বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:৩০ অপরাহ্ন
উত্তর : নিছাব পরিমাণ মাল হলে আপনার অলংকার বা স্বর্ণের যাকাত আদায় করা আপনার উপরই অপরিহার্য। কেননা যাকাত মালিকের উপরই ফরয। স্বামী বা সন্তানের উপর নয়। তবে আপনার স্বামী, বাবা, ভাই বা সন্তান চাইলে আপনার অনুমতি সাপেক্ষে আপনার পক্ষ থেকে যাকাত আদায় করতে পারে (মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনে বায, ১৪/২৪১; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৪৩২০৭)।


প্রশ্নকারী : নাম প্রকাশে অনচ্ছিুক।




প্রশ্ন (২৬) : ফী নিয়ে প্রতিযোগিতা আয়োজন করা বৈধ কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : কোন নবীর নামের আগে ‘হযরত’ বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : ‘দ্বীন নিয়ে হাসি-ঠাট্টা’ করলে ঈমান ভঙ্গ হয়ে যায়। এর ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : প্রথম স্ত্রী ও দ্বিতীয় স্ত্রীর মোহরনা কি একই হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : বিড়ি-সিগারেট নির্মাণ কারখানার সিকিউরিটি গার্ডের চাকুরী করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : এমপিও ভুক্ত বেসরকারী স্কুলের শিক্ষকদের বেতন থেকে প্রতি মাসে ১০% করে টাকা কেটে রাখা হয় এবং চাকুরি শেষে সর্বশেষ বেতন স্কেলের ১০০ মাসের সমপরিমাণ টাকা দেয়া হয়। উক্ত টাকা কি হালাল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজ করা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : বদ নযর কী? বদ নযরের প্রভাবে একজন মানুষ কিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : তারাবীহ-এর জামা‘আতে বিতরের ছালাতে ইমামের সশব্দে দু‘আ কূনূত পাঠ করা এবং মুক্তাদীগণের আমীন বলার কি কোন প্রমাণ আছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : ‘পিতা-মাতার দু‘আ আল্লাহ তা‘আলা ফিরিয়ে দেন না’ অর্থাৎ তাদের দু‘আ কবুলযোগ্য। প্রশ্ন হল- যাদের পিতা-মাতা মৃত্যুবরণ করেছেন- তাদের কবুলযোগ্য দু‘আ প্রাপ্তির জন্য করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : বেনামাজি কি (হিন্দুদের মত) বড় কাফের? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : জান্নাতের হূরগণ বলবে, نَحْنُ الْخَالِدَاتُ فَلَا نَبِيْدُ وَنَحْنُ النَّاعِمَاتُ فَلَا نَبْأَسُ وَنَحْنُ الرَّاضِيَاتُ فَلَا نَسْخَطُ طُوْبَى لِمَنْ كَانَ لَنَا وَكُنَّا لَهُ ‘আমরা চিরদিন থাকব, কখনও ধ্বংস হব না। আমরা হামেশা সুখে-সানন্দে থাকব, কখনও দুঃখ-দুশ্চিন্তায় পতিত হবে না। আমরা সর্বদা সন্তুষ্ট থাকব, কখনও নাখোশ হব না। সুতরাং তাকে ধন্যবাদ, যার জন্য আমরা এবং আমাদের জন্য যিনি’ (তিরমিযী, হা/২৫৬৪; মিশকাত, হা/৫৬৪৯; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/৫৪০৭, ১০/১৫০ পৃ.) মর্মে বর্ণনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ