রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন
উত্তর :  এটি বিখ্যাত হাদীছে জিবরীলের অংশ বিশেষ। যখন জিবরীল রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! বলুন তো ক্বিয়ামত কখন সংঘটিত হবে? উত্তরে তিনি বললেন, এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাকারীর চেয়ে জিজ্ঞাসিত ব্যক্তি বেশি কিছু জানে না। অতঃপর তিনি বললেন, وَسَأُحَدِّثُكَ عَنْ أَشْرَاطِهَا إِذَا رَأَيْتَ الْمَرْأَةَ تَلِدُ رَبَّهَا فَذَاكَ مِنْ أَشْرَاطِهَا ‘তবে আমি তার নিদর্শন ও লক্ষণসমূহ সম্পর্কে আপনাকে অবগত করছি, যখন আপনি দেখবেন কোন নারী তার মনিবকে প্রসব করবে এটা ক্বিয়ামতের একটি নিদর্শন’ (ছহীহ বুখারী, হা/৫০, ৪৭৭৭)। উক্ত হাদীছের ব্যাখ্যায় হাফিয ইবনু হাজার আসক্বালানী, ইমাম নববী, আল্লামা আব্দুর রহমান মুবারাকপুরী, শায়খ মুহাম্মাদ শামসুল হক্ব আযীমাবাদী ও শায়খ মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল হাদী আস-সিন্দী (রাহিমাহুমুল্লাহ) থেকে বেশ কয়েকটি মতামত বর্ণিত হয়েছে। এখানে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য দু’টি মতামত উপস্থাপন করা হল :

(১) বাঁদী মনিবকে প্রসব করবে : এর অর্থ হল, মনিব বা মালিক তার দাসীর সঙ্গে যেরূপ ব্যবহার করে, ক্বিয়ামতের পূর্বমুহূর্তে সন্তানগণও তাদের মায়েদের সাথে সেরূপ ব্যবহার করবে। তারা মায়েদের অবাধ্য হবে এবং মায়েদেরকে চাকরানী মনে করে তাদের উপর মালিকের মত হুকুম চালাবে। (২) একটা সময় প্রচুর পরিমাণে যুদ্ধ হবে এবং সেই সময় দাসী অধিকহারে কেনাবেচা হবে। মনিবরা অধিক পরিমাণে দাসী রাখবে এবং তাদের মাধ্যমে বাচ্চা গ্রহণ করবে। এক সময় মনিবের মৃত্যুর পর তার সন্তানেরা ঐ সমস্ত দাসীদের মনিব হবে। কারণ স্বাভাবিকভাবেই একজন ব্যক্তির অর্থ-সম্পত্তি, দাস-দাসী তার মৃত্যুর পর ছেলেদের কাছে চলে যায় এবং ছেলেরা মালিকদের মতই তা ব্যবহার করতে পারে। অতএব দেখা যাবে, আজ যে তার মনিব হল সে হয়তো তারই গর্ভজাত সন্তান। দাসীরা রাজপুত্রদের জন্ম দিয়েছে, তাই মা হওয়ার পরেও তারা প্রজাদের একজন (বিস্তারিত দ্র. : ফাৎহুল বারী, শারহুন নববী, তুহফাতুল আহওয়াযী, ‘আওনুল মা‘বূদ, হাশিয়াতুস সানাদী)।


প্রশ্নকারী : রোকনুজ্জামান, শিবগঞ্জ, বগুড়া।





প্রশ্ন (৩৪) : ঈদের খুত্ববাহ কয়টি? কোথাও একটি আবার কোথাও দু’টি দিতে দেখা যায়। কোনটি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : মৃত ব্যক্তিদের জন্য জীবিতদের করণীয় কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪০) : শুক্রবারে জান্নাতের দরজা খুলে দেয়া হয় এবং সেদিন কেউ মারা গেলে বিনা হিসাবে জান্নাতে চলে যায়। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : ‘যে বিয়েতে খরচ যত কম, সেই বিয়েতে বরকত তত বেশি' মর্মে বর্ণিত হাদীছ কি সহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : কুরআন তেলাওয়াতের সময় সিজদার আয়াত আসলে কিভাবে সিজদা দিতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : মসজিদ, ওয়ায মাহফিলের সভাপতি ও প্রধান অতিথি হওয়ার শর্তে দান করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : বিভিন্ন এলাকায় ফিতরা ও কুরবানীর অর্থ থেকে ইমাম-মুওয়াযযিনের বেতন দেয়া হয়। এটা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : মানুষ কি আশরাফুল মাখলূক্বাত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : বর্তমানে নাপিতেরা চুল কাটার সময় মাথার ডানে-বামে এবং পেছনে চুল ছোট করে কাটে, সামনে তারচেয়ে বেশি লম্বা রাখে। এভাবে চুল কাটলে কি গুনাহগার হব? শরী‘আতে চুলকাটার পদ্ধতি সম্পর্কে কী বলা হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : জনৈক বক্তা বলেন, ইসলাম ধর্মে এমন একটি নফল ছালাত আছে যা সফর মাসের শেষ বুধবার পূর্বাহ্নের প্রথম প্রহরে এক সালামে চার রাক‘আত আদায় করা খুবই ফযীলতপূর্ণ। পদ্ধতি হল, প্রত্যেক রাক‘আতে সূরা ফাতিহার সঙ্গে ১৭ বার সূরা কাওছার, ৫০ বার সূরাহ ইখলাছ এবং একবার করে সূরা নাস ও ফালাক্ব পাঠ করে। সালাম ফিরানোর পর সূরা ইউসুফের ২১ নং আয়াতের শেষাংশ ৩৬০ বার পাঠ করবে। শেষে সূরা আস-সাফফাতের ১৮০-১৮২ নং আয়াত পাঠ করে শেষ করবে। অতঃপর ফক্বীর মিসকীনদের মাঝে কিছু রুটি ছাদাক্বাহ করবে। এর মাধ্যমে বুধবার নাযিল হওয়া সমস্ত বিপদ থেকে মুক্তি লাভ করবে। কারণ প্রত্যেক বছর এই দিন ২০ হাজার ৩০০ শত বালা-মুছীবত নাযিল হয়। প্রশ্ন হল, উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : নিয়তের খবর কি দু’কাঁধের ফেরেশতারা জানে? একটি হাদীছে এসেছে যে, ‘মানুষের ভাল কাজের নিয়ত করার সাথে সাথে একটি ছাওয়াব লিপিবদ্ধ করা হয়। অতঃপর ঐ কাজ বাস্তবায়ন করলে দু’টি ছাওয়াব লিপিবদ্ধ করা হয়। আর মানুষের মন্দ কাজের নিয়ত করার সাথে সাথে পাপ লেখা হয় না, বরং তা বাস্তবায়নের পরে লেখা হয়’। এ হাদীছের ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : বাচ্চাদের আশেপাশে জিন পরী বা শয়তান যেন আসতে না পারে, সে জন্য তাদের তারকাটা, রসুন, ম্যাচের কাঠি ইত্যাদি রাখা হয়। এগুলো কি শিরক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ