রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০২:৫৭ অপরাহ্ন
উত্তর : ইসলামী শরী‘আতে নারীদের জন্য স্বর্ণালংকার পরিধান করা জায়েয। আলী বিন আবু তালেব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন,

 أَخَذَ رَسُوٍلُ اللهِ ﷺ حَرِيْرًا بِشِمَالِهِ وَذَهَبًا بِيَمِْينِهِ ثُمَّ رَفَعَ بِهِمَا يَدَيْهِ فَقَالَ إِنَّ هَذَيْنِ حَرَامٌ عَلَى ذُكُوْرِ أُمَّتِىْ حِلٌّ لإِنَاثِهِمْ

‘রাসূলুল্লাহ‌ (ﷺ) তাঁর বামহাতে রেশম নিলেন এবং ডানহাতে স্বর্ণ নিলেন। এরপর এ দু’টিসহ হাতদ্বয় উঁচু করে বললেন, ‘এই দু’টি আমার উম্মতের পুরুষদের জন্য হারাম এবং নারীদের জন্য হালাল’ (ইবনু মাজাহ, হা/৩৫৯৫, সনদ ছহীহ)। পেটের নাভীতে অলংকার পরা নিম্নোক্ত শর্তসাপেক্ষে জায়েয। ১- এটি কাফের নারীদের প্রতীক না হওয়া। ২- স্বামী ছাড়া অন্য কেউ এটিকে না দেখা। ৩- এর ফলে কোন ক্ষতি না-হওয়া। ৪- স্থানীয় নারীদের মধ্যে এভাবে স্বর্ণ পরার রীতি থাকা। কেননা নারীর জন্য স্বর্ণের অলংকার পরা বৈধ করা হয়েছে; সাধারণভাবে স্বর্ণ নয় (ইসলাম সাওয়াল ও জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১০৩৯৯৬)। ইবনু কুদামা (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘নারীদের জন্য স্বর্ণের, রৌপ্যের ও মূল্যবান পাথরের অলংকার বৈধ। যে ধরণের অলংকার পরার রীতি নারীদের মধ্যে রয়েছে। যেমন চুড়ি, নূপুর, কানের দুল, আংটি এবং নারীরা তাদের চেহারায়, গলায়, হাতে, পায়ে, কানে ইত্যাদিতে যে সব অলংকার পরে। পক্ষান্তরে নারীদের মাঝে যে ধরণের অলংকার পরার রীতি নেই যেমন বেল্ট ও এ জাতীয় পুরুষদের পরিধেয় অলংকার; সেগুলো পরা হারাম। যেমনিভাবে কোন পুরুষের জন্য নারীদের অলংকার পরা হারাম’ (আল-মুগনী, ২/৩২৫ পৃ.)।

শায়খ উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ)-কে অলংকার পরার জন্য মেয়ের কান ফোঁড়া বা নাক ফোঁড়ার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘সঠিক মতানুযায়ী কান ফোঁড়াতে কোন আপত্তি নেই। যেহেতু এটি বৈধ অলংকার পরার উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের মাধ্যম। এই মর্মের বর্ণনা দ্বারা সাব্যস্ত হয়েছে যে, নারী ছাহাবীদের কানে পরিধেয় কানের দুল ছিল। আর ফোঁড়ানোর কষ্টটা নিতান্ত সামান্য কষ্ট। যদি ছোট বয়সে ফোঁড়ানো হয় তাহলে অতি দ্রুত শুকিয়ে যায়। আর নাক ফোঁড়ার ব্যাপারে আলেমদের কোন বক্তব্য আমার মনে পড়ছে না। তবে এতে আমাদের দৃষ্টিতে সৃষ্টিগত অবয়বকে বিকৃতকরণ রয়েছে। অন্যদের দৃষ্টিতে হয়তো এমনটি নাও হতে পারে। তবে যদি কোন নারী এমন কোন দেশে থাকেন যেখানে নাকে অলংকার পরাকে সৌন্দর্য হিসাবে গণ্য করা হয়, তাহলে নাকে ফুল পরার জন্য নাক ফোঁড়াতে কোন আপত্তি নেই’ (মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল ইবনে উছাইমীন, ১১তম খণ্ড, পৃ. ৯২, ফৎওয়া নং-৬৯)।


প্রশ্নকারী : জামাল, গোপালগঞ্জ।





প্রশ্ন (৪০) : জনৈক ব্যক্তি বলেছেন, বক্তব্যে অতিরঞ্জিত কথা বলা শয়তানের বমি করার শামিল। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : মসজিদের বারান্দায় ই‘তিকাফ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : সোস্যাল মিডিয়াতে মেয়েদের বেপর্দা ছবি দেখা যায়। মহিলারা এসব ছবি দেখলে কি গুনাহ হবে? একজন মেয়ের সামনে আরেক মেয়ের পর্দার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : ক্বাযা ছালাতের সুন্নাত আদায় করতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : নূহ (আলাইহিস সালাম) ও হূদ (আলাইহিস সালাম) উভয়ের স্ত্রী কাফের, না-কি শুধু কাবীরা গুনাহের জন্য উভয়ে জাহান্নামে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : পেপসি, কোকাকোলা, সেভেন আপ প্রভৃতি কোল্ড ড্রিংকস খাওয়া কি হালাল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : অনেকে ব্যাংক ও এনজিওয়ের সাথে জড়িত। তারা কিস্তি দেয়ার জন্য টাকা ধার চায়। তাদেরকে টাকা ধার দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : মৃত ব্যক্তিকে কবরে চিত করে শোয়ানো কি বৈধ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : রামাযান মাসে জামা‘আতের সাথে তারাবীহ উত্তম, না একাকী তাহাজ্জুদ উত্তম? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪১) : মৃত ব্যক্তির নামে কুরবানী করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : এটাচড টয়লেটে ওযূ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : ‘মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত’-এটি কি ছহীহ হাদীছ? দলীল জানালে উপকৃত হব। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ