বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন
উত্তর : মসজিদে বা মসজিদের আঙ্গিনায় ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল ইত্যাদি খেলা জায়েয নয়। এতে মসজিদের সম্মান ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বিনষ্ট হয়। আনাস ইবনু মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূল (ﷺ) জনৈক বেদুঈন ব্যক্তিকে বলেছিলেন,

إِنَّ هَذِهِ الْمَسَاجِدَ لَا تَصْلُحُ لِشَيْءٍ مِنْ هَذَا الْبَوْلِ، وَلَا الْقَذَرِ إِنَّمَا هِيَ لِذِكْرِ اللهِ عَزَّ وَجَلَّ، وَالصَّلَاةِ وَقِرَاءَةِ الْقُرْآنِ

‘এটা হল ‘মাসজিদ। এখানে পেশাব করা কিংবা ময়লা আবর্জনা ফেলা যায় না। বরং এ হল আল্লাহর যিকর করা, ছালাত আদায় করা এবং কুরআন পাঠ করার স্থান’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২৮৫)। ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, ‘সুউচ্চ করার অর্থ আল্লাহ তা‘আলা মসজিদসমূহে অনর্থক কাজ ও কথাবার্তা বলতে নিষেধ করেছেন। হাসান বসরী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, رِفْعُ مَسَاجِدَ বলে মসজিদসমূহের সম্মান, ইযযত ও সেগুলোকে নাপাকী ও নোংরা বস্তু থেকে পবিত্র রাখা বুঝানো হয়েছে (তাফসীরে ত্বাবারী, ইবনু কাছীর, তাফসীরে কুরতুবী দ্রষ্টব্য.)।

উল্লেখ্য যে, হাবশার কয়েকজন ব্যক্তি ঈদের দিন মসজিদে নববীর আঙ্গিনায় খেলাধুলা করেছেন মর্মে বর্ণিত হাদীছ (ছহীহ মুসলিম, হা/৮৯২) দ্বারা যারা মসজিদে খেলাধুলা করার বৈধতা প্রমাণ করতে চেয়েছেন, তাদের বুঝটা সঠিক নয়। সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটির আলেমগণ বলেন, ‘ঐ সমস্ত হাবশী যারা ঈদের দিন তাদের অস্ত্র দ্বারা রাসূল (ﷺ)-এর মসজিদে নববীতে যুদ্ধের কলাকৌশল দেখাচ্ছিলেন। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের যুদ্ধের কলাকৌশলে পারদর্শী এবং কাফিরদের বিরুদ্ধে জিহাদের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছিলেন। নিঃসন্দেহে এটি উত্তম কাজ। কেননা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা, তার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা, অস্ত্র চালনায় নিজেকে পারদর্শী করা এবং যখন জিহাদে অংশগ্রহণ করার জন্য আহ্বানকারী আহ্বান করবেন, তখন এর মাধ্যমে উপকৃত হওয়া অবশ্যই ইসলামের অপরিহার্য কর্মসমূহের মধ্যে একটি। কেননা আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, ‘তোমরা তাদের (অর্থাৎ কাফিরদের মোকাবিলার) জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও সুসজ্জিত অশ্ব প্রস্তুত রাখ এবং এ দিয়ে তোমরা আল্লাহর শত্রু তথা তোমাদের শত্রুকে সন্ত্রস্ত করবে...’ (সূরা আল-আনফাল: ৬০)। পক্ষান্তরে নিছক খেলাধুলার উদ্দেশ্যে বা আনন্দ-বিনোদনের জন্য মসজিদে কোন প্রকারের খেলাধুলা জায়েয নয়। কেননা এ ধরণের কোন খেলাধুলার প্রমাণ না রাসূল (ﷺ) থেকে পাওয়া যায়, আর না ছাহাবীদের থেকে (ফাতাওয়া আল-লাজনাস আদ-দায়িমাহ, ৬/৩০৮-৩১০ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ ফিরোজ মাহমুদ, সিরাজগঞ্জ।





প্রশ্ন (৩১) : এক ব্যক্তি সূদভিত্তিক ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন এবং সংসার চালান। পরবর্তীতে তিনি সূদ থেকে মুক্ত হওয়ার নিয়ত করেছেন। তবে এখনো সূদসহ কিছু ঋণ বাকি আছে। প্রশ্ন হল, ঐ টাকা শোধ হওয়া পর্যন্ত কি তার গুনাহ হতে থাকবে?  - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : স্ত্রী সুস্থ থাকার পরও সহবাস করতে না চাইলে জোর করে সহবাস করলে কী তার উপর যুলম হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮): ‘এ যুগে মুসলিমদের দরিদ্রতা, দুর্বলতা ও পিছিয়ে থাকার কারণ হচ্ছে- অর্থনৈতিক অগ্রগতির তুলনায় জনসংখ্যা বিস্ফোরণ ও অধিক জন্মহার’। এ কথাটির ব্যাপারে শারঈ হুকুম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : জনৈক ব্যক্তি কুরআন ও ছহীহ হাদীছের কথা বলেন। কিন্তু সে তার পিতা-মাতার সাথে খারাপ ব্যবহার করে। এমনকি পিতার গায়ে হাত তুলে। এমন ব্যক্তির নিকট থেকে জ্ঞান নেয়া যাবে কি?  - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : কোমরে তাবীয ঝুলানো কি শিরক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : সউদী আরবের স্থায়ী গবেষণা ও ফাতাওয়া বোর্ড মুনাজাতের ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত দিয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : আমার মা আমার নানার একমাত্র মেয়ে। নানার আর কোন ছেলেমেয়ে নেই। তবে ভাতিজা, ভাগিনা আছে। নানা এখনো জীবিত। আমার নানা তাঁর সমস্ত সম্পত্তি আমার মায়ের নামে লিখে দিয়েছেন। এটা কি ঠিক হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : তারাবীহর ছালাত কয় রাক‘আত? কেউ ৮ রাক‘আত পড়ে, কেউ পড়ে ২০ রাক‘আত। কোনটি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : বাইরে গেলে ওযূ করার সময় মহিলারা হিজাবের উপর মাথা মাসাহ করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : পেটের ভরে (উপুড় হয়ে) শয়ন করার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : বিধর্মীরা কাপড় ধৌত করলে বা সেলাই করলে সেই কাপড় পরা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : ঈদের ছালাতের আগে ইমাম ছাহেব মুছল্লীদেরকে ঈদের ছালাতের নিয়ত বলে দেন। এরূপ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ