রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:২৮ অপরাহ্ন
উত্তর : অহংকারের উদ্দেশ্য হোক বা না হোক পুরুষের জন্য টাখনুর নীচে কাপড় ঝুলিয়ে পরা হারাম। নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,

ثَلَاثَةٌ لَا يُكَلِّمُهُمُ اللهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَلَا يَنْظُرُ إِلَيْهِمْ وَلَا يُزَكِّيْهِمْ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيْمٌ. قَالَ فَقَرَأَهَا رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم ثَلَاثَ مِرَارٍ. قَالَ أَبُوْ ذَرٍّ خَابُوْا وَخَسِرُوْا مَنْ هُمْ يَا رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ الْمُسْبِلُ وَالْمَنَّانُ وَالْمُنَفِّقُ سِلْعَتَهُ بِالْحَلِفِ الْكَاذِبِ

‘তিন ব্যক্তির সাথে ক্বিয়ামতের দিন আল্লাহ তা‘আলা কথা বলবেন না, তাদের প্রতি তাকাবেন না, তাদেরকে পবিত্র করবেন না এবং তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে। রাবী বলেন, একথাগুলো রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনবার বললেন। আবুযার (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! তারা ব্যর্থ ও ক্ষতিগ্রস্ত হোক, তারা কারা? তিনি বললেন, টাখনুর নীচে কাপড় পরিধানকারী, কিছু দান করে অনুগ্রহ প্রকাশকারী এবং মিথ্যা কসম করে পণ্যদ্রব্য বিক্রয়কারী’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১০৬; মিশকাত, হা/২৭৯৫)। অন্যত্র রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, لَا يَنْظُرُ اللهُ إِلَى مَنْ جَرَّ ثَوْبَهُ خُيَلَاءَ ‘যে ব্যক্তি অহংকার করে তার কাপড় টাখনুর নীচে ঝুলিয়ে পরবে তার দিকে আল্লাহ তা‘আলা রহমতের দৃষ্টি দিবেন না’ (ছহীহ বুখারী, হা/৫৭৮৪; ছহীহ মুসলিম, হা/২০৮৫)। অন্যত্র বর্ণিত হয়েছে, টাখনুর নীচে কাপড় পরিধানকারী জাহান্নামী (ছহীহ বুখারী, হা/৫৭৮৭; মিশকাত, হা/৪৩১৪)। পূর্ববর্তী যুগে কোন এক ব্যক্তিকে টাখনুর নীচে কাপড় পরিধানের জন্য আল্লাহ তা‘আলা তাকে মাটির নীচে দাবিয়ে দিয়েছিলেন (ছহীহ বুখারী, হা/৩৪৮৫; ছহীহ মুসলিম, হা/২০৮৮; মিশকাত, হা/৪৩১৩)। উল্লেখ্য, নারীরা এই হুকুমের অন্তর্ভুক্ত নয়। কেননা গোটা শরীরই তাদের সতর।


প্রশ্নকারী : আখতারুল ইসলাম, রাজনগর, সাতক্ষীরা।




প্রশ্ন (২৫) : মহিলাদের দ্বারা একটি ইয়াতীম বালিকা মাদরাাসা পরিচালিত হয়। যেখানে ৪৫/৫০ জন বাচ্চা আছে। যাদের বয়স ৭ বৎসর থেকে ১৫/১৬ বৎসর পর্যন্ত। তাদের ঘরের বাইরে খেলাধূলা করার কোনো সুযোগ নেই।  এমতাবস্থায়  তারা কি ঘরের মধ্যে লুডু, ক্যারাম বোর্ড ও দাবা, খেলতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : যে ইমাম তাবীযের ব্যবসা করে তার পিছনে কি ছালাত হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : মাগরিবের সময় দরজা বন্ধ না রাখলে ঘরে জিন ও শয়তান প্রবেশ করে। এ কথা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : গীবতের গুনাহ থেকে কিভাবে বাঁচব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : কোন ব্যক্তি তওবা করার পর পুনরায় সেই পাপে লিপ্ত হলে তাকে কি কাফফারা দিতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : হজ্জ ও ওমরাতে যাওয়া উপলক্ষে সমস্ত আত্মীয়-স্বজন ও গ্রামের মানুষকে দাওয়াত দিয়ে ব্যাপক আকারে খাবার অনুষ্ঠান করা ও তাতে অংশগ্রহণ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : মিশনারী স্কুলে পড়ালেখা করা কি জায়েয? খ্রিস্টানদের চিহ্ন সম্বলিত ইউনিফর্ম পরিধান করার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০): ইসলামের পথ থেকে দূরে থাকার কারণে বিগত বছরগুলোতে আমি যাকাত আদায় করিনি। আলহামদুলিল্লাহ্, গত বছর থেকে আমি ইসলামে ফিরে এসেছি। এখন আমি তাওবাহ্ করেছি। আমার তাওবার কারণে কি আমি যাকাত আদায় করা থেকে অব্যাহতি পাবো? যদি অব্যাহতি না পায় তাহলে সমাধান কী? বিগত বছরগুলোর যাকাত আমি কিভাবে আদায় করব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : বন্দকী জমি চাষাবাদ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : প্রতিদিন রাতে সূরা মুলক পড়া সুন্নাহ। প্রশ্ন হল- যদি কেউ মাগরিবের ছালাত অথবা এশার ছালাতের পর সময়ের ব্যস্ততার কারণে মসজিদ থেকে বের হয়ে কর্মস্থানে যেতে যেতে সূরা মুলক পাঠ করে, তাহলে কি ছওয়াব পাওয়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : রাফ‘ঊল ইয়াদায়েন করার সঠিক নিয়ম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : জনৈক আলেম لَهُ مَقَالِيدُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ এই আয়াত সম্পর্কে বলেন যে, এর ব্যাখ্যা হল নিম্নে দু‘আ- لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ، وَسُبْحَانَ اللهِ، وَبِحَمْدِهِ، وَأَسْتَغْفِرُ اللهَ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللهِ، الْأَوَّلُ وَالْآخِرُ وَالظَّاهِرُ وَالْبَاطِنُ، بِيَدِهِ الْخَيْرُ، يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ আর এর ফযীলত হল, যে ব্যক্তি প্রত্যেক দিন সকালে উক্ত আয়াত পাঠ করবে, তার জন্য ছয়টি ফযীলত রয়েছে- (ক) সে শয়তান ও তার সহযোগীদের থেকে রক্ষা পাবে। (খ) তাকে এক কিনতার (অঢেল মাপ) পরিমাণ নেকী দেয়া হবে। (গ) তার জন্য জান্নাতে একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেয়া হবে। (ঘ) তার সাথে চোখ জুড়ানো হুরদের বিবাহ দেয়া হবে। (ঙ) তার নিকট দশজন ফেরেশতা উপস্থিত থাকবে। (চ) কুরআন, তাওরাত, ইঞ্জীল ও যাবূর তেলাওয়াত করার মত নেকী দেওয়া হবে। বিশেষ করে সে একটি কবুল হজ্জ ও ওমরার নেকী পাবে। যদি সে ঐ দিন মারা যায় তবে শহীদের মর্যাদা লাভ করবে। উক্ত বর্ণনা কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ