আল্লাহু আকবার’ বলছেন কি-না তা বুঝা যায় না। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমার উপর দরূদ পাঠ করতে ভুলে যাবে, সে জান্নাতের পথ ভুলে যাবে’ মর্মে বর্ণনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : জনৈক আলেম বলেন, গান শুনলে ক্বিয়ামতের দিন কানের ভিতরে গরম সীসা ঢেলে দেয়া হবে। এ মর্মে কোন ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : আমি আমার এক বন্ধুকে ব্যবসা করার জন্য ৫ লক্ষ টাকা ঋণ দিয়েছি। শর্ত হল- এই টাকা দিয়ে সে ব্যবসা করবে, তার ব্যবসার মোট মূলধন ১০ লক্ষ এবং আমার ৫ লক্ষ মোট ১৫ লক্ষ টাকা। শর্ত হল- ব্যবসায়ে মাসে যা ইনকাম হবে তার তিন ভাগের দুই ভাগ পরিচালনা খরচ অর্থাৎ কর্মচারীর বেতন, দোকান ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল ইত্যাদি বাবদ কর্তন হবে। বাকি তিন ভাগের এক ভাগ ১৫ লক্ষ টাকার আনুপাতিক হারে আমার ৫ লক্ষ টাকার মুনাফা পাব। যেমন মাসের লাভ হল ৪৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে ৩০ হাজার টাকা পরিচালনা খাত অর্থাৎ বেতন, ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল ইত্যাদি বাবদ। বাকি ১৫০০০ টাকার ভাগ হবে, তাহলে আমি পাব ৫০০০ টাকা। যেহেতু আমার মূলধন ৫ লক্ষ আর সে পাবে ১০০০০। যেহেতু তার মূলধন ১০ লক্ষ, প্রশ্ন হল- উক্ত পদ্ধতিতে ব্যবসা করা কি হালাল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র যদি পাপ মুক্তের জন্য বিয়ে করে এবং বিয়ের পর স্ত্রী তার বাবার বাড়িতে থেকে দুইজন পৃথকভাবে লেখাপড়া করে, তাহলে কি জায়েয হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ