উত্তর : ঋণ থাকা অবস্থায় উমরা করলে উমরা হবে না এমন ধারণা সঠিক নয়। উমরার রুকন ও শর্তসমূহ পালন করলে ইনশাআল্লাহ উমরা কবুল ও শুদ্ধ হবে। ইসলামে ‘বান্দার হক’ বা ঋণ পরিশোধ করা একটি ‘ওয়াজিব’ বা আবশ্যিক কর্তব্য। অন্যদিকে নফল উমরা একটি মুস্তাহাব বা ঐচ্ছিক ইবাদত। শাইখ মুহাম্মাদ বিন ছালিহ আল-উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ)-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘যদি কারো ওপর ঋণ থাকে, তবে সে যেন হজ ও উমরার আগে ঋণ পরিশোধের মাধ্যমে শুরু করে’ (মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল, ২১/৯৬ পৃ.)। তবে তিনি এও স্পষ্ট করেছেন যে, যদি উমরার ব্যয় পাওনাদারের হকের ওপর প্রভাব না ফেলে, তবে তা জায়েয। প্রবাসী ভাইদের ক্ষেত্রে যদি উমরার খরচ খুবই সামান্য হয় এবং তার যাতায়াত বা খাবারের ব্যবস্থা নিয়োগকর্তা বা অন্য কেউ করে দেন, যার ফলে তার সঞ্চিত অর্থে কোন টান না পড়ে, তবে তাদের উমরা করতে কোন বাধা নেই।
প্রশ্নকারী : যুবাইর, নেত্রকোনা।