শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৫ অপরাহ্ন
উত্তর : যে ব্যক্তি অসুস্থ হওয়ার কারণে অথবা সফরে থাকার কারণে ছিয়াম ক্বাযা করেছে এবং সে সুস্থ হয়ে ক্বাযা আদায় করার সময় পাওয়ার পূর্বেই মারা গেছে। এমতাবস্থায় তার উপর কিছুই নেই এবং তার পক্ষ থেকে মিসকীনও খাওয়াতে হবে না। কারণ তার উপর ক্বাযা আদায় ফরয হওয়ার আগেই সে মারা গিয়েছে (বাদায়িউছ ছানায়ী, ২/১০৩; আল-কাফী, ১/৩৩৯; আল-মাজমূঊ, ৬/৩৭২; আল-মুগনী, ৩/১৫২ পৃ.)। কিন্তু কেউ যদি সুস্থ হওয়ার পর ক্বাযা আদায়ে সক্ষম হওয়া সত্ত্বেও দেরি করেছে। আর সেই অবস্থাতেই তার মৃত্যু হয়েছে, এক্ষেত্রে ওয়ারিছদেরকে তার পক্ষ থেকে ক্বাযা আদায় করতে হবে। আর যদি তা সম্ভবপর না হয় সেক্ষেত্রে প্রত্যেক দিনের পরিবর্তে একজন করে মিসকীনকে খাদ্য খাওয়াবে (আল-মাজমূঊ, ৬/৩৬৯; মুগনীউল মুহতাজ, ১/৪৩৯; মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনে বায, ১৫/৩৭২;  আশ-শারহুল মুমতি‘, ৬/৪৫১ পৃ.)। আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘ছিয়ামের ক্বাযা যিম্মায় রেখে যদি কোন ব্যক্তি মারা যায়, তাহলে তার অভিভাবক তার পক্ষ হতে ছিয়াম আদায় করবে’ (ছহীহ বুখারী, হা/১৯৫২; ছহীহ মুসলিম হা/১১৪৭)।

প্রশ্নকারী : আহসানুল্লাহ, উত্তরা, ঢাকা।





প্রশ্ন (১৫) : সাহু সিজদা দেয়ার সময় দুই সিজদার মাঝে দু‘আ পড়তে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : কাফের দেশে ঘুরতে যাওয়ার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : জনৈক আলেম বলেন, রাসূল (ﷺ) তাঁর স্ত্রীদেরকে রান্নার কাজে সহযোগিতা করতেন’। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : আরাফার ময়দানে অনেক হাজীকে নিম্নের দু‘আটি পড়তে দেখা যায়। এই দু‘আটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : জনৈক ব্যক্তি রাগের বশবর্তী হয়ে তার স্ত্রীকে বলে যে, আমার সাথে দেখা করলে কিংবা আমার সাথে কথা বললে ‘তুই আমার মা আর আমি তোর ছেলে’। তারা ভুল বুঝতে পেরে অনুতপ্ত। এক্ষণে তার করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : ছিয়াম থাকা অবস্থায় ইনজেকশন নেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : ‘চুরি হওয়া মাল ছাদাক্বাহস্বরূপ’- কথাটি কি ইসলামসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : একদিন মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে তার নাতি হুসাইন (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, আমি বড় না আপনি বড়? তখন নবী (ﷺ) বললেন যে, ‘তিনি বড়’। তখন হুসাইন (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলল, ‘না, আমি বড়’। তখন নবী (ﷺ) জিজ্ঞেস করলেন, কীভাবে? তিনি বললেন, ‘আপনার পিতার নাম কী?’ নবী (ﷺ) বললেন, আব্দুল্লাহ। হোসাইন (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলল, ‘আমার বাবা আলী, যাকে আল্লাহর সিংহ বলা হয়েছে’। ...পরিশেষে নবী (ﷺ) বলেন, ‘হোসাইন তুমিই বড়’। উক্ত ঘটনাটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : জান্নাতে কি রাত দিন হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : দাওয়াতের উদ্দেশ্যে মসজিদের ভিতরে ইসলামী বই কেনা-বেচা করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : একজন আলেম কুরআনের আয়াত পড়ে জিন যব্হ করে, আবার মুমিন জিন দিয়ে যাদু ও জিনের রোগের চিকিৎসা করে। এটি কি সুন্নাহ সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
শ্ন (১২) : ‘যখন বান্দার গুনাহ অধিক হয়ে যায় এবং সেগুলোর কাফ্ফারার জন্য তার কোন নেক আমল থাকে না, আল্লাহ তা‘আলা তখন তাকে চিন্তায় ফেলে পরীক্ষা করেন, যাতে তা তার সকল গুনাহর কাফফারা হতে পারে’ (মুসনাদে আহমাদ, হা/২৫২৭৫) মর্মে হাদীছটি বিশুদ্ধ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ