বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২২ পূর্বাহ্ন
উত্তর : ঈদের দিন আনন্দ হবে এটাই স্বাভাবিক। তবে আনন্দ-উল্লাসের নামে গান-বাজনা করা, অবৈধ খেলাধুলার আয়োজন করা এবং টিভি-সিনেমার নোংরা চলচ্চিত্র দর্শন করা, নগ্নতা, বেহায়াপনা প্রদর্শন করা হারাম। কেননা এগুলো মুসলিম সংস্কৃতিকে ধ্বংস করার ইহূদী-খ্রিষ্টান ও পাশ্চাত্য সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠী কর্তৃক চালু করা অপসংস্কৃতি। তাছাড়া ছিয়াম পালনকারী কোন ব্যক্তি এরূপ করতেই পারে না (ছহীহ বুখারী, হা/১৯০৪; নাসাঈ, হা/২২১৬; মিশকাত, হা/১৯৫৯)। আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন,

دَخَلَ أَبُوْ بَكْرٍ وَعِنْدِىْ جَارِيَتَانِ مِنْ جَوَارِى الْأَنْصَارِ تُغَنِّيَانِ بِمَا تَقَاوَلَتِ الْأَنْصَارُ يَوْمَ بُعَاثَ قَالَتْ وَلَيْسَتَا بِمُغَنِّيَتَيْنِ فَقَالَ أَبُوْ بَكْرٍ أَمَزَامِيْرُ الشَّيْطَانِ فِىْ بَيْتِ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَذَلِكَ فِىْ يَوْمِ عِيْدٍ فَقَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا أَبَا بَكْرٍ إِنَّ لِكُلِّ قَوْمٍ عِيْدًا وَهَذَا عِيْدُنَا

‘আবুবকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) এলেন, তখন আমার কাছে আনছারী দু’টি মেয়ে বু‘আছ যুদ্ধের দিন আনছারীগণ যা পরস্পর বলেছিলেন সে সম্পর্কে গান গাইছিল। তিনি বলেন, তারা কোন পেশাদার গায়িকা ছিল না। আবুবকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বললেন, আল্লাহর রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঘরে শয়তানী বাদ্যযন্ত্র (দফ্)! আর এটি ছিল ঈদের দিন। তখন আল্লাহর রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে আবুবকর! থাম থাম। প্রত্যেক জাতির জন্য আনন্দ উৎসব রয়েছে। আর এদিন আমাদের আনন্দ উৎসবের দিন (ছহীহ বুখারী, হা/৯৫২; ছহীহ মুসলিম, হা/৮৯২; মিশকাত, হা/১৪৩২)।

প্রশ্নকারী : আখতার, খুলনা।





প্রশ্ন (৯) : ইসলামী খিলাফতের দায়িত্ব ও কর্তব্য কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪১) : স্বামী-স্ত্রীর মাঝে দ্বন্দ্ব হলে ‘মীমাংসামূলক ছালাত’ নামে ছালাত পড়া হয়। উক্ত ছালাতের কোন দলীল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, বিদ‘আতীদের বক্তব্য শুনা যাবে না এবং তাদের থেকে ইলম গ্রহণ করা যাবে না। কারণ এটা ক্বিয়ামতের আলামত। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : রাসূল (ﷺ) মক্কা বিজয়ের আগে মূর্তি থাকা অবস্থায় কা‘বার পাশে ছালাত আদায় করেছেন মর্মে বক্তব্য কি সঠিক? উল্লেখ্য যে, জানা যায় যে, মক্কা বিজয়ের আগে কা‘বা ঘরের ভিতরে ৩৬০টি মূর্তি ছিল। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৮) : অনেকেই কবরস্থানে গিয়ে সূরা ইয়াসীন বা কুরআন তেলাওয়াত করে থাকে। এটা শরী‘আতসম্মত কি-না? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : ফরয ছালাত শেষ করে অর্থাৎ সালাম ফিরিয়ে সুন্নতী যিকিরগুলো পড়ার পর একাকী হাত তুলে দু‘আ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : জান্নাতের হূরগণ বলবে, نَحْنُ الْخَالِدَاتُ فَلَا نَبِيْدُ وَنَحْنُ النَّاعِمَاتُ فَلَا نَبْأَسُ وَنَحْنُ الرَّاضِيَاتُ فَلَا نَسْخَطُ طُوْبَى لِمَنْ كَانَ لَنَا وَكُنَّا لَهُ ‘আমরা চিরদিন থাকব, কখনও ধ্বংস হব না। আমরা হামেশা সুখে-সানন্দে থাকব, কখনও দুঃখ-দুশ্চিন্তায় পতিত হবে না। আমরা সর্বদা সন্তুষ্ট থাকব, কখনও নাখোশ হব না। সুতরাং তাকে ধন্যবাদ, যার জন্য আমরা এবং আমাদের জন্য যিনি’ (তিরমিযী, হা/২৫৬৪; মিশকাত, হা/৫৬৪৯; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/৫৪০৭, ১০/১৫০ পৃ.) মর্মে বর্ণনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : মানতের খানা কি সবাই খেতে পারে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : কোন নবীর নামের আগে ‘হযরত’ বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : হানাফী মাযহাবের আলেমরা বলে থাকেন যে, একটি মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হলে সে নিজে নিজে বিবাহ করতে পারবে। অভিভাবকের অনুমতির প্রয়োজন নেই। তারা দলীল হিসাবে পেশ করে নিম্নের হাদীছটি। একদা রাসূল (ﷺ)-এর কাছে এসে এক মেয়ে বলল, আমাকে বিয়ে করুন। রাসূল (ﷺ) বললেন, আমার প্রয়োজন নেই। তখন এক ছাহাবী দাঁড়িয়ে বলেন, আপনার প্রয়োজন না হলে আমার প্রয়োজন আছে। তখন রাসূল (ﷺ) তাদেরকে বিবাহ করিয়ে দেন (বুখারী, হা/২৩১০; মুসলিম, হা/১৪২৫)।। তাদের দাবী কি সঠিক? কোন মেয়ে অভিভাবক ছাড়া বিয়ে করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : বিকাশে লেনদেন করলে বিভিন্ন সময় ক্যাশব্যাক পাওয়া যায়। এই ক্যাশব্যাক কি গ্রহণ করা যাবে? আবার বিভিন্ন ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট থাকলে বছর শেষে চার্জ কাটা হয়। এই ব্যাংক চার্জ কি ঐ ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত সূদের টাকা থেকে বাদ দেয়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : হাদীছে এসেছে, ৭০ হাজার ব্যক্তি বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদের কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তার মধ্যে একটা হল- তারা ঝাড়-ফুঁকের আশ্রয় নিবে না। অথচ হাদীছ থেকে আমরা জানতে পারি, ঝাড়-ফুঁক বৈধ। যেমন সূরা ইখলাছ, ফালাক্ব ও নাস দিয়ে ঝাড়-ফুঁক করা। প্রশ্ন হল-ঝাড়-ফুঁক না করলে বিনা হিসাবে জান্নাতে যাবে, তাহলে সেটা কী ধরনের ঝাড়-ফুঁক?- - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ