মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫১ অপরাহ্ন
উত্তর :  নবী (ﷺ) যখন মদীনায় আগমন করলেন, তখন মদীনাবাসীরা বিশেষ দু’টি দিন খেল-ধুলা ও আনন্দ উৎসব করত। তিনি বললেন, আল্লাহ এ দুই দিনের বদলে তোমাদেরকে উত্তম দু’টি দিন দিয়েছেন: ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা (আবূ দাঊদ, হা/১১৩৪; সনদ ছহীহ, সিলসিলা ছহীহীহ, হা/২০২১)। তাই আল্লাহ এ উম্মতকে খেল-তামাশার দু’টি দিনের পরিবর্তে আল্লাহর যিকির, শুকর, ক্ষমা ও গুনাহ মাফের দু’টি দিন দিয়েছেন। সুতরাং দুনিয়াতে মুমিনের জন্য তিনটি ঈদ রয়েছে। একটি ঈদ প্রতি সপ্তাহে আবর্তিত হয়। অপর দু’টি ঈদ প্রতিবছর একবার একবার করে আসে; একবারের বেশি আসে না। প্রতি সপ্তাহে যে ঈদটি আবর্তিত হয় সেটি হচ্ছে- জুমু‘আর দিন। আর যে ঈদদ্বয় বছরে একবারের বেশি আসে না; বরং প্রতিবছর শুধু একবার করে আসে সে ঈদদ্বয়ের একটি হচ্ছে- ঈদুল ফিতর তথা রামাযানের ছিয়াম ভাঙ্গাকেন্দ্রিক উৎসব। আর যিলহজ্জ মাসের দশ তারিখে ঈদুল আযহা তথা কুরবানীর ঈদ। এটি দুই ঈদের মধ্যে সর্বোত্তম ও মহান (তিরমিযী, হা/৮৮৯; সনদ ছহীহ, ইরওয়াউল গালীল, হা/১০৬৪)

কুরবানীর দিনের কিছু ফযীলত রয়েছে। যথা: ১- আল্লাহর কাছে এটি একটি উত্তম দিন: ইবনুল ক্বাইয়িম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম দিন হচ্ছে- কুরবানীর দিন। এটি হচ্ছে- বড় হজ্জের দিন’ (যাদুল মা‘আদ, ১/৫৪ পৃ.)। যেমনটি নবী (ﷺ) বলেছেন, ‘আল্লাহর কাছে সবচেয়ে মহান দিন হচ্ছে- কুরবানীর দিন’ (আবূ দাঊদ, হা/১৭৬৫, সনদ ছহীহ)। ২- এটি হচ্ছে বড় হজ্জের দিন: ইবনু উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, ‘যে বছর নবী (ﷺ) হজ্জ আদায় করেন সে বছর কুরবানীর দিন তিনি জামরাতগুলোর মাঝখানে দণ্ডায়মান হয়ে বলেন, আজ বড় হজ্জের দিন’ (ছহীহ বুখারী, হা/১৭৪২)। ‘বড় হজ্জ’ আখ্যায়িত করার কারণ হল- হজ্জের অধিকাংশ আমল এই দিনে পালিত হয়। এই দিন হাজী ছাহেবগণ নিম্নোক্ত আমলগুলো পালন করেন। (১) ‘আক্বাবা জামরাতে কংকর নিক্ষেপ করেন। (২) কুরবানী করেন। (৩) মাথা মু-ন করেন কিংবা চুল ছোট করেন। (৪) ত্বাওয়াফ করেন। (৫) সাঈ করেন। (৬) এটি সর্বস্তরের মুসলিমদের ঈদের দিন। এ প্রসঙ্গে নবী (ﷺ) বলেন, ‘আরাফার দিন, কুরবানীর দিন ও তাশরীকের দিনগুলো আমরা মুসলিমদের জন্য ঈদের দিন। এ দিনগুলো পানাহারের দিন’ (তিরমিযী, হা/৭৭৩, সনদ ছহীহ)


প্রশ্নকারী : সেলিম, মাদারীপুর।





প্রশ্ন (২৯) : কেউ যদি বলে আমি হস্তমৈথুন করলে আমি ঈমান হারাবো সে হস্তমৈথুন করলে তার কি ঈমান চলে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : রামাযান মাসে তারাবীহর ছালাত সর্বনিম্ন দুই রাক‘আত পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : জুমু‘আর দিন কিছু শর্ত মেনে আগে আগে উপস্থিত হলে প্রতি কদমে যে এক বছরের নফল ক্বিয়াম ও ছিয়ামের ফযীলত বর্ণিত আছে, তা অর্জন করতে হলে খুত্ববা শুরুর কমপক্ষে কতক্ষণ আগে উপস্থিত থাকতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : যেসব ইয়াতীম খানা এবং মাদরাসায় বিদ‘আতী কর্মকাণ্ড চলে, বিদ‘আতী শিক্ষক দ্বারা পাঠদান হয়। এমন প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক সাহায্য চাইলে কি সাহায্য করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : তারাবীহ-এর জামা‘আতে বিতরের ছালাতে ইমামের সশব্দে দু‘আ কূনূত পাঠ করা এবং মুক্তাদীগণের আমীন বলার কি কোন প্রমাণ আছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : আবূ দাঊদে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ  বলেছেন, যে কুরআনকে মধুর সূরে পাঠ করে না সে আমাদের দলভুক্ত নয়’। উক্ত হাদীছের মূল ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : কোন ব্যক্তি মারা গেলে সাথে সাথে কবর খনন করা হয়। আর দাফন করতে দেরী হলে কবরটিকে বসে বসে পাহারা দেয়া হয়। এর কারণ কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : যিলহজ্জ মাসের প্রতিটি দিনের ছিয়াম এক বছরের ছিয়ামের সমতুল্য। এর প্রতিটি রাতের ইবাদত লায়লাতুল ক্বদরের ইবাদতের সমতুল্য। উক্ত মর্মে হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪): অমুসলিম ব্যক্তি মুসলিম হতে চাইলে একাকী কালেমা পাঠ করে ইসলাম গ্রহণ করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : বিয়ের সময় মোহরানা আদায় করেননি। পরবর্তীতে স্ত্রীও স্বামীর কাছে মোহরানা চাইনি। এমন অবস্থায় স্বামী মারা গেলে কি মোহরানা আদায় করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : এমন কি কোন যিকির আছে, যা নির্ধারিতভাবে গণনা ছাড়াই বেশি বেশি পড়া যায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : তারাবীহর ছালাত কত রাক‘আত? কেউ ৮ রাক‘আত পড়ে, কেউ পড়ে ২০ রাক‘আত। কোনটি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ