বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন
উত্তর : তিনিই ইমাম মাহদী। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘ক্বিয়ামত পর্যন্ত আমার উম্মতের একটি দল সত্য দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত থেকে বাতিলের বিরুদ্ধে লড়তে থাকবে এবং অবশেষে ঈসা (আলাইহিস সালাম) অবতরণ করবেন। তৎকালীন মুসলিমদের আমীর বলবেন, ‘আসুন ছালাতে আমাদের ইমামাতি করুন! তিনি বলবেন, না! বরং আপনাদের ইমাম আপনাদের মধ্য হতেই নিযুক্ত হবেন। এ হল আল্লাহ তা‘আলা প্রদত্ত এ উম্মতের সম্মান’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৫৬; আহমাদ, হা/১৫১২৭)। অন্য বর্ণনায় এসেছে, فيقول أميرهم المهدي ‘তখন তাদের আমীর ইমাম মাহদী বলবেন’। এই হাদীছ সম্পর্কে ইমাম ইবনুল ক্বাইয়িম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, হাদীছের সনদ ভাল (আল-মানারুল মুনীফ, পৃ. ১৪৭-১৪৮)। নবী (ﷺ) আরো বলেন যে, كَيْفَ أَنْتُمْ إِذَا نَزَلَ فِيْكُمُ ابْنُ مَرْيَمَ فَأَمَّكُمْ مِنْكُمْ ‘সেদিন তোমাদের অবস্থা কেমন হবে, যেদিন তোমাদের মধ্যে ঈসা ইবনু মারইয়াম (আলাইহিস সালাম) অবতরণ করবেন এবং তোমাদেরই মধ্যে হতে একজন তোমাদের ইমাম হবেন’। অর্থাৎ ঈসা (আলাইহিস সালাম) তোমাদের সাথে জামা‘আতে শরীক হয়ে তোমাদের ইমামের পিছনে ছালাত আদায় করবেন’ (ছহীহ বুখারী, হা/৩৪৪৯; ছহীহ মুসলিম, হা/১৫৫)।

ছহীহ মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে, ‘...যখন মুসলিম বাহিনী দাজ্জালের সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ করবেন এবং সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান হতে শুরু করা মাত্রই তৎক্ষণাৎ ছালাতের উদ্দেশ্যে মুয়াযযিন কর্তৃক ইক্বামাত দেয়া হবে এবং এ মুহূর্তে ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (আলাইহিস সালাম) আকাশ থেকে দামিশক্বের জুমু‘আহ মসজিদের মিনারায় অবতরণ করবেন এবং মুসলিমদের ইমামতি করে ছালাত আদায় করাবেন। আল্লাহর শত্রু দাজ্জাল তাঁকে দেখা মাত্রই এমনভাবে বিগলিত হয়ে যাবে, যেমনভাব লবণ পানিতে মিশে যায়। যদি ঈসা (আলাইহিস সালাম) তাকে এমনিই ছেড়ে দেন, তবে সে নিজে নিজেই বিগলিত হয়ে ধ্বংস হয়ে যাবে। অবশ্য আল্লাহ তা‘আলা ঈসা (আলাইহিস সালাম)-এর হাতে তাকে হত্যা করাবেন এবং রক্তমাখা সে বর্শাটি তিনি লোকেদের সকলকেই দেখাবেন (ছহীহ মুসলিম, হা/২৮৯৭; ছহীহুল জামি‘, হা/৭৪৩৩; আল-মুসতাদরাক লিল হাকিম, হা/৮৪৮৬; মিশকাত, হা/৫৪২১)।


প্রশ্নকারী : জাকির হোসেন, চাঁদপুর।





প্রশ্ন (১৩) : জনৈক মাযহাবী ভাই বলেছে যে, দুই রাক‘আত ছালাত মাযহাবের অনুসরণ ব্যতীত আদায় করা সম্ভব নয়। যেমন, ‘রুকূতে যাওয়ার সময় ইমামের জোরে তাকবীর আর মুছল্লীর আস্তে তাকবীর দেয়া’ মাসয়ালটি মাযহাবের সাহায্য ছাড়া সমাধান করা সম্ভব নয়। কেননা উক্ত মাসয়ালা কুরআন ও হাদীছে কোথায় নেই। প্রশ্ন হল- তার উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : মুক্তচিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা কি ইসলামে অনুমদিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : আমার পরিবার আমার বোনের বিয়ের সময় যৌতুকে রাজি হয় এবং বিয়ে দেয়। এখন তারা যদি তা পরিশোধ না করে মারা যায়, তাহলে কি আমি সেগুলো পরিশোধ করতে পারব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : ইসলামে হিল্লা বিয়ে কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : মাজার সংশ্লিষ্ট মসজিদে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : জনৈক ব্যক্তির উপর তার পিতা-মাতা অযথা যুলুম করে। সে জন্য পিতা-মাতার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাচ্ছে। এটা কি উচিত হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : পরিকল্পিতভাবে, ষড়যন্ত্রপূর্বক বা হিংসা করে জমি-জায়গা বা অন্য কোন বস্তুর মূল্য বাড়িয়ে দেয়া কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : খিলাফাতে রাশিদার রাজনৈতিক কাঠামো ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া কেমন ছিল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : কারো স্বামী যদি ফেসবুক, ইমু, মেসেঞ্জারে অন্য মেয়েদের সাথে চ্যাট করে, প্রেমালাপ করে তবে স্বামীকে ঐ পথ থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য স্ত্রী কী করতে পারে? স্বামীর মনে স্ত্রীর প্রতি প্রচ- ভালোবাসা সৃষ্টির জন্য বিশেষ কোন আমল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : দাড়ি একমুষ্টি রেখে বাকি অংশ কাটা যাবে কি? যেখানে ছহীহ বুখারীর ৫৮৯২ নম্বর হাদীছে এসেছে, ইবনু ওমর (রাযিয়াল্লাহ আনহুমা) সূত্রে নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, তোমরা মুশরিকদের উল্টো করবে- দাড়ি লম্বা রাখবে, গোঁফ ছোট করবে। ইবনু ওমর (রাযিয়াল্লাহ আনহুমা) যখন হজ্জ বা ওমরাহ করতেন, তখন তিনি তাঁর দাড়ি মুষ্টি করে ধরতেন এবং মুষ্টির বাইরে যতটুকু বেশি থাকত, তা কেটে ফেলতেন। এছাড়া আরো হাদীছ এসেছে। এই বিষয়ে সঠিক সমাধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : আমার বন্ধু অনলাইনে জুয়া খেলে টাকা উপার্জন করে। অতঃপর ঐ টাকা দিয়ে মাঝে মাঝে আমাদের নাস্তা ও চা বিস্কুট খাওয়ায়। এক্ষেত্রে আমাদের খাওয়াটা কি হারাম হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮): একজন তরুণী মহিলা ডাক্তার। যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের নিকট এমন বিষয় ব্যাখ্যা করেন, যার কারণে তিনি এমন কিছু নড়াচড়া করে থাকেন, যা ছাত্রদের সামনে করা উচিত নয়। প্রশ্ন হল- তার দিকে তাকানোর বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ