বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন
উত্তর : বিনা প্রয়োজনে কোন পরপুরুষের সঙ্গে নরম সুরে কথা বলা হারাম। কারণ এটি মুখের যিনা (ছহীহ মুসলিম, হা/২৬৫৭)। তবে হ্যাঁ, প্রয়োজনে শর্ত সাপেক্ষে কথা বলা জায়েয। যেমন কথা সংক্ষিপ্ত পরিসরে হবে (ছহীহ বুখারী, হা/৪১৪১)। হাসি-ঠাট্টা থেকে বিরত থাকবে, নয়নে নয়ন মিলাবে না, নরম ও মধুর সুরে কথা বলবে না (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১১৩৯৯৬)। পরপুরুষের সঙ্গে কথা বলার সময় নারীদের কথা বলার ধরণ কেমন হবে, সে সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

یٰنِسَآءَ  النَّبِیِّ لَسۡتُنَّ کَاَحَدٍ مِّنَ النِّسَآءِ  اِنِ اتَّقَیۡتُنَّ فَلَا تَخۡضَعۡنَ بِالۡقَوۡلِ فَیَطۡمَعَ  الَّذِیۡ  فِیۡ قَلۡبِہٖ مَرَضٌ وَّ  قُلۡنَ  قَوۡلًا  مَّعۡرُوۡفًا

‘হে নবীর স্ত্রীগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও, যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তাহলে পর-পুরুষের সাথে কোমল কণ্ঠে এমনভাবে কথা বল না যাতে অন্তরে যার ব্যাধি রয়েছে সে প্রলুব্ধ হয় বরং তোমরা ন্যায়সঙ্গত কথা বলবে’ (সূরা আল-আহযাব: ৩২)। ইমাম ইবনু কাছীর (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘অর্থাৎ যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পরপুরুষের সাথে কোমল কণ্ঠে এমনভাবে কথা বল না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধি আছে সে প্রলুব্ধ হয় এবং তোমরা ন্যায়সঙ্গত কথা বলবে। স্ত্রীলোকদের পরপুরুষের সাথে কোমল সুরে ও লোভনীয় ভঙ্গিতে কথা বলা নিষিদ্ধ। সুমিষ্ট ভাষায় ও নরম সুরে শুধু স্বামীর সাথে কথা বলা যেতে পারে। আল্লাহ তা‘আলা যেরূপ নারী জাতির দেহ-বৈচিত্রে পুরুষের জন্য যৌন আকর্ষণ সৃষ্টি করেছেন, অনুরূপভাবে তিনি নারীদের কণ্ঠস্বরেও প্রকৃতিগতভাবে মন কেড়ে নেয়ার ক্ষমতা, কোমলতা ও মধুরতা রেখেছেন, যা পুরুষকে নিজের দিকে আকর্ষণ করতে থাকে। সুতরাং সেই কণ্ঠস্বর ব্যবহার করার ব্যাপারেও এই নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে, পরপুরুষের সাথে বাক্যালাপের সময় ইচ্ছাপূর্বক এমন কণ্ঠ ব্যবহার করবে, যাতে কোমলতা ও মধুরতার পরিবর্তে সামান্য শক্ত ও কঠোরতা থাকে। যাতে ব্যাধিগ্রস্ত অন্তরবিশিষ্ট লোক কণ্ঠের কোমলতার কারণে তোমাদের দিকে আকৃষ্ট না হয়ে পড়ে এবং তাদের মনে কুবাসনার সঞ্চার না হয়। তবে এই কর্কশতা ও কঠোরতা শুধু কণ্ঠস্বরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে, অর্থাৎ মুখে এমন বাক্য আনবে না, যা অসঙ্গত ও সচ্চরিত্রতার পরিপন্থী (তাফসীরে ইবনে কাছীর, সূরা আল-আহযাবের ৩২ নং আয়াতের ব্যাখ্যা দ্রষ্টব্য)।


প্রশ্নকারী : রোদেলা, ঢাকা।





প্রশ্ন (১১) : সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম দেশে যে সমস্ত মুসলিম সেক্যুলার রাজনীতির সমর্থক বা কর্মী, তাদের সম্পর্কে আহলেহাদীছদের আকীদা কী হবে এবং তাদের সাথে সামাজিক সম্পর্ক কিভাবে মূল্যায়ন করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : ফেরেশতাগণের অবস্থানস্থল কোথায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : অমুসলিম পুরুষের সাথে মুসলিম নারীর বিবাহ কি বৈধ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : কোন বিধবা কিংবা ডিভোর্সপ্রাপ্ত মহিলা তার অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া কোন পুরুষকে বিবাহ করতে পারবে কি? যদি বিবাহ করে, তাহলে শরী‘আতের দৃষ্টিতে এই বিয়ে কি সঠিক হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : জনৈক আলেম বলেন, শিশুদের নিয়মিত ঝাড়ফুঁক করলে কান্নাকাটি কম করে। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : আমরা অনেকেই সরকারী চাকরী করি। অধিকাংশ মন্ত্রণালয় বিভিন্নভাবে সূদ ও ঘুষের সাথে জড়িত। উক্ত চাকরির বেতন হালাল হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : প্রতিদিন রাতে সূরা মুলক পড়া সুন্নাহ। প্রশ্ন হল- যদি কেউ মাগরিবের ছালাত অথবা এশার ছালাতের পর সময়ের ব্যস্ততার কারণে মসজিদ থেকে বের হয়ে কর্মস্থানে যেতে যেতে সূরা মুলক পাঠ করে, তাহলে কি ছওয়াব পাওয়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : নিম্নের হাদীছটি কি ছহীহ? لَا تَقْرَأِ الحَائِضُ وَلَا الجُنُبُ مِنَ القُرْآنِ شَيْئًا ‘ঋতুবতী নারী ও জুনুবী ব্যক্তি (যার ওপর গোসল ফরয) কুরআনের কিছুই পাঠ করবে না’। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : মিসওয়াকের শুরু এবং শেষে পঠিতব্য কোন দু‘আ আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : মৃতের জন্য কুলখানি, চল্লিশা, মীলাদ ইত্যাদি অনুষ্ঠান পালন করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : কেমন ব্যক্তি চাঁদ দেখার সাক্ষী দিলে ছিয়াম রাখা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : চার রাক‘আত বিশিষ্ট ছালাতের প্রথম বৈঠকে আত্তাহিয়্যাতু পড়ার পর কেউ যদি ভুলে দুরূদে ইবরাহীম পড়ে, তাহলে তাকে কি সাহু সিজদাহ দিতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ