বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন
উত্তর : আল্লাহর উক্ত বাণীর দ্বারা যাদেরকে বুঝানো হয়েছে, তারা হলেন- আলেম, ফক্বহী ও শাসকগণ। যেমন, (ক). আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, أهل الفقه والدين ‘ফিক্বহ ও দ্বীনের অনুসারী’। অনুরূপভাবে মুজাহিদ, ‘আত্বা এবং হাসান বাছরীও একই কথা বলেছেন। আবুল ‘আলিয়া বলেন, العلماء তথা আলেমগণ (ইবনু কাছীর, তাফসীরুল কুরআনিল আযীম, ২য় খণ্ড, পৃ. ৩৪৫)। ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) ও জাবের (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন যে, هُمُ الفُقَهَاءُ والعلماءُ الَّذِينَ يعلِّمُونَ النَّاسَ دينهم ‘তারা হলেন ফক্বীহগণ এবং আলেমগণ, যারা মানুষদেরকে দ্বীন শিক্ষা দিয়ে থাকেন’ (আল-লুবাবু ফী ঊলূমিল কিতাব, ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃ. ৪৪১)। (খ). আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন, هم الأمراء ‘তারা হলেন শাসকগণ’ (ইমাম তাবারী, জামেঊল বায়ান ফী তা’বিলীল কুরআন, ৮ম খণ্ড, পৃ. ৪৯৭; শাওকানী, ফাৎহুল ক্বাদীর, ২য় খণ্ড, পৃ. ১৬৬)।

(গ). বিখ্যাত তাবেঈ ‘আত্বা (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, أولو العلم والفقه وطاعة الرسول اتباع الكتاب والسنة ‘তারা হলেন ইলমের অধিকারীগণ, যারা রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনুসরণ করে তথা কিতাব ও সুন্নাতের অনুসরণ করে’ (সুনানুদ দারেমী, ১ম খণ্ড, পৃ. ৮৩, আছার নং-২১৯, সনদ ছহীহ)। অন্যত্র তিনি বলেন, الفقهاء والعلماء ‘তারা হলেন ফক্বীহগণ এবং আলেমগণ’ (জামি‘ঊল বায়ান ফী তা’বিলীল কুরআন, ৮ম খণ্ড, পৃ. ৫০১)।

(ঘ). প্রখ্যাত তাবেঈ আ‘মাশ (রাহিমাহুল্লাহ) মুজাহিদ (রাহিমাহুল্লাহ)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, أولي الفقه منكم ‘তোমাদের মধ্যে যারা দ্বীনের বুঝ রাখেন’। অনুরূপভাবে মুজাহিদ (রাহিমাহুল্লাহ) লাইছ (রাহিমাহুল্লাহ) -এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, أولي الفقه والعلم ‘দ্বীনের বুঝ ও জ্ঞানের অধিকারীগণ’। আবু নাজীহ (রাহিমাহুল্লাহ) ঈসা (রাহিমাহুল্লাহ) -এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, أولي الفقه في الدين والعقل ‘দ্বীনের শারঈ ও আক্বলী বুঝের অধিকারী’ (জামেঊল বায়ান ফী তা’বিলীল কুরআন, ৮ম খণ্ড, পৃ. ৫০০)। ঙ. প্রখ্যাত তাবেঈ মুজাহিদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, أهل القرآن والعلم ‘তারা হলেন কুরআন ও ইলম তথা সুন্নাহর অনুসারী’ (আল-জামি‘ঊ লি আহকামিল কুরআন, ৫ম খণ্ড, পৃ. ২৫৯)।




প্রশ্ন (১০) : চুল কাটানোর পর গোসল না করে শুধু পানি দিয়ে মাথা ভালো করে ধুয়ে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : কিভাবে নফসের প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : হজ্জের সামর্থ্য না থাকলে ওমরাহ করা যাবে কি? জনৈক ব্যক্তি বলেন, কারও যদি হজ্জের সামর্থ্য না থাকে, তবে সে কখনও ওমরাহ করতে পারবে না। কথাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) বিভিন্ন সিম (যেমন GP প্রভৃতি) কোম্পানীর ফান্ডে টাকা জমা রাখা যাবে কি? যদি কেউ সেই টাকার Interest না নেয়। আবার যদি সেই Interest নিয়ে অসহায় কাউকে দিয়ে দেয়া হয়, তাহলে এক্ষেত্রে তার বিধান কী হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : জনৈক আলেম বলেছেন, ফিরাঊনের স্ত্রী আছিয়া এবং ঈসা (আলাইহিস সালাম)-এর মা মারইয়ামের সাথে জান্নাতে মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিবাহ হবে’। ঘটনা কি সত্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : মোবাইলের ব্যাকগ্রাউন্ডে কোন মৃতব্যক্তির ছবি সেট করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : এক ব্যক্তি প্রতি মাসে আমার বিকাশে হাজারে বিশ টাকাসহ টাকা পাঠায়। কিন্তু আমি প্রায় এজেন্ট নাম্বার দিয়ে টাকা ওঠালে আমার খরচ পড়ে চৌদ্দ টাকা পঞ্চাশ পয়সা। বাকী ৫ টাকা ৫০ পয়সা আমার কাছে থেকে যায়। এই টাকাগুলো আমি খরচ করতে পারব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘রামাযানের শেষ দশকের বেজোড় কোন রাত যদি জুম‘আহ বারে পড়ে, তাহলে সে রাত্রি লাইলাতুল ক্বদর হওয়ার সম্ভাবনা অধিক’। এ কথা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : যদি কেউ কোন কথা আমানত রাখতে বলে আর  অন্য কেউ সেই বিষয় জানতে চায়, তাহলে ‘আমি জানি না’ বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বীয় দাড়ি প্রস্থ এবং দৈর্ঘ্য হতে ছেঁটে নিতেন (তিরমিযী, হা/২৭৬২)। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : কেউ শয়তানের ধোঁকায় পড়ে আত্মহত্যা করলে তার স্বামী বা স্ত্রী অথবা তার ছেলেমেয়েরা তার জন্য গুনাহ মাফের দু‘আ করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : আলেম বা সম্মানী ব্যক্তিদের হাতে চুম্বন করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ