রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৫:০৪ অপরাহ্ন
উত্তর : রামাযান মাস নেকী অর্জনের শ্রেষ্ঠতম মাস। এই মহান মাসে নেক আমল ও ভাল কাজের প্রতি বেশি বেশি প্রচেষ্টা করা উচিত। গীবত, পরচর্চা ও অনর্থক গল্পগুজব থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রান্নাবান্না ও অন্যান্য কাজের মাঝে থেকেও যিকির-আযকারগুলো সর্বদা পাঠ করা যেতে পারে। যার মাধ্যমে ঐ সময়গুলো নেকিতে ভরপুর হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। নিম্নের যিকির-আযকার পড়া যেতে পারে :

সুবহানাল্লাহ্‌, লা ইলাহ ইল্লাল্লাহ্, আল্লাহু আকবার। বেশি বেশি ইস্তিগফার করা, দু‘আ করা, মুয়াযযিনের আযানের জবাব দেয়া। জিহ্বা যেন আল্লাহর যিকির দ্বারা সতেজ থাকে। মনোযোগ দিয়ে কুরআন তেলাওয়াত শুনতে পারে। সামান্য কিছু কথা উচ্চারণ করে মহা ছওয়াব প্রাপ্তির সুযোগ গ্রহণ করার সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে। প্রতিবার ‘সুবহানাল্লাহ’ বলা একটি ছাদাক্বাহ, প্রতিবার ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলা একটি ছাদাক্বাহ, প্রতিবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলা একটি ছাদাক্বাহ, প্রতিবার ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু বলা’ একটি ছাদাক্বাহ। ‘সৎ কাজের আদেশ দেয়া’ একটি ছাদাক্বাহ ও ‘অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করা’ একটি ছাদাক্বাহ। আর দুই রাক‘আত চাশতের ছালাত আদায় করা করলে এ সবকিছুর পরিবর্তে যথেষ্ট হয়ে যাবে (ছহীহ মুসলিম, হা/৭২০)।

অন্যত্র নবী (ﷺ) বলেন, ‘দুটো বাণী উচ্চারণে হালকা, কিন্তু মীযানে ভারী এবং আর-রহমানের কাছে খুবই প্রিয়। আর তা হল- সুবহানাল্লাহি ওয়াবি হামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আযীম’ (ছহীহ বুখারী, হা/৬৬৮২; ছহীহ মুসলিম, হা/২৬৮৪)। তিনি আরো বলেন, ‘যে ব্যক্তি বলবে, ‘সুবহানাল্লাহি আযীম ওয়াবি হামদিহি, তাহলে তার জন্য জান্নাতে একটি খেজুর বৃক্ষ রোপণ করা হবে’ (তিরমিযী, হা/৩৪৬৫)। অন্যত্র তিনি বলেন, ‘যে ব্যক্তি বলবে, ‘আস্তাগফিরুল্লাহাল আযীম আল্লাযি লা ইলাহা ইল্লাহু ওয়াল হাইয়্যুল ক্বাইয়ূম ওয়া আ-তুবু ইলাইহি, তাহলে তার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে, এমনকি সে যদি জিহাদ থেকে পলায়ন করে থাকে তবুও’ (আবূ দাঊদ, হা/১৫১৭; তিরমিযী, হা/৩৫৭৭, সনদ ছহীহ)। এছাড়াও অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ দু‘আ ও যিকির-আযকার তো রয়েছেই (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৬৫৮৭৫, ৪১৫৬)।



প্রশ্নকারী : উম্মে ফাতিমা, খুলনা।





প্রশ্ন (৮) : ইসলামী উপায়ে হিকমাহ বা প্রজ্ঞা বৃদ্ধির উপায় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : যাদের মানহাজ-আক্বীদা সঠিক নয়, তাদের কুরআন তিলাওয়াত বা ইলমী আলোচনা শুনা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : বিবাহ, জন্মদিন, দিবস পালন কিংবা বিভিন্ন গানবাজনা ও কনসার্টের জন্য ভিডিও ক্যামেরা ভাড়া দিয়ে অর্থ উপার্জন করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : সন্তানের নাম রাফি, রাব্বি, আবুল কাশেম, মীম, নুন, আলিফ, বাদশা রাখা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : আমার ছেলে ঘরের ফ্লোরে বাথরুম করে কমোডে বসতে পারে না। তখন আমি বাচ্চাদের টিস্যু দিয়ে ফেলে দেই আর পরিষ্কার করে দেই। এখন সেই মেজেতে কি ছালাত পড়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : ইসলামী জালসা ও মাহফিলের শেষে আখেরী মুনাজাত করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : যদি কারো ফজরের ছালাত ক্বাযা হয়ে যায় এমন অবস্থায় যোহরের ওয়াক্ত এসে যায়, তাহলে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : জনৈক বক্তা বলেন, রাসূল (ﷺ) নবজাতক অবস্থায় একদিন তাঁর মা বাড়ীর আঙ্গিনায় শুইয়ে রেখেছিলেন। অন্যদিকে তাঁর জন্মের পূর্বে তাঁর পিতা আব্দুল্লাহ ইন্তিকাল করাই মা আমিনার মন খারাপ ছিল। এমতাবস্থায় চাচা আবূ তালিব বলেন, আমি ঐ অবস্থায় লক্ষ্য করলাম যে, মুহাম্মাদ (ﷺ) যখন তার হাত ডানদিকে নিচ্ছে তখন চন্দ্র ডান দিকে যাচ্ছে, আর যখন হাত বাম দিকে যাচ্ছে তখন চন্দ্র বাম দিকে যাচ্ছে। আর যখন উভয় হাত নিজের দিকে টেনে নিচ্ছে, তখন চন্দ্রও তাঁর নিকটবর্তী হচ্ছে। নবুওয়াত প্রাপ্তির পর চাচা আবূ তালিব এ সম্পর্কে রাসূল (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, জন্মের পূর্বে আমার পিতা মারা যাওয়ায় আমার মায়ের মন খারাপ ছিল। তাই ঐ সময়ের জন্য আল্লাহ তা‘আলা চন্দ্রকে আমার খেলনাস্বরূপ বানিয়ে দিয়েছিলেন। যাতে আমার আনন্দের কোন ঘাটতি না পড়ে’। উক্ত ঘটনা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : হারাম ভক্ষণকারী কি চিরস্থায়ী জাহান্নামী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : সুস্থ সক্ষম পিতা-মাতার জন্য বদলি ওমরাহ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ইসলামের দৃষ্টিতে (السِيَاسَة) ‘রাজনীতি’ বলতে কী বোঝায়? কুরআন-হাদীছে এর ভিত্তি আছে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : নতুন বছরের ১ম দিন নফল ছিয়াম রাখা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ