বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২২ পূর্বাহ্ন
উত্তর : শরী‘আতে হাই তোলার পর নির্ধারিত কোন দু‘আ বর্ণিত হয়নি। তবে হাই উঠার সময় সেটা সাধ্যমত প্রতিহত করার চেষ্টা করতে হবে। কেননা হাই শয়তানের পক্ষ থেকে হয়ে থাকে। হাদীছে এসেছে,

وَأَمَّا التَّثَاؤُبُ فَإِنَّمَا هُوَ مِنَ الشَّيْطَانِ فَإِذَا تَثَاوَبَ أَحَدُكُمْ فَلْيَرُدَّهُ مَا اسْتَطَاعَ فَإِنَّ أَحَدَكُمْ إِذَا تَثَاءَبَ ضَحِكَ مِنْهُ الشَّيْطَانُ

‘হাই তোলা’ হল শয়তানের পক্ষ থেকে। অতএব যখন তোমাদের কারো হাই আসে, তখন সে যেন উহাকে সাধ্যানুযায়ী প্রতিরোধ করে। কেননা যখন তোমাদের কেউ হাই তোলে তখন তাতে শয়তান হাসে’ (ছহীহ বুখারী, হা/৬২২৬)। উক্ত হাদীছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করার কথা বলা হয়নি। যদি কেউ প্রশ্ন করে, নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো বলেছেন, হাই আসে শয়তানের পক্ষ থেকে। আর আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, وَإِمَّا يَنْزَغَنَّكَ مِنَ الشَّيْطَانِ نَزْغٌ فَاسْتَعِذْ بِاللهِ إِنَّهُ هُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ ‘আর যদি শয়তানের পক্ষ থেকে কোন প্ররোচনা তোমাকে প্ররোচিত করে, তবে তুমি আল্লাহর আশ্রয় চাও। নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ’ (সূরা আল-আ‘রাফ : ২০০)। এর উত্তর হল- নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কথা হাই আসে শয়তানের পক্ষ থেকে ও আল্লাহ তা‘আলার আশ্রয় চাইতে বলা এ সবই ঠিক। উল্লিখিত আয়াতে যে نَزْغٌ শব্দ এসেছে। যার অর্থ প্ররোচনা। আর এর দ্বারা উদ্দেশ্য হল- কোন ওয়াজিবকে পরিত্যাগ বা হারাম কাজ করার ব্যাপারে খারাপ মানুষের প্ররোচনা। সুতরাং মানুষ যখন বুঝতে পারবে যে, কোন মানুষ তাকে খারাপ কাজের ব্যাপারে প্ররোচিত করছে, তখন সে أعوذ بالله من الشيطان الرجيم পাঠ করবে। অথচ হাই আসলে কী করতে হবে সে ব্যাপারে সুন্নাতি পদ্ধতি রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো বলেই দিয়েছেন।

প্রশ্নকারী : আব্দুর রহমান, যশোর।




প্রশ্ন (১৩) : গুল ব্যবহার করলে ছিয়াম নষ্ট হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : স্বামী-স্ত্রীর মাঝে মীমাংসামূলক ছালাতের  বিশুদ্ধ আাছে কি? সেটা হচ্ছে: দুই রাক‘আত ছালাত পড়া। প্রত্যেক রাক‘আতে সূরা ফাতিহা পড়া এবং সাতবার ‘সম্ভবত আল্লাহ তোমাদের মধ্যে এবং তাদের মধ্য থেকে যাদের সাথে তোমাদের শত্রুতা আছে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব সৃষ্টি করে দেবেন। আল্লাহ সবকিছই করতে সক্ষম। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু’ আয়াতটি পড়া। ছালাত শেষ করার পর এই দু‘আ করা, ‘হে আল্লাহ! অমুকের ছেলে অমুকের (স্বামীর নাম) অন্তর অমুকের মেয়ে অমুকের (স্ত্রীর নাম) উপর কোমল করে দিন; যেভাবে আপনি দাউদ (আলাইহিস সালাম)-এর জন্য লোহাকে কোমল করে দিয়েছেন। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : স্টুডিও-এর ব্যবসা যেমন ছবি তোলা, ছবি প্রিন্ট করা প্রভৃতির ব্যবসা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : ডাস্টবিনে রুটি ও খাবার ফেলা কি হারাম; অথচ সেগুলো এক রকম খাওয়ার উপযুক্ত নয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : কোন ব্যক্তি যদি কুরআনের মাছহাফ ব্যতীত মুখস্থ কুরআন তেলাওয়াত করে, তাহলে তার জন্য এক হাযার মর্যাদার সমান নেকী রয়েছে। আর যদি মাছহাফে কুরআন পড়া মুখস্থ পড়ার চেয়ে দুই হাজার মর্যাদার সমান রয়েছে (ত্বাবারাণী, আল-জামেঊল কাবীর হা/৬০১)। বর্ণনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : কেউ সূদী ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করে মারা গেলে তার পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধ না করা পর্যন্ত কি তার কবরে শাস্তি হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, ছেলে-মেয়ে ও নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য বগলের লোম তুলে ফেলতে হবে, ব্লেড ব্যবহার করা যাবে না। এই দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : লটারি বিক্রি হয় বা সিগারেট বিক্রি হয় এমন কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : বালা-মুছীবত বা জিনের কবল থেকে বাঁচার জন্য তাবীয ব্যবহার করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : মানুষের শরীরে পা লাগলে অথবা বই হাত থেকে পড়ে গেলে উঠিয়ে সালাম করতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : মহিলারা বাড়ীতে ই‘তিকাফ করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : একজন মেয়ের বিয়ের আগে অন্যদের ফোনে ছবি তোলা ছিল। প্রশ্ন হল- বিয়ের আগের যে ছবিগুলো অন্যের ফোনে থেকে গেছে সেগুলো অন্য কেউ দেখলে কি ঐ মেয়ের গুনাহ হতেই থাকবে, না-কি তাওবা করলে মাফ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ