রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:৩০ অপরাহ্ন
উত্তর : ফিতরা শুধু গরীব, ফক্বীর-মিসকীনদের জন্যই নির্ধারিত। ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূল (ﷺ) ছাদাক্বাতুল ফিতর ফরয করেছেন- অশ্লীল কথা ও বেহুদা কাজ হতে ছিয়ামকে পবিত্র করার জন্য এবং মিসকীনদের খাদ্যের ব্যবস্থার জন্য। যে ব্যক্তি ঈদের ছালাতের পূর্বে তা আদায় করে সেটা ক্ববুল ছাদাক্বা হিসাবে গণ্য হবে। আর যে ব্যক্তি ছালাতের পরে আদায় করে, তা সাধারণ দান হিসাবে গৃহীত হবে’ (আবূ দাঊদ, হা/১৬০৯; ছহীহুল জামি‘, হা/৩৫৭০)।

অতএব এ হাদীছ প্রমাণ করে যে, ‘ছাদাক্বাতুল ফিতর মিসকীনদের খাদ্য স্বরূপ ফরয করা হয়েছে’। সুতরাং এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা অপরিহার্য’ (নাইলুল আওত্বার, ৪/২১৮ পৃ.)। আর নবী (ﷺ) ফিতরাকে যাকাতের মত আটটি খাতে বিভক্ত করেননি। আর তিনি এর আদেশ দিয়েছেন এবং কোন ছাহাবীও এরূপ করেননি (যাদুল মা‘আদ, ২/২১ পৃ.)। শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘দলীলের দিক থেকে এই অভিমতটিই মজবুত’ (মাজমূঊল ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়্যাহ, ২৫/৭১ পৃ.)। ইমাম ইবনুল ক্বাইয়িম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘নবী (ﷺ)-এর আদর্শ ছিল মিসকীনদেরকে দেয়া। তিনি আট শ্রেণীর মাঝে ভাগ করতেন না এবং সে নির্দেশও দেননি এবং কোন ছাহাবীও এমন কাজ করেননি। ছাহাবীদের পরেও কেউ করেননি’ (যাদুল মা‘আদ, ২/২২ পৃ.)। শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘ফিতরা বণ্টনের খাত হচ্ছে গরীব ও মিসকীন’ (মাজমূউ ফাতাওয়া ইবনে বায, ১৪/২০২ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : আব্দুল আযীয, সাতক্ষীরা।
প্র




প্রশ্ন (১৫) : সিজদায় গিয়ে কুরআনে বর্ণিত দু‘আ পড়া যাবে কি?     - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : একই পশুতে কুরবানী ও আক্বীক্বার নিয়ত করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : সুগন্ধি বা পারফিউম ব্যবহার করে কোন মহিলা বাড়ির বাইরে যেতে পারে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : মাওলানা আবু তাহের বর্ধমানী রচিত ‘কাট হুজ্জতির জওবাব’ বইয়ের ২৫ পৃষ্ঠায় একটি হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। যেমন আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ক্বিয়ামতের দিন আহলেহাদীছগণ আমলনামাসহ উপস্থিত হবেন। তখন আল্লাহ বলবেন, তোমরা আহলেহাদীছ বেহেশতে প্রবেশ কর’ (ত্বাবারাণী, আল-ক্বাওলুল বাদী, পৃ. ১৮৯)। উক্ত হাদীছটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : তালাক্ব দেয়ার শারঈ পদ্ধতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : হস্তমৈথুন জায়েয মর্মে নিম্নের বর্ণনা উল্লেখ করা হয়। এক যুবক ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে জিজ্ঞেস করল, আমি যুবক মানুষ, আমি তীব্র যৌন উত্তেজনা অনুভব করি। আমি কি হস্তমৈথুন করে বীর্যপাত করতে পারব? তিনি বলেন, এটা যেনা করার চেয়ে উত্তম এবং তার চেয়েও উত্তম হল কোন দাসীকে বিবাহ করা (বায়হাক্বী, আস-সুনানুল কুবরা হা/১৪৫১৩)। বর্ণনাটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : ছালাত শুরুর প্রথম তাকবীর ‘আল্লাহু আকবার’ ইমাম ও মুক্তাদী উভয়ে কি উচ্চৈঃস্বরে বলতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : কুরবানী করার সময় কোন্ দু‘আ পড়তে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : জনৈক আলেম বলেন, ‘কোন ব্যক্তি যদি কোন মুমিন ব্যক্তির প্রতি অভিশাপ করে, তাহলে সে তাকে হত্যা করার মত পাপ করল’। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : ইসলামী রাজনীতিতে ন্যায়বিচার (العدل) ও জবাবদিহিতা (المحاسبة) কীভাবে নিশ্চিত করা হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : সুন্নাতে মুওয়াক্কাদাহ কাকে বলে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) একবার দাবা খেলায় রত কিছু মানুষের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বললেন, এই মুর্তিগুলো কী, যাদের সামনে তোমরা বসে আছ? এগুলো স্পর্শ করার চেয়ে জলন্ত অঙ্গার নির্বাপিত হওয়া পর্যন্ত তাতে হাতে রেখে দেয়া ভাল (সুনানে কুবরা, বায়হাক্বী, ১০/২১২)। আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে দাবা খেলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, সেটা ‘নারদ’ (নামক খেলা) থেকে নিকৃষ্ট (সুনানে কুবরা, বায়হাক্বী, ১০/২১২)। ইমাম আবু হানীফা (রাহিমাহুল্লাহ)-এর ছাত্র ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু হাসান (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, ‘দাবা খেলা, পাশা খেলা এবং এ জাতীয় খেলাগুলোতে কোন কল্যাণ নেই’। উপরিউক্ত দলীলের আলোকে লুডু, তাস, ক্যারাম ইত্যাদি খেলাকেও হারাম বলা হয়। প্রশ্ন হল, ছাহাবী বা তাবেঈ কি কোন জিনিস হারাম করতে পারেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ