রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০২:৫৩ অপরাহ্ন
উত্তর : একজন কুরআনের হাফিযের মর্যাদা সীমাহীন। হাফিয হওয়ার কারণে তাঁকে সব সময় কুরআন চর্চা করতে হবে। এতে হাফেয প্রতি অক্ষরে অক্ষরে ১০টি করে নেকী পাবে। এভাবে সাধারণ মানুষ হতে নেকী অর্জনের ক্ষেত্রে সে থাকে অগ্রগামী। ক্বিয়ামত দিবসে একজন হাফেয ফিরিশতাদের সাথে অবস্থান করবেন এবং জান্নাতে প্রবেশের পর বিভিন্ন স্তর অতিক্রম করে সুউচ্চ স্থান লাভ করবেন (আবূ দাঊদ হা/১৪৬৪, সনদ ছহীহ)। হিফযের গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য এবং হাফিযদের মর্যাদায় এছাড়াও আরো অনেক হাদীছ রয়েছে।

তবে কুরআনের হাফিয ১০/৭০ জনের জন্য সুপারিশ করতে পারবেন মর্মে কোন ছহীহ হাদীছ পাওয়া যায় না। এ সম্পর্কে বর্ণিত হাদীছটি নিতান্তই দুর্বল। ‘যে ব্যক্তি কুরআন তিলাওয়াত করে এবং মুখস্থ রাখে, এর হালালকে হালাল এবং হারামকে হারাম মনে করে। তাকে আল্লাহ তা‘আলা জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং তার পরিবারের এমন দশজন লোক সম্পর্কে তার সুপারিশ কবুল করবেন, যাদের প্রত্যেকের জন্য জাহান্নাম অনিবার্য ছিল’। হাদীছটি অত্যন্ত দুর্বল। ইমাম তিরমিযী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন,

هَذَا حَدِيْثٌ غَرِيْبٌ لَا نَعْرِفُهُ إِلَّا مِنْ هَذَا الْوَجْهِ وَلَيْسَ إِسْنَادُهُ بِصَحِيْحٍ ‏.‏ وَحَفْصُ بْنُ سُلَيْمَانَ يُضَعَّفُ فِي الْحَدِيْثِ‏.‏

‘এ হাদীছটি গরীব। আমরা শুধু উপরিউক্ত সূত্রেই এ হাদীছ জেনেছি। এর সনদ ছহীহ নয়। হাফছ ইবনু সুলাইমান হাদীছ শাস্ত্রে দুর্বল’ (তিরমিযী, হা/২৯০৫)। আল্লামা নাছিরুদ্দীন আলবানী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, হাদীছটি দুর্বল (যঈফুল জামে‘, হা/৪৬৬২; যঈফ তিরমিযী, হা ২৯০৫; তাখরীজু মিশকাত, হা/২০৮৩)। শায়খ আব্দুর রহমান মুবারকপুরী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, এর সনদে হাফ্ছ ইবনু সুলাইমান নামক রাবী পরিত্যাজ্য (তুহফাতুল আহওয়াযী, ৭/৩২৩ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ, রংপুর।





প্রশ্ন (২) : নারীদের ক্যারিয়ার গঠনে ইসলাম কি বাধা দেয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : এক রাক‘আত বিতর ছালাতে কোনদিনও দু‘আ কুনূত না পড়লে কি বিতর ছালাত হবে? বিতর ছালাতে কুনূত পড়ার সময় কেউ যদি কুনূতে নাজেলা পড়ে, তাহলে কি সুন্নত পরিপন্থী হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : ‘ইয়া মুহাম্মদ! শাফা‘আত (চাই)’। এ কথাটি কি শিরক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : ‘দেবর মৃত্যু সমতুল্য’ এই হাদীছের তাৎপর্য কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : ‘যে ব্যক্তি কোন হাজীকে চল্লিশ কদম এগিয়ে দিবে, অতঃপর আলিঙ্গন  করে তাকে বিদায় করবে, উভয়ে পৃথক হওয়ার পূর্বেই আল্লাহ তার গোনাহ মাফ করে দিবেন’ বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : রান্নাবান্না ও বিভিন্ন কাজের মাঝে থেকে মহিলারা কিভাবে রামাযানকে কাজে লাগাতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : অনেকে রামাযান মাস আসলে তওবা করে, ছালাত আদায় করে এবং ছিয়াম পালন করে। কিন্তু রামাযানের পর সব ছেড়ে দেয়। এদের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : ‘যে ব্যক্তি সকালে ও বিকালে সূর্যোদয়ের আগে ও সূর্যাস্তের আগে ১০০ বার ‘সুবহানাল্লাহ’ বলবে সে যেন একশ’টি হজ্জ আদায় করল বা একশ’টি উট আল্লাহর ওয়াস্তে দান করল। যে ব্যক্তি এই দুই সময়ে ১০০ বার ‘আল-হামদুলিল্লাহ’ বলল সে যেন আল্লাহর পথে জিহাদের জন্য ১০০টি ঘোড়ার পিঠে মুজাহিদ প্রেরণ করলো অথবা আল্লাহর রাস্তায় ১০০ টি গাযওয়া বা অভিযানে শরীক হলো। আর যে ব্যক্তি এই দুই সময়ে ১০০ বার করে ‘লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ পাঠ করলো, সে যেন ইসমাঈল বংশের একশ’ ব্যক্তিকে দাসত্ব থেকে মুক্তি প্রদান করলো। আর যে ব্যক্তি এই দুই সময়ে ১০০ বার করে ‘আল্লাহু আকবার’ বলল, ঐ দিনে তার চেয়ে বেশি আমল আর কেউ করতে পারবে না। তবে যদি কেউ তার সমান এই যিকরগুলো পাঠ করে বা তার চেয়ে বেশি পাঠ করে তাহলে ভিন্ন কথা। (তাহলে সেই শুধু তার উপরে উঠতে পারবে।) ইমাম নাসাঈর বর্ণনায় ‘লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু’-র পরিবর্তে ‘লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুআ আলা কুলিল শাইয়্যিন কাদীর’ ১০০ বার পাঠ করার কথা বলা হয়েছে (তিরমিযী, ৫/৫১৩, নং ৩৪৭১; নাসাঈ, আস-সুনানুল কুবরা, ৬/২০৫)। উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছ কি আমলযোগ্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : জোরপূর্বক ধর্ষণ করলে এক মহিলা গর্ভবতী হয় এবং অবৈধ বাচ্চা হয়, যার বাবার পরিচয় নেই। এদিকে অবৈধ সন্তান নাকি ইসলাম বিদ্বেষী হয়। আবার বাচ্চাকে হত্যা করাও যাবে না। এমতাবস্থায় করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : যে ব্যক্তি সূর্যাস্তের পর ইফতার করল, অতঃপর বিমান উড্ডয়নের পর সূর্য দেখতে পেল। তার জন্য করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮): ঈদের স্বালাতের পূর্বেই কি যাকাতুল ফিতরের সমস্ত খাদ্যদ্রব্য বন্টন করতে হবে না-কি ঈদের পরেও করা যায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : বর্তমান সময়ে খুবই প্রচলিত একটা ব্যাবসা হচ্ছে, কম মূল্যে পণ্য বিক্রির উদ্দেশ্যে ক্রেতার নিকট থেকে আগেই পণ্যের টাকা নিয়ে নেয়। অতঃপর ২/৩ মাস বা আরো বেশি সময়ের পর পণ্য দেয়। মানুষের প্রয়োজনীয় যত পণ্য আছে প্রায় সবই দিয়ে থাকে বিভিন্ন অফারে। যেমন ৫০%, ১০০%, কোন কোনটা ১৫০% ছাড়। যেমন : ২৫ হাজার টাকার ফ্রীজ ১২ হাজার টাকায়- ডেলিভারি দিবে ২/৩ মাস পর। এভাবে মোবাইল, মোটর সাইকেল ইত্যাদি। এই ব্যবসা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ