বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২২ পূর্বাহ্ন
উত্তর : শিশুদের খেলনার পুতুল, যা বর বা কনের আকৃতিতে সাজানো হয় এগুলো দুই প্রকারে বিভক্ত।যথা :
১. বৈধ, যাতে কোন প্রকার সন্দেহ নেই।  আর তা হল বর্তমানে যা তৈরি করা হচ্ছে,  ছায়া বিশিষ্ট এক প্রকার পুতুল কিন্তু তাতে চোখ, কান, নাক, মুখ কোন কিছু নেই।  এগুলোর বৈধতা নিয়ে কোন সমস্যা নেই। কেননা উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) এধরনের কন্যা পুতুল দিয়ে খেলা করতেন (আবূ দাঊদ, হা/৪৯৩২, সনদ ছহীহ)।
২. প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি জাতীয় এক পুতুল, যা দেখতে হুবহু মানুষের মত। এতে মানুষের সাদৃশ্য চোখ, ঠোঁট, ভ্রু ইত্যাদি থাকে; এমনকি কিছু পুতুল মানুষের মত হাঁটতে পারে এবং আওয়াজও দিতে পারে। এধরনের পুতুলের বৈধতা নিয়ে মতানৈক্য রয়েছে, কিন্তু এতে কঠোরতা নেই।  কেননা আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) মেয়ে পুতুল দিয়ে খেলা করতেন। এমনকি বলা হয় যে, এগুলো মেয়েদের আনন্দ উপভোগের জন্য। তবে আমরা বলব, যদি এগুলো থেকে বিরত থাকা যায় তবে সেটাই কল্যাণকর হবে ইনশাআল্লাহ। কেননা রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘সন্দেহযুক্ত বস্তু পরিত্যাগ করে সন্দেহহীন বিষয় গ্রহণ কর’ (তিরমিযী, হা/২৫১৮; নাসাঈ, হা/৫৭১১; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৭২৩, সনদ ছহীহ)।
আর এগুলো ছাড়া বিভিন্ন প্রাণীদের ছবি যেমন বাঘ, ঘোড়া জাতীয় ছবি আকৃতির খেলনাগুলো ব্যবহার করার কোন দরকার নেই। এগুলোর বিকল্প স্বরূপ প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি গাড়ি কিংবা এ জাতীয় খেলনা ব্যবহার করা। কেননা বাচ্চারা প্রাণীর খেলনার মত এগুলো দিয়েও খেলতে পারবে।  আর যদি প্রাণী জাতীয় খেলনার অত্যাবশ্যকীয়তা দেখা যায়, তাহলে এগুলোর শরীর থেকে মাথা কেটে খেলনা হিসাবে ব্যবহার করবে  (শায়খ উছায়মীন, উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব, ৬/২৬)।

প্রশ্নকারী : ইযায, যশোর।





প্রশ্ন (২৩) : শুধু বেজোড় রাত্রিগুলোতে ই‘তিকাফ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : ঈমানকে কিভাবে নবায়ন করা যায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : আমি ৩ মাসের গর্ভবতী। রাতে আমার শরীর ঝিম ঝিম করে এবং ভয় পায়, কিছু খেলে পেট ব্যথা করে। এই কারণে আমি একজন হুজুর দ্বারা ঝাড়ফুঁক করিয়ে নিয়েছি। প্রশ্ন হল- এই ঝাড়ফুঁক করার কারণে আমার গর্ভের সন্তানের কোন ক্ষতি হবে কি? আর যদি ক্ষতি হয় তাহলে এই ক্ষতি থেকে বাঁচার উপায় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : প্রচলিত রয়েছে যে, শু‘আইব (আলাইহিস সালাম) মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর শ্বশুর ছিলেন। কথাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : চাকুরীজীবী ব্যক্তি অফিসের যাবতীয় পণ্য ক্রয় করে। কিছু পণ্য ক্রয় করার সময় দেখা যাচ্ছে পণ্যের দাম ৩০০/৪০০ টাকা, যা সব দোকানে একই দাম। কিন্তু ঐ ব্যক্তি সেই পণ্যটি ২৮০/৩৮০ টাকায় ক্রয় করতে পারে। উক্ত পণ্য ক্রয়ে যে ২০ টাকা সাশ্রয় হল, সেই টাকা কি তিনি নিজে গ্রহণ করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : যারা মিউজিক শুনে তাদের কানে উত্তপ্ত গলিত সীসা ঢেলে দেয়ার হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : গোসল করার সময় কখন মেসওয়াক করতে হবে? বিসমিল্লাহ বলে হাত ধোয়ার আগে, না-কি দু’হাত ও লজ্জাস্থান ধোয়ার পর? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : জনৈক ব্যক্তি অসুস্থতার কারণে রামাযানের দু’টি ছিয়াম রাখতে পারেনি। ক্বাযা করারও সময় পায়নি, মারা গেছে। এই ছিয়ামের কী হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : জনৈক বক্তা নিম্নের হাদীছটি পেশ করেন, তোমরা বরকতপূর্ণ জয়তুন গাছের তেল ব্যবহার কর এবং ঔষধ হিসাবে ব্যবহার কর।‌ কারণ তা অর্শ রোগের আরোগ্য দানকারী (ত্বাবরাণী হা/১৪১৯৩)। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : ‘তোমরা হজ্জ ও উমরাহ পরপর একত্রে পালন কর। কেননা এ দু’টি (হজ্জ ও উমরাহ) দারিদ্র্য ও গুনাহসমূহ এমনভাবে দূর করে দেয় যেমন কামারের হাপর লোহা ও সোনা-রূপার ময়লা দূর করে দেয়। আর হজ্জে মাবরূরের বিনিময় জান্নাত ছাড়া আর কিছুই নয়’ মর্মে বর্ণিত হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭): আব্দুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে প্রশ্ন করা হয়, রাসূল (ﷺ)-এর ছাহাবীগণ কি হাসতেন? তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ। তবে তাঁদের অন্তরে ঈমান ছিল পাহাড়ের চেয়ে বড়’ (আল-মাউসূ‘আতুল কুবরা, ৩১/১৯৩)। বর্ণনাটি কী ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ‘রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাথায় ও দাড়িতে বিশটি সাদা চুলও ছিল না’ মর্মে বর্ণিত হাদীছ কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ