মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন
উত্তর : ইসলামে চিকিৎসা গ্রহণ বৈধ; তবে চিকিৎসার কার্যকারিতা আল্লাহর ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল, এ বিশ্বাস থাকা আবশ্যক। তাই কোন কবিরাজের ওষুধ, ভেষজ বা অভিজ্ঞতার মাধ্যমে চিকিৎসা নেয়া হারাম নয়, যদি তা শরী‘আতসম্মত ও বৈধ উপায়ে হয়। কিন্তু যদি বিশ্বাস করা হয় যে, কবিরাজ নিজেই অদৃশ্যভাবে রোগ সারিয়ে দিতে পারে, জিন-ভূত নিয়ন্ত্রণ করে, তাবীয-কবচ, শিরকী মন্ত্র, গণনা, নক্ষত্র, ভাগ্য বা অজানা শক্তির মাধ্যমে রোগমুক্তি দেয়, তবে এ বিশ্বাস হারাম; বরং অনেক ক্ষেত্রে তা শিরক পর্যন্ত পৌঁছে যায়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, وَ  اِذَا  مَرِضۡتُ  فَہُوَ  یَشۡفِیۡنِ ‘আর আমি যখন অসুস্থ হই, তখন তিনিই (আল্লাহ) আমাকে সুস্থ করেন’ (সূরা আশ-শূ‘আরা : ৮০)। তিনি আরও বলেন, قُلۡ لَّنۡ یُّصِیۡبَنَاۤ اِلَّا مَا کَتَبَ اللّٰہُ  لَنَا ‘(হে নবী!) আপনি বলুন, আল্লাহ আমাদের জন্য যা নির্ধারণ করেছেন, তা ছাড়া অন্য কিছু আমাদের কাছে পৌঁছবে না’ (সূরা আত-তাওবাহ : ৫১)। এসব আয়াত থেকে স্পষ্ট হয় যে, প্রকৃত উপকার ও ক্ষতির মালিক একমাত্র আল্লাহ। চিকিৎসক, কবিরাজ বা ওষুধ কেবল মাধ্যম।

আবূ হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন, تَدَاوَوْا، فَإِنَّ اللهَ لَمْ يَضَعْ دَاءً إِلَّا وَضَعَ لَهُ دَوَاءً ‘তোমরা চিকিৎসা গ্রহণ কর। কেননা আল্লাহ এমন কোন রোগ সৃষ্টি করেননি, যার জন্য তিনি চিকিৎসাও সৃষ্টি করেননি’ (আবূ দাঊদ, হা/৩৮৫৫; তিরমিযী, হা/২০৩৮, সনদ ছহীহ)। অন্য হাদীছে এসেছে, مَنْ أَتَى عَرَّافًا فَسَأَلَهُ عَنْ شَيْءٍ، لَمْ تُقْبَلْ لَهُ صَلَاةٌ أَرْبَعِينَ لَيْلَةً ‘যে ব্যক্তি কোন গণক বা ভাগ্যবক্তার কাছে গিয়ে কিছু জিজ্ঞাসা করবে, তার চল্লিশ দিনের ছালাত কবুল হবে না’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২২৩০)। আরও কঠোরভাবে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি কোন জ্যোতিষী বা গণকের কাছে গিয়ে তার কথাকে সত্য বলে বিশ্বাস করল, সে মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর ওপর অবতীর্ণ বিধানের সাথে কুফরী করল’ (আহমাদ, হা/৯৫৩২; আবূ দাঊদ, হা/৩৯০৪, সনদ ছহীহ)।


প্রশ্নকারী : সাব্বির, কাঁচপুর, ঢাকা।





প্রশ্ন (৬) : তৃতীয় লিঙ্গ তথা হিজড়াদের অধিকার, মীরাছ, ইবাদতের পদ্ধতি, পোশাক, মু‘আমালাত, চালচলন, কর্মজীবন ইত্যাদি সম্পর্কে ইসলামের নির্দেশনা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবর্ষের শেষদিনের উৎসব (জঅএ উধু) পালন করা হয়। যদি সেখানে ফ্রি মিক্সিং, গান-বাজনা, রং মাখানো না থাকে শুধু টি-শার্টে স্বাক্ষর ও খাওয়া-দাওয়া করা হয়, তাহলে তা জায়েয হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : কোন মহিলা বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন হলে স্বামীর অনুমতি ছাড়াই বাইরে চলে যায়। স্বামীর অনুমতির প্রয়োজন মনে করে না। এক্ষেত্রে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : ভাড়া দেয়া হয়েছে এমন বাড়ীর যাকাত দেয়ার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : সরকারি চাকরির জন্য কোন পড়াশোনা করেনি এমন অনেকেই আছে, যারা সরকারি চাকরি পরীক্ষায় প্রশ্ন কিনে উত্তীর্ণ হয় এবং চাকরি নিশ্চিত করার জন্য সাথে সাথে ঘুষও প্রদান করে, এদের বেতনের টাকা কি হালাল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : পাপ কাজের জন্য কি মানুষ রিযিক থেকে বঞ্চিত হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : অনেকে জীব-জন্তু বা মানুষের ছবি দিয়ে শুভেচ্ছা ব্যানার তৈরি করেন। উক্ত ব্যানার বা কার্ডের ডিজাইনের কাজ করা কি হালাল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : কিভাবে বুঝব যে, আমার মধ্যে অল্পেতুষ্টি গুণটি রয়েছে? আর যদি না থাকে তাহলে কিভাবে এই গুণ নিজের মধ্যে আনতে পারি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : অনেক মসজিদ বা বাসা-বাড়িতে এমনকি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ৪ কূল বেঁধে রাখা হয়। এর কোন ফযীলত আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : অধিকাংশ মসজিদে ফরয ছালাতের কাতারে ৪/৬ ইঞ্চি ফাঁক রেখে দাঁড়ায় এতে ছালাতের কোন ঘাটতি হবে কি? কাতারের ফাঁক রাখার কোন হাদীছ আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ৮ লক্ষ টাকা এডভান্স দিয়ে একটি দোকান মাসিক ৮ হাজার টাকায় ভাড়া দেয়া হয়েছে। ভাড়া গ্রহীতা নিজে ব্যবসা না করে অন্যের নিকট কোন এ্যাডভ্যান্স না নিয়ে মাসিক ১৬ হাজার টাকায় ভাড়া দিতে পারবে কি? অর্থাৎ দোকান ভাড়া নিয়ে অন্যের নিকট ভাড়া দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : অনেকে ছেলে বিড়াল দ্বারা মেয়ে বিড়াল এর সাথে ব্রীড করায় বা মেটিং করায় এবং তার বিনিময়ে টাকাও নেয়। এটা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ