উত্তর : ইসলামিক বা মানবিক সংবাদের উদ্দেশ্য মহৎ হলেও তা প্রচারের মাধ্যম শরী‘আতসম্মত হওয়া আবশ্যক। এ বিষয়ে শরঈ সিদ্ধান্ত হচ্ছে: ১. মন্দ মাধ্যমে ভালো কাজ নয়। ইসলামের একটি মূলনীতি হল- ‘মহৎ উদ্দেশ্য কোন অবৈধ মাধ্যমকে বৈধ করতে পারে না’। ইসলামিক নিউজের নাম দিয়ে পর্দার বিধান লঙ্ঘন করা বা কোন নারীকে বেপর্দাভাবে উপস্থাপন করা শরী‘আত বিরোধী। ২. গুনাহে সহযোগিতা: সামাজিক মাধ্যমে কোন ভিডিওতে ‘লাইক’ দেয়ার অর্থ হল সেটির প্রচার বাড়িয়ে দেয়া। বেপর্দা নারীর ভিডিওতে লাইক দিলে তা আরও মানুষের কাছে পৌঁছে যায়, যা পরোক্ষভাবে গুনাহের কাজে সহযোগিতার শামিল। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা পাপ ও সীমালঙ্ঘনের কাজে একে অপরের সহযোগিতা করো না’ (সূরা আল-মায়িদাহ : ২)। ৩. দৃষ্টির হিফাযত: মুমিনদের ওপর পর-নারীর দিক থেকে দৃষ্টি অবনত রাখা ফরয (সূরা আন-নূর : ৩০)। যে ভিডিওটি দেখা বৈধ নয়, তাতে লাইক দিয়ে সমর্থন জানানো তাক্বওয়া বিরোধী কাজ। সুতরাং কেবল ভালো সংবাদের দোহাই দিয়ে বেপর্দা নারী উপস্থাপিত ভিডিওতে লাইক দেয়া জায়েয নয়। এতে পর্দা লঙ্ঘনের প্রতি পরোক্ষ সমর্থন ও গুনাহের প্রচার ঘটে। সুতরাং এ থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।
প্রশ্নকারী : আব্দুর রাযযাক, বরিশাল।