রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
উত্তর : ফের্কাবন্দী (اَلْاِفْتِرَاقُ)-এর অর্থ যেকোন মতানৈক্য নয়; বরং বিশেষ বিভক্তিকে ‘ফের্কাবন্দী’ বলা হয়েছে। যে বিভক্তির কারণে উম্মত দলে-উপদলে বিভক্ত হয়ে যায় এবং তাদের পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন হারিয়ে ফেলে, একদল আরেক দলের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে, সেটাই হচ্ছে ফের্কাবন্দী। অনুরূপভাবে এই বিভক্তি অন্তরের বিভক্তির দিকেও ইঙ্গিত করে, যার মাধ্যমে পারস্পরিক শত্রুতা ও রাগারাগির জন্ম হয় (শাত্বেবী, আল-ই’তিছাম, ২/৭০০-৭০১ পৃ.; বাকর আবু যায়েদ, হুকমুল ইনতিমা, পৃ. ১০১)। আব্দুল ক্বাহের ইবনু ত্বাহের আত-তামীমী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিন্দিত ফের্কা বলতে ফিক্বহী শাখা-প্রশাখাগত মাসআলা-মাসায়েলে মতভেদকারীদেরকে বুঝাননি, বরং নিন্দা দ্বারা উদ্দেশ্য তারাই, যারা তাওহীদের মূলনীতি, তাক্বদীরের ভাল-মন্দ, নবুওয়াত ও রিসালাতের শর্ত, ছাহাবায়ে কেরামের সাথে আন্তরিক সম্পর্ক বজায় রাখা ইত্যাদি ক্ষেত্রে হক্বপন্থীদের বিরুদ্ধাচরণ করে। কারণ এসব ক্ষেত্রে হক্বপন্থীদের বিরুদ্ধাচরণকারীরা পরস্পরকে কাফের হিসাবে আখ্যায়িত করে থাকে। কিন্তু প্রথম প্রকারের মতভেদকারীরা পরস্পরকে কাফের তো বলেই না, এমনকি বিভক্তিও সৃষ্টি করে না’ (দ্রষ্টব্য : তুহফাতুল আহওয়াযী, ১২/২২২ পৃ.)।

উম্মতের ফের্কাবন্দী বলতে কস্মিনকালেও ছাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈন এবং মুজতাহিদ আলিমগণের ইজতিহাদপ্রসূত মতভেদকে বুঝানো হয়নি। অনুরূপভাবে এ ব্যাপারে ইজমা হয়েছে যে, শরী‘আতের ব্যবহারিক শাখা-প্রশাখাগত মাসআলা-মাসায়েলের মতপার্থক্যও ফের্কাবন্দীর আওতাভুক্ত নয় (শাত্বেবী, আল-ই’তিছাম, ২/৭০০-৭০১ পৃ.; তুহফাতুল আহওয়াযী, ৭/৩৩২ পৃ.)। বরং এই প্রকার মতভেদ হওয়া খুবই স্বাভাবিক। ইমাম ইবনুল ক্বাইয়িম (রাহিমাহুল্লাহ) যথার্থই বলেছেন, ‘মানুষের মধ্যে মতভেদ অবশ্যম্ভাবী একটি বিষয়। কেননা তাদের উদ্দেশ্য, বুঝ এবং অনুধাবন শক্তি এক নয়। তবে এ নিয়ে একজন আরেকজনের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা নিন্দনীয়’ (আছ-ছওয়া‘ইকুল মুরসালাহ ফির-রদ্দি আলাল-জাহমিইয়াহ, ২/৫১৯ পৃ.)। মূলত আক্বীদাগত বিভক্তির কারণে সৃষ্ট দলাদলিকে ফের্কাবন্দী বলা হয়।

প্রশ্নকারী : শরীফুল ইসলাম, জয়পুরহাট।




প্রশ্ন (২৭) : আমার সৎ মাকে বাবা জীবিত অবস্থায় ত্বালাক্ব দিয়ে গেছেন, তাকে আমি যাকাতের অর্থ দিতে পারবো কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : বিবাহ পড়ানোর পর ইমামকে যে হাদিয়া দেয়া হয় তা নেয়া যাবে কি? মসজিদ কমিটির লোকজন মসজিদ, গোরস্থান ইত্যাদির জন্য বরপক্ষের কাছে দান চায়, দিতে না চাইলে চাপ প্রয়োগ করে টাকা নেয়া হয়। এগুলো কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : কেউ যদি অজানা অবস্থায় শিরক করে, তাহলে তার আমল বাতিল হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : জনৈক ব্যক্তি সন্তানের প্রতি যত্ন নেন না। কিন্তু অন্য কাজের প্রতি খুবই যত্নবান। এ সম্পর্কে শরী‘আতের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : শিশু মৃত্যুবরণ করলে কি গোসল দিতে হবে ও তার জানাযার ছালাত পড়তে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : মসজিদে ছালাতের জায়গার সংকুলান হচ্ছে না। পূর্ব, দক্ষিণ ও পশ্চিমে কোনাকুনি তিন দিকে সরকারী রাস্তা হওয়ায় সে সব দিকে মাসজিদ বাড়ানোর সুযোগ নেই। আর দক্ষিণ দিকে পুরানো গোরস্থান। দক্ষিণ দিকে মাসজিদ বাড়াতে গেলে বহু পুরাতন ৩/৪ টি কবর পড়ছে। যা প্রায় ২০/২৫ বছর আগের। এক্ষণে উক্ত কবরগুলো মূল গোরস্থানে স্থানান্তরিত করে দক্ষিণ দিকে মাসজিদ সম্প্রসারণ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : মহিলারা দেবর ও ভাশুরের সামনে বেপর্দায় যেতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : ইসলামের আলোকে ‘মহান সংসদ’, ‘পবিত্র সংবিধান’ ইত্যাদি কথাগুলো যুক্তিসংগত কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : একজন ব্যক্তি সিমেন্ট বা রডের দোকানে অগ্রিম টাকা দিয়ে সিমেন্ট বা রড দর করে টাকা দিয়ে রাখলো। কিন্তু সে এখন নিবে না, সিজিনাল সময়ে নিবে যখন দাব বেশি হবে। এই রকম ক্রয় বিক্রয় জায়েয হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : নারীরা বাড়িতে ছালাত আদায় করলে পুরুষের জামা‘আতের ন্যায় ২৭ বা ২৫ গুন ছাওয়াব পাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : ইংরেজি ভাষা শিক্ষা দেয়াকে পেশা হিসাবে গ্রহণ করা যাবে কি? কারণ এর মাধ্যমে বেহায়াপনা, নির্লজ্জতা, নোংরামি ইত্যাদি প্রচার হচ্ছে। দ্বীনের প্রচারের উদ্দেশ্যে ইংরেজী ভাষা শিক্ষা করা ও শিখানো বৈধ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : বিধর্মীরা কত ভাগে বিভক্ত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ