রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০১:০০ অপরাহ্ন
উত্তর : আরাফার দিনে অধিক মানুষকে জাহান্নাম হতে মুক্তি দেয়া হয় (ছহীহ মুসলিম, হা/১৩৪৮; মিশকাত, হা/২৫৯৪)। তবে জুম‘আর দিন সম্পর্কে এ ধরনের কোন বর্ণনা পাওয়া যায় না। কিন্তু জুম‘আর দিনে কোন মুসলিম ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে, তাকে কবরের ফিৎনা থেকে আল্লাহ মুক্তি দিবেন মর্মে হাদীছ বর্ণিত হয়েছে (তিরমিযী, হা/১০৭৪; মিশকাত, হা/১৩৬৭, সনদ হাসান)। উল্লেখ্য যে, জুম‘আর দিন ইবাদতগত দিক দিয়ে ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতর থেকে উত্তম (ইবনু মাজাহ, হা/১০৮৪; মিশকাত, হা/১৩৬৩, সনদ হাসান, ‘জুম‘আ’ অনুচ্ছেদ)।


প্রশ্নকারী : কামরুল হাসান, সিরাজগঞ্জ।





প্রশ্ন (১১) : পরিবার বা আত্মীয়-স্বজনের কান্নার কারণে মৃত ব্যক্তিকে কবরে শাস্তি দেয়া হয় কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : হারাম উপার্জনকারীর বাড়িতে দাওয়াত খাওয়া ও দেয়া কোন উপহার গ্রহণ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪): অমুসলিম ব্যক্তি মুসলিম হতে চাইলে একাকী কালেমা পাঠ করে ইসলাম গ্রহণ করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : কোন নাপাক কাপড়ের সাথে অন্য পাক কাপড় থাকলে কিংবা কাপড় থেকে নাপাকি শুকিয়ে গেলে ঐ কাপড় অন্যান্য পাক কাপড়ের সাথে একসাথে ধোয়া যাবে কিনা? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : শরী‘আতের আলোকে ট্রাফিক আইন মেনে চলা কি যরূরী। বিশেষ করে সিগন্যালের বাতি যখন লাল থাকে এবং অপর দিকে কোন গাড়ি না থাকে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : কেউ যদি কারো গীবত, নিন্দা, সমালোচনা করে ফেলে এবং পরে যদি সে অনুতপ্ত হয় যে, আমি ঠিক করিনি। তখন যার গীবত করা হয়েছে তার কাছে যদি সে ক্ষমা চাইতে চায়, কিন্তু যার গীবত করেছে তাকে যদি না পায়, তাহলে আল্লাহর কাছে সে কিভাবে ক্ষমা চাইবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : আনুমানিক ১২-১৫ বছর আগে দাদা মারা গেলে বন্যার কারণে বাড়িতেই কবর দেয়া হয়। পরে পাকা বাড়ি করার সময় জায়গা কম হয়ে গেলে কবরটির উপর বাড়ি করা হয়। এটা কি অন্যায় হয়েছে? এখন কী করা যেতে পারে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭): যাকাতুল ফিতর কখন আদায় করতে হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : বাদ্যযন্ত্র কি হালাল? তা কোনভাবে হালালের ন্যূনতম অবকাশ আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : যে ব্যক্তি প্রত্যেক রাতে সূরা ওয়াক্বি‘আহ পড়বে, সে কখনো অভাবের মধ্যে পড়বে না। ইবনু মাসঊদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) তার মেয়েদেরকে প্রত্যেক রাতে উক্ত সূরা পড়তে বলতেন (বায়হাক্বী হা/২৪৯৮; মিশকাত হা/২১৮১; ফাযায়েলে আমল, পৃঃ ২৭৫)। উক্ত বর্ণনা সনদ কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : কারো নাম কি মাছুমা বিলকীস কিংবা শুধু মাছুমা রাখা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : নারীদের জন্য ইসলাম অনুমোদিত পেশা কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ