রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৪:১৪ অপরাহ্ন
উত্তর: উল্লেখিত হাদীছটির কোন ভিত্তি আমরা নবী (ﷺ) থেকে জানি না। ইমাম গাযযালী (রাহিমাহুল্লাহ) ‘ইহইয়াউ উলূমুদ্দীন’ গ্রন্থে এ হাদীছকে আনাস ইবনু মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর দিকে সম্বোন্ধিত করেছেন যে, তিনি বলেন, ‘কতক তেলাওয়াতকারীকে কুরআন লা‘নত করে’ (ইইইয়াউ উলূমুদ্দীন, ১/২৭৪ পৃ.)। সঊদী আরবের স্থায়ী কমিটি বলেন, ‘এটি মাইমূন ইবনু মিহরানের উক্তি। নবী (ﷺ)-এর হাদীছ নয়’ (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়েমাহ, ৩/২১৩ পৃ.)।

এর মর্ম হচ্ছে, এমন মুসলিমকে সতর্ক করা, যিনি কুরআন পড়েন; কিন্তু আমল করেন না। কারণ আল্লাহ‌র বান্দাদের মধ্যে এমন কিছু বান্দা রয়েছে যারা কুরআনের নিষেধাজ্ঞাগুলো অবগত হয়; যেমন সূদের নিষেধাজ্ঞা; এরপর সূদী কারবার করে। কিংবা যুলমের নিষেধাজ্ঞা; এরপর তারা যুলম করে কিংবা গীবত করার নিষেধাজ্ঞা; এরপর তারা গীবতে লিপ্ত হয়। এভাবে কুরআনে উদ্ধৃত আরও যে সব আদেশ ও নিষেধ রয়েছে সেগুলোর ক্ষেত্রেও। আল্লাহ্‌ই তাওফীকদাতা (ইসলাম সাওয়াল ওয়াল জাওয়াব, ফৎওয়া নং-২২৪০৩৫)।

শাইখ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ)-কে ‘কতক ক্বারীকে কুরআন লা‘নত করে’ এই হাদীছ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল। কিভাবে কুরআন তার পাঠককে লা‘নত করে এবং কেন? তিনি জবাব দেন, ‘আমি নবী (ﷺ) থেকে এই হাদীছের সত্যতা জানি না। সুতরাং এর ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন নেই। আর যদি ছহীহ সাব্যস্ত হয়, তাহলে অর্থ হবে- কুরআনে এমন কিছু রয়েছে যা পাঠকারীর নিন্দা করা ও লা‘নত করার দাবী করে। এ কারণে যে, সে কুরআন পড়ে কিন্তু কুরআনের নির্দেশগুলো লঙ্ঘন করে এবং নিষেধগুলোতে লিপ্ত হয়। আল্লাহ‌র কিতাবে পড়ে; অথচ আল্লাহর কিতাবে এমন কিছু রয়েছে যা তাকে ও তার মত যারা রয়েছে তাদেরকে গালি দেয়ার দাবী করে। যেহেতু তারা আদেশগুলো লঙ্ঘন করে এবং নিষেধগুলোতে লিপ্ত হয়। এটাই এর নিকটতম মর্ম; যদি তা নবী (ﷺ) হতে ছহীহ সাব্যস্ত হয়। কিন্তু আমি নবী (ﷺ) থেকে এর সত্যতা জানি না’ (মাজমূঊ ফাতাওয়া বিন বায, ২৬/৬)।


প্রশ্নকারী : আনোয়ার, গোদাগাড়ী, রাজশাহী।





প্রশ্ন (৮) : যে ব্যক্তির কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে এবং প্রতিদিন তার ডায়ালেসিস করতে হয়। সে ছিয়াম রাখতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : নবী (ﷺ)-এর শাসনব্যবস্থা থেকে ইসলামী রাজনীতির কী কী মূলনীতি পাওয়া যায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : আমাদের ভবন ১৫ তলা এবং ৯০ টি ফ্লাট। যেখানে মোট ৪৫০ জন লোকের বসবাস। ভবনের ছাদে ১টি মসজিদ আছে, যাতে পাঁচ ওয়াক্ত ছালাত জামা‘আতের সাথে হয়ে থাকে। কেউ কেউ বলছে, একে মসজিদ বলা যাবে না, জামা‘আত খানা বলতে হবে। প্রশ্ন হল, একে মসজিদ বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : ‘আপনাকে প্রেরণের উদ্দেশ্য না হলে আমি বিশ্বমণ্ডল সৃষ্টি করতাম না’ মর্মে প্রচলিত বর্ণনাট কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : গীবতকারীর আমল যার নামে গীবত করা হয়েছে তার আমলনামায় চলে যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : ‘ঈমান ও ইসলাম’-এর অর্থ ও পার্থক্য কী? এতোদুভয়ের মধ্যে কোন্টি আগে গ্রহণ করা মানুষের জন্য প্রয়োজন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : কেউ যদি কারো গীবত, নিন্দা, সমালোচনা করে ফেলে এবং পরে যদি সে অনুতপ্ত হয় যে, আমি ঠিক করিনি। তখন যার গীবত করা হয়েছে তার কাছে যদি সে ক্ষমা চাইতে চায়, কিন্তু যার গীবত করেছে তাকে যদি না পায়, তাহলে আল্লাহর কাছে সে কিভাবে ক্ষমা চাইবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০): মসজিদের পশ্চিম দেওয়ালে ডিজিটাল ঘড়ি লাগানো যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : প্রথম বৈঠকে তাশাহহুদ অর্থাৎ আত্তাহিয়্যাতু পাঠ করার পর নবী (ﷺ)-এর উপর দুরূদ পাঠ করা যাবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : তিনতলা বিশিষ্ট মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। সেখানে সিরামিক ইট ব্যবহার করে সুন্দর করা হচ্ছে। এটা দেখে এলাকার লোকেরা ঠাট্টা করে বলাবলি করছে এখান থেকেই ক্বিয়ামত শুরু হবে। এভাবে বলা কি জায়েয?   - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : আমি একজন যুবক মানুষ। ৫ ওয়াক্ত ছালাত পড়ি। এক ওয়াক্ত ছুটে গেলে প্রচণ্ড খারাপ লাগে, নিজেকে বড় গুনাহগার মনে হয়। কিন্তু গোপন পাপ করলে অনুশোচনা আসে না। আমি কিভাবে নিজেকে এই পাপ থেকে বিরত রাখব। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : আমি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার। আমাকে ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় মানুষ ও প্রাণীর ছবি সম্বলিত ডিজাইন করতে হয়। ইসলামী শরী‘আতে এটা কি বৈধ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ