রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০২:৫৪ অপরাহ্ন
উত্তর : ফের্কাবন্দী (اَلْاِفْتِرَاقُ)-এর অর্থ যেকোন মতানৈক্য নয়; বরং বিশেষ বিভক্তিকে ‘ফের্কাবন্দী’ বলা হয়েছে। যে বিভক্তির কারণে উম্মত দলে-উপদলে বিভক্ত হয়ে যায় এবং তাদের পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন হারিয়ে ফেলে, একদল আরেক দলের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে, সেটাই হচ্ছে ফের্কাবন্দী। অনুরূপভাবে এই বিভক্তি অন্তরের বিভক্তির দিকেও ইঙ্গিত করে, যার মাধ্যমে পারস্পরিক শত্রুতা ও রাগারাগির জন্ম হয় (শাত্বেবী, আল-ই’তিছাম, ২/৭০০-৭০১ পৃ.; বাকর আবু যায়েদ, হুকমুল ইনতিমা, পৃ. ১০১)। আব্দুল ক্বাহের ইবনু ত্বাহের আত-তামীমী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিন্দিত ফের্কা বলতে ফিক্বহী শাখা-প্রশাখাগত মাসআলা-মাসায়েলে মতভেদকারীদেরকে বুঝাননি, বরং নিন্দা দ্বারা উদ্দেশ্য তারাই, যারা তাওহীদের মূলনীতি, তাক্বদীরের ভাল-মন্দ, নবুওয়াত ও রিসালাতের শর্ত, ছাহাবায়ে কেরামের সাথে আন্তরিক সম্পর্ক বজায় রাখা ইত্যাদি ক্ষেত্রে হক্বপন্থীদের বিরুদ্ধাচরণ করে। কারণ এসব ক্ষেত্রে হক্বপন্থীদের বিরুদ্ধাচরণকারীরা পরস্পরকে কাফের হিসাবে আখ্যায়িত করে থাকে। কিন্তু প্রথম প্রকারের মতভেদকারীরা পরস্পরকে কাফের তো বলেই না, এমনকি বিভক্তিও সৃষ্টি করে না’ (দ্রষ্টব্য : তুহফাতুল আহওয়াযী, ১২/২২২ পৃ.)।

উম্মতের ফের্কাবন্দী বলতে কস্মিনকালেও ছাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈন এবং মুজতাহিদ আলিমগণের ইজতিহাদপ্রসূত মতভেদকে বুঝানো হয়নি। অনুরূপভাবে এ ব্যাপারে ইজমা হয়েছে যে, শরী‘আতের ব্যবহারিক শাখা-প্রশাখাগত মাসআলা-মাসায়েলের মতপার্থক্যও ফের্কাবন্দীর আওতাভুক্ত নয় (শাত্বেবী, আল-ই’তিছাম, ২/৭০০-৭০১ পৃ.; তুহফাতুল আহওয়াযী, ৭/৩৩২ পৃ.)। বরং এই প্রকার মতভেদ হওয়া খুবই স্বাভাবিক। ইমাম ইবনুল ক্বাইয়িম (রাহিমাহুল্লাহ) যথার্থই বলেছেন, ‘মানুষের মধ্যে মতভেদ অবশ্যম্ভাবী একটি বিষয়। কেননা তাদের উদ্দেশ্য, বুঝ এবং অনুধাবন শক্তি এক নয়। তবে এ নিয়ে একজন আরেকজনের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা নিন্দনীয়’ (আছ-ছওয়া‘ইকুল মুরসালাহ ফির-রদ্দি আলাল-জাহমিইয়াহ, ২/৫১৯ পৃ.)। মূলত আক্বীদাগত বিভক্তির কারণে সৃষ্ট দলাদলিকে ফের্কাবন্দী বলা হয়।

প্রশ্নকারী : শরীফুল ইসলাম, জয়পুরহাট।




প্রশ্ন (৩০) : নাপাক বা ওযূবিহীন অবস্থায় ইমামতি করলে ইমাম-মুক্তাদি উভয়কেই পুনরায় ছালাত আদায় করতে হবে? নাকি শুধু ইমাম আদায় করবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : হস্তমৈথুন জায়েয মর্মে নিম্নের বর্ণনা উল্লেখ করা হয়। এক যুবক ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে জিজ্ঞেস করল, আমি যুবক মানুষ, আমি তীব্র যৌন উত্তেজনা অনুভব করি। আমি কি হস্তমৈথুন করে বীর্যপাত করতে পারব? তিনি বলেন, এটা যেনা করার চেয়ে উত্তম এবং তার চেয়েও উত্তম হল কোন দাসীকে বিবাহ করা (বায়হাক্বী, আস-সুনানুল কুবরা হা/১৪৫১৩)। বর্ণনাটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : কাফের-মুশরিকদের নাবালক বাচ্চারা মারা গেলে তারা জান্নাতী হবে, না-কি জাহান্নামী হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : মৃত ব্যক্তিকে মরহূম, মাগফূর বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : মসজিদের ছাদের উপরে ফ্লাট বাড়ীর মত দু’টি রুম তৈরি করা হয়েছে। সেখানে ইমাম ছাহেব স্ত্রী-সন্তান নিয়ে থাকবেন। উক্ত মসজিদে ছালাত আদায় করলে ছালাত শুদ্ধ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : এক ব্যক্তি সূদভিত্তিক ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন এবং সংসার চালান। পরবর্তীতে তিনি সূদ থেকে মুক্ত হওয়ার নিয়ত করেছেন। তবে এখনো সূদসহ কিছু ঋণ বাকি আছে। প্রশ্ন হল, ঐ টাকা শোধ হওয়া পর্যন্ত কি তার গুনাহ হতে থাকবে?  - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : দরিদ্র মুহাজিরগণ পাঁচশ’ বছর আগে জান্নাতে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : আহলে কিতাবদের যব্হ করা খাবার খাওয়া কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : জনৈক ব্যক্তি পূর্বে যাকাত আদায় করেনি। এখন বিগত বছরগুলোর যাকাত কিভাবে আদায় করব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : প্যান্টের সাথে সংযুক্ত মোজার উপর মাসেহ করার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : কুরআন এবং ছহীহ হাদীছে কয়টি আসমান ও কয়টি যমীনের কথা বলা হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : যারা নিজেকে ‘আহলে কুরআন’ দাবী করে বলে, আমরা কেবল কুরআন মানব, হাদীছ মানব না। এমন ব্যক্তিদেরকে কাফির বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ