বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন
উত্তর :  কোন মেয়েকে পসন্দ হলে অভিভাবকের মাধ্যমে বিয়ের প্রস্তাব দেয়া বৈধ। বরং এটি স্বাভাবিক ও সুন্নতসম্মত একটি পথ। রাসূল (ﷺ) বলেছেন,  ‘যখন তোমাদের কারো কাছে এমন কেউ প্রস্তাব নিয়ে আসে যার দ্বীন ও চরিত্র তোমরা পসন্দ কর, তবে তাকে বিয়ে দাও’  (তিরমিযী, হা/১০৮৪)। আরেক হাদীছে এসেছে, ‘নারীকে চারটি বিষয় দেখে বিয়ে করা হয়: তার সম্পদ, বংশ, সৌন্দর্য ও দ্বীন। তুমি দ্বীনদার নারীকে বেছে নাও, তাতে তুমি সফল হবে’ (ছহীহ বুখারী, হা/৫০৯০; ছহীহ মুসলিম, হা/১৪৬৬)। শাইখ বিন বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘যদি কোন পুরুষ কোন নারীকে পসন্দ করে এবং তার দ্বীন ও চরিত্রে সন্তুষ্ট হয়, তবে তার জন্য বৈধ উপায়ে (অভিভাবকের মাধ্যমে) বিয়ের প্রস্তাব দেয়া বৈধ; এতে কোন দোষ নেই’ (মাজমূ ফাতওয়া, ইবনু বায, ২০/৪২১ পৃ.)। বিয়ের ক্ষেত্রে আসল বিবেচ্য বিষয় হল দ্বীন ও চরিত্র। সৌন্দর্য বা সম্পদ সাময়িক, কিন্তু দ্বীন মানুষের জীবন ও পরিবারকে স্থিতিশীল করে (লিক্বাউল বাব আল-মাফতূহ, সাক্ষাৎকার নং ৫২)। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘সৎ নারীরা অনুগত এবং স্বামীর অনুপস্থিতিতে আল্লাহর হেফাযতে নিজেদের রক্ষা করে’ (সূরা আন-নিসা : ৩৪)।

এই আয়াত ও হাদীছসমূহ থেকে আলেমগণ যে বৈশিষ্ট্যগুলো উল্লেখ করেছেন, তা হলো- দ্বীনদার মেয়ের প্রধান বৈশিষ্ট্য নিয়মিত ছালাত আদায় করে। পর্দা ও লজ্জাশীলতা বজায় রাখে। চরিত্র ও আমানতের ব্যপারে রক্ষণশীল। স্বামীর প্রতি অনুগত (শরী‘আতসম্মত বিষয়ে)। হারাম থেকে বেঁচে থাকে এবং হালালের প্রতি যত্নশীল উত্তম আচরণ ও নরম স্বভাবের অধিকারী। সঊদী আরবের বর্তমান গ্রান্ড মুফতি আল্লামা ছালিহ আল-ফাওযান (হাফিযাহুল্লাহ) বলেন, ‘দ্বীনদার নারী সেই, যে আল্লাহর অধিকার ও বান্দার অধিকার যথাযথভাবে আদায় করে এবং নিজের চরিত্রকে সংরক্ষণ করে’ (আল-মুনতাক্বা, ৩/১২০ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : মাহিন ভূঁইয়া, ঢাকা কলেজ।





প্রশ্ন (২০) : অন্যান্য ধর্মের পূজা, মন্দির বা গির্জা দেখার জন্য যাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : একজন মেয়ে বিয়ে হওয়ার পরে তার স্বামীর হুকুম মানবে, না পিতার হুমুক মানবে? যদি পিতার অবাধ্য হয় তাহলে কি সে গুনাহগার হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : ‘ইসলামিক নিউজ’ বা ‘মানবিক নিউজ’ টিভিতে বেপর্দা নারী পাঠ করছে- এমন ভিডিওতে লাইক দেয়া যাবে কি? ইনটেশন, নিউজ যেহেতু কল্যাণকর তাই সমর্থন জানিয়ে লাইক দেয়া হয়। এটা কি ঠিক হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : আমাদের এলাকায় মসজিদে লেখা রয়েছে যে, ‘লাল বাতি জ্বললে সুন্নাতের নিয়ত করবেন না’। এটা কতটুকু শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : যদি কারো ফজরের ছালাত ক্বাযা হয়ে যায় এমন অবস্থায় যোহরের ওয়াক্ত এসে যায়, তাহলে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : ছালাতের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পূর্বেই আযান দিলে আযান শুদ্ধ হবে কি? এক্ষেত্রে করণীয় কী?. - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : খাটে ঘুমানো, দস্তর খানা কিংবা ডাইনিং টেবিলে খাওয়া ও চেয়ারে বসা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : মহিলারা কি কুরবানীর পশু যব্হ করতে পারে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : জনৈক আলেম বলেন, যে ব্যক্তি জুম‘আর দিন আগে আগে মসজিদে উপস্থিত হবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। এ মর্মে কোন দলীল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : জাহান্নামের দরজা সাতটি মর্মে কোন দলীল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : অনেকে জ্বর এবং যাবতীয় বেদনার জন্য নিম্নের দু‘আটি আমল করেন- بِسْمِ اللهِ الْكَبِيْرِ أَعُوْذُ بِاللهِ الْعَظِيْمِ مِنْ شَرِّ كُلِّ عِرْقٍ نَعَّارٍ وَّمِنْ شَرِّ حَرِّ النَّارِ  ‘মহান আল্লাহ্র নামে, মর্যাদাবান আল্লাহ্র নিকট আশ্রয় চাচ্ছি সমস্ত রক্তপূর্ণ শিরার অপকার হতে এবং জাহান্নামের উত্তাপ হতে’। এই দু‘আ পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : মসজিদের জমি ওয়াক্ফ হতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ