রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:১৯ অপরাহ্ন
উত্তর :  নবী (ﷺ) যখন মদীনায় আগমন করলেন, তখন মদীনাবাসীরা বিশেষ দু’টি দিন খেল-ধুলা ও আনন্দ উৎসব করত। তিনি বললেন, আল্লাহ এ দুই দিনের বদলে তোমাদেরকে উত্তম দু’টি দিন দিয়েছেন: ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা (আবূ দাঊদ, হা/১১৩৪; সনদ ছহীহ, সিলসিলা ছহীহীহ, হা/২০২১)। তাই আল্লাহ এ উম্মতকে খেল-তামাশার দু’টি দিনের পরিবর্তে আল্লাহর যিকির, শুকর, ক্ষমা ও গুনাহ মাফের দু’টি দিন দিয়েছেন। সুতরাং দুনিয়াতে মুমিনের জন্য তিনটি ঈদ রয়েছে। একটি ঈদ প্রতি সপ্তাহে আবর্তিত হয়। অপর দু’টি ঈদ প্রতিবছর একবার একবার করে আসে; একবারের বেশি আসে না। প্রতি সপ্তাহে যে ঈদটি আবর্তিত হয় সেটি হচ্ছে- জুমু‘আর দিন। আর যে ঈদদ্বয় বছরে একবারের বেশি আসে না; বরং প্রতিবছর শুধু একবার করে আসে সে ঈদদ্বয়ের একটি হচ্ছে- ঈদুল ফিতর তথা রামাযানের ছিয়াম ভাঙ্গাকেন্দ্রিক উৎসব। আর যিলহজ্জ মাসের দশ তারিখে ঈদুল আযহা তথা কুরবানীর ঈদ। এটি দুই ঈদের মধ্যে সর্বোত্তম ও মহান (তিরমিযী, হা/৮৮৯; সনদ ছহীহ, ইরওয়াউল গালীল, হা/১০৬৪)

কুরবানীর দিনের কিছু ফযীলত রয়েছে। যথা: ১- আল্লাহর কাছে এটি একটি উত্তম দিন: ইবনুল ক্বাইয়িম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম দিন হচ্ছে- কুরবানীর দিন। এটি হচ্ছে- বড় হজ্জের দিন’ (যাদুল মা‘আদ, ১/৫৪ পৃ.)। যেমনটি নবী (ﷺ) বলেছেন, ‘আল্লাহর কাছে সবচেয়ে মহান দিন হচ্ছে- কুরবানীর দিন’ (আবূ দাঊদ, হা/১৭৬৫, সনদ ছহীহ)। ২- এটি হচ্ছে বড় হজ্জের দিন: ইবনু উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, ‘যে বছর নবী (ﷺ) হজ্জ আদায় করেন সে বছর কুরবানীর দিন তিনি জামরাতগুলোর মাঝখানে দণ্ডায়মান হয়ে বলেন, আজ বড় হজ্জের দিন’ (ছহীহ বুখারী, হা/১৭৪২)। ‘বড় হজ্জ’ আখ্যায়িত করার কারণ হল- হজ্জের অধিকাংশ আমল এই দিনে পালিত হয়। এই দিন হাজী ছাহেবগণ নিম্নোক্ত আমলগুলো পালন করেন। (১) ‘আক্বাবা জামরাতে কংকর নিক্ষেপ করেন। (২) কুরবানী করেন। (৩) মাথা মু-ন করেন কিংবা চুল ছোট করেন। (৪) ত্বাওয়াফ করেন। (৫) সাঈ করেন। (৬) এটি সর্বস্তরের মুসলিমদের ঈদের দিন। এ প্রসঙ্গে নবী (ﷺ) বলেন, ‘আরাফার দিন, কুরবানীর দিন ও তাশরীকের দিনগুলো আমরা মুসলিমদের জন্য ঈদের দিন। এ দিনগুলো পানাহারের দিন’ (তিরমিযী, হা/৭৭৩, সনদ ছহীহ)


প্রশ্নকারী : সেলিম, মাদারীপুর।





প্রশ্ন (১১) : নবী (ﷺ)-এর হাসি-খুশি ও রসিকতার ধরন কেমন ছিল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : কেউ যদি মানত করে ফেলে এবং সেই মানত যদি শিরকের গুনাহের আওতায় পড়ে যায়, সেক্ষেত্রে মানতকারীর করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : ছহীহ হাদীছের অনুসরণ করার কারণে অনেকে ‘জঙ্গী’ বলছে। এ জন্য পরিবারও চিন্তিত। তারাও চাপ সৃষ্টি করছে। এমন পরিস্থিতিতে কী করা উচিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ত্বালাক্ব দেয়ার পদ্ধতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : স্বামী দেনমোহর পরিশোধ না করে মারা গেলে করণীয় কী? তাঁর রেখে যাওয়া সম্পত্তি আছে, ঐ সম্পত্তি থেকে অন্যান্য ওয়ারিছগণ দিতে নারাজ। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : অনেককে দেখা যায় মসজিদে জামা‘আতের সাথে ছালাত আদায় না করে ঘরে ৩/৪ জন মিলে জামা‘আতে ছালাত আদায় করে। এটা কি ঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : নবী (ﷺ) বলেছেন, ‘জ্ঞান অর্জনের জন্য চীন দেশে হলেও তোমরা যাও’, হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : নকশাযুক্ত টাইলস্ বা এ জাতীয় কিছু মসজিদের ফ্লোরে লাগানো যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : মূসা (আলাইহিস সালাম) যখন আল্লাহ্র সাথে সাক্ষাৎ করলেন তখন তিনি প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহ! আমি আপনার যত নিকটবর্তী হয়েছি আর কেউ কি এতো নিকটবর্তী হতে পারবে। আল্লাহ বললেন, মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উম্মত ইফতারের সময় এর চেয়েও বেশী নিকটবর্তী হবে। উক্ত ঘটনা কোন হাদীছ গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : ইমাম যদি রুকূ‘, সিজদা, কিরাআত, তাসবীহ খুব দ্রুত করে তাহলে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৫) : সুলায়মান (আলাইহিস সালাম)-এর স্ত্রী কতজন ছিলেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : যদি কোন ব্যক্তি ত্বাওয়াফ করার সময় সন্দেহে পড়ে যে কয় চক্কর হল, তাহলে কি সাহু সেজদা দিবে? কারণ বায়তুল্লাহ্‌কে ত্বাওয়াফ করা ছালাততুল্য। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ