বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন
উত্তর :  নবী (ﷺ) যখন মদীনায় আগমন করলেন, তখন মদীনাবাসীরা বিশেষ দু’টি দিন খেল-ধুলা ও আনন্দ উৎসব করত। তিনি বললেন, আল্লাহ এ দুই দিনের বদলে তোমাদেরকে উত্তম দু’টি দিন দিয়েছেন: ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা (আবূ দাঊদ, হা/১১৩৪; সনদ ছহীহ, সিলসিলা ছহীহীহ, হা/২০২১)। তাই আল্লাহ এ উম্মতকে খেল-তামাশার দু’টি দিনের পরিবর্তে আল্লাহর যিকির, শুকর, ক্ষমা ও গুনাহ মাফের দু’টি দিন দিয়েছেন। সুতরাং দুনিয়াতে মুমিনের জন্য তিনটি ঈদ রয়েছে। একটি ঈদ প্রতি সপ্তাহে আবর্তিত হয়। অপর দু’টি ঈদ প্রতিবছর একবার একবার করে আসে; একবারের বেশি আসে না। প্রতি সপ্তাহে যে ঈদটি আবর্তিত হয় সেটি হচ্ছে- জুমু‘আর দিন। আর যে ঈদদ্বয় বছরে একবারের বেশি আসে না; বরং প্রতিবছর শুধু একবার করে আসে সে ঈদদ্বয়ের একটি হচ্ছে- ঈদুল ফিতর তথা রামাযানের ছিয়াম ভাঙ্গাকেন্দ্রিক উৎসব। আর যিলহজ্জ মাসের দশ তারিখে ঈদুল আযহা তথা কুরবানীর ঈদ। এটি দুই ঈদের মধ্যে সর্বোত্তম ও মহান (তিরমিযী, হা/৮৮৯; সনদ ছহীহ, ইরওয়াউল গালীল, হা/১০৬৪)

কুরবানীর দিনের কিছু ফযীলত রয়েছে। যথা: ১- আল্লাহর কাছে এটি একটি উত্তম দিন: ইবনুল ক্বাইয়িম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম দিন হচ্ছে- কুরবানীর দিন। এটি হচ্ছে- বড় হজ্জের দিন’ (যাদুল মা‘আদ, ১/৫৪ পৃ.)। যেমনটি নবী (ﷺ) বলেছেন, ‘আল্লাহর কাছে সবচেয়ে মহান দিন হচ্ছে- কুরবানীর দিন’ (আবূ দাঊদ, হা/১৭৬৫, সনদ ছহীহ)। ২- এটি হচ্ছে বড় হজ্জের দিন: ইবনু উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, ‘যে বছর নবী (ﷺ) হজ্জ আদায় করেন সে বছর কুরবানীর দিন তিনি জামরাতগুলোর মাঝখানে দণ্ডায়মান হয়ে বলেন, আজ বড় হজ্জের দিন’ (ছহীহ বুখারী, হা/১৭৪২)। ‘বড় হজ্জ’ আখ্যায়িত করার কারণ হল- হজ্জের অধিকাংশ আমল এই দিনে পালিত হয়। এই দিন হাজী ছাহেবগণ নিম্নোক্ত আমলগুলো পালন করেন। (১) ‘আক্বাবা জামরাতে কংকর নিক্ষেপ করেন। (২) কুরবানী করেন। (৩) মাথা মু-ন করেন কিংবা চুল ছোট করেন। (৪) ত্বাওয়াফ করেন। (৫) সাঈ করেন। (৬) এটি সর্বস্তরের মুসলিমদের ঈদের দিন। এ প্রসঙ্গে নবী (ﷺ) বলেন, ‘আরাফার দিন, কুরবানীর দিন ও তাশরীকের দিনগুলো আমরা মুসলিমদের জন্য ঈদের দিন। এ দিনগুলো পানাহারের দিন’ (তিরমিযী, হা/৭৭৩, সনদ ছহীহ)


প্রশ্নকারী : সেলিম, মাদারীপুর।





প্রশ্ন (১৬) : ছালাতে সিজদায় বাংলাতে দু‘আ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : কতটুকু পরিমাণ পেশাব লাগলে কাপড় ধুতে হবে? কাপড়টা কি পুরোটাই ধুতে হবে, না-কি যতটা লেগেছে ততটা? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : অনেকেই বাড়িতে গৃহস্থালী কাজ (থালা-বাসন ধোঁয়া, ঝাড়– দেয়া, রান্না করা প্রভৃতি) করা অবস্থায় মোবাইল বা কোন ডিভাইসে কুরআন তিলাওয়াত শুনেন। এভাবে কাজ চলাকালীন অবস্থায় তিলাওয়াত শুনলে নেকি হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : মসজিদের জমি ওয়াক্ফ হতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : ইয়াযীদ ইবনু মু‘আবিয়া সম্পর্কে কেমন ধারণা পোষণ করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : পরীক্ষিত আমলের উপর আমল করা কি জায়েয? এ ব্যাপারে সালাফদের অবস্থান কেমন ছিল? যদি জায়েয হয় তাহলে, ভ্রান্ত আমল ও পরীক্ষিত আমলের মাঝে কিভাবে পার্থক্য করব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : রজব মাসের নির্দিষ্ট কোন ইবাদত আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : বিভিন্ন এলাকায় ফিতরা ও কুরবানীর অর্থ থেকে ইমাম-মুওয়াযযিনের বেতন দেয়া হয়। এটা কি ঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : কোঁকা কোলা কিংবা এমন পণ্য যা মুসলিমদের সাথে যুদ্ধরত দেশের তৈরি, অথচ তা সরকার বয়কট করতে বলে না, তা কী ব্যক্তিগতভাবে কিংবা সামাজিকভাবে বর্জন করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : ইলম গ্রহণের ক্ষেত্রে সালাফদের মূলনীতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০): মুসলিম যৌন কর্মীদের জানাযা ও দাফন-কাফনের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : ছালাতের দু’টি বৈঠক। প্রথম বৈঠকে শুধু আত্তাহিইয়াতু পড়তে হয়। কিন্তু আমার প্রশ্ন হল, অনেক সময় ইমামের শেষ বৈঠক আমার প্রথম বৈঠক হয়। তাহলে দীর্ঘ সময় আমি কি শুধু আত্তাহিইয়াতু পড়েই বসে থাকব, না-কি অন্য দু‘আ পড়ব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ