রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
উত্তর : মসজিদে বা মসজিদের আঙ্গিনায় ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল ইত্যাদি খেলা জায়েয নয়। এতে মসজিদের সম্মান ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বিনষ্ট হয়। আনাস ইবনু মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূল (ﷺ) জনৈক বেদুঈন ব্যক্তিকে বলেছিলেন,

إِنَّ هَذِهِ الْمَسَاجِدَ لَا تَصْلُحُ لِشَيْءٍ مِنْ هَذَا الْبَوْلِ، وَلَا الْقَذَرِ إِنَّمَا هِيَ لِذِكْرِ اللهِ عَزَّ وَجَلَّ، وَالصَّلَاةِ وَقِرَاءَةِ الْقُرْآنِ

‘এটা হল ‘মাসজিদ। এখানে পেশাব করা কিংবা ময়লা আবর্জনা ফেলা যায় না। বরং এ হল আল্লাহর যিকর করা, ছালাত আদায় করা এবং কুরআন পাঠ করার স্থান’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২৮৫)। ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, ‘সুউচ্চ করার অর্থ আল্লাহ তা‘আলা মসজিদসমূহে অনর্থক কাজ ও কথাবার্তা বলতে নিষেধ করেছেন। হাসান বসরী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, رِفْعُ مَسَاجِدَ বলে মসজিদসমূহের সম্মান, ইযযত ও সেগুলোকে নাপাকী ও নোংরা বস্তু থেকে পবিত্র রাখা বুঝানো হয়েছে (তাফসীরে ত্বাবারী, ইবনু কাছীর, তাফসীরে কুরতুবী দ্রষ্টব্য.)।

উল্লেখ্য যে, হাবশার কয়েকজন ব্যক্তি ঈদের দিন মসজিদে নববীর আঙ্গিনায় খেলাধুলা করেছেন মর্মে বর্ণিত হাদীছ (ছহীহ মুসলিম, হা/৮৯২) দ্বারা যারা মসজিদে খেলাধুলা করার বৈধতা প্রমাণ করতে চেয়েছেন, তাদের বুঝটা সঠিক নয়। সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটির আলেমগণ বলেন, ‘ঐ সমস্ত হাবশী যারা ঈদের দিন তাদের অস্ত্র দ্বারা রাসূল (ﷺ)-এর মসজিদে নববীতে যুদ্ধের কলাকৌশল দেখাচ্ছিলেন। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের যুদ্ধের কলাকৌশলে পারদর্শী এবং কাফিরদের বিরুদ্ধে জিহাদের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছিলেন। নিঃসন্দেহে এটি উত্তম কাজ। কেননা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা, তার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা, অস্ত্র চালনায় নিজেকে পারদর্শী করা এবং যখন জিহাদে অংশগ্রহণ করার জন্য আহ্বানকারী আহ্বান করবেন, তখন এর মাধ্যমে উপকৃত হওয়া অবশ্যই ইসলামের অপরিহার্য কর্মসমূহের মধ্যে একটি। কেননা আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, ‘তোমরা তাদের (অর্থাৎ কাফিরদের মোকাবিলার) জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও সুসজ্জিত অশ্ব প্রস্তুত রাখ এবং এ দিয়ে তোমরা আল্লাহর শত্রু তথা তোমাদের শত্রুকে সন্ত্রস্ত করবে...’ (সূরা আল-আনফাল: ৬০)। পক্ষান্তরে নিছক খেলাধুলার উদ্দেশ্যে বা আনন্দ-বিনোদনের জন্য মসজিদে কোন প্রকারের খেলাধুলা জায়েয নয়। কেননা এ ধরণের কোন খেলাধুলার প্রমাণ না রাসূল (ﷺ) থেকে পাওয়া যায়, আর না ছাহাবীদের থেকে (ফাতাওয়া আল-লাজনাস আদ-দায়িমাহ, ৬/৩০৮-৩১০ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ ফিরোজ মাহমুদ, সিরাজগঞ্জ।





প্রশ্ন (৩৯) : জনৈক আলেম রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নাম শুনে দরূদ পাঠ না করাকে কৃপণতা বলে আখ্যায়িত করেছেন। তার উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : দিনের এবং রাতের নফল ছালাত দু’ দু’ রাক‘আত করে আদায় করা কি আবশ্যক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : মসজিদে যখন আযান হয়, আযান চলাকালীন অবস্থায় মসজিদে প্রবেশের সময়, মসজিদে প্রবেশের দু‘আ পড়ে মসজিদে প্রবেশ করতে হবে, না-কি আযানের জবাব দিতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : প্রচলিত আছে যে, কেউ যদি জুমু‘আহ বা অন্য কোন ছালাতের আযান দেয়, তাহলে ঐ ব্যক্তি আর ছালাতের ইমামতি করতে পারবে না। এটা কি হাদীছসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : আযান চলাকালীন ভুলবশত হারাম কাজে লিপ্ত থাকলে কি ঈমান নষ্ট হয়ে যায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : এক ব্যক্তির পৈত্রিক কিছু সম্পদ আত্মীয়-স্বজন অবৈধভাবে ভোগ করছে। ফিরিয়ে নিতে গেলে সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা শরী‘আতে নিষিদ্ধ। এখন সে কোনটা প্রাধান্য দিবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : কোন মহিলা গায়রে মাহরাম মহিলার সাথে কথা বলা, দেখা করা এবং সালাম দেয়ার ক্ষেত্রে পর্দার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : হতাশা থেকে মুক্তির উপায় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : রোম ও পারস্যের সম্রাটের নাম কী? রাসূল (ﷺ) ও খলীফাগণের যুগে তাদের অবস্থান কেমন ছিল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : কিছু উন্নত জাতের গরু আছে যা বাংলাদেশে পাওয়া যায় না। সেগুলো সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে আসে। একজন খামারি সীমান্ত পথে অবৈধভাবে এনে এই গরু বিক্রয় করছে। এটা জানার পরেও তা ক্রয় করা আমার জন্য বৈধ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : আমি পূর্বে অনেক ছালাত ছেড়ে দিয়েছি, যা আমার হিসাবেও নেই। এখন আমি তাওবাহ করতে চাই। এক্ষেত্রে আমার করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : তারাবীহর ছালাত কত রাক‘আত? কেউ ৮ রাক‘আত পড়ে, কেউ পড়ে ২০ রাক‘আত। কোনটি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ