বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন
উত্তর : কুরবানীর পশুর বয়স সম্পর্কে রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘তোমরা মুসিন্নাহ ছাড়া কুরবানী করবে না (ছহীহ মুসলিম, হা/১৯৬৩)। আর মুসিন্নাহ বলতে বুঝায় এমন পশু, যার বয়স পূর্ণ হয়েছে অথবা দুধের দাঁত পড়ে গেছে। আলেমগণ ঐকমত্য পোষণ করে বলেন, ‘শরী‘আতের দলীলগুলো প্রমাণ করে যে, কুরবানীর পশুর নির্ধারিত বয়স পূর্ণ না হলে সেটা কুরবানীর পশু হিসাবে বিবেচিত হবে না। যেমন

لا يُجْزِئُ مِنَ الضأن في الأُضْحِيَّة إلَّا ما كان سِنُّه سِتَّةَ أشهُرٍ... ولا يجزئ مِنَ المَعْزِ والبَقَر والإبِلِ إلَّا ما كان مُسِنَّةً، سواء كان ذكرًا أم أنثى، وهي مِنَ المعزِ ما بلَغَتْ سنةً، ودخلَتْ في الثَّانيَة، ومِنَ البَقَرِ ما أتمَّتْ سنتينِ ودخَلَتْ في الثَّالثة، ومِنَ الإبِلِ ما أتمَّتْ خَمْسَ سنين ودخَلَتْ في السادسةِ.

‘কুরবানীর পশুর ক্ষেত্রে ভেড়ার বয়স ৬ মাস পূর্ণ না হলে সেটি গ্রহণযোগ্য নয়। আর ছাগল, গরু এবং উটের ক্ষেত্রে মুসিন্নাহ না হলে সেটি গ্রহণযোগ্য নয়, তা নর হোক কিংবা মাদী। ছাগলের ক্ষেত্রে মুসিন্নাহ হল, যার বয়স ১ বছর পূর্ণ হয়ে দ্বিতীয় বছরে পদার্পণ করেছে। গরুর ক্ষেত্রে মুসিন্নাহ হল, যার বয়স ২ বছর পূর্ণ হয়ে তৃতীয় বছরে পদার্পণ করেছে। আর উটের ক্ষেত্রে মুসিন্নাহ হল, যার বয়স ৫ বছর পূর্ণ হয়ে ষষ্ঠ বছরে পদার্পণ করেছে (আল-মুগনী, ৯/৪৪০; আত-তামহীদ, ২৩/১৮৮; আল-মাজমূঊ, ৮/৩৯৪; আযওয়াউল বায়ান, ৫/২০৯; ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ১১/৪১৪-৪১৫; আশ-শারহুল মুমতি‘, ৭/৪২৫ পৃ.; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১০৬৫৯৭)


প্রশ্নকারী : শরিফুল ইসলাম, সখিপুর, টাঙ্গাইল।





প্রশ্ন (২০) : অনেকে হজ্জ করতে কিংবা উমরাহ হজ্জ করতে যান। তাদের নিয়ত কেমন জানি না, কিন্তু সেখানে গিয়ে সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকে বিভিন্ন জায়গায় নিজেদের ছবি তুলতে এবং এই সমস্ত ছবি তারা সব সময় ফেসবুকে বা বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করতে থাকে সমাজে নিজেদেরকে দেখানোর জন্য। এটা কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : আমরা যখনই কোন ছহীহ হাদীছ ভিত্তিক আমল করতে যায়, তখনই এক শ্রেণির আলেম ছহীহ আমল করতে বাধা দেন আর বলেন ‘ফিতনা হত্যার চেয়েও জঘন্য’ (সূরা আল-বাক্বারাহ: ১৯১)। প্রশ্ন হল- ছহীহ আমল করা কি ফিতনা? আর যদি ফিতনাই হবে, তাহলে রাসূল (ﷺ) কি এমন ফিতনা সৃষ্টি করে গিয়েছেন (নাউজুবিল্লাহ)। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে তাঁর জীবনে কখনো দাড়িতে খিযাব করেছেন কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : একদিন মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে তার নাতি হুসাইন (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, আমি বড় না আপনি বড়? তখন নবী (ﷺ) বললেন যে, ‘তিনি বড়’। তখন হুসাইন (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলল, ‘না, আমি বড়’। তখন নবী (ﷺ) জিজ্ঞেস করলেন, কীভাবে? তিনি বললেন, ‘আপনার পিতার নাম কী?’ নবী (ﷺ) বললেন, আব্দুল্লাহ। হোসাইন (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলল, ‘আমার বাবা আলী, যাকে আল্লাহর সিংহ বলা হয়েছে’। ...পরিশেষে নবী (ﷺ) বলেন, ‘হোসাইন তুমিই বড়’। উক্ত ঘটনাটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ‘ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা’ বইয়ের ইবাদত অধ্যায়ের পাঠ-২ এ লিখা আছে, ‘উৎপন্ন শস্যের যাকাত ধান, গম, যব, খেজুর ইত্যাদি শস্য সেচ প্রদান ছাড়া বৃষ্টির পানিতে জন্মালে ‘প্রয়োজনের অতিরিক্ত’ সব ফসলের দশ ভাগের এক ভাগ যাকাত আদায় করতে হবে। একে উশর বলে। আর সেচ ব্যবস্থায় উৎপন্ন ফসলের বিশ ভাগের এক ভাগ যাকাত আদায় করতে হয়’। প্রশ্ন হল- ‘প্রয়োজনের অতিরিক্ত’ কথাটি কি সঠিক? এর ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : কোন নবীর নামের আগে ‘হযরত’ বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : কছর ছালাত কখন পড়তে হবে? বাড়ি থেকে কোন কাজের প্রয়োজনে বা বেড়ানোর উদ্দেশ্য ২/৩ দিনের জন্য ঢাকা বা অন্য কোন যেলায় গেলে কি ছালাত ক্বছর ও জমা করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : পৃথিবীতে যা কিছু আছে আল্লাহর কাছে মাছির ডানা সমতুল্য নয়, তাহলে আল্লাহর  শাস্তি এত কঠোর কেন? মাথায় এমন প্রশ্ন আসলে কি ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : সিজদায় কুরআনে বর্ণিত দু‘আ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭): আব্দুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে প্রশ্ন করা হয়, রাসূল (ﷺ)-এর ছাহাবীগণ কি হাসতেন? তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ। তবে তাঁদের অন্তরে ঈমান ছিল পাহাড়ের চেয়ে বড়’ (আল-মাউসূ‘আতুল কুবরা, ৩১/১৯৩)। বর্ণনাটি কী ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : মৃত মা-বাবার নামে দান করা কিংবা মানুষকে খাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : কুরআনের আয়াত পড়ে অনেকেই বলে থাকে, اَتِمُّوا الصِّیَامَ اِلَی الَّیۡلِ ‘তোমরা রাত্রি পর্যন্ত ছিয়াম পূর্ণ কর’। তাই রাত্রি না হওয়া পর্যন্ত ইফতার করা যাবে না। অতএব দেরী করাই উত্তম। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ