রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন
উত্তর : জিনেরা মানুষের উপর প্রভাব বিস্তার করে এবং বিভিন্নভাবে আক্রমণ করে কষ্ট দেয়। কখনো জিনেরা মানুষকে মেরে ফেলে। কখনো বা পাথর নিক্ষেপ করে এবং বিভিন্নভাবে ভয় দেখায়। জিনদের এ সকল কর্ম হাদীছ এবং বিভিন্ন বাস্তব ঘটনার মাধ্যমে প্রমাণিত (ছহীহ বুখারী, হা/৩২৯৭-৩২৯৮ ও ৩৩১০-৩৩১১)। নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খন্দক যুদ্ধের দিন জনৈক ছাহাবীকে তার স্ত্রীর কাছে যাওয়ার অনুমতি দেন। কারণ তিনি নতুন বিবাহ করেছিলেন। অতঃপর যুবক ঘরে ফিরে দেখলেন যে, স্ত্রী ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে আছে। এ দৃশ্য দেখে তিনি তার প্রতি মনক্ষুণ্ন হলেন। স্ত্রী বললেন, ঘরে প্রবেশ করুন। ঘরে প্রবেশ করে দেখলেন বিছানার উপরে একটি সাপ ব্যাড় দিয়ে বসে আছে। যুবকটির হাতেই ছিল বর্শা। বর্শা দিয়ে সাপকে আঘাত করার সাথে সাথে সাপটি মারা গেল এবং উক্ত ছাহাবীও মৃত্যুবরণ করলেন। সাপ এবং ছাহাবীর মধ্যে কে আগে মারা গেল, তা জানা যায়নি। এই সংবাদ নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে পৌঁছার পর তিনি ঘরের মধ্যে বসবাসকারী পিঠের উপরে রেখা বিশিষ্ট এবং লেজহীন ছোট ছোট সাপগুলো ব্যতীত অন্যগুলো মারতে বললেন (ছহীহ মুসলিম, হা/২২৩৬; ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম, প্রশ্ন-৪৩)।

উক্ত ঘটনা থেকে জানা গেল যে, জিনেরা মানুষের উপরে আক্রমণ করে এবং নানাভাবে কষ্ট দেয়। মুতাওয়াতির ও মাশহূর সনদে বর্ণিত হাদীছে আছে যে, মানুষ কখনো কখনো পুরাতন এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়ী-ঘরে প্রবেশ করলে পাথর নিক্ষিপ্ত হয়। অথচ সেখানে কোন মানুষ দেখতে পায় না। আবার কখনো কখনো আওয়াজ এবং গাছের পাতার নাড়াচড়া শুনতে পায়। এতে মানুষ ভয় পায়। এমনিভাবে আসক্ত হয়ে কিংবা কষ্ট দেয়ার জন্য অথবা অন্য কোন কারণে জিন মানুষের শরীরেও প্রবেশ করে। এ দিকে ইঙ্গিত করেই আল্লাহ বলেন, ‘যারা সূদ খায়, তারা ক্বিয়ামতে দণ্ডায়মান হবে যেভাবে দণ্ডায়মান হয় ঐ ব্যক্তি, যাকে শয়তান আছর করে ভারসাম্যহীন পাগলের মত করে দেয়’ (সূরা আল-বাক্বারাহ : ২৭৫)।

আর জিনের ক্ষতি থেকে বাঁচার জন্য হাদীছে বর্ণিত দু‘আগুলো পাঠ করতে হবে। তার মধ্যে আয়াতুল কুরসী অন্যতম। রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, শয়নকালে যদি কেউ আয়াতুল কুরসী পাঠ করে, তাহলে সকাল পর্যন্ত তার হেফাযতের জন্য একজন ফেরেশতা পাহারায় নিযুক্ত থাকে। যাতে শয়তান (জিন) তার নিকটবর্তী হতে না পারে (ছহীহ বুখারী, হা/২৩১১ ‘প্রতিনিধিত্ব’ অধ্যায়-৪০; মিশকাত হা/২১২৩ ‘কুরআনের ফযীলত’ অধ্যায়)। কোন বাড়ীতে সূরা বাক্বারাহর শেষ দু’টি আয়াত একাধারে তিনদিন পাঠ করলে উক্ত বাড়ীতে শয়তান প্রবশে করে না (তিরমিযী, হা/২৮৮২; দারেমী, হা/৩৩৮৭, সনদ ছহীহ)।




প্রশ্ন (২৩) : মৃত ব্যক্তির নামে যে খানার আয়োজন করা হয়, সে খাবার কি পরিবারের অন্য সদস্যরা খেতে পারবে?   - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : স্ত্রীর কানের দুল ও হাতের আংটি মিলে ৭ আনা স্বর্ণ আছে, যা তিনি সবসময় ব্যবহার করে থাকেন। প্রশ্ন হল- এর কি যাকাত দিতে হবে? যদি যাকাত ফরয হয়, তাহলে কত টাকা যাকাত দিতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : মসজিদের শিক্ষাগত ও গঠনমূলক পরিচালনার দিক দিয়ে ইমাম ও মসজিদের কমিটির কী কী দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে? মসজিদ ও মাদরাসার কমিটির সদস্যদের কী কী গুণ থাকা আবশ্যক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : ছিয়াম থাকা অবস্থায় ইনজেকশন নেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২): যে ব্যক্তির ডিউটি টাইম ফজর পর্যন্ত বিলম্বিত সে কি যোহর-আছর একত্রে আদায় করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : কিছু কিছু গ্রন্থে বিশেষতঃ ‘আলি‌ফ লাইলা’ (একহাজার এক আরব্য রজনী) গ্রন্থে হারুনুর রশীদ সম্পর্কে লেখা হয়েছে যে, তিনি খেল-তামাশা ছাড়া কিছুই চিনতেন না, মদ খেতেন, বাঁদি নাচাতেন, বাঁদিদেরকে তার কাছে কাছে রাখতেন ইত্যাদি। এগুলো কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : লুক্বমান (আলাইহিস সালাম) কি নবী ছিলেন, না-কি ছালিহ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : কোন ভবনের দ্বিতীয় তলায় মসজিদ। নিচতলায় রংয়ের গুদাম, মসজিদের টয়লেট এবং ওযূখানা। দ্বিতীয় তলায় মসজিদের মিম্বার বরাবর নিচ তলায় হাতের বায়ে দেয়াল ঘেষে একটি কবর। প্রশ্ন হল, উক্ত মসজিদে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : বর্তমানে ছোট বাচ্চাদের পোশাক মানেই বিভিন্ন প্রাণীর কার্টুনযুক্ত পোশাক। এরূপ ছবি ও কার্টুনযুক্ত পোশাক বাচ্চাদের পরানো যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : তিনতলা বিশিষ্ট মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। সেখানে সিরামিক ইট ব্যবহার করে সুন্দর করা হচ্ছে। এটা দেখে এলাকার লোকেরা ঠাট্টা করে বলাবলি করছে এখান থেকেই ক্বিয়ামত শুরু হবে। এভাবে বলা কি জায়েয?   - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) :  অনেক রকম  দুরূদের কথা অনেক বইয়ে পাওয়া যায়। যেমন দুরূদে লাকী, দুরূদে শেফা, দুরূদে তুনাজজিনা, দুরূদে ইবরাহীম। প্রশ্ন হল- ছহীহ আমলের জন্য কোন্ দুরূদ পড়তে হবে, কখন ও কতবার পড়তে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : নেকির আশায় হাতের আঙ্গুলে গুণে গুণে দু‘আ ও যিকির করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ