মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৩ অপরাহ্ন
উত্তর : বিনা প্রয়োজনে কোন পরপুরুষের সঙ্গে নরম সুরে কথা বলা হারাম। কারণ এটি মুখের যিনা (ছহীহ মুসলিম, হা/২৬৫৭)। তবে হ্যাঁ, প্রয়োজনে শর্ত সাপেক্ষে কথা বলা জায়েয। যেমন কথা সংক্ষিপ্ত পরিসরে হবে (ছহীহ বুখারী, হা/৪১৪১)। হাসি-ঠাট্টা থেকে বিরত থাকবে, নয়নে নয়ন মিলাবে না, নরম ও মধুর সুরে কথা বলবে না (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১১৩৯৯৬)। পরপুরুষের সঙ্গে কথা বলার সময় নারীদের কথা বলার ধরণ কেমন হবে, সে সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

یٰنِسَآءَ  النَّبِیِّ لَسۡتُنَّ کَاَحَدٍ مِّنَ النِّسَآءِ  اِنِ اتَّقَیۡتُنَّ فَلَا تَخۡضَعۡنَ بِالۡقَوۡلِ فَیَطۡمَعَ  الَّذِیۡ  فِیۡ قَلۡبِہٖ مَرَضٌ وَّ  قُلۡنَ  قَوۡلًا  مَّعۡرُوۡفًا

‘হে নবীর স্ত্রীগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও, যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তাহলে পর-পুরুষের সাথে কোমল কণ্ঠে এমনভাবে কথা বল না যাতে অন্তরে যার ব্যাধি রয়েছে সে প্রলুব্ধ হয় বরং তোমরা ন্যায়সঙ্গত কথা বলবে’ (সূরা আল-আহযাব: ৩২)। ইমাম ইবনু কাছীর (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘অর্থাৎ যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পরপুরুষের সাথে কোমল কণ্ঠে এমনভাবে কথা বল না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধি আছে সে প্রলুব্ধ হয় এবং তোমরা ন্যায়সঙ্গত কথা বলবে। স্ত্রীলোকদের পরপুরুষের সাথে কোমল সুরে ও লোভনীয় ভঙ্গিতে কথা বলা নিষিদ্ধ। সুমিষ্ট ভাষায় ও নরম সুরে শুধু স্বামীর সাথে কথা বলা যেতে পারে। আল্লাহ তা‘আলা যেরূপ নারী জাতির দেহ-বৈচিত্রে পুরুষের জন্য যৌন আকর্ষণ সৃষ্টি করেছেন, অনুরূপভাবে তিনি নারীদের কণ্ঠস্বরেও প্রকৃতিগতভাবে মন কেড়ে নেয়ার ক্ষমতা, কোমলতা ও মধুরতা রেখেছেন, যা পুরুষকে নিজের দিকে আকর্ষণ করতে থাকে। সুতরাং সেই কণ্ঠস্বর ব্যবহার করার ব্যাপারেও এই নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে, পরপুরুষের সাথে বাক্যালাপের সময় ইচ্ছাপূর্বক এমন কণ্ঠ ব্যবহার করবে, যাতে কোমলতা ও মধুরতার পরিবর্তে সামান্য শক্ত ও কঠোরতা থাকে। যাতে ব্যাধিগ্রস্ত অন্তরবিশিষ্ট লোক কণ্ঠের কোমলতার কারণে তোমাদের দিকে আকৃষ্ট না হয়ে পড়ে এবং তাদের মনে কুবাসনার সঞ্চার না হয়। তবে এই কর্কশতা ও কঠোরতা শুধু কণ্ঠস্বরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে, অর্থাৎ মুখে এমন বাক্য আনবে না, যা অসঙ্গত ও সচ্চরিত্রতার পরিপন্থী (তাফসীরে ইবনে কাছীর, সূরা আল-আহযাবের ৩২ নং আয়াতের ব্যাখ্যা দ্রষ্টব্য)।


প্রশ্নকারী : রোদেলা, ঢাকা।





প্রশ্ন (১) : মানহাজ কাকে বলে? মানহাজ কোন কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য? জনৈক আলিম বলেন, প্রত্যেক মুসলিমের উপর ‘সালাফী মানহাজ’ অনুসরণ করা আবশ্যক। প্রশ্ন হল- ‘সালাফী মানহাজ’ বলতে কী বুঝায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : গান শুনা ইমামের পিছনে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, ‘আদম সন্তানের সৌভাগ্য তিনটি আর দুর্ভাগ্যও তিনটি। সৌভাগ্য তিনটি হলো, দ্বীনদার-নেককার স্ত্রী, ভালো বাসস্থান, ভালো সওয়ারী বা বাহন। আর দুর্ভাগ্য তিনটি হলো, খারাপ স্ত্রী, খারাপ বাসস্থান ও খারাপ সওয়ারী’ (মুসনাদে আহমাদ)। হাদীছটি কী ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : মেয়েরা যে বডি লোশন বা কসমেটিকস ব্যবহার করে সেগুলোতে সুন্দর ঘ্রাণ আছে। সেগুলো কি মেয়েরা ব্যবহার করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : জনৈক আলেম বলেন, ‘কোন ব্যক্তি যদি কোন মুমিন ব্যক্তির প্রতি অভিশাপ করে, তাহলে সে তাকে হত্যা করার মত পাপ করল’। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ব্যবসার উদ্দেশ্যে বিড়াল কেনা-বেচা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : আমার নামটি জাপানিজ শব্দের। আমি আমার নাম পরিবর্তন করতে চাই। নাম পরিবর্তন করলে আক্বীক্বা দিতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : যেকোন মসজিদে ই‘তিকাফ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : যেসকল তাসবীহ ১০০ বার পড়তে হয়, তা যদি একসাথে না পড়ে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পড়ি, তাহলে কি হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : হিজড়া ব্যক্তি মসজিদে টাকা দান করলে সেই টাকা নেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : নন মাহরাম এর সঙ্গে কথা বলা কি জায়েয আছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : তাকবীরে তাহরিমা ও রাফ‘উল ইয়াদাইন করার সময় হাতের আঙ্গুল খোলা খোলা থাকবে, না-কি পরস্পরের সাথে মিলানো থাকবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ