শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৮ অপরাহ্ন
উত্তর : শরী‘আতে হাই তোলার পর নির্ধারিত কোন দু‘আ বর্ণিত হয়নি। তবে হাই উঠার সময় সেটা সাধ্যমত প্রতিহত করার চেষ্টা করতে হবে। কেননা হাই শয়তানের পক্ষ থেকে হয়ে থাকে। হাদীছে এসেছে,

وَأَمَّا التَّثَاؤُبُ فَإِنَّمَا هُوَ مِنَ الشَّيْطَانِ فَإِذَا تَثَاوَبَ أَحَدُكُمْ فَلْيَرُدَّهُ مَا اسْتَطَاعَ فَإِنَّ أَحَدَكُمْ إِذَا تَثَاءَبَ ضَحِكَ مِنْهُ الشَّيْطَانُ

‘হাই তোলা’ হল শয়তানের পক্ষ থেকে। অতএব যখন তোমাদের কারো হাই আসে, তখন সে যেন উহাকে সাধ্যানুযায়ী প্রতিরোধ করে। কেননা যখন তোমাদের কেউ হাই তোলে তখন তাতে শয়তান হাসে’ (ছহীহ বুখারী, হা/৬২২৬)। উক্ত হাদীছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করার কথা বলা হয়নি। যদি কেউ প্রশ্ন করে, নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো বলেছেন, হাই আসে শয়তানের পক্ষ থেকে। আর আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, وَإِمَّا يَنْزَغَنَّكَ مِنَ الشَّيْطَانِ نَزْغٌ فَاسْتَعِذْ بِاللهِ إِنَّهُ هُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ ‘আর যদি শয়তানের পক্ষ থেকে কোন প্ররোচনা তোমাকে প্ররোচিত করে, তবে তুমি আল্লাহর আশ্রয় চাও। নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ’ (সূরা আল-আ‘রাফ : ২০০)। এর উত্তর হল- নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কথা হাই আসে শয়তানের পক্ষ থেকে ও আল্লাহ তা‘আলার আশ্রয় চাইতে বলা এ সবই ঠিক। উল্লিখিত আয়াতে যে نَزْغٌ শব্দ এসেছে। যার অর্থ প্ররোচনা। আর এর দ্বারা উদ্দেশ্য হল- কোন ওয়াজিবকে পরিত্যাগ বা হারাম কাজ করার ব্যাপারে খারাপ মানুষের প্ররোচনা। সুতরাং মানুষ যখন বুঝতে পারবে যে, কোন মানুষ তাকে খারাপ কাজের ব্যাপারে প্ররোচিত করছে, তখন সে أعوذ بالله من الشيطان الرجيم পাঠ করবে। অথচ হাই আসলে কী করতে হবে সে ব্যাপারে সুন্নাতি পদ্ধতি রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো বলেই দিয়েছেন।

প্রশ্নকারী : আব্দুর রহমান, যশোর।




প্রশ্ন (১৭) : আমি একটি হিমাগারে চাকরি করি। আমি যদি আমার বন্ধুর আলু বিক্রয় করে দেই। ক্রেতা যদি ক্রয় মূল্য পরিশোধ করার পর আমাকে অতিরিক্ত টাকা দেন তাহলে তা নেওয়া আমার জন্য জায়েয হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : জান্নাতী ব্যক্তি কি অন্য জাহান্নামী ব্যক্তির জন্য সুপারিশ করতে পারবেন? কারণ জান্নাতে যা চাইবে তাইতো পাওয়া যাবে। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : কোন ইমাম যদি নবী গায়েব জানেন, আল্লাহ সর্বত্র বিরাজমান, নবী নূরের তৈরি, নবী জীবিত প্রভৃতি আক্বীদা পোষণ করে, তাহলে ঐ ব্যক্তির পিছনে ছালাত হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : ইসলামী বইপুস্তক যেমন- ফিক্বহ, আক্বীদা, তাফসীর ইত্যাদি বিষয়ক বইপুস্তকের উপর অন্য কোন জিনিসপত্র রাখা কিংবা ইসলামী বইপুস্তক একটার উপর আরেকটি রাখার ব্যাপারে আলেমগণের বক্তব্য কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : মসজিদে বাম হাতের উপর ভর দিয়ে বসার ব্যাপারে কি কোন সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা আছে? জানা যায় যে, এটি ভাল নয়। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : জনৈক বক্তা বলেন, হাদীছে এসেছে, যে ব্যক্তি ১০ মুহাররম আশূরার দিন গোসল করবে, সারা বছর তার কোন রোগ হবে না। উক্ত বক্তব্য সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : ছালাতের পর হাদীছে বর্ণিত যিকির ও দু‘আসমূহ পড়ে নিজের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন চাহিদা জন্য একাকী হাত তুলে নিজের ভাষায় দু‘আ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৬) : মহানবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিরাজের রাতে বায়তুল মুকাদ্দাসে নবীদের (আলাইহিস সালাম) ছালাতের ইমামতি করছেন। নবীরা (আলাইহিস সালাম) পৃথিবীতে কি করছিলেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : বিভিন্ন দল ও গ্রুপের মধ্যে যে মতভেদ বিদ্যমান, তাতে একজন মুসলিমের ভূমিকা কেমন হবে?
প্রশ্ন (৭) : সানস্ক্রিন ক্রীম সূর্যের ক্ষতিকর আলো থেকে ত্বককে রক্ষা করে এবং এতে ত্বক ফর্সা হওয়ার লেয়ার থাকে। পুরুষের জন্য এ ধরনের ক্রীম ব্যবহার করা কি বৈধ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘ছালাতের প্রথম ওয়াক্ত আল্লাহ সন্তুষ্টি আর শেষ ওয়াক্ত আল্লাহ ক্ষমা’ (তিরমিযী, হা/১৭২, ১/৪৩ পৃ.) মর্মে বর্ণিত হাদীছটি কি ছহীহ, না-কি জাল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : হাদীছ থেকে জানা যায়, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সূরা আল-ফালাক্ব ও সূরা আন-নাস পড়ে দুই হাতের তালুতে ফুঁ দিয়ে সারা শরীর মাসাহ করতেন। কিন্তু অনেকে বুকে ফুঁ দেয়। এটা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ