বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:৫২ অপরাহ্ন
উত্তর : অবশ্যই মুসলিম বলা যাবে। তবে ঘৃণা ও প্রতিবাদ না করার জন্য তাকে গুনাহগার হতে হবে। নিঃসন্দেহে সৎ কাজের নির্দেশদান এবং অসৎ কাজে বাধাদান করা ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ। রাসূল (ﷺ) অন্যায় কাজের প্রতিবাদের তিনটি স্তর বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন,

‏مَنْ رَأَى مِنْكُمْ مُنْكَرًا فَاسْتَطَاعَ أَنْ يُغَيِّرَهُ بِيَدِهِ فَلْيُغَيِّرْهُ بِيَدِهِ فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهِ فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ وَذَلِكَ أَضْعَفُ الإِيمَانِ

‘তোমাদের মধ্যে কেউ অন্যায় কাজ হতে দেখলে এবং তার দৈহিক শক্তি দিয়ে প্রতিহত করার সামর্থ্য থাকলে সে যেন তা সেভাবেই প্রতিহত করে। তার সেই সামর্থ্য না থাকলে সে যেন মুখের কথা দ্বারা তা প্রতিহত করে। আর তার সেই সামর্থ্যও না থাকলে সে যেন মনে মনে তাকে ঘৃণা করে। তা হল সবচেয়ে দুর্বল ঈমান’ (ছহীহ মুসলিম, হা/৪৯)। এ দায়িত্ব প্রত্যেক মুসলিমের উপর নিজ নিজ সামর্থ্য ও অবস্থান অনুযায়ী অপরিহার্য। ঈমানের দাবী হল- শক্তি থাকলে হাত দিয়ে অন্যায়কে প্রতিহত করবে। তা না হলে মুখ দ্বারা প্রতিবাদ করবে। তাও না হলে অন্ততপক্ষে অন্তর থেকে ঘৃণা। সুতরাং কেউ যদি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও প্রতিবাদ না করে কিংবা অপারগ অবস্থায় অন্তর থেকে ঘৃণাও না করে, তাহলে সে অবশ্যই গুনাহগার হবে, কিন্তু ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাবে না (তাফসীরে কুরতুবী, ৬/২৫৩; ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমা, ৪/৭৩-৭৫; মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনে বায, ৩/২১২-২১৩ ও ৪/৫০)।

ইমাম নববী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ করা ফারযে কিফায়াহ। কিছু মানুষ করলে সকলেই মুক্ত হয়ে যাবে, আর সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কেউ না করলে সকলেই গুনাহগার হবে। তবে জান ও মালের ক্ষতির ভয় থাকলে হাত ও মুখ দিয়ে প্রতিবাদ করার হুকুম রহিত হয়ে যায়, তখন অন্তর থেকে ঘৃণা করা অপরিহার্য হয়ে যায় (শারহু ছহীহ মুসলিম, ২/২৩ ও ১২/২৩০ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : পারভেজ,  রাজশাহী।





প্রশ্ন (১৯) : ‘ষাট বছরের জীবনে কেউ এক ওয়াক্ত ছালাত ছেড়ে দিলেও সে কাফের’। সালাফদের থেকে এরকম কোন বক্তব্য পাওয়া যায় কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : ইসলামে শ্রমের মর্যাদা সম্পর্কে কী বলা হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : বিভিন্ন এলাকায় মানুষ মারা গেলে বাড়ি থেকে জানাযার স্থানে নেয়ার সময় চল্লিশ কদম পর্যন্ত গণনা করা হয়। প্রতি দশ কদম পর পর খাটিয়া বহনকারী লোকদের পরিবর্তন করা হয়। এটা কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : কোন বিদ‘আতী মারা গেলে তার জন্য দু‘আ করা এবং তার প্রশংসা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : অনেকেই হাই তোলার পর أَعُوْذُ بِاللهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ বলে থাকে। এব্যাপারে কি কোন হাদীছ বর্ণিত হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : সক্ষম বাবা-মায়ের উপর সাবালক ছেলের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের দায় আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : ‘হারূত-মারূত’ এবং ‘যোহরা’ নামক মহিলার ব্যাপারে সমাজে প্রচলিত কাহিনী কি সত্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : ওযূ করার পর দু‘আ পড়তে হয়। কিন্তু তায়াম্মুম করলে কী দু‘আ পড়তে হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : বিবাহের পূর্বে যদি কেউ বলে, আমি অমুক কাজ করলে বিবাহের পর আমার স্ত্রী ত্বালাক হয়ে যাবে। আমি যাকে বিবাহ করব সে ত্বালাক্ব। এগুলো বললে কি ত্বালাক্ব কার্যকর হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : যদি সূদ বা হারামে জড়িত থাকা অবস্থায় হারাম ছাড়া দু‘আ করে, তাহলে দু‘আ কবুল হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : সুন্নাতে মুওয়াক্কাদাহ কাকে বলে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : এক তাশাহ্হুদ বিশিষ্ট ছালাত তথা এক বা দুই রাক‘আত বিশিষ্ট ছালাতের সময় কিভাবে বসতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ