বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২০ পূর্বাহ্ন
উত্তর : সৃষ্টিজগতের অস্তিত্ব, তার সুসংবদ্ধতা, কারণ-নির্ভরতা, পরিবর্তনশীলতা এবং উদ্দেশ্যময় বিন্যাস পর্যবেক্ষণ করে সৃষ্টিকর্তার ক্ষমতা, জ্ঞান ও একত্বের প্রমাণ করে। আল্লাহ বলেন, اَمۡ  خُلِقُوۡا  مِنۡ غَیۡرِ  شَیۡءٍ  اَمۡ ہُمُ الۡخٰلِقُوۡنَ ‘তারা কি কোন কিছু ছাড়াই সৃষ্টি হয়েছে, না-কি তারা নিজেরাই নিজেদের সৃষ্টিকর্তা?’ (সূরা আত-তূর : ৩৫)। মানবসৃষ্টির বিভিন্ন স্তরও স্রষ্টার অস্তিত্ব ও তাঁর পরিকল্পিত সৃষ্টিশক্তির প্রমাণ। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

ثُمَّ جَعَلَ نَسۡلَہٗ  مِنۡ سُلٰلَۃٍ مِّنۡ مَّآءٍ مَّہِیۡنٍ- ثُمَّ سَوّٰىہُ  وَ نَفَخَ فِیۡہِ مِنۡ رُّوۡحِہٖ

‘অতঃপর তিনি তাঁর বংশধরকে সৃষ্টি করেছেন তুচ্ছ তরল পদার্থের নির্যাস থেকে; তারপর তাকে সুঠাম করেছেন এবং তাতে তাঁর রূহ ফুঁকে দিয়েছেন’ (সূরা আস-সাজদাহ : ৮-৯)। মহাবিশ্বের সুশৃঙ্খলতা একক নিয়ন্ত্রক রবের দিকে নির্দেশ করে। মহান আল্লাহ বলেন, لَوۡ  کَانَ فِیۡہِمَاۤ  اٰلِہَۃٌ  اِلَّا اللّٰہُ  لَفَسَدَتَا ‘আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে আল্লাহ ছাড়া অন্য উপাস্য থাকলে উভয়ই অবশ্যই বিশৃঙ্খল হয়ে যেত’ (সূরা আল-আম্বিয়া : ২২)। আব্দুর রহমান ইবনু নাছির আস-সা‘দী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘আমরা ঊর্ধ্বজগৎ ও নিম্নজগৎ এ যা দেখতে পাই সেগুলো পূর্ণ কল্যাণ, শৃঙ্খলা ও সুসমন্বয়ের মধ্যে পরিচালিত হচ্ছে। এতে কোন বিশৃঙ্খলা, ত্রুটি, পারস্পরিক প্রতিরোধ বা বিরোধ নেই। এ বাস্তবতা প্রমাণ করে যে, এ জগতের পরিচালক একজন, এর রব একজন এবং এর ইলাহও একজন। যদি এ জগতের দুই বা ততোধিক পরিচালক ও রব থাকত, তবে এর ব্যবস্থাপনা অবশ্যই বিশৃঙ্খল হয়ে যেত এবং এর ভিত্তিসমূহ ধ্বংস হয়ে পড়ত’ (আস-সা‘দী, তাইসীরুল কারীমির রহমান ফী তাফসীরি কালামিল মান্নান, পৃ. ৫২১)। তবে এ মর্মে আক্বীদা সুদৃঢ় রাখতে হবে যে, বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার কুরআনের চূড়ান্ত তাফসীর নয়; কুরআনের সুস্পষ্ট অর্থই মূল, আর পরিবর্তনশীল বৈজ্ঞানিক তত্ত্বকে চূড়ান্ত আক্বীদাগত দলীল বানানো যাবে না।


প্রশ্নকারী : নাহিদ ইসলাম, সাতক্ষীরা।





প্রশ্ন (১৪) : যে ব্যক্তি হিজাব পরিধানকারী এবং মুখমণ্ডল ও হাত ঢেকে রাখা কোন মুসলিম নারীকে উপহাস করে, তার হুকুম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : হায়াতুন্নবীতে বিশ্বাস করা যাবে কি? অলী-আওলিয়া কবরে জীবিত থেকে মানুষের উপকার বা ক্ষতি করতে পারেন এমন বিশ্বাস করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩): অপচয় ও অপব্যয় এর মধ্যে কোন পার্থক্য আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : তাহাজ্জুদ বা তারাবীহর মত নফল ছালাতে কুরআন দেখে দেখে পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : জনৈক আলেম বলেন, রাতে ঘুম ভেঙ্গে যাওয়ার পর যে ব্যক্তি নিম্নের দু‘আটি পাঠ করবে, তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে। যদি সে দু‘আ করে, তবে তার দু‘আ কবুল হবে। আর সে যদি উঠে ওযয় করে ছালাত আদায় করে, তাহলে তার ছালাত কবুল হবে। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?   لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَاللهُ أَكْبَرُ وَلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللهِ الْعَلِىِّ الْعَظِيمِ رَبِّ اغْفِرْ لِى - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : ইসলামে মূর্তি পূজা করা নিষেধের দলীল কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : মহিলার দেহ থেকে লোম তুলে ফেলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : জাহান্নামের স্তর কয়টি? কারা কোন্ স্তরে প্রবেশ করবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : লাল ও হলুদ পোশাক পরিধানের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : মানুষের কাছ থেকে সম্মান অর্জনের ক্ষেত্রে কি কেবল দু‘আতেই সীমাবদ্ধ থাকতে হবে, না-কি ইসলামিক শিষ্টাচার, আচার-আচরণ, উত্তম চরিত্র, বক্তব্য ও বডি ল্যাঙ্গুয়েজসহ অন্যান্য বৈধ উপায় বা কৌশল অনুসরণ করা শরী‘আতসম্মত? আমার ধারণা হলো- সম্মান পাওয়ার উদ্দেশ্যে এসব করা হারাম এবং শিরকের অন্তর্ভুক্ত। আমার এই ধারণা কি সঠিক? ইসলামের দৃষ্টিতে কী করলে সম্মান অর্জন করা বৈধ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : রামাযান মাসে একই রাত্রিতে তারাবীহ ও তাহাজ্জুদ পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৯) : আযানের পূর্বে ‘বিসমিল্ল­াহ’ বলা, কুরআনের আয়াত পড়া, ইসলামী গযল বলা, বিভিন্ন দু‘আ পড়া, মানুষকে ডাকাডাকি করা, ফজরের আযানের পূর্বে ‘আছ-ছালাতু খায়রুম মিনান্নাঊম’ বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ