উত্তর : প্রতিনিয়ত ইচ্ছাকৃতভাবে এমনটা করা উচিত নয়। বরং জামা‘আতের সাথে ছালাত আদায় করার ক্ষেত্রে শরী‘আত উদ্বুদ্ধ করেছে, পক্ষান্তরে ইচ্ছাকৃত ভাবে জামা‘আতে ছালাত পরিত্যাগ করার ক্ষেত্রে কঠোর হুঁশিয়ারি উল্লেখ করা হয়েছে। আবূ হুরাইরা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেন,
وَالَّذِيْ نَفْسِيْ بِيَدِهِ لَقَدْ هَمَمْتُ أَنْ آمُرَ بِحَطَبٍ فَيُحْطَبَ ثُمَّ آمُرَ بِالصَّلَاةِ فَيُؤَذَّنَ لَهَا ثُمَّ آمُرَ رَجُلًا فَيَؤُمَّ النَّاسَ ثُمَّ أُخَالِفَ إِلَى رِجَالٍ فَأُحَرِّقَ عَلَيْهِمْ بُيُوْتَهُمْ وَالَّذِيْ نَفْسِيْ بِيَدِهِ لَوْ يَعْلَمُ أَحَدُهُمْ أَنَّهُ يَجِدُ عَرْقًا سَمِيْنًا أَوْ مِرْمَاتَيْنِ حَسَنَتَيْنِ لَشَهِدَ الْعِشَاءَ
‘যাঁর হাতে আমার প্রাণ, তাঁর শপথ! আমার ইচ্ছা হয়, জ্বালানী কাঠ সংগ্রহ করতে আদেশ দেই, অতঃপর ছালাত কায়েমের আদেশ দেই, অতঃপর ছালাতের আযান দেয়া হোক, অতঃপর এক ব্যক্তিকে লোকদের ইমামত করার নির্দেশ দেই। অতঃপর আমি লোকদের নিকট যাই এবং তাদের (যারা ছালাতে শামিল হয়নি) ঘর জ্বালিয়ে দেই। যে মহান সত্তার হাতে আমার প্রাণ, তাঁর কসম! যদি তাদের কেউ জানত যে, একটি গোশতহীন মোটা হাড় বা ছাগলের ভালো দু’টি পা পাবে তাহলে অবশ্যই সে এশা ছালাতের জামা‘আতেও হাযির হত’ (ছহীহ বুখারী, হা/৬৪৪)। হাসান বাছরী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন,إِنْ مَنَعَتْهُ أُمُّهُ عَنِ الْعِشَاءِ فِي الْجَمَاعَةِ شَفَقَةً لَمْ يُطِعْهَا ‘কোন মা যদি তার সন্তানের প্রতি স্নেহবশত এশার ছালাত জামা‘আতে আদায় করতে নিষেধ করেন, তবে এ ক্ষেত্রে সন্তান তার মায়ের আনুগত্য করবে না’ (ছহীহ বুখারী, অনুচ্ছেদ নং-১০/২৯)।
প্রশ্নকারী : মুবারক, দিনাজপুর।