বুধবার, ২২ Jul ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ন
উত্তর : শরী‘আতে হাই তোলার পর নির্ধারিত কোন দু‘আ বর্ণিত হয়নি। তবে হাই উঠার সময় সেটা সাধ্যমত প্রতিহত করার চেষ্টা করতে হবে। কেননা হাই শয়তানের পক্ষ থেকে হয়ে থাকে। হাদীছে এসেছে,

وَأَمَّا التَّثَاؤُبُ فَإِنَّمَا هُوَ مِنَ الشَّيْطَانِ فَإِذَا تَثَاوَبَ أَحَدُكُمْ فَلْيَرُدَّهُ مَا اسْتَطَاعَ فَإِنَّ أَحَدَكُمْ إِذَا تَثَاءَبَ ضَحِكَ مِنْهُ الشَّيْطَانُ

‘হাই তোলা’ হল শয়তানের পক্ষ থেকে। অতএব যখন তোমাদের কারো হাই আসে, তখন সে যেন উহাকে সাধ্যানুযায়ী প্রতিরোধ করে। কেননা যখন তোমাদের কেউ হাই তোলে তখন তাতে শয়তান হাসে’ (ছহীহ বুখারী, হা/৬২২৬)। উক্ত হাদীছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করার কথা বলা হয়নি। যদি কেউ প্রশ্ন করে, নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো বলেছেন, হাই আসে শয়তানের পক্ষ থেকে। আর আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, وَإِمَّا يَنْزَغَنَّكَ مِنَ الشَّيْطَانِ نَزْغٌ فَاسْتَعِذْ بِاللهِ إِنَّهُ هُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ ‘আর যদি শয়তানের পক্ষ থেকে কোন প্ররোচনা তোমাকে প্ররোচিত করে, তবে তুমি আল্লাহর আশ্রয় চাও। নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ’ (সূরা আল-আ‘রাফ : ২০০)। এর উত্তর হল- নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কথা হাই আসে শয়তানের পক্ষ থেকে ও আল্লাহ তা‘আলার আশ্রয় চাইতে বলা এ সবই ঠিক। উল্লিখিত আয়াতে যে نَزْغٌ শব্দ এসেছে। যার অর্থ প্ররোচনা। আর এর দ্বারা উদ্দেশ্য হল- কোন ওয়াজিবকে পরিত্যাগ বা হারাম কাজ করার ব্যাপারে খারাপ মানুষের প্ররোচনা। সুতরাং মানুষ যখন বুঝতে পারবে যে, কোন মানুষ তাকে খারাপ কাজের ব্যাপারে প্ররোচিত করছে, তখন সে أعوذ بالله من الشيطان الرجيم পাঠ করবে। অথচ হাই আসলে কী করতে হবে সে ব্যাপারে সুন্নাতি পদ্ধতি রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো বলেই দিয়েছেন।

প্রশ্নকারী : আব্দুর রহমান, যশোর।




প্রশ্ন (৬) : প্রবাসে অবৈধভাবে বসবাসকারী অনেকে ঋণগ্রস্ত অবস্থায় আছে, যাদের দেশে এসে জীবন ধারণের কোন ব্যবস্থা নেই। তাদের ক্ষেত্রে অবৈধভাবে প্রবাসে থেকে অর্থ উপার্জন করা কি হালাল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : অনেকেই বেনামাযীর বাড়ীতে খাওয়া অপসন্দ করেন। বেনামাযীর বাড়ীতে খাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : নফল ছিয়াম ভেঙ্গে ফেলা যাবে কি এবং ভেঙ্গে ফেলা ছিয়ামের কাযা আদায় করতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : জায়নামাজে বিভিন্ন ছবি থাকে যেমন কা‘বা ঘর, চাঁদ, তারা, গাছের ছবি ইত্যাদি। উক্ত জায়নামাজে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : কুরআনের কোন আয়াত ওযূ ছাড়া লেখা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : খাটে ঘুমানো, দস্তর খানা কিংবা ডাইনিং টেবিলে খাওয়া ও চেয়ারে বসা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : মাখরাজ ছাড়া কুরআন পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১): সারা বছর যোহরের ছালাতের সময় হয় ১১:৫০ থেকে সর্বোচ্চ ১২:১৮ মিনিটের মধ্যে। কিন্তু অধিকাংশ আহলেহাদীছ মসজিদে ১২:৫০ বা ১টায় আযান দিয়ে ছালাত আদায় করা হয়। প্রশ্ন হল- এই সময়ে ছালাত আদায় করলে আওয়াল ওয়াক্ত থাকবে কি বা আওয়াল ওয়াক্তের ফযীলত পাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : সন্তান বেশি হলে মানুষ গরীব হয়ে যাবে। এ কথা বলা কি ঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : ছিয়াম অবস্থায় সহবাস ব্যতীত স্ত্রীর সাথে মেলামেশা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : এক ব্যক্তি জীবনে অনেকবার একটি পাপ করেছে এবং সে পাপ আর করবে না বলে বহুবার কসমও করেছে। কিন্তু বারবার সে কসম ভঙ্গ করে ফেলেছে। এখন অসুস্থ হয়ে পাপ ছেড়ে দিয়েছে। পরে সে জানতে পেরেছে যে, শপথের কাফ্ফারা দিতে হয়। এখন সে কীভাবে কাফ্ফারা দিবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ঈদের সম্ভাষণ হিসাবে ‘ঈদ মোবারক’ বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ