রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:০৫ অপরাহ্ন
উত্তর : মসজিদে বা মসজিদের আঙ্গিনায় ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল ইত্যাদি খেলা জায়েয নয়। এতে মসজিদের সম্মান ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বিনষ্ট হয়। আনাস ইবনু মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূল (ﷺ) জনৈক বেদুঈন ব্যক্তিকে বলেছিলেন,

إِنَّ هَذِهِ الْمَسَاجِدَ لَا تَصْلُحُ لِشَيْءٍ مِنْ هَذَا الْبَوْلِ، وَلَا الْقَذَرِ إِنَّمَا هِيَ لِذِكْرِ اللهِ عَزَّ وَجَلَّ، وَالصَّلَاةِ وَقِرَاءَةِ الْقُرْآنِ

‘এটা হল ‘মাসজিদ। এখানে পেশাব করা কিংবা ময়লা আবর্জনা ফেলা যায় না। বরং এ হল আল্লাহর যিকর করা, ছালাত আদায় করা এবং কুরআন পাঠ করার স্থান’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২৮৫)। ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, ‘সুউচ্চ করার অর্থ আল্লাহ তা‘আলা মসজিদসমূহে অনর্থক কাজ ও কথাবার্তা বলতে নিষেধ করেছেন। হাসান বসরী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, رِفْعُ مَسَاجِدَ বলে মসজিদসমূহের সম্মান, ইযযত ও সেগুলোকে নাপাকী ও নোংরা বস্তু থেকে পবিত্র রাখা বুঝানো হয়েছে (তাফসীরে ত্বাবারী, ইবনু কাছীর, তাফসীরে কুরতুবী দ্রষ্টব্য.)।

উল্লেখ্য যে, হাবশার কয়েকজন ব্যক্তি ঈদের দিন মসজিদে নববীর আঙ্গিনায় খেলাধুলা করেছেন মর্মে বর্ণিত হাদীছ (ছহীহ মুসলিম, হা/৮৯২) দ্বারা যারা মসজিদে খেলাধুলা করার বৈধতা প্রমাণ করতে চেয়েছেন, তাদের বুঝটা সঠিক নয়। সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটির আলেমগণ বলেন, ‘ঐ সমস্ত হাবশী যারা ঈদের দিন তাদের অস্ত্র দ্বারা রাসূল (ﷺ)-এর মসজিদে নববীতে যুদ্ধের কলাকৌশল দেখাচ্ছিলেন। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের যুদ্ধের কলাকৌশলে পারদর্শী এবং কাফিরদের বিরুদ্ধে জিহাদের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছিলেন। নিঃসন্দেহে এটি উত্তম কাজ। কেননা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা, তার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা, অস্ত্র চালনায় নিজেকে পারদর্শী করা এবং যখন জিহাদে অংশগ্রহণ করার জন্য আহ্বানকারী আহ্বান করবেন, তখন এর মাধ্যমে উপকৃত হওয়া অবশ্যই ইসলামের অপরিহার্য কর্মসমূহের মধ্যে একটি। কেননা আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, ‘তোমরা তাদের (অর্থাৎ কাফিরদের মোকাবিলার) জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও সুসজ্জিত অশ্ব প্রস্তুত রাখ এবং এ দিয়ে তোমরা আল্লাহর শত্রু তথা তোমাদের শত্রুকে সন্ত্রস্ত করবে...’ (সূরা আল-আনফাল: ৬০)। পক্ষান্তরে নিছক খেলাধুলার উদ্দেশ্যে বা আনন্দ-বিনোদনের জন্য মসজিদে কোন প্রকারের খেলাধুলা জায়েয নয়। কেননা এ ধরণের কোন খেলাধুলার প্রমাণ না রাসূল (ﷺ) থেকে পাওয়া যায়, আর না ছাহাবীদের থেকে (ফাতাওয়া আল-লাজনাস আদ-দায়িমাহ, ৬/৩০৮-৩১০ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ ফিরোজ মাহমুদ, সিরাজগঞ্জ।





প্রশ্ন (৩৪) : মসজিদের বিল্ডিংয়ের যেকোন তলায় পরিবারসহ ইমামের থাকার ব্যবস্থা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : আমি অবিবাহিত যুবক। আমি ছোটখাট পরিবহন ব্যবসা ব্যবসায় জড়িত ছিলাম। কিন্তু দুই বছর পরে শয়তানের ধোঁকায় পরে ব্যভিচারে লিপ্ত হই। দুঃখজনক বিষয় হলো এর কিছুদিন পরে আমার গাড়ি চুরি হয়ে যায়। এভাবে আমার ব্যবসা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়। আমি খুবই অনুতপ্ত। প্রশ্ন হল- আমি কি আল্লাহর ক্ষমা পাব এবং আমার বিবাহের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : মানুষ মারা গেলে মাইকিং করে শোক সংবাদ প্রচার করা কি ঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : নাভির নিচের পশম কোন্ জায়গা থেকে কাটতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : ছালাতে আমীন বলতে হবে ইমামের সাথে, না-কি ইমামের পরে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : ‘হস্তমৈথুন’-এর শাস্তি কী? এর থেকে ত‌ওবা করার উপায় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : ছালাত আদায়কারীর সামনে অন্য কেউ সুতরা বা অন্য কোন বস্তু দিয়ে অতিক্রম করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : জনৈক ব্যক্তি মসজিদ নির্মাণের অর্থ হালাল-হারাম সন্দেহ করেন এবং মসজিদের ইমাম বিদ‘আত করেন বিধায় তিনি মসজিদে ছালাত আদায় করেন না, এমতাবস্থায় তার করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : মাহরাম ছাড়া নারীর সফর করা হারাম। প্রশ্ন হল- শরী‘আতের দৃষ্টিতে মাহরামের শর্তাবলী কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : নূহ (আলাইহিস সালাম) ও হূদ (আলাইহিস সালাম) উভয়ের স্ত্রী কাফের, না-কি শুধু কাবীরা গুনাহের জন্য উভয়ে জাহান্নামে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : ছালাতের শেষ বৈঠকে দরূদ ও দু‘আ মাসূরা পাঠ করার সময় তাশাহহুদ পাঠ করেছি কি করিনি এরূপ সন্দেহ হলে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) কোন্ ধরনের পানি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করা যায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ