মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫২ অপরাহ্ন
উত্তর :  কুমারী অথবা বিধবা উভয়ের ক্ষেত্রেই অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিবাহ হালাল হবে না। এ বিষয়ে ছাহাবীদের মাঝে কোন ইখতিলাফ ছিল না  (আশ-শারহুল কাবীর, ২/২২০; রওযাতুত্ব ত্বালিবীন, ৭/৫০; কাশশাফুল কিনা, ৫/৪৮; মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনে বায, ২১/৩৯ পৃ.; কিতাবুল আওসাত্ব, ৮/২৬৮; তিরমিযী হা/১১০২)। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘এবং যখন তোমরা স্ত্রীদের (রাজয়ী) ত্বালাক্ব দাও এবং তারা তাদের ইদ্দত (নির্দিষ্ট সময়) পূর্ণ করে, তখন তারা যদি বিধিমত পরস্পর সম্মত হয়, তাহলে স্ত্রীগণ নিজেদের স্বামীদেরকে পুনর্বিবাহ করতে চাইলে তাদেরকে বাধা দিও না’ (সূরা আল-বাক্বারাহ: ২৩২)। শাইখ উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘(তাদেরকে বাধা দিও না) শব্দ থেকে স্পষ্ট প্রমাণিত হয় যে, তারা অভিভাবকের অনুমতি ব্যতীত বিবাহ করতে পারবে না। আর যদি কারোর অভিভাবক না থাকে তাহলে অন্য কেউ তার অভিভাবক হয়ে বিবাহ দেবে’ (লিক্বাউশ শাহরী, লিক্বা নং-৭৬)।

নবী (ﷺ) বলেছেন, لَا نِكَاحَ إِلَّا بِوَلِيٍّ ‘অভিভাবক ছাড়া কোন বিয়ে হতেই পারে না’ (আবূ দাঊদ, হা/২০৮৫; তিরমিযী, হা/১১০১; ইবনু মাজাহ, হা/১৮৮১; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৯৫১৮)। আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, কোন মহিলা তার অভিভাবকের অনুমতি ব্যতীত বিবাহ করলে তার বিবাহ বাতিল, তার বিবাহ বাতিল, তার বিবাহ বাতিল। আর তার স্বামী তার সাথে সহবাস করলে, সে স্বামীর নিকট মোহরানার অধিকারী হবে, তার লজ্জাস্থান হালাল মনে করার জন্য। যদি উভয় পক্ষের (অভিভাবকদের) মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়, তাহলে শাসক হবেন তার অভিভাবক। কারণ যাদের অভিভাবক নেই তার অভিভাবক শাসক’ (তিরমিযী, হা/১১০২; আবূ দাঊদ, হা/২০৮৩; ইবনু মাজাহ, হা/১৮৭৯, সনদ ছহীহ)।

আবু হুরাইরা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূল  (ﷺ) বলেছেন, কোন মহিলা অপর কোন মহিলাকে বিবাহ দিবে না এবং কোন মহিলা নিজেকেও বিবাহ দিবে না’ (ইবনু মাজাহ, হা/১৮৮২; ইরওয়াউল গালীল, হা/১৮৪১)। শাইখ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) ও জামহূর আলেমদের মতানুযায়ী কুমারী অথবা বিধবা উভয়ের ক্ষেত্রেই অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিবাহ হালাল হবে না (মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনে বায, ২১/৩৯; কাশফুল কিনা‘, ৫/৪৮ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : আকরাম, মানিকগঞ্জ।





প্রশ্ন (৩০) : জনৈক ব্যক্তি সন্তানের প্রতি যত্ন নেন না। কিন্তু অন্য কাজের প্রতি খুবই যত্নবান। এ সম্পর্কে শরী‘আতের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : জনৈক বক্তা বলেন, বাক্বী গোরস্থানে কবর দেয়া হয়েছে এমন সত্তর হাজার মানুষ বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে, যাদের মুখমণ্ডল হবে পূর্ণিমা চাঁদের মত। উক্ত বক্তব্য সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : স্ত্রী সুস্থ থাকার পরও সহবাস করতে না চাইলে জোর করে সহবাস করলে কী তার উপর যুলম হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : সন্তানের উপর হজ্জ ফরয হলে সেই টাকা দিয়ে পিতা-মাতাকে হজ্জে পাঠানো যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : চেয়ারে বসে ছালাত আদায় করা যাবে কি? যদি যায়, তবে চেয়ার কাতারের কোথায় রাখতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : কারো সাথে আলাপ করার পর বিদায়ের সময় ‘আল্লাহ হাফেয’ বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : কোন্ ছাহাবী তাঁর হাত দিয়ে আগুনকে পাহাড়ের গর্তে ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : বহু ব্যবসায়ী খাবারে বিষাক্ত কেমিক্যাল বা ভেজাল মিশিয়ে ব্যবসা করছে। এদের পরিণাম কী হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : বিবাহ করা ফরয, না-কি সুন্নাত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ‘ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা’ বইয়ের ইবাদত অধ্যায়ের পাঠ-২ এ লিখা আছে, ‘উৎপন্ন শস্যের যাকাত ধান, গম, যব, খেজুর ইত্যাদি শস্য সেচ প্রদান ছাড়া বৃষ্টির পানিতে জন্মালে ‘প্রয়োজনের অতিরিক্ত’ সব ফসলের দশ ভাগের এক ভাগ যাকাত আদায় করতে হবে। একে উশর বলে। আর সেচ ব্যবস্থায় উৎপন্ন ফসলের বিশ ভাগের এক ভাগ যাকাত আদায় করতে হয়’। প্রশ্ন হল- ‘প্রয়োজনের অতিরিক্ত’ কথাটি কি সঠিক? এর ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : হজ্জ ও ওমরাতে যাওয়া উপলক্ষে সমস্ত আত্মীয়-স্বজন ও গ্রামের মানুষকে দাওয়াত দিয়ে ব্যাপক আকারে খাবার অনুষ্ঠান করা ও তাতে অংশগ্রহণ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : ইমাম সূরা ফাতিহা শুরু করার পর ছালাতে দাঁড়ালে ছানা পড়তে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ