বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ০১:২৩ পূর্বাহ্ন
উত্তর : প্রথম শব্দ ‘হুজুর’ শব্দটি ফার্সী, উর্দূ হিসাবে বাংলা ভাষায় ব্যবহার হয়ে আসা একটি শব্দ। যা আপত্তিকর। হুজুর মানে উপস্থিত। অনেকে মনে করে রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাযির-নাযির বা সর্বদা উপস্থিত এমন ধারণা থেকেই ‘হুজুর’ শব্দটির আগমন (ফীরুযুল লুগাত, পৃ. ৫৭১)। তাই ‘হুজুর’ শব্দটি পরিহার করতে হবে। আর ‘মাওলা’ শব্দটি আরবী। এটি বিভিন্ন অর্থ বহন করে। ‘আমাদের’ দিকে সম্বন্ধ হওয়ায় শব্দটি ‘মাওলানা’ হয়েছে। অর্থ ‘আমাদের অভিভাবক’, ‘আমাদের মালিক’ বা ‘আমাদের গোলাম’। ‘মাওলা’ শব্দটি আল্লাহর জন্য ব্যবহার হয়েছে আবার মানুষের ক্ষেত্রেও ব্যবহার হয়েছে। যেমন পূর্বে ‘গোলাম’-এর ‘মালিক’-কে ‘মাওলা’ বলা হত। আবার মালিক যখন গোলামকে মুক্ত করে দিত, তখনও তাকে ‘মাওলা’ বলা হত। প্রায় সব হাদীছ গ্রন্থকার একটি বিষয় নিয়ে অধ্যায় রচনা করেছেন- بَابُ مَوْلَى القَوْمِ مِنْ أَنْفُسِهِمْ ‘কোন গোত্রের আযাকৃত গোলাম তাদেরই অন্তর্ভুক্ত সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ’ (‘ফারায়েয’ অধ্যায়-৮৫, অনুচ্ছেদ-২৪)। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, مَوْلَى الْقَوْمِ مِنْ أَنْفُسِهِمْ ‘সম্প্রদায়ের আযাদকৃত গোলাম তাদেরই বলে গণ্য হবে’ (ছহীহুল বুখারী, হা/৬৭৬১)। মহান আল্লাহ বলেন, ‘আমি প্রত্যেকের মাওলা বা অভিভাবক বানিয়েছি’ (সূরা আন-নিসা : ৩৩)। বুঝা যায় যে, ‘মাওলা’ শব্দটি আল্লাহর জন্য ও অন্যের ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয়েছে। তবে যা আল্লাহকে বুঝানো হয়েছে তা মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহার না করাই উচিত।


প্রশ্নকারী : আবু সাঈদ, রংপুর।




প্রশ্ন (৩১) : তাবলীগ জামায়াতের ‘ফাযায়েলে হজ্জ’ বইয়ের ৯২ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে যে, জামে মসজিদে বার হাজার পাঁচশ’ (১২,৫০০) ছালাতের ছওয়াব। মসজিদে আকছার ছওয়াব বাষট্টি কোটি পঞ্চাশ লক্ষ (৬২,৫০০০০০০), মদীনার মসজিদের ছওয়াব তিন নিল বার খর্ব পঞ্চাশ আরব (৩১২৫০০০০০০০০০০) এবং হারাম শরীফের ছওয়াব একত্রিশ শঙ্ঘ পঁচিশ পদ্ম, (৩১২৫০০০০০০০০০০০০০০০)। উক্ত বর্ণনা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ‘আমরা চাইলে জীবনের প্রতিটা মুহূর্তকেই আনন্দময় করে তুলতে পারি’, এরূপ বলা কি শিরক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : প্রতিদিন রাতে সূরা মুলক পড়া সুন্নাহ। প্রশ্ন হল- যদি কেউ মাগরিবের ছালাত অথবা এশার ছালাতের পর সময়ের ব্যস্ততার কারণে মসজিদ থেকে বের হয়ে কর্মস্থানে যেতে যেতে সূরা মুলক পাঠ করে, তাহলে কি ছওয়াব পাওয়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : জনৈক আলেম বলেন, রাতে ঘুম ভেঙ্গে যাওয়ার পর যে ব্যক্তি নিম্নের দু‘আটি পাঠ করবে, তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে। যদি সে দু‘আ করে, তবে তার দু‘আ কবুল হবে। আর সে যদি উঠে ওযয় করে ছালাত আদায় করে, তাহলে তার ছালাত কবুল হবে। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : বক্তব্য বা কথা-বার্তা শেষ করার শারঈ পদ্ধতি কী? যেমন কারো সাথে মোবাইলে কথা বলার সময় সালাম দিয়ে শুরু করা হয়। কিন্তু শেষ করার সময় কী বলতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : জনৈক আলেম বলেন, ‘কোন ব্যক্তি যদি কোন মুমিন ব্যক্তির প্রতি অভিশাপ করে, তাহলে সে তাকে হত্যা করার মত পাপ করল’। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : একজন নিকটাত্মীয় অসৎ পথে টাকা অর্জন করে। এখন তিনি যদি কোন উপহার দেন তাহলে তা কি গ্রহণ করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : প্রতিবেশী যদি এমন ধরনের উম্মাদ পাগল ও মানসিক ভারসাম্যহীন হয় যে, যেকোন সময় গুরুতর বিপদ ঘটানোর আশঙ্কা থাকে। এমতাবস্থায় ইসলামের বিধান? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : এটাচড টয়লেটে ওযূ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : ইমাম জুম‘আর দিন মিম্বরে বসার সময় সালাম দিবেন মর্মে কোন দলীল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : আমরা আলেমদের নিকট থেকে শুনেছি যে, আল্লাহর গুণবাচক নাম রাখলে নামের পূর্বে ‘আব্দ’ যোগ করতে। যেমন আব্দুর রহমান। কিন্তু ‘মালেক’-এর পূর্বে কি ‘আব্দ যোগ করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : সাধারণ মানুষ বা আলেম সমাজ যারা সালাফী আক্বীদার, তারা কি নিজের নামের শেষে সালাফী নামটি ব্যবহার করতে পারে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ