উত্তর : না। শুধু বেনামাজী হওয়ার কারণে শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা যাবে না। উবাদাহ ইবনু ছামিত (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন,
دَعَانَا النَّبِيَّ ﷺ فَبَايَعْنَاهُ... وَأَنْ لَا نُنَازِعَ الْأَمْرَ أَهْلَهُ إِلَّا أَنْ تَرَوْا كُفْرًا بَوَاحًا عِنْدَكُمْ مِنَ اللهِ فِيْهِ بُرْهَانٌ
‘রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের অঙ্গীকার নিয়েছিলেন যে, আমরা যেন শাসন নেতৃত্বের বিরোধিতা না করি; ‘যতক্ষণ না তোমরা স্পষ্ট কুফরি দেখতে পাও, যে বিষয়ে আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে স্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে’ (ছহীহ বুখারী, হা/৭০৫২; ছহীহ মুসলিম, হা/১৭০৯)। শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়া (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন,
ولعله لا يكاد يعرف طائفة خرجت على ذي سلطان إلا وكان في خروجها من الفساد ما هو أعظم من الفساد الذي أزالته
‘এমন কোন দলের কথা ইতিহাসে দেখাই যায় না, যারা শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছে আর তাদের বিদ্রোহের ফলে যে বিশৃঙ্খলা ও ফাসাদ সৃষ্টি হয়েছে তা পূর্বের ক্ষয়ক্ষতির চেয়ে বড় রূপ নেয়নি’ (মিনহাজুস সুন্নাহ আন-নাবাবিয়্যা, ৪/৫২৭ পৃ.)। শায়খ আব্দুল আযীয ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘দু’টি শর্ত ছাড়া শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ জায়েয নয়। প্রথমতঃ আল্লাহর পক্ষ থেকে স্পষ্ট দলীলসহ প্রকাশ্য কুফরি বিদ্যমান থাকা। দ্বিতীয়তঃ তার চেয়ে বড় কোন ক্ষতি বা ফিতনা সৃষ্টি করা ছাড়া তাকে সরানোর পূর্ণ সক্ষমতা থাকা’ (মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনু বায, ৮/২০৩ পৃ.)।
প্রশ্নকারী : মোঃ নাহিদ হাসান শিমুল, সবুজবাগ, ঢাকা।