বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন
উত্তর : ছিয়াম ভঙ্গকারী কারণগুলো নির্ধারিত। কুরআন ও ছহীহ সুন্নাহতে স্পষ্টভাবে সেগুলো উদ্ধৃত হয়েছে। আর সেগুলো হল- সহবাস, পানাহার, কিংবা যা কিছু সহবাস বা পানাহারের স্থলাভিষিক্ত হবে। যেমন স্যালাইন ইনজেকশন, হস্তমৈথুন, শিঙ্গা লাগানো, ইচ্ছাকৃত বমি করা ও হায়িয (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৩৮০২৩)। ছিয়াম ভঙ্গ করার ক্ষেত্রে হস্তমৈথুন ও বেপর্দার মধ্যে পার্থক্য হল- হস্তমৈথুন সত্তাগতভাবে ছিয়াম ভঙ্গকারী ও ছিয়ামের সাথে সাংঘর্ষিক। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘আল্লাহ‌ তা‘আলা বলেন, ‘ছিয়াম আমারই জন্য। আমিই এর পূর্ণাঙ্গ প্রতিদান দেব। বান্দা আমার জন্য পানাহার ও যৌনসুখ বর্জন করে’ (ছহীহ বুখারী, হা/১৮৯৪, ৭৪৯২; ছহীহ মুসলিম, হা/১১৫১)। নিঃসন্দেহে হস্তমৈথুন যৌনসুখের অন্তর্ভুক্ত, তাই সেটি সহবাস ও পানাহারের ন্যায় ছিয়াম ভঙ্গকারী। ইবনু হাজার হাইছামী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, الإستمناء مفطر بعينه ‘হস্তমৈথুন নিজেই ছিয়ামভঙ্গকারী’ (আল-ফাতাওয়া আল-ফিক্বহিয়্যাহ আল-কুবরা, ২/৭৩ পৃ.)।

শায়খ মুহাম্মাদ মুখতার আশ-শানক্বিত্বী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘যৌনসুখ’ শব্দটিকে আল্লাহ তা‘আলা এখানে ব্যাপক অর্থে ব্যবহার করেছেন। ফলে মুখ্য যৌনসুখ, যা সহবাসের মাধ্যমে অর্জিত হয় সেটি যেমন এর অন্তর্ভুক্ত, ঠিক তেমনি যে যৌনসুখ হস্তমৈথুনের মাধ্যমে অর্জিত হয় সেটিও এর অন্তর্ভুক্ত। যখন সে বীর্যপাত করে তখন তার যৌনসুখ লাভ হয়। এটিই হচ্ছে প্রধান যৌনসুখ। এ দিক থেকে সে ছিয়াম ভঙ্গকারী হিসাবে গণ্য হয়। কারণ ছিয়াম পালনকারী তার যৌনসুখকে ত্যাগ করে। সুতরাং যে ব্যক্তি হস্তমৈথুন করল সে তো আর যৌনসুখকে ত্যাগ করল না’ (শারহু যাদিল মুস্তাক্বনি‘, ৪/১০৪ পৃ.; ‘আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়্যাহ, ৪/১০০ পৃ.)। পক্ষান্তরে বেপর্দা হওয়া ছিয়াম ভঙ্গকারী নয়। বরং তা গীবত, মিথ্যা ইত্যাদি গুনাহসমূহের মত একটি গুনাহ। যেগুলোর কারণে ছিয়ামের ছাওয়াব কমে যায়, কিন্তু ছিয়াম ভেঙ্গে যায় না। কখনও কখনও এত বেশি গুনাহ করা হয় যে, ছিয়ামের সম্পূর্ণ ছাওয়াব শেষ হয়ে যায়। কিন্তু ছিয়ামকে নষ্ট করে না। বরং গুনাহ সত্ত্বেও তার ছিয়াম হয়ে যায় এবং ছিয়াম পালনকারী অপরিহার্যের দায়িত্ব থেকে মুক্ত হয়ে যায় এবং তাকে ক্বাযা করতে হবে না (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-২৩২৩৫২)।

প্রশ্নকারী : শিহাব, মাদারীপুর।





প্রশ্ন (২৫) : আল্লাহ তা‘আলার সত্তা, তাঁর অবস্থান, তাজসীম তথা আল্লাহকে সৃষ্টির মত দেহযুক্ত মনে করা ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত মাসআলা জানা কি সাধারণ মানুষের জন্য অপরিহার্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : স্বামী যদি স্ত্রীর সাথে কাজের লোকের মত আচরণ করে, উঠতে বসতে বিশ্রী গালি-গালাজ করে, রাস্তা-ঘাট অপমান ও অবহেলা করে। এমতাবস্থায় উক্ত সমস্যার সমাধানের জন্য স্ত্রী কি তার পিতা-মাতাকে জানাতে পারে? জানালে কি অন্যায় হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : কুরআনের কোন আয়াত ওযূ ছাড়া লেখা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : মসজিদের নাম পাগলা মসজিদ বলে পরিচিত। হাজার হাজার মানুষ মনের বাসনা পূরণের জন্য সেখানে লক্ষ লক্ষ টাকা দান করে, মানত করে। প্রতিমাসে কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। এমন মসজিদে দান করা যাবে কি? আর এভাবে ‘পাগলা মসজিদ’ নামে নামকরণ করা কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : আমলে ছালেহ বলতে কোন্ কোন্ আমলকে বোঝানো হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : যে সকল ভাইয়েরা সঊদী আরবে কাজ করতে যাই, তারা কি সেখানকার দান করা টাকা গ্রহণ করতে পারবে, অথচ তাদের স্বদেশে আর্থিক অবস্থা ভাল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ফলের গাছ রয়েছে। উক্ত গাছের ফল খাওয়া হালাল হবে কি? উল্লেখ্য, ফল কে নিয়েছে বা কে খেয়েছে কর্তৃপক্ষ কোন খবর নেয় না। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : পেশাব করার পর ঢিলা কুলুখ নেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : প্রত্যেক রফউল ইয়াদাইনে ১০টি করে নেকী লাভ হয় সংক্রান্ত হাদীছ কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : কবরস্থানে কুরআন তেলাওয়াত করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : ‘যে বিয়েতে খরচ যত কম, সে বিয়েতে বরকত তত বেশি’। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : মহিলারা শাড়ি পরিধান করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ