বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন
উত্তর : মসজিদে বা মসজিদের আঙ্গিনায় ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল ইত্যাদি খেলা জায়েয নয়। এতে মসজিদের সম্মান ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বিনষ্ট হয়। আনাস ইবনু মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূল (ﷺ) জনৈক বেদুঈন ব্যক্তিকে বলেছিলেন,

إِنَّ هَذِهِ الْمَسَاجِدَ لَا تَصْلُحُ لِشَيْءٍ مِنْ هَذَا الْبَوْلِ، وَلَا الْقَذَرِ إِنَّمَا هِيَ لِذِكْرِ اللهِ عَزَّ وَجَلَّ، وَالصَّلَاةِ وَقِرَاءَةِ الْقُرْآنِ

‘এটা হল ‘মাসজিদ। এখানে পেশাব করা কিংবা ময়লা আবর্জনা ফেলা যায় না। বরং এ হল আল্লাহর যিকর করা, ছালাত আদায় করা এবং কুরআন পাঠ করার স্থান’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২৮৫)। ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, ‘সুউচ্চ করার অর্থ আল্লাহ তা‘আলা মসজিদসমূহে অনর্থক কাজ ও কথাবার্তা বলতে নিষেধ করেছেন। হাসান বসরী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, رِفْعُ مَسَاجِدَ বলে মসজিদসমূহের সম্মান, ইযযত ও সেগুলোকে নাপাকী ও নোংরা বস্তু থেকে পবিত্র রাখা বুঝানো হয়েছে (তাফসীরে ত্বাবারী, ইবনু কাছীর, তাফসীরে কুরতুবী দ্রষ্টব্য.)।

উল্লেখ্য যে, হাবশার কয়েকজন ব্যক্তি ঈদের দিন মসজিদে নববীর আঙ্গিনায় খেলাধুলা করেছেন মর্মে বর্ণিত হাদীছ (ছহীহ মুসলিম, হা/৮৯২) দ্বারা যারা মসজিদে খেলাধুলা করার বৈধতা প্রমাণ করতে চেয়েছেন, তাদের বুঝটা সঠিক নয়। সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটির আলেমগণ বলেন, ‘ঐ সমস্ত হাবশী যারা ঈদের দিন তাদের অস্ত্র দ্বারা রাসূল (ﷺ)-এর মসজিদে নববীতে যুদ্ধের কলাকৌশল দেখাচ্ছিলেন। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের যুদ্ধের কলাকৌশলে পারদর্শী এবং কাফিরদের বিরুদ্ধে জিহাদের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছিলেন। নিঃসন্দেহে এটি উত্তম কাজ। কেননা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা, তার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা, অস্ত্র চালনায় নিজেকে পারদর্শী করা এবং যখন জিহাদে অংশগ্রহণ করার জন্য আহ্বানকারী আহ্বান করবেন, তখন এর মাধ্যমে উপকৃত হওয়া অবশ্যই ইসলামের অপরিহার্য কর্মসমূহের মধ্যে একটি। কেননা আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, ‘তোমরা তাদের (অর্থাৎ কাফিরদের মোকাবিলার) জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও সুসজ্জিত অশ্ব প্রস্তুত রাখ এবং এ দিয়ে তোমরা আল্লাহর শত্রু তথা তোমাদের শত্রুকে সন্ত্রস্ত করবে...’ (সূরা আল-আনফাল: ৬০)। পক্ষান্তরে নিছক খেলাধুলার উদ্দেশ্যে বা আনন্দ-বিনোদনের জন্য মসজিদে কোন প্রকারের খেলাধুলা জায়েয নয়। কেননা এ ধরণের কোন খেলাধুলার প্রমাণ না রাসূল (ﷺ) থেকে পাওয়া যায়, আর না ছাহাবীদের থেকে (ফাতাওয়া আল-লাজনাস আদ-দায়িমাহ, ৬/৩০৮-৩১০ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ ফিরোজ মাহমুদ, সিরাজগঞ্জ।





প্রশ্ন (১৯) : ইসলামী শরী‘আতের আলোকে পানি কয় প্রকার ও কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : ওযূ করার পর ছালাত চলাকালীন যদি জানতে পারি যে, আমার দাঁতে সামান্য খাবার অবশিষ্ট আছে। এখন উক্ত ছালাত কি ওযূ করে আবার পড়তে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : এশার ছালাত নির্দিষ্ট ওয়াক্তে না পড়ে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পড়া কি জায়েয হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : মাইয়েতকে কবর দেয়ার সময় কবরের চার পাশে চারটি খেজুরের ডাল পোঁতা হয় এবং চার কুল পড়া হয়। এর কোন দলীল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে পাখি পোষা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : আমি একটি দোকানে চাকরি করি। কিন্তু দোকানের মালিক সূদের সাথে জড়িত। আমাকের ব্যাংকের কিস্তি দিতে হয়, ব্যাংকের সাথে লেনদেন করতে হয়। এখানে চাকরি করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : লেনদেনের ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি যদি অসহায় দরিদ্র ব্যক্তিকে মাফ করে দেয় বা কিছু হালকা করে দেয়, তাহলে আল্লাহ তাকে এর বিনিময়ে জান্নাত দান করবেন। এমন কোন হাদীছ আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৬) : সূরা মুলকের ফযীলত সম্পর্কিত বর্ণিত হাদীছ কি ছহীহ? কেননা তিরমিযী, আবু দাউদে হাসান এবং হাকিম ও দারীমীতে ছহীহ বলা আছে। হাসান হলে কি আমলযোগ্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : জনৈক খত্বীব বলেছেন যে, খিযির (আলাইহিস সালাম) পানিতে থাকেন। আর মূসা (আলাইহিস সালাম)-কে যখন তার মা সাগরে ফেলে দেন তখন খিযির (আলাইহিস সালাম) তাকে রক্ষা করেছেন। এটা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : গাযওয়া হিন্দ‌‌ বা হিন্দুদের সাথে মুসলিমদের যুদ্ধ সম্পর্কে অনেক কিছুই শুনা যায়। এগুলো কি হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : তাবলীগ জামা‘আতের ‘ফাযায়েলে আমল’ বইয়ে বর্ণিত আছে যে, সাঈদ ইবনু মুসাইয়িব (রাহিমাহুল্লাহ) পঞ্চাশ বছর পর্যন্ত এশা ও ফজরের ছালাত একই ওযূ দ্বারা পড়েছেন (ঐ, (বাংলা), পৃ. ১৬০; (উর্দূ), পৃ. ৬৮)। উক্ত বিষয়টি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : মসজিদের পশ্চিম দিকে কবর থাকলে ঐ মসজিদে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ