রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন
উত্তর : খ্রিস্টান মিশনারী স্কুল-কলেজে পড়াশোনা করা যাবে না। কারণ খ্রিস্টান মিশনারী স্কুল-কলেজে পড়াশোনা করে লক্ষ লক্ষ মুসলিম তরুণ-তরুণী ঈমানহারা ও নাস্তিকে পরিণত হচ্ছে। আমাদের দেশে নাস্তিক্যবাদের আধিক্যের মুখ্য ও বুনিয়াদি কারণ-ই হল খ্রিস্টান মিশনারী স্কুল-কলেজ। সেজন্য পিতা-মাতাদের উচিত সন্তানদের ভালো ইসলামিক প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নের ব্যবস্থা করা। যেখানে ঈমান ও দ্বীনের ক্ষতি হবে এমন কোন বিধর্মী ও অইসলামিক প্রতিষ্ঠানে ভর্তি না করা (ইসলাম ওয়েব, ফৎওয়া নং-১০৬৮১)। শায়খ ছালিহ আল-মুনাজ্জিদ (হাফিযাহুল্লাহ) বলেন, ‘এমন প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান যেখানে সন্তান ধর্মত্যাগী ও ঈমানহারা হতে পারে, সেখান থেকে সন্তান-সন্ততিদের বিরত রাখা প্রত্যেক পিতা-মাতার উপর অপরিহার্য কর্তব্য। কেননা ঈমান সবকিছুর-ই উপরে। সুশিক্ষার নামে ঈমান বিসর্জন কোন অবস্থাতেই জায়েয নয়’ (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১৪৫৩৫২)। আবূ হুরাইরা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘প্রত্যেক নবজাতক শিশু ইসলামী ফিতরাত-তাওহীদের উপর জন্মগ্রহণ করে। অতঃপর তার পিতা-মাতা তাকে ইয়াহুদী এবং খ্রিষ্টান অথবা অগ্নিপূজারী রূপে গড়ে তোলে’ (ছহীহ বুখারী, হা/১৩৫৮; ছহীহ মুসলিম, হা/২৬৫৮; আবূ দাঊদ, হা/৪৭১৪; তিরমিযী, হা/২১৩৮)। তাই প্রাতিষ্ঠানিক ও পার্থিব জীবনের সফলতাকে তুচ্ছ করে আল্লাহভীতিতে সজাগ হতে হবে। পরকালে উত্তীর্ণ হওয়ার প্রাণপণ চেষ্টা করতে হবে। তাছাড়া ক্রুশযুক্ত পোশাক পরিধান করা হারাম (আল-ইনসাফ, ১/৩৩৪ পৃ.)। আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ ﷺ كَانَ لَا يَتْرُكُ فِيْ بَيْتِهِ شَيْئًا فِيْهِ تَصْلِيبٌ إِلَّا قَضَبَهُ ‘রাসূল (ﷺ) তাঁর ঘরে ক্রুশ চিহ্নযুক্ত কোন জিনিসই অবশিষ্ট রাখতেন না, বরং তিনি সেগুলোকে ছিঁড়ে বা ভেঙ্গে ফেলতেন’ (ছহীহ বুখারী, হা/৫৯৫২)। অন্য বর্ণনায় এসেছে, لَمْ يَكُنْ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ يَدَعُ فِيْ بَيْتِهِ ثَوْبًا فِيْهِ تَصْلِيْبٌ إِلَّا نَقَضَهُ ‘রাসূল (ﷺ) তাঁর ঘরে ক্রুশ চিহ্নযুক্ত কোন কাপড়ই রাখতেন না, বরং তিনি সেগুলোকে ছিঁড়ে ফেলতেন’ (মুসনাদে আহমাদ, হা/২৪২৬১, ২৬১৪২, সনদ ছহীহ)।

ইমাম ইবনু হায্ম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘পোশাক-প্রসাধনী, অলংকার, সাজসজ্জার উপকরণ, সুশোভিতকরণ বা অন্যান্য কোন কিছুতেই ক্রুশ/ক্রসচিহ্ন অবশিষ্ট রাখা বৈধ নয়’ (আল-মুহাল্লা, ৭/৫১৬ পৃ.)। শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘ছবিযুক্ত পোশাক ও অলংকার পরিধান করা জায়েয নয়। অনুরূপভাবে ক্রুশযুক্ত পোশাকও পরিধান করা নাজায়েয। কেননা এর মধ্যে খ্রিষ্টানদের সাদৃশ্য রয়েছে’ (ফাতাওয়া নূরুন আলাদ দারব ইবনে বায, ৭/২৮৮ পৃ.)। শায়খ উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘ছালাতের মধ্যে ও বাহিরে উভয়াবস্থাতেই ক্রুশযুক্ত পোশাক পরিধান করা হারাম’ (শারহু রিয়াযিছ ছালিহীন, ৪/৩০০ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : হারুন অর রশীদ, নাটোর।





প্রশ্ন (৩৭) : নফল ছিয়াম ভেঙ্গে ফেলা যাবে কি এবং ভেঙ্গে ফেলা ছিয়ামের কাযা আদায় করতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : স্বামী-স্ত্রী একসাথে জামা‘আতে ছালাত আদায় করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : নারীরা বাড়িতে ছালাত আদায় করলে পুরুষের জামা‘আতের ন্যায় ২৭ বা ২৫ গুন ছাওয়াব পাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : তাজা মাছ কাটার সময় কি যব্হ করার দু‘আ বলতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫): এক বছরের বাচ্চা যদি ছালাত আদায়ের সময় কাপড়ে পেশাব-পায়খানা করে দেয়, তাহলে এমতাবস্থায় ছালাত চালিয়ে যেতে হবে, না-কি পোশাক পরিবর্তন করে পুনরায় ছালাত আদায় করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : আমাদের মসজিদে লক্ষ্য করা যায় যে, প্রতিদিনই অনেক লোক ফজরের ছালাত চলাকালীন সুন্নাত ছালাত আদায় করতে থাকে। তাদের ধারণা হল- ফরজের আগেই সুন্নাত ছালাত পড়তে হবে। পরে পড়া যাবে না। উক্ত ধারণা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : আল্লাহ সৎআমলের ছওয়াব বিশ লক্ষগুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেন। বর্ণনাটি কী ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : কবরের গভীরতার ব্যাপারে শরী‘আতের কোন নির্দেশ আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : মক্কা বা মদীনায় কেউ মারা গেলে ক্বিয়ামতের দিন নিরাপদ অবস্থায় উঠবে এবং আমার শাফা‘আত তার জন্য ওয়াজিব হবে যাবে (ত্বাবারাণী কাবীর হা/৬১০৪)। উক্ত বর্ণনা কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : একাকী ছালাত আদায়ের সময় দুই পায়ের মাঝে কতটুকু ফাঁকা রাখতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : গান শুনা ইমামের পিছনে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : হজ্জের সময় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করতে হয় কী কারণে? সেখানে কি শয়তানকে বেঁধে রাখা হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ