বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:০৬ অপরাহ্ন
উত্তর :  নবী (ﷺ) যখন মদীনায় আগমন করলেন, তখন মদীনাবাসীরা বিশেষ দু’টি দিন খেল-ধুলা ও আনন্দ উৎসব করত। তিনি বললেন, আল্লাহ এ দুই দিনের বদলে তোমাদেরকে উত্তম দু’টি দিন দিয়েছেন: ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা (আবূ দাঊদ, হা/১১৩৪; সনদ ছহীহ, সিলসিলা ছহীহীহ, হা/২০২১)। তাই আল্লাহ এ উম্মতকে খেল-তামাশার দু’টি দিনের পরিবর্তে আল্লাহর যিকির, শুকর, ক্ষমা ও গুনাহ মাফের দু’টি দিন দিয়েছেন। সুতরাং দুনিয়াতে মুমিনের জন্য তিনটি ঈদ রয়েছে। একটি ঈদ প্রতি সপ্তাহে আবর্তিত হয়। অপর দু’টি ঈদ প্রতিবছর একবার একবার করে আসে; একবারের বেশি আসে না। প্রতি সপ্তাহে যে ঈদটি আবর্তিত হয় সেটি হচ্ছে- জুমু‘আর দিন। আর যে ঈদদ্বয় বছরে একবারের বেশি আসে না; বরং প্রতিবছর শুধু একবার করে আসে সে ঈদদ্বয়ের একটি হচ্ছে- ঈদুল ফিতর তথা রামাযানের ছিয়াম ভাঙ্গাকেন্দ্রিক উৎসব। আর যিলহজ্জ মাসের দশ তারিখে ঈদুল আযহা তথা কুরবানীর ঈদ। এটি দুই ঈদের মধ্যে সর্বোত্তম ও মহান (তিরমিযী, হা/৮৮৯; সনদ ছহীহ, ইরওয়াউল গালীল, হা/১০৬৪)

কুরবানীর দিনের কিছু ফযীলত রয়েছে। যথা: ১- আল্লাহর কাছে এটি একটি উত্তম দিন: ইবনুল ক্বাইয়িম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম দিন হচ্ছে- কুরবানীর দিন। এটি হচ্ছে- বড় হজ্জের দিন’ (যাদুল মা‘আদ, ১/৫৪ পৃ.)। যেমনটি নবী (ﷺ) বলেছেন, ‘আল্লাহর কাছে সবচেয়ে মহান দিন হচ্ছে- কুরবানীর দিন’ (আবূ দাঊদ, হা/১৭৬৫, সনদ ছহীহ)। ২- এটি হচ্ছে বড় হজ্জের দিন: ইবনু উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, ‘যে বছর নবী (ﷺ) হজ্জ আদায় করেন সে বছর কুরবানীর দিন তিনি জামরাতগুলোর মাঝখানে দণ্ডায়মান হয়ে বলেন, আজ বড় হজ্জের দিন’ (ছহীহ বুখারী, হা/১৭৪২)। ‘বড় হজ্জ’ আখ্যায়িত করার কারণ হল- হজ্জের অধিকাংশ আমল এই দিনে পালিত হয়। এই দিন হাজী ছাহেবগণ নিম্নোক্ত আমলগুলো পালন করেন। (১) ‘আক্বাবা জামরাতে কংকর নিক্ষেপ করেন। (২) কুরবানী করেন। (৩) মাথা মু-ন করেন কিংবা চুল ছোট করেন। (৪) ত্বাওয়াফ করেন। (৫) সাঈ করেন। (৬) এটি সর্বস্তরের মুসলিমদের ঈদের দিন। এ প্রসঙ্গে নবী (ﷺ) বলেন, ‘আরাফার দিন, কুরবানীর দিন ও তাশরীকের দিনগুলো আমরা মুসলিমদের জন্য ঈদের দিন। এ দিনগুলো পানাহারের দিন’ (তিরমিযী, হা/৭৭৩, সনদ ছহীহ)


প্রশ্নকারী : সেলিম, মাদারীপুর।





প্রশ্ন (৩০) : শুধু কুলি করে ও নাকে পানি দিয়ে সারা শরীরে পানি দিয়ে গোসল করলে কি ফরয গোসল আদায় হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : শরী‘আতে জন্মদিন পালন করার বিধান কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : বক্তব্য বা কথা-বার্তা শেষ করার শারঈ পদ্ধতি কী? যেমন কারো সাথে মোবাইলে কথা বলার সময় সালাম দিয়ে শুরু করা হয়। কিন্তু শেষ করার সময় কী বলতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : নেকির আশায় হাতের আঙ্গুলে গুণে গুণে দু‘আ ও যিকির করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : হাদীছে জুমু‘আর খুত্ববাহ সংক্ষিপ্ত ও ছালাত দীর্ঘায়িত করার কথা বর্ণিত হয়েছে। এই হাদীছের ব্যাখ্যা কী? উলামায়ে কিরাম কী বলেছেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : ‘যে ব্যক্তি সকালে ও বিকালে সূর্যোদয়ের আগে ও সূর্যাস্তের আগে ১০০ বার ‘সুবহানাল্লাহ’ বলবে সে যেন একশ’টি হজ্জ আদায় করল বা একশ’টি উট আল্লাহর ওয়াস্তে দান করল। যে ব্যক্তি এই দুই সময়ে ১০০ বার ‘আল-হামদুলিল্লাহ’ বলল সে যেন আল্লাহর পথে জিহাদের জন্য ১০০টি ঘোড়ার পিঠে মুজাহিদ প্রেরণ করলো অথবা আল্লাহর রাস্তায় ১০০ টি গাযওয়া বা অভিযানে শরীক হলো। আর যে ব্যক্তি এই দুই সময়ে ১০০ বার করে ‘লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ পাঠ করলো, সে যেন ইসমাঈল বংশের একশ’ ব্যক্তিকে দাসত্ব থেকে মুক্তি প্রদান করলো। আর যে ব্যক্তি এই দুই সময়ে ১০০ বার করে ‘আল্লাহু আকবার’ বলল, ঐ দিনে তার চেয়ে বেশি আমল আর কেউ করতে পারবে না। তবে যদি কেউ তার সমান এই যিকরগুলো পাঠ করে বা তার চেয়ে বেশি পাঠ করে তাহলে ভিন্ন কথা। (তাহলে সেই শুধু তার উপরে উঠতে পারবে।) ইমাম নাসাঈর বর্ণনায় ‘লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু’-র পরিবর্তে ‘লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুআ আলা কুলিল শাইয়্যিন কাদীর’ ১০০ বার পাঠ করার কথা বলা হয়েছে (তিরমিযী, ৫/৫১৩, নং ৩৪৭১; নাসাঈ, আস-সুনানুল কুবরা, ৬/২০৫)। উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছ কি আমলযোগ্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : এমন আত্মীয়-স্বজন, যারা কুফরি কালাম বা যাদু-টোনার মাধ্যমে সংসার ভেঙ্গে দেয়ার চেষ্টা করে, সংসারে অশান্তি সৃষ্টি করে, সংসারের সদস্যদের শারীরিক, মানসিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন করে। এ ধরণের আত্মীয়দের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলে এবং যোগাযোগ না করলে গুনাহ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : এক সাথে তিন ত্বালাক্ব দিলে বিবাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : কোন্ কোন্ উদ্দেশ্যে দণ্ডায়মান হওয়া যায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : ঈদের ছালাতের এক রাক‘আত ছুটে গেলে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : ‘তোমরা হজ্জ কর, কারণ হজ্জ গুনাহকে ধুয়ে ফেলে যেরূপ পানি ময়লা ধুয়ে ফেলে’ (ত্বাবারাণী-আল-মু‘জামুল আওসাত্ব, হা/৪৯৯৭)। বর্ণনাটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : মসজিদে বা মসজিদের আঙ্গিনায় ফুটবল, ক্রিকেট, বলিবল ইত্যাদি খেলা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ