মঙ্গলবার, ০৯ Jun ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন

তরুণদের বিদ্রোহ, বিক্ষোভ ও সন্ত্রাসবাদ থেকে সতর্কীকরণ 

- মুহাম্মাদ ইবনু নাছির আল-উরাইনি (রাহিমাহুল্লাহ) 
- অনুবাদ : মাসঊদুর রহমান* 


(৫ম কিস্তি) 

হত্যাকাণ্ড এবং বোমা হামলা

সন্ত্রাসী কায়দায় নিরীহ মানুষকে লক্ষ্য করে আতঙ্কিত করা ব্যক্তিদের শাস্তি সম্পর্কে শাইখ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ)-কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, বিশেষ করে যারা- রিয়াযে বোমা হামলা করে নিরপরাধ মানুষকে আতঙ্কিত ও ভীত করেছিল, অতঃপর হত্যা করেছিল, যার প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেছিলেন, ‘কোন সন্দেহ নেই যে, এই ঘটনাটি একটি জঘন্য এবং গুরুতর অন্যায়, যার ফলে ব্যাপক ফিতনা, অসংখ্য মন্দ কাজ এবং অপরিসীম যুল্ম করা হয়েছে। নিঃসন্দেহে এই ঘটনাটি তাদের দ্বারাই সংঘটিত হয়েছে যারা মহান আল্লাহ এবং পরকালকে বিশ্বাস করে না। যারা সত্যিকার অর্থে মহান আল্লাহ এবং পরকালকে বিশ্বাস করে তাদের কাউকে আপনি এই নিকৃষ্ট অপরাধমূলক কাজ করতে দেখবেন না, যা প্রচুর ক্ষতি এবং বড় ফেতনার কারণ হয়েছিল। বরং এই ঘটনা এবং অনুরূপ ঘটনাগুলো ঘৃণা, হিংসা, মন্দ, দুর্নীতি এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি বিশ্বাসের অভাব এমন নিকৃষ্ট ব্যক্তিদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছে। আমরা মহান আল্লাহর কাছে সুস্থতা ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করি এবং আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি- যেন তিনি  এই সমস্ত ক্ষেত্রে শাসকদেরকে সাহায্য করেন। বিশেষ করে এই অন্যায়কারীদেরকে খুঁজে বের করে তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনয়ন করা। কেননা তাদের অপরাধ গুরুতর।

ফলে অনেক অবিচার, যুলম-নির্যাতন, ফেতনা-ফাসাদ, জীবননাশ সহ অনেক অন্যায় সংঘঠিত হয়েছে। যা সবই অন্যায়, মহা দুর্নীতি এবং জঘন্য অপরাধ। আমরা মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি- তিনি যেন তাদের প্রকাশ করে দেন, তাদের শাস্তি দেন এবং  তাদের পরাস্ত করতে আমাদেরকে সক্ষমতা দান করেন। পাশাপাশি আমরা মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি- তিনি যেন তাদের এবং তাদের সমর্থকদের ব্যর্থ করে দেন।  পরিশেষে প্রার্থনা করি, আল্লাহ যেন শাসকদেরকে তাদের এই জঘন্য কাজ এবং এই মহা অপরাধের জন্য খুঁজে বের করে  প্রতিশোধ নিতে এবং শাস্তি দিতে সফল করেন। অতঃপর শাইখ বিন বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘এই দুষ্কৃতি লোকদের সম্পর্কে যারাই যা কিছু জানেন তাদের সকলকে তাদের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার পরামর্শ এবং আহ্বান জানাচ্ছি। যারা তাদের পরিস্থিতি এবং অবস্থা সম্পর্কে জানেন তাদের প্রত্যেকের উচিত তাদের ব্যাপারে রিপোর্ট করা। কারণ এটি পাপ এবং আগ্রাসন প্রতিরোধে, মানুষকে মন্দ, পাপ এবং আগ্রাসন থেকে রক্ষা করতে এবং এই যালিম অত্যাচারিদেরকে শাস্তি দেয়ার জন্য ন্যায়বিচারকে সক্ষম করার ক্ষেত্রে এক ধরণের সহযোগিতা বৈ কিছুই নয়’।[১]

হত্যা এবং বোমা হামলার বিষয়ে বিশিষ্ট শাইখ ছালিহ আল-ফাওযান (হাফিযাহুল্লাহ)-এর মন্তব্য হল- ‘হত্যা এবং নাশকতা নিষিদ্ধ। কারণ এগুলো মুসলিমদের ক্ষতি করে; এমনকি মুসলিমদেরকে হত্যা করে ও তাদের বাস্তুচ্যুতি ঘটায়, বিধায় এটা নিষিদ্ধ। কাফেরদের সাথে যা করণীয় তা হল- তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর পথে জিহাদ করা এবং যুদ্ধে তাদের মোকাবেলা করা। যদি মুসলিমরা সক্ষম হয়, তাহলে তাদের উচিত সেনাবাহিনী প্রস্তুত করে কাফেরদের উপর আক্রমণ করা এবং তাদের সাথে যুদ্ধ করা। যেমনটি নবী (ﷺ) করেছিলেন। নাশকতা এবং হত্যাকাণ্ড কেবল মুসলিমদের জন্য ক্ষতি বয়ে আনে। রাসূল (ﷺ)-কে মক্কা জীবনীতে তথা হিজরতের পূর্বে শুধু হাত গুটিয়ে রাখতে তথা যুদ্ধ হতে বিরত থাকতে আদেশ করা হত। যেমন মহান আল্লাহ বলেন,

اَلَمۡ تَرَ اِلَی الَّذِیۡنَ قِیۡلَ لَہُمۡ کُفُّوۡۤا اَیۡدِیَکُمۡ وَ اَقِیۡمُوا الصَّلٰوۃَ  وَ اٰتُوا الزَّکٰوۃَ

‘তুমি কি তাদের প্রতি লক্ষ্য করনি- যাদেরকে বলা হয়েছিল যে, তোমাদের হস্তসমূহ সংযত রাখ এবং ছালাত প্রতিষ্ঠিত কর ও যাকাত প্রদান কর’ (সূরা আন-নিসা : ৭৭)। এভাবে তাদেরকে কাফেরদের সাথে যুদ্ধ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয়ার কারণ হল- তাদের লড়াই করার শক্তি ছিল না। যদি তারা কাফেরদের কাউকে হত্যা করত, তাহলে কাফেররা তাদের সবাইকে হত্যা করত এবং তাদের সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করত। কারণ তারা ছিল শক্তিশালী এবং সবকিছু ছিল তাদের নিয়ন্ত্রণে। সুতরাং হত্যাকাণ্ডের ফলে শহরে মুসলিমদেরকে হত্যার ঘটনা ঘটে, যেমনটি তুমি এখন দেখছো এবং শুনছো।এটি ইসলামী দাওয়াতের মূলনীতি নয় এবং এটি আল্লাহর পথে জিহাদও নয়। বরং এটি মুসলিমদের উপর  ক্ষতি ও  অনিষ্ট ডেকে আনে। আল্লাহর রাসূল (ﷺ) এবং তাঁর ছাহাবীরা কি মক্কায় থাকাকালীন কাফেরদের সাথে লড়াই করেছিলেন? কখনও নয়। বরং, তাদের তা করতে নিষেধ করা হয়েছিল। তারা কি মক্কায় থাকাকালীন কাফেরদের সম্পত্তি ধ্বংস করেছিল? কখনও নয়, বরং তাদের তা করতে নিষেধ করা হয়েছিল। আল্লাহর রাসূলকে কেবল মক্কায় থাকাকালীন ইসলামের দাওয়াত ও তাবলীগ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যুদ্ধের কথা বলতে গেলে কেবল মদীনাতেই যুদ্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছিল; যখন সেটা ইসলামী রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করেছিল (বোমা হামলা, বিক্ষোভ এবং হত্যাকাণ্ডের বিধান সম্পর্কে আলেমদের ফতওয়ার টেপ রেকর্ড)।

সন্ত্রাসবাদ

সন্ত্রাসবাদ হল এমন প্রত্যেক বিষয় বা কাজ, যা অন্যায়ভাবে মানুষকে ভীত সন্ত্রস্ত করে, তাদের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলে এবং তাদের সম্পত্তি ধ্বংস করে। সারা পৃথিবীতে ফিতনা, বিশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি উস্কে দেয়ার জন্য সন্ত্রাসবাদ পরিচালনাকারী দলগুলোর লক্ষ্য এবং ইচ্ছা অনুসারে সন্ত্রাসবাদের রূপগুলো পরিবর্তিত হয়। ইতিহাসের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, ইসলামের সূচনালগ্নে সাম্প্রদায়িক আনুগত্য ও বন্ধন ভেঙে দেয়ার কারণে এই সন্ত্রাসবাদ শুরু হয়। যুগ যুগ ধরে এর সমাধান অব্যাহত রয়েছে, অথচ এর বিপরীতে প্রাণহানি, সুরক্ষিত সম্পদ লুণ্ঠন এবং  সম্মানহানি চলছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে, আকাশ ও সমুদ্র পথে মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে। ব্যক্তিগত ও সামাজিকভাবে  গুপ্তহত্যা ও বিশৃঙ্খলাপূর্ণ বিক্ষোভ চলছে। বাজারে, আবাসিক কমপ্লেক্সে এবং সরকারি স্থাপনায় নির্বিচারে বোমা হামলা, রাষ্ট্রপ্রধানদের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান, পুলিশ ও নিরাপত্তা কর্মীদেরকে হত্যা এবং  বিভিন্ন ধরণের সন্ত্রাসবাদ চলছে, যার মন্দ প্রভাব সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। আমাদের দেশ, সঊদী আরব (মহান আল্লাহ সব ধরনের খারাপ-অনিষ্ট থেকে রক্ষা করুন) অন্যদের চেয়ে খুব বেশি ভালো নয়, কারণ এটিও অনেক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে। এই অপরাধগুলো ঐ সকল সন্ত্রাসীদের দ্বারা সংঘটিত হয়, যারা নিজেদেরকে শয়তানের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। যাদের উদ্দেশ্য খারাপ, নষ্ট আক্বীদা, বিকৃত চিন্তা-ভাবনা এবং অস্বাভাবিক আকাক্সক্ষা, যা তাদেরকে সমস্ত ধর্মীয় ও মানবিক মূল্যবোধ থেকে বঞ্চিত করেছিল। অতঃপর যারা হেদায়াতের বিনিময়ে ভ্রষ্টতা এবং ক্ষমার বিনিময়ে শাস্তি ক্রয় করেছিল তাদের ব্যাপারে মহান আল্লাহর নিকটে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তির উপস্থিতির কারণে বর্তমান সময়ে সন্ত্রাসবাদ সুসংগঠিত সন্ত্রাসবাদে রূপান্তরিত হয়েছে, যা বিভিন্ন মহাদেশ ও সমুদ্র জুড়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে এবং জাতির জন্য অনেক বড় ক্ষতি ও ধ্বংস ডেকে আনছে। এছাড়া বর্তমানে ধর্মপ্রচার ও সংস্কারের নামে, জিহাদ এবং খেলাফত পুনঃপ্রতিষ্ঠার নামে বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠী দ্বারা পরিচালিত বুদ্ধিবৃত্তিক সন্ত্রাসবাদ বিভিন্ন জায়গা থেকে উদ্ভূত হচ্ছে। অথচ তাদের উচিত ছিল সত্য ও শান্তির পথে মানুষকে আহ্বান করা, কিন্তু কোন এক গোপন শক্তি তাদেরকে পেছনে  থেকে  পরিচালিত করছে।

বিশৃঙ্খলা ও দুর্নীতির প্রচারকদের অন্যতম ‘সা’দ আল-ফকীহ’, ব্রিটেনে আশ্রয় নিয়েছে তার দুর্নীতিগ্রস্থ চ্যানেলের মাধ্যমে তাওহীদ ও সুন্নাহর দেশ, যে দেশকে মহান আল্লাহ ইসলাম দিয়ে সম্মানিত করেছেন, সে দেশের জনগণ তাদের পরস্পরের মাঝে ‘সা‘দ আল-ফকীহ’ তার চ্যানেলের মাধ্যমে বিষাক্ত ভাইরাস ছড়িয়ে দিয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত, আমি কারাগারে থাকা অবস্থায় তার বিভ্রান্তির শিকারদের সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তাদের চোখে-মুখে দুঃখ ও অনুশোচনা প্রতিফলিত হয়েছিল, যা তারা তীব্র যন্ত্রণার সাথে প্রকাশ করেছিল।

শারীরিক সন্ত্রাসবাদের ধরণগুলোর মধ্যে রয়েছে আবু লু’লু আল-মাজূসী যা করেছিল তা হল, ফজরের ছালাতে উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) এবং তার সাথে থাকা ছাহাবীদের হত্যা করা। এই মর্মান্তিক ঘটনায় মুসলিম জাতির অন্তরে কঠিন আঘাত পেয়েছিল এবং এর মাধ্যমে ফিতনার দরজা খুলে গিয়েছিল। যার পেছনে ছিল বুদ্ধিবৃত্তিক সন্ত্রাসবাদের সমর্থকরা এবং তাদের অনুসারীরা, যাদের ভাষা এবং সত্য ধর্মের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও তারা আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আতের বিরুদ্ধে, এমনকি যারা তাদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে চায় তাদের বিরুদ্ধেও ষড়যন্ত্র করছে। এমনিভাবে যেদিন আবূ লু’লু ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে হত্যা করেছিল প্রতিবছর এই দিনে তারা বার্ষিক অনুষ্ঠান উদযাপন করে থাকে, যেখানে তারা আবু লু’লু মাজূসীর নাম উল্লেখ করে ‘বাবা শুজা’ উদযাপন বলে অভিহিত করে। (মহান আল্লাহ তার ওপর গযব নাযিল করুন)।

সন্ত্রাসবাদের কার্যক্রম অব্যাহতভাবে চলমান রয়েছে। আবদুল্লাহ ইবনে সাবা, একজন ইহুদি; যে বাহ্যিকভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিল কিন্তু ভিতরে কুফরি গোপন করেছিল। খলীফার বিরুদ্ধে তার মিথ্যা তথ্য ও অপবাদ দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার পর বহু সংখ্যক মানুষকে তার পক্ষে নিয়ে মদীনায় খলীফা উছমান ইবনে আফফান (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে হত্যা করেছিল। এরপর ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে এবং খারেজী আব্দুর রহমান ইবনে মুলজিম খলীফা আলী ইবনে আবূ তালিবকে কুফায় ফজরের ছালাত পড়তে যাওয়ার পথে হত্যা করে। তারা দশজন জান্নাতের প্রতিশ্রুত ছাহাবীর মধ্যে দু’জন তালহা এবং যুবায়র (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কেও হত্যা করে।  হুসাইন ইবনে আলী এবং আব্দুল্লাহ ইবনে যুবায়ের (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে হত্যার জন্য তারাই দায়ী। এরপরও কি তারা কখনও থামবে? আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, ‘যার হাতে আমার প্রাণ, সেই সত্তার কসম, তারা মানুষের  মেরুদণ্ডের হাড়ের সাথে মিশে আছে অচিরেই তারা বেরিয়ে আসবে। যতক্ষণ না তাদের শেষ ব্যক্তিটি দাজ্জালের বাহিনীর সাথে বেরিয়ে না আসে ততদিন পর্যন্ত তারা বের হতেই থাকবে’। যার প্রমাণ বিদ্যমান, আর সন্ত্রাসবাদের কোন স্বদেশ নেই। ইসলামও এর থেকে ঠিক ততটাই মুক্ত-নির্দোষ যেমন ইউসুফ (আলাইহিস সালাম)-এর রক্ত থেকে নেকড়ে মুক্ত ছিল।

গত শতাব্দীতে সন্ত্রাসীদের একটি কর্মকাণ্ড ঘটেছিল এভাবে যে, বাদশা আব্দুল আযীয (রাহিমাহুল্লাহ) তিনি ১৩৫৩ হিজরীর কোন এক জুমু‘আর দিনে ত্বাওয়াফে ইফাযা করছিলেন এমতাবস্থায় তার ওপর অন্যায়ভাবে এক নিশংস আক্রমণ করা হয়। মহান আল্লাহ ঘাতকদের বিশ্বাসঘাতকতা থেকে তাকে রক্ষা করেছিলেন। শায়খের প্রতি উক্ত হামলাটি তাদের  হিংসা ও বিদ্বেষের বহিঃপ্রকাশ মাত্র। কেননা উক্ত শায়খ এর মাধ্যমে মহান আল্লাহ সুন্নাহকে পুনরুজ্জীবিত করেছিলেন, বিদ‘আতীদের মূলোৎপাটন করেছিলেন এবং মহান আল্লাহর দয়া ও অনুগ্রহে জনগণের সম্পদ ও সম্মান সুরক্ষিত হয়েছিল।

(ইনশাআল্লাহ চলবে)

* শিক্ষক, দারুল হুদা ইসলামী কমপ্লেক্স, বাঘা, রাজশাহী।

তথ্যসূত্র :
[১]. মাজমূঊল ফাতাওয়া ওয়াল মাক্বালাত বিন বায, ৯ম খণ্ড, পৃ. ২৫৩।




যমযমের ইতিহাস ও ফযীলত - ড. ইমামুদ্দীন বিন আব্দুল বাছীর
ইসলামী জামা‘আতের মূল স্তম্ভ (১৩তম কিস্তি) - ড. মুহাম্মাদ মুছলেহুদ্দীন
ইসলামী জামা‘আতের মূল স্তম্ভ (৪র্থ কিস্তি) - ড. মুহাম্মাদ মুছলেহুদ্দীন
ইসলামের দৃষ্টিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষা (৩য় কিস্তি) - মুহাম্মাদ আযীযুর রহমান
মাতুরীদী মতবাদ ও তাদের ভ্রান্ত আক্বীদাসমূহ (২১তম কিস্তি) - আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহীম
ইসলামী জামা‘আতের মূল স্তম্ভ (১২তম কিস্তি) - ড. মুহাম্মাদ মুছলেহুদ্দীন
আল-কুরআন তেলাওয়াতের ফযীলত (৬ষ্ঠ কিস্তি) - আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহীম
বিদ‘আত পরিচিতি (৮ম কিস্তি) - ড. মুহাম্মাদ বযলুর রহমান
ফাযায়েলে কুরআন (৬ষ্ঠ কিস্তি) - আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহীম
বাংলাদেশে ধর্মীয় সংস্কারে আলিমগণের গৃহীত মূলনীতিসমূহ: একটি পর্যালোচনা (৬ষ্ঠ কিস্তি) - ড. মুহাম্মাদ বযলুর রহমান
মাতুরীদী মতবাদ ও তাদের ভ্রান্ত আক্বীদাসমূহ (৬ষ্ঠ কিস্তি) - আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহীম
মাতুরীদী মতবাদ ও তাদের ভ্রান্ত আক্বীদাসমূহ (১৩তম কিস্তি) - আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহীম

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ