রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০২:৫৪ অপরাহ্ন
উত্তর :  নবী (ﷺ) যখন মদীনায় আগমন করলেন, তখন মদীনাবাসীরা বিশেষ দু’টি দিন খেল-ধুলা ও আনন্দ উৎসব করত। তিনি বললেন, আল্লাহ এ দুই দিনের বদলে তোমাদেরকে উত্তম দু’টি দিন দিয়েছেন: ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা (আবূ দাঊদ, হা/১১৩৪; সনদ ছহীহ, সিলসিলা ছহীহীহ, হা/২০২১)। তাই আল্লাহ এ উম্মতকে খেল-তামাশার দু’টি দিনের পরিবর্তে আল্লাহর যিকির, শুকর, ক্ষমা ও গুনাহ মাফের দু’টি দিন দিয়েছেন। সুতরাং দুনিয়াতে মুমিনের জন্য তিনটি ঈদ রয়েছে। একটি ঈদ প্রতি সপ্তাহে আবর্তিত হয়। অপর দু’টি ঈদ প্রতিবছর একবার একবার করে আসে; একবারের বেশি আসে না। প্রতি সপ্তাহে যে ঈদটি আবর্তিত হয় সেটি হচ্ছে- জুমু‘আর দিন। আর যে ঈদদ্বয় বছরে একবারের বেশি আসে না; বরং প্রতিবছর শুধু একবার করে আসে সে ঈদদ্বয়ের একটি হচ্ছে- ঈদুল ফিতর তথা রামাযানের ছিয়াম ভাঙ্গাকেন্দ্রিক উৎসব। আর যিলহজ্জ মাসের দশ তারিখে ঈদুল আযহা তথা কুরবানীর ঈদ। এটি দুই ঈদের মধ্যে সর্বোত্তম ও মহান (তিরমিযী, হা/৮৮৯; সনদ ছহীহ, ইরওয়াউল গালীল, হা/১০৬৪)

কুরবানীর দিনের কিছু ফযীলত রয়েছে। যথা: ১- আল্লাহর কাছে এটি একটি উত্তম দিন: ইবনুল ক্বাইয়িম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম দিন হচ্ছে- কুরবানীর দিন। এটি হচ্ছে- বড় হজ্জের দিন’ (যাদুল মা‘আদ, ১/৫৪ পৃ.)। যেমনটি নবী (ﷺ) বলেছেন, ‘আল্লাহর কাছে সবচেয়ে মহান দিন হচ্ছে- কুরবানীর দিন’ (আবূ দাঊদ, হা/১৭৬৫, সনদ ছহীহ)। ২- এটি হচ্ছে বড় হজ্জের দিন: ইবনু উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, ‘যে বছর নবী (ﷺ) হজ্জ আদায় করেন সে বছর কুরবানীর দিন তিনি জামরাতগুলোর মাঝখানে দণ্ডায়মান হয়ে বলেন, আজ বড় হজ্জের দিন’ (ছহীহ বুখারী, হা/১৭৪২)। ‘বড় হজ্জ’ আখ্যায়িত করার কারণ হল- হজ্জের অধিকাংশ আমল এই দিনে পালিত হয়। এই দিন হাজী ছাহেবগণ নিম্নোক্ত আমলগুলো পালন করেন। (১) ‘আক্বাবা জামরাতে কংকর নিক্ষেপ করেন। (২) কুরবানী করেন। (৩) মাথা মু-ন করেন কিংবা চুল ছোট করেন। (৪) ত্বাওয়াফ করেন। (৫) সাঈ করেন। (৬) এটি সর্বস্তরের মুসলিমদের ঈদের দিন। এ প্রসঙ্গে নবী (ﷺ) বলেন, ‘আরাফার দিন, কুরবানীর দিন ও তাশরীকের দিনগুলো আমরা মুসলিমদের জন্য ঈদের দিন। এ দিনগুলো পানাহারের দিন’ (তিরমিযী, হা/৭৭৩, সনদ ছহীহ)


প্রশ্নকারী : সেলিম, মাদারীপুর।





প্রশ্ন (৩১) : ছালাত আদায় না করে শুধু ছিয়াম পালন করলে তার ছিয়াম হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ঘরে সূরা বাক্বারা পাঠ করা এবং এ সূরার পঠন শয়তানকে তাড়ানো: সূরাটি উচ্চৈঃস্বরে পড়া কি আবশ্যকীয়? ক্যাসেট-প্লেয়ার ব্যবহারের মাধ্যমে কি এ উদ্দেশ্য হাছিল হতে পারে? সূরাটি ভাগ ভাগ করে পড়লে কি যথেষ্ট হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : জেনে শুনে জর্দা খাওয়া ইমামের পেছনে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : ফজরের ওয়াক্ত পুরো সময় বায়ু বের হয় এমনকি মাঝে মধ্যে ওযূতেও বায়ু বের হয়। অন্য ওয়াক্তে মাঝে মাঝে এমনটি হয়। এখন উক্ত ব্যক্তি কি মা‘যূর? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) :  ছালাতুল ইসতিখারা, ছালাতুল ইসতিসকা, ছালাতুল হাজাত, ছালাতুত তাওবাহ, সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণের ছালাত, ইশরাক ও চাশতের ছালাত, ছালাতুয যোহা ইত্যাদি ছালাতগুলো সুন্নাতে মুওয়াক্কাদা, সুন্নাতে গায়ের মুওয়াক্কাদা, না-কি নফল ছালাত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : মৃত ব্যক্তির নামে খাওয়ানো, চার দিন পর দু‘আ অনুষ্ঠান, চল্লিশা উৎযাপন, মৃত্যু বার্ষিকী উৎযাপন ইত্যাদির মাধ্যমে কি মৃত ব্যক্তি শাস্তিপ্রাপ্ত হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : জনৈক আলেম বলেছেন, ‘আল্লাহ তা‘আলা আসমান ও যমীন সৃষ্টির এক হাযার বছর পূর্বে সূরা ‘ত্বা-হা’ ও ‘ইয়াসীন’ পাঠ করলেন। তখন ফেরেশতারা শুনে বললেন, ধন্য সেই জাতি, যাদের উপর এটা নাযিল হবে, ধন্য সেই পেট যে সেটা ধারণ করবে এবং ধন্য সেই মুখ যে সেটা উচ্চারণ করবে’। তাঁর উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২): পিতা যদি ভুলের উপর থাকেন এবং ছেলে সঠিক হয় তাহলে সন্তানের বিরুদ্ধে পিতার বদদু‘আ কবুল হবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : কেউ যদি তার ঘরে বসবাস শুরু করার পর থেকেই রোগে ও মুছীবতে আক্রান্ত হয়, তাহলে উক্ত ঘরে বসবাস করাকে অমঙ্গলের কারণ হিসাবে মনে করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : সিজার করে সন্তান প্রসাব করানো কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : কোন অমুসলিম যদি কালেমা পাঠ করে মুসলিম হয়, তাহলে তার কি সুন্নাতে খাৎনা করা এবং এভিডেভিট করা যরূরী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : মদীনায় একদিন রামাযানের ছিয়াম রাখা, অন্য শহরের এক হাযার রামাযানের চেয়ে উত্তম। মদীনায় একদিনের জুম‘আর ছালাত অন্য শহরে এক হাযার জুম‘আ পড়ার চেয়েও উত্তম’ (ত্বাবারাণী, আল-মু‘জামুল কাবীর ১/৪৯৩ পৃঃ, হা/১১৪৪)। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ